Bangladesh and Global Studies chapter 9: Our Country
আমাদের দেশ
- Bangladesh and Global Studies
- Textbook pages 78-89
- 1 source
- 10,953 characters of context
Textbook (verbatim transcription): Our Country
Verbatim transcription of the printed NCTB textbook pages.
Contents8ShowHide
Printed page 78
অধ্যায় : ৯
আমাদের দেশ
১ বাংলাদেশের মানচিত্র
Figure
লেবেল: বাংলাদেশ; দিক চিহ্ন: উ, দ, প, পূ; জেলার নাম (মানচিত্রে ছাপা) বর্ণনা: বাংলাদেশের মানচিত্র; উপরে ডানদিকে চার দিকের চিহ্ন (উ, দ, প, পূ) সহ একটি কম্পাস। মানচিত্রে জেলাগুলোর সীমানা ও নাম দেখানো হয়েছে।
Figure
লেবেল: উত্তর; দক্ষিণ; পূর্ব; পশ্চিম; উত্তর-পূর্ব; উত্তর-পশ্চিম; দক্ষিণ-পূর্ব; দক্ষিণ-পশ্চিম বর্ণনা: একটি কেন্দ্র থেকে আটটি দিকে তির চিহ্ন দেওয়া আছে: ওপরে উত্তর, নিচে দক্ষিণ, ডানে পূর্ব, বামে পশ্চিম এবং মাঝখানের তির দুটি উত্তর-পূর্ব, উত্তর-পশ্চিম, দক্ষিণ-পূর্ব ও দক্ষিণ-পশ্চিম দিক দেখায়।
মানচিত্রের চারটি দিক থাকে—উপরের দিকটি উত্তর, নিচের দিকটি দক্ষিণ, ডানের দিকটি পূর্ব ও বামের দিকটি পশ্চিম। এছাড়াও মানচিত্রে উত্তর-পশ্চিম, উত্তর-পূর্ব, দক্ষিণ-পশ্চিম ও দক্ষিণ-পূর্ব দিক থাকে। উপরে যে মানচিত্রটি দেখা যাচ্ছে তা বাংলাদেশের মানচিত্র। বাংলাদেশের মানচিত্রটিতেও চারটি দিক রয়েছে। বাংলাদেশের ৮টি বিভাগের অধীনে ৬৪টি জেলা রয়েছে। প্রতিটি জেলারই নির্দিষ্ট সীমানা আছে।
Printed page 79
ক) মানচিত্রে দিক চিহ্নিত করি–
Figure
লেবেল: বাংলাদেশ; উ, দ, প, পূ; পঞ্চগড়; ঠাকুরগাঁও; নীলফামারী; লালমনিরহাট; কুড়িগ্রাম; দিনাজপুর; রংপুর; গাইবান্ধা; নওগাঁ; জয়পুরহাট; নবাবগঞ্জ; বগুড়া; জামালপুর; শেরপুর; রাজশাহী; নাটোর; সিরাজগঞ্জ; টাঙ্গাইল; ময়মনসিংহ; নেত্রকোনা; সুনামগঞ্জ; সিলেট; মৌলভীবাজার; হবিগঞ্জ; কিশোরগঞ্জ; গাজীপুর; নরসিংদী; ঢাকা; নারায়ণগঞ্জ; ব্রাহ্মণবাড়িয়া; মানিকগঞ্জ; পাবনা; রাজবাড়ী; ফরিদপুর; মুন্সীগঞ্জ; কুমিল্লা; চাঁদপুর; লক্ষ্মীপুর; ফেনী; নোয়াখালী; খাগড়াছড়ি; রাঙ্গামাটি; বান্দরবন; চট্টগ্রাম; কক্সবাজার; মেহেরপুর; কুষ্টিয়া; চুয়াডাঙ্গা; ঝিনাইদহ; মাগুরা; যশোর; নড়াইল; সাতক্ষীরা; খুলনা; বাগেরহাট; গোপালগঞ্জ; মাদারীপুর; শরীয়তপুর; বরিশাল; পিরোজপুর; ঝালকাঠি; পটুয়াখালী; ভোলা; বরগুনা বর্ণনা: বাংলাদেশের মানচিত্র; মানচিত্রের ওপরের দিকে উত্তর, ডানে পূর্ব, নিচে দক্ষিণ ও বামে পশ্চিম দেখানো কম্পাস আছে। জেলাগুলোর সীমানা ও নাম মানচিত্রে ছাপা আছে।
Printed page 80
খ) মানচিত্র দেখি ও নিচের ছকে দিক অনুযায়ী জেলার নাম লিখি–
| মানচিত্রের দিক | জেলার নাম |
|---|---|
| সর্ব উত্তর | |
| সর্ব দক্ষিণ | |
| উত্তর-পূর্ব | |
| দক্ষিণ-পশ্চিম |
গ) মানচিত্রে নিজ জেলা চিহ্নিত করি ও অবস্থান দেখাই–
ঘ) আমার নিজ জেলার কোন দিকে কোন কোন জেলা আছে তা মানচিত্রে খুঁজে বের করি ও ছকে লিখি–
| নিজ জেলার নাম | দিক | জেলার বা স্থানের নাম |
|---|---|---|
| পূর্ব | ||
| পশ্চিম | ||
| উত্তর | ||
| দক্ষিণ |
Printed page 81
২ বাংলাদেশের কৃষিজাত পণ্য
Figure
বর্ণনা: এক ঝুড়ি বিভিন্ন সবজি।
Figure
বর্ণনা: এক গোছা আঁশ বা পাট।
Figure
বর্ণনা: একটি ঝুড়িতে রাখা দানাদার শস্য।
Figure
বর্ণনা: কয়েকটি আখের টুকরো।
Figure
লেবেল: চা (চায়ের প্যাকেটে লেখা) বর্ণনা: একটি সবুজ রঙের চায়ের প্যাকেট।
ক) পর্যবেক্ষণ করি ও ছবি সম্পর্কে তথ্য নিচের ছকে লিখি–
কীসের ছবি?
কারা উৎপাদন করে?
এগুলো কী ধরনের পণ্য?
Printed page 82
আমরা প্রতিদিন নানা কাজে নানা ধরনের পণ্য ব্যবহার করি। এর মধ্যে কিছু পণ্য কৃষি থেকে ও কিছু পণ্য শিল্প থেকে পেয়ে থাকি। কৃষি থেকে যে সমস্ত পণ্য পাওয়া যায় তাই কৃষিজাত পণ্য। আর শিল্প থেকে প্রাপ্ত পণ্যই হলো শিল্পজাত পণ্য। বাংলাদেশের প্রধান কৃষিজাত পণ্য হলো ধান, পাট, আখ এবং চা। দেশের সব অঞ্চলেই ধান জন্মে। পাট ও চা অর্থকরী ফসল। এগুলো বিদেশে রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা পাওয়া যায়। এছাড়া আমাদের দেশে গম, ভুট্টা, সরিষা, ডাল, তুলা, শাকসবজি, মসলা, ফল ইত্যাদি উৎপন্ন হয়। মাছ, হাঁস-মুরগি ও গবাদি পশু আমাদের অন্যতম কৃষিজাত পণ্য।
খ) আমার নিজের এলাকায় যে যে কৃষিপণ্য বেশি উৎপন্ন হয়, তার তালিকা তৈরি করি—
১. ……………………………………………………………………………………………………
২. ……………………………………………………………………………………………………
৩. ……………………………………………………………………………………………………
৪. ……………………………………………………………………………………………………
ধান, দুধ, চিনি, সিমেন্ট, ডিম, ঔষধ, মাংস, কাগজ, মাছ, শসা, গম, ভুট্টা, লালশাক, ঢেঁড়স, ডাল, শিম
গ) উপরের তালিকা থেকে কৃষিজাত পণ্যগুলো বাছাই করে নিচে লিখি—
১.……………………………………………………… ৫.………………………………………………………
২.……………………………………………………… ৬.………………………………………………………
৩.……………………………………………………… ৭.………………………………………………………
৪.……………………………………………………… ৮.………………………………………………………
Printed page 83
ঘ) যে যে কৃষিজাত পণ্যের তালিকা তৈরি করেছি, সেগুলোকে নিচের মতো শ্রেণিকরণ করি–
Figure
লেবেল: খাদ্যশস্য, শাকসবজি, প্রাণিজাত বর্ণনা: তিনটি ঘর, প্রতিটির পাশে চারটি করে ফাঁকা লাইন। উপরের ঘরে "খাদ্যশস্য", মাঝের ঘরে "শাকসবজি" এবং নিচের ঘরে "প্রাণিজাত" লেখা।
Printed page 84
৩ বাংলাদেশের শিল্পজাত পণ্য
Figure
বর্ণনা: উপরের সারিতে তিনটি ছবি; বাঁ দিকে ভাঁজ করা কাপড় ও পোশাক তাকে সাজানো, মাঝখানে প্রসাধনী সামগ্রী (ক্রিম ও বোতল), ডানদিকে লাল-সাদা রঙের কিছু বস্তু ও উঁচু স্তম্ভাকৃতির বস্তু।
Figure
বর্ণনা: নিচের সারিতে তিনটি ছবি; বাঁ দিকে একটি প্যাকেট, মাঝখানে বিভিন্ন আকারের ওষুধের বোতল ও ট্যাবলেট/ক্যাপসুল, ডানদিকে বস্তায় ভরা দানাদার পদার্থ।
ক) ছবি পর্যবেক্ষণ করি ও ছবি সম্পর্কে তথ্য নিচের ছকে লিখি—
কীসের ছবি?
কারা তৈরি করে?
এগুলো কী ধরনের পণ্য?
Printed page 85
বাংলাদেশের প্রধান শিল্পজাত পণ্য হলো তৈরি পোশাক, চিনি, সিমেন্ট, সার ও ঔষধ। বর্তমানে তৈরি পোশাক বা গার্মেন্ট শিল্প বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্প। দেশের অধিকাংশ পোশাক শিল্প ঢাকা এবং চট্টগ্রামে গড়ে উঠেছে। বাংলাদেশ বিদেশে পোশাক রপ্তানি করে সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক মুদ্রা পেয়ে থাকে। পোশাক শিল্পে বিপুলসংখ্যক শ্রমিক কাজ করছে।
খ) আমার নিজের বাড়িতে যেসব শিল্পজাত পণ্য ব্যবহার করি তা নিচে লিখি—
১. …………………………………………………………… ৫. ……………………………………………………………
২. …………………………………………………………… ৬. ……………………………………………………………
৩. …………………………………………………………… ৭. ……………………………………………………………
৪. …………………………………………………………… ৮. ……………………………………………………………
গ) নিচের পণ্যগুলোকে কৃষিজাত ও শিল্পজাত শিরোনামে ভাগ করি—
ডাল, সাবান, টুথপেস্ট, ধান, শাড়ি, লুঙ্গি, পাট, মাছ, চিনি, সরিষা, সার, কলা, কাগজ, সবজি, বিস্কুট, গম
| কৃষিজাত পণ্য | শিল্পজাত পণ্য |
|---|---|
| ১. | ১. |
| ২. | ২. |
| ৩. | ৩. |
| ৪. | ৪. |
| ৫. | ৫. |
| ৬. | ৬. |
| ৭. | ৭. |
| ৮. | ৮. |
Printed page 86
৮ বাংলাদেশের জনসংখ্যা ও সম্পদ
একটি দেশে যত মানুষ বাস করে, তাদের মোট সংখ্যাকে বলা হয় সেদেশের জনসংখ্যা। বাংলাদেশের জনসংখ্যা বর্তমানে প্রায় ১৬ কোটি ৫১ লক্ষ। আমাদের দেশে নারী-পুরুষের সংখ্যা প্রায় সমান। নারীর সংখ্যা পুরুষের চেয়ে সামান্য বেশি। নারীর সংখ্যা প্রায় ৮ কোটি ৩৪ লক্ষ এবং পুরুষের সংখ্যা প্রায় ৮ কোটি ১৭ লক্ষ। পৃথিবীর সব দেশের জনসংখ্যা সমান নয়; কোনো দেশের জনসংখ্যা বেশি, আবার কোনো দেশের কম। জনসংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান সব দেশের মধ্যে অষ্টম।
আমরা প্রতিদিন আমাদের প্রয়োজনে জমি, পানি, প্রাকৃতিক গ্যাস, জ্বালানি তেল ইত্যাদি সম্পদ ব্যবহার করি। জনসংখ্যা বেশি হলে এসব সম্পদও বেশি ব্যবহার করা হয়। তবে মানুষ নিজেও সম্পদ হয়ে উঠতে পারে। কারণ, তার কাজ করার ক্ষমতা ও মেধা রয়েছে। একজন দক্ষ কর্মী একজন অদক্ষ কর্মীর চেয়ে অনেক ভালোভাবে কোনো কাজ করতে পারেন। শিক্ষিত ও দক্ষ মানুষ হচ্ছে মানবসম্পদ। বাংলাদেশের জনসংখ্যা বেশি হওয়ায় বেশি মানবসম্পদ হওয়ার সুযোগ রয়েছে। যে দেশে মানবসম্পদ যত উন্নত, সে দেশ তত উন্নত।
ক) জনসংখ্যা সম্পর্কে তথ্য খুঁজে বের করি ও নিচের চিত্রে লিখি–
Figure
লেবেল: বাংলাদেশের জনসংখ্যা (কেন্দ্রে); মোট জনসংখ্যা; মোট নারী; মোট পুরুষ; জনসংখ্যার ভিত্তিতে অবস্থান বর্ণনা: মাঝখানে একটি বৃত্তে "বাংলাদেশের জনসংখ্যা" লেখা। বৃত্তের চারদিকে চারটি ষড়ভুজ বাক্স রয়েছে, প্রতিটি বাক্সের ভেতরে একটি করে শিরোনাম ও তার নিচে খালি রেখা; তীর চিহ্ন দিয়ে বাক্সগুলো বৃত্তের সাথে যুক্ত।
বাংলাদেশের সব জায়গার জনসংখ্যা একরকম নয়। কোনো জায়গায় বেশি মানুষ বাস করে, কোথাও আবার কম মানুষ বাস করে।
Printed page 87
বাংলাদেশের কোন বিভাগে জনসংখ্যা কেমন তা নিচের মানচিত্রে দেখে নিই–
Figure: বাংলাদেশের জনসংখ্যা
লেবেল: বাংলাদেশের জনসংখ্যা; রংপুর; ময়মনসিংহ; সিলেট; রাজশাহী; ঢাকা; খুলনা; বরিশাল; চট্টগ্রাম বর্ণনা: বাংলাদেশের মানচিত্র; প্রতিটি বিভাগ আলাদা রঙে দেখানো হয়েছে এবং প্রতিটি বিভাগের ভেতরে কয়েকটি মানুষের প্রতীক বসানো আছে। রংপুর উত্তর-পশ্চিমে, ময়মনসিংহ ও সিলেট উত্তর-মধ্যভাগে ও উত্তর-পূর্বে, রাজশাহী পশ্চিমে, ঢাকা মধ্যভাগে, খুলনা দক্ষিণ-পশ্চিমে, বরিশাল দক্ষিণে এবং চট্টগ্রাম দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত।
খ) বাংলাদেশের মানচিত্রটি পর্যবেক্ষণ করে বিভাগের জনসংখ্যা অনুযায়ী ক্রমানুসারে (বেশি থেকে কম) বিভাগের নাম খালি ঘরে লিখি–
Figure
বর্ণনা: আটটি পাশাপাশি তীরচিহ্নযুক্ত ঘর, বাম থেকে ডানে সারিবদ্ধ। প্রথম ঘরটি সবচেয়ে গাঢ় নীল এবং শেষ ঘরটি সবচেয়ে হালকা; রঙ ধাপে ধাপে হালকা হয়েছে। ঘরগুলোতে কোনো লেখা নেই।
Printed page 88
গ) নিচের গল্পটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর লিখি–
মেহেদী হাসান একজন সচ্ছল কৃষক ছিলেন। পরিবারে তিনি ছাড়া স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়ে। জমির ফসল থেকে যা আয় হতো, তা দিয়ে সংসার ভালোই চলত। তাঁর ছেলেমেয়েরা হাইস্কুল পর্যন্ত পড়ে আর পড়াশোনা করেনি। তারা টাকা আয় করার মতো কোনো কাজও শেখেনি। ধীরে ধীরে সন্তানদের নিজেদের সংসার হয়, জমি ভাগ হয়। তাদের প্রত্যেকের ভাগে জমির পরিমাণ কম হয়ে পড়ে। আস্তে আস্তে আর্থিক অবস্থা খারাপ হতে থাকে।
একই গ্রামের সাইফুল ইসলাম মাছ ধরে সংসার চালাতেন। স্ত্রী, এক ছেলে ও দুই মেয়ে নিয়ে তাঁর পরিবার। কষ্ট করে হলেও তিনি ছেলেমেয়েদের লেখাপড়া শিখিয়েছেন। ছেলে হাইস্কুলের পড়া শেষ করে গাড়ি চালাতে শিখেছে। পরে সে ড্রাইভার হিসেবে বিদেশে যায়। বড়ো মেয়ে পড়ালেখা শেষ করে ঢাকায় শিক্ষকতা করে। ছোটো মেয়ে পড়াশোনার পাশাপাশি কম্পিউটার শিখেছে। এখন কম্পিউটারে কাজ করে অনেক টাকা আয় করে। বড়ো ভাই-বোন মিলে ছোটো বোনের পড়াশোনার খরচ বহন করেছিল। সাইফুলের পরিবার এখন অনেক সচ্ছল।
১. মেহেদী ও সাইফুলের পরিবারের সদস্য সংখ্যা কত? ক. মেহেদীর পরিবার : …………………………… খ. সাইফুলের পরিবার : ………………………
২. কোন পরিবারের সম্পদ বেশি ছিল? ……………………………………………………………………………………………………………
৩. কোন পরিবার উন্নতি করেছে? ……………………………………………………………………………………………………………
৪. কার সন্তানদেরকে মানবসম্পদ বলা যাবে? ……………………………………………………………………………………………………………
৫. কেন এদেরকে মানবসম্পদ বলা যাবে? ……………………………………………………………………………………………………………
……………………………………………………………………………………………………………
……………………………………………………………………………………………………………
Printed page 89
Loading the rest of the chapter…
Textbook content © National Curriculum and Textbook Board (NCTB), Bangladesh. Shown for study.
Trusted resources
Official links checked by the Zntext team. Part of the context pack.