Skip to content

Bangladesh and Global Studies chapter 5: Continents and Oceans

মহাদেশ ও মহাসাগর

  • Bangladesh and Global Studies
  • Textbook pages 42-52
  • 1 source
  • 10,195 characters of context

Textbook (verbatim transcription): Continents and Oceans

Verbatim transcription of the printed NCTB textbook pages.

Contents11

Printed page 42

অধ্যায় : ৫

মহাদেশ ও মহাসাগর

১ মহাদেশ

আমরা পৃথিবীতে বসবাস করি। পৃথিবী সৌরজগতের একটি গ্রহ। এটি দেখতে গোলাকার, তবে উত্তর ও দক্ষিণে কিছুটা চাপা। পৃথিবীর উপরিভাগে আছে স্থলভাগ ও জলভাগ। স্থলভাগ সমভূমি, মালভূমি, পাহাড়, পর্বত ও মরুভূমি নিয়ে গঠিত। পৃথিবীর চার ভাগের এক ভাগ স্থলভাগ।

Figure: বিশ্ব মানচিত্রে মহাদেশ

লেবেল: উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ, এশিয়া, আফ্রিকা, দক্ষিণ আমেরিকা, ওশেনিয়া, এন্টার্কটিকা, উ, প, পূ, দ বর্ণনা: বিশ্ব মানচিত্র; প্রতিটি মহাদেশ ভিন্ন রঙে দেখানো হয়েছে। উত্তর আমেরিকা ও দক্ষিণ আমেরিকা পশ্চিমে, ইউরোপ ও আফ্রিকা মধ্যভাগে, এশিয়া উত্তর-পূর্বে এবং ওশেনিয়া দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত। নিচে এন্টার্কটিকা দেখানো হয়েছে। মানচিত্রের কোণে একটি দিক-নির্দেশক চিহ্ন (উ, প, পূ, দ) আছে।

পৃথিবীর স্থলভাগকে সাতটি মহাদেশে ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটি মহাদেশে রয়েছে অনেক দেশ। সবচেয়ে বড়ো মহাদেশ হলো এশিয়া। সবচেয়ে ছোটো মহাদেশ হলো অস্ট্রেলিয়া/ওশেনিয়া।

Printed page 43

ক) মানচিত্রে স্থলভাগ চিহ্নিত করি এবং পূর্বের পৃষ্ঠায় প্রদত্ত মানচিত্রে মহাদেশ খুঁজে বের করে নিচে লিখি–

Figure

লেবেল: মহাদেশ বর্ণনা: কেন্দ্রে একটি অর্ধবৃত্তাকার চিহ্নে "মহাদেশ" লেখা। এর সঙ্গে সংযুক্ত ছয়টি ফাঁকা আয়তাকার ঘর, যেখানে মহাদেশের নাম লিখতে হবে; তিনটি ঘর বাম দিকে এবং তিনটি ডান দিকে সাজানো।

খ) মানচিত্র দেখে মহাদেশের নাম লিখি–

Figure

লেবেল: (কোনো লেবেল নেই) বর্ণনা: বিশ্ব মানচিত্রের ওপর সাতটি স্থানে কালো বিন্দু ও তির চিহ্ন দেওয়া হয়েছে। তিরগুলো মানচিত্রের ডান পাশে সাতটি ফাঁকা ঘরের দিকে গেছে, যেখানে মহাদেশের নাম লিখতে হবে।

Printed page 44

গ) মহাদেশগুলো ভিন্ন ভিন্ন রং করি ও নাম লিখি–

Figure

বর্ণনা: বিশ্ব মানচিত্রের খালি রূপরেখা (শুধু দেশের সীমানা ও উপকূলরেখা), যার মধ্যে কোনো রং বা নাম নেই। রঙ করা ও নাম লেখার জন্য ব্যবহৃত হবে। কোণে দিক-নির্দেশক চিহ্ন (উ, প, পূ, দ) আছে।

Printed page 45

২ মহাসাগর

পৃথিবীর চার ভাগের তিন ভাগ জল আর একভাগ স্থল। স্থলভাগের চারপাশে আছে বিশাল লবণাক্ত জলরাশি। এই লবণাক্ত জলরাশিই মহাসাগর। পৃথিবীতে মোট পাঁচটি মহাসাগর রয়েছে। প্রশান্ত মহাসাগর সবচেয়ে বড়ো এবং আর্কটিক মহাসাগর সবচেয়ে ছোটো।

Figure: বিশ্ব মানচিত্রে মহাসাগর

লেবেল: আর্কটিক মহাসাগর, আটলান্টিক মহাসাগর, প্রশান্ত মহাসাগর, প্রশান্ত মহাসাগর, ভারত মহাসাগর, দক্ষিণ মহাসাগর বর্ণনা: বিশ্ব মানচিত্র; মহাসাগরের নাম মানচিত্রের নীল অংশে লেখা। আর্কটিক মহাসাগর উত্তরে, আটলান্টিক মহাসাগর আমেরিকা ও ইউরোপ-আফ্রিকার মাঝে, প্রশান্ত মহাসাগর দুই পাশে (আমেরিকার পশ্চিমে ও এশিয়া-অস্ট্রেলিয়ার পূর্বে), ভারত মহাসাগর আফ্রিকা ও এশিয়া-অস্ট্রেলিয়ার মাঝে এবং দক্ষিণ মহাসাগর নিচের দিকে অবস্থিত।

ক) মানচিত্রে জলভাগ চিহ্নিত করি এবং উপরের মানচিত্রে মহাসাগর খুঁজে বের করে নিচে লিখি–

Figure

লেবেল: মহাসাগর বর্ণনা: কেন্দ্রে একটি অর্ধবৃত্তাকার চিহ্নে "মহাসাগর" লেখা। এর সঙ্গে সংযুক্ত পাঁচটি ফাঁকা গোলাকার ঘর, যেখানে মহাসাগরের নাম লিখতে হবে; দুটি ঘর উপরে বাম ও ডান পাশে, দুটি মাঝের স্তরে বাম ও ডান পাশে এবং একটি নিচে মধ্যভাগে।

Printed page 46

খ) পূর্বের পৃষ্ঠার মানচিত্র পর্যবেক্ষণ করি ও নিচের ছকে তথ্য লিখি–

অবস্থান ও ধরনমহাসাগরের নাম
এশিয়া ও ইউরোপের উপরে অবস্থিত মহাসাগর
এশিয়ার নিচে অবস্থিত মহাসাগর
দক্ষিণ আমেরিকার বামে অবস্থিত মহাসাগর
সবচেয়ে বড়ো মহাসাগর
সবচেয়ে ছোটো মহাসাগর

গ) নিচে দেওয়া তালিকা থেকে মহাদেশ ও মহাসাগরের নাম খুঁজে বের করে ছকে তালিকা তৈরি করি–

এন্টার্কটিকা, প্রশান্ত, অস্ট্রেলিয়া, ভারত, আটলান্টিক, এশিয়া, আফ্রিকা, দক্ষিণ

মহাদেশমহাসাগর

ঘ) জলভাগ নীল রং করি এবং মহাসাগরগুলোর অবস্থান চিহ্নিত করে নাম লিখি–

Figure

লেবেল: উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ, এশিয়া, আফ্রিকা, দক্ষিণ আমেরিকা, ওশেনিয়া, এন্টার্কটিকা; কম্পাস: উ, দ, পূ, প; স্কেল: ০ ৩২০০ কি.মি. বর্ণনা: পৃথিবীর একটি ফাঁকা মানচিত্র, যেখানে মহাদেশগুলোর সীমারেখা ও অক্ষাংশ-দ্রাঘিমা রেখা দেখানো আছে। কিছু মহাদেশের নাম মানচিত্রে লেখা আছে, বাকিগুলো ফাঁকা। উপরে ডানদিকে একটি কম্পাস এবং নিচে বাঁ দিকে একটি স্কেল আঁকা আছে।

Printed page 47

৩ মহাদেশের ভৌগোলিক বৈচিত্র্য

পৃথিবীর মহাদেশগুলোর ভৌগোলিক বৈচিত্র্য :

এশিয়া মহাদেশ

◊ এশিয়া সবচেয়ে বড়ো মহাদেশ। ◊ পৃথিবীর উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট এখানে অবস্থিত।

Figure: এশিয়া

বর্ণনা: সবুজ রঙে চিহ্নিত এশিয়া মহাদেশ একটি গ্লোবে দেখানো হয়েছে।

Figure: মাউন্ট এভারেস্ট

বর্ণনা: বরফে ঢাকা একটি উঁচু পর্বতশৃঙ্গের ছবি, মাউন্ট এভারেস্ট।

আফ্রিকা মহাদেশ

◊ আফ্রিকা দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ। ◊ পৃথিবীর সবচেয়ে বড়ো মরুভূমি সাহারা এখানে অবস্থিত। ◊ প্রাচীন সভ্যতা ও জীববৈচিত্র্যের জন্য আফ্রিকা বিখ্যাত।

Figure: আফ্রিকা

বর্ণনা: সবুজ রঙে চিহ্নিত আফ্রিকা মহাদেশ একটি গ্লোবে দেখানো হয়েছে।

Figure: সাহারা মরুভূমি

বর্ণনা: বালুর টিলাযুক্ত একটি মরুভূমির দৃশ্য।

উত্তর আমেরিকা মহাদেশ

◊ উত্তর আমেরিকা পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম মহাদেশ। ◊ এ মহাদেশের বরফ ঢাকা উত্তর মেরু অঞ্চলে এস্কিমোরা বাস করে। তাদের ঘর বরফে তৈরি।

Figure: উত্তর আমেরিকা

বর্ণনা: সবুজ রঙে চিহ্নিত উত্তর আমেরিকা মহাদেশ একটি গ্লোবে দেখানো হয়েছে।

Figure: এস্কিমো

বর্ণনা: শীতের পোশাক পরা কয়েকজন মানুষের দল, পেছনে বরফের দৃশ্য।

দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ

◊ দক্ষিণ আমেরিকা পৃথিবীর চতুর্থ বৃহত্তম মহাদেশ। ◊ পৃথিবীর বৃহদাকার সাপ এনাকোন্ডা এখানে বাস করে।

Figure: দক্ষিণ আমেরিকা

বর্ণনা: সবুজ রঙে চিহ্নিত দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ একটি গ্লোবে দেখানো হয়েছে।

Figure: এনাকোন্ডা

বর্ণনা: বালুময় জায়গায় কুণ্ডলী পাকানো একটি বড়ো সাপ।

Printed page 48

এন্টার্কটিকা মহাদেশ

◊ আয়তনে মহাদেশগুলোর মধ্যে এন্টার্কটিকা পঞ্চম। ◊ এন্টার্কটিকা মহাদেশ সারা বছর বরফে ঢাকা থাকে। ◊ পেঙ্গুইন এ মহাদেশের বিখ্যাত পাখি।

Figure: এন্টার্কটিকা

বর্ণনা: সবুজ রঙে চিহ্নিত এন্টার্কটিকা মহাদেশ একটি গ্লোবে দেখানো হয়েছে।

Figure: পেঙ্গুইন

বর্ণনা: বরফের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকটি পেঙ্গুইন, তাদের মধ্যে ছোটো বাচ্চাও আছে।

ইউরোপ মহাদেশ

◊ মহাদেশগুলোর মধ্যে ইউরোপ মহাদেশ আয়তনের দিক দিয়ে ষষ্ঠ। ◊ পৃথিবীর সবচেয়ে ছোটো দেশ ভ্যাটিকান সিটি এ মহাদেশে অবস্থিত। ◊ ইউরোপের উত্তর অঞ্চলে ঠান্ডা অনেক বেশি।

Figure: ইউরোপ

বর্ণনা: সবুজ রঙে চিহ্নিত ইউরোপ মহাদেশ একটি গ্লোবে দেখানো হয়েছে।

Figure: স্কিয়িং

বর্ণনা: বরফে ঢাকা ঢালে একজন ব্যক্তি স্কিয়িং করছেন।

অস্ট্রেলিয়া/ওশেনিয়া মহাদেশ

◊ সবচেয়ে ছোটো মহাদেশ হলো অস্ট্রেলিয়া/ওশেনিয়া। ◊ এটি দ্বীপ মহাদেশ নামেও পরিচিত। ◊ ক্যাঙ্গারু এ মহাদেশের পরিচয় বহন করে।

Figure: অস্ট্রেলিয়া/ওশেনিয়া

বর্ণনা: সবুজ রঙে চিহ্নিত অস্ট্রেলিয়া/ওশেনিয়া মহাদেশ একটি গ্লোবে দেখানো হয়েছে।

Figure: ক্যাঙ্গারু

বর্ণনা: ঘাসের মাঝে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ক্যাঙ্গারু, তার পেটের থলিতে একটি বাচ্চা।

ক) উপরের বিষয়বস্তু পড়ি ও আয়তন অনুযায়ী মহাদেশগুলো ছোটো থেকে বড়ো ক্রমানুসারে সাজাই–

Printed page 49

খ) ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী নিচের ছকে মহাদেশের নাম লিখি–

ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্যমহাদেশের নাম
উত্তর অঞ্চলে ঠান্ডা অনেক বেশি
পৃথিবীর উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট
ক্যাঙ্গারুর আবাসভূমি
এনাকোন্ডা পাওয়া যায়
পেঙ্গুইনের বসবাস
এস্কিমোরা বাস করে
সাহারা মরুভূমি

Printed page 50

৪ এশিয়ার মানচিত্রে বাংলাদেশ

এশিয়া পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশ। বাংলাদেশ এশিয়া মহাদেশে অবস্থিত। মানচিত্রে এশিয়া মহাদেশের নিচের দিকে সবুজ রং করা একটি দেশ দেখতে পাচ্ছি। দেশটি হলো আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ।

ক) এশিয়ার মানচিত্রে বাংলাদেশকে চিহ্নিত করি-

Figure: এশিয়ার মানচিত্র

লেবেল: তুরস্ক, সিরিয়া, ইরাক, ইরান, আফগানিস্তান, পাকিস্তান, সৌদি আরব, ওমান, ইয়েমেন, মঙ্গোলীয়া, চীন, ভারত, নেপাল, ভুটান, বাংলাদেশ, বঙ্গোপসাগর, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম, ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, বাংলাদেশ (উপরের বাঁ দিকের ছোট মানচিত্রে) বর্ণনা: এশিয়া মহাদেশের রঙিন মানচিত্র। বাংলাদেশ সবুজ রঙে দেখানো হয়েছে এবং একটি তীর দ্বারা নিচের বাঁ দিকের বাংলাদেশের আলাদা ছোট মানচিত্রের সাথে সংযুক্ত। ভারত, মিয়ানমার ও নেপাল-ভুটান এর অবস্থান বাংলাদেশের চারপাশে দেখানো হয়েছে।

খ) মানচিত্র দেখে বাংলাদেশের কোন দিকে কোন দেশ ও কোন জলভাগ অবস্থিত তা নিচের ছকে লিখি-

বাংলাদেশদিকদেশ ও জলভাগের নাম
উপর দিক (উত্তর)
নিচের দিক (দক্ষিণ)
ডান দিক (পূর্ব)
বাম দিক (পশ্চিম)

Printed page 51

গ) এশিয়ার মানচিত্রে বাংলাদেশের অবস্থান চিহ্নিত করি ও রং করি-

Figure: এশিয়ার মানচিত্র

লেবেল: উ, প, পূ, দ বর্ণনা: এশিয়া মহাদেশের খালি রেখাচিত্র। বাংলাদেশের অবস্থান চিহ্নিত ও রং করার জন্য ফাঁকা রাখা হয়েছে। মানচিত্রের নিচের বাঁ কোণে একটি দিকনির্দেশক চিহ্ন আছে।

Printed page 52

Loading the rest of the chapter…

Textbook content © National Curriculum and Textbook Board (NCTB), Bangladesh. Shown for study.

Trusted resources

Official links checked by the Zntext team. Part of the context pack.