Islamic Studies chapter 3: Acquiring Moral and Human Values
নৈতিক ও মানবিক গুণাবলি অর্জন
- Islamic Studies
- Textbook pages 40-49
- 1 source
- 13,134 characters of context
Textbook (verbatim transcription): Acquiring Moral and Human Values
Verbatim transcription of the printed NCTB textbook pages.
Contents5ShowHide
Printed page 40
তৃতীয় অধ্যায়
নৈতিক ও মানবিক গুণাবলি অর্জন
নৈতিক ও মানবিক গুণাবলির পরিচয়
আমরা সমাজে বাস করি। আমাদের কিছু নিয়ম ও নীতি মেনে চলতে হয়। তাতে অন্য মানুষের সঙ্গে আমাদের ভালো সম্পর্ক তৈরি হয়। এ সকল নীতি মেনে চলা আমাদের নৈতিক গুণ। এই গুণের ফলে আমরা আমাদের বড়োদের শ্রদ্ধা করি। তাতে তারা খুশি হয়ে আমাদের আদর-স্নেহ করেন।
আমরা মানুষ। আমাদের আশপাশে কেউ বিপদে পড়লে আমাদের খারাপ লাগে। আমরা তাকে সাহায্য করতে এগিয়ে যাই। এটা হল আমাদের মানবিক গুণ। মানুষ হিসেবে অন্য মানুষের সুখে-দুঃখে সহমর্মী হয়ে আমরা আরো অনেক ভালো কাজ করি। যেমন– আমরা অসহায় ও গরিব লোকদের সাহায্য করি। এগুলো আমরা করি আমাদের মানবিক গুণের কারণে।
হাদিসে আখলাক শব্দটির উল্লেখ রয়েছে। আখলাক শব্দের অর্থ চরিত্র। আখলাক দুই প্রকার, ‘আখলাকে হামিদা’ ও ‘আখলাকে যামিমা’। আখলাকে হামিদা হল প্রশংসনীয় চরিত্র। আর আখলাকে যামিমা হল নিন্দনীয় চরিত্র।
Figure
লেবেল: আখলাক, আখলাকে হামিদা, আখলাকে যামিমা বর্ণনা: একটি উপরের বাক্স "আখলাক" থেকে একটি রেখা নিচের দিকে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে দুটি তীরচিহ্নসহ নিচের দুটি বাক্সে যুক্ত; বাম বাক্সে "আখলাকে হামিদা", ডান বাক্সে "আখলাকে যামিমা" লেখা।
আখলাকে হামিদা হল আমাদের নৈতিক ও মানবিক গুণ। আখলাকে হামিদার উদাহরণ হল সহমর্মিতা, উদারতা, দেশপ্রেম, সত্যবাদিতা, সততা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, পরোপকার, ত্যাগের মনোভাব ইত্যাদি। আমরা সর্বদা এই গুণগুলো অনুসরণ করব।
আখলাকে যামিমা ক্ষতিকর। এর উদাহরণ হল মিথ্যা বলা, অন্যের সমালোচনা করা, মারামারি করা, গালি দেওয়া, কাউকে না বলে তার কিছু নিয়ে যাওয়া, কুড়িয়ে পাওয়া জিনিস পেয়ে ফেরত না দেওয়া ইত্যাদি। আমরা সর্বদা এই কাজগুলো থেকে বিরত থাকব।
মহানবি (স.) বলেছেন– “আমি উত্তম চরিত্রকে পূর্ণতাদানের জন্য প্রেরিত হয়েছি।”
তাই আমরা উত্তম চরিত্র গঠনের জন্য সর্বদা চেষ্টা করব। মহানবি (স.)-এর আদর্শগুলো আমাদের
Printed page 41
জীবনে ধারণ করব। মা-বাবার কথা শুনব। সহপাঠীদের সাহায্য করব। মেহমানের সাথে সুন্দর ব্যবহার করব। মানুষের সেবা করব। জীবে দয়া করব। সব সময় সত্য কথা বলব। সৎ পথে চলব। মিথ্যা কথা বলব না। পাপ কাজ করব না। সবাইকে সালাম দেব।
ক) নৈতিক ও মানবিক গুণাবলি কী তা বলি ও তালিকা করি। কাজটি দুজনে মিলে করি।
| ১. |
| ২. |
| ৩. |
| ৪. |
| ৫. |
খ) বাড়িতে নৈতিক ও মানবিক গুণাবলি অনুসরণ করে কী কী কাজ করি তা লিখি। কাজটি একা করি।
| ১. |
| ২. |
| ৩. |
| ৪. |
| ৫. |
সহমর্মিতা
আমাদের আপনজনদের মধ্যে কেউ বিপদে পড়লে আমাদের খারাপ লাগে। আমরা তাদের প্রতি সহমর্মী হই এবং তাদের সাহায্য-সহযোগিতায় এগিয়ে আসি। তাদের অনেকেই দুঃখ-কষ্ট, বিপদ-আপদ ও অভাব-অনটনে পড়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। তাদের এই কষ্টকে অনুভব করে তাদের সাথে সমব্যথী হওয়াই হল সহমর্মিতা। তাহলে সহমর্মিতার উদ্দেশ্য হল মানুষের দুঃখ-কষ্টে দরদি হওয়া, তাদের দুঃখ-কষ্ট নিজের ভেতর অনুভব করে বিপদ-আপদে সাহায্য করা।
সহমর্মিতার মাধ্যমে অসহায় মানুষের সমস্যার সমাধান হয়। সমাজে সকল মানুষের মধ্যে সুন্দর
Printed page 42
সম্পর্ক তৈরি হয়। ইসলামে তাই সহমর্মিতার ব্যাপারে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মহানবি (স.) বলেছেন– “পৃথিবীতে যারা রয়েছে তোমরা তাদের প্রতি সহমর্মী হও। তাহলে আসমানে যিনি আছেন তিনি (মহান আল্লাহ) তোমাদের প্রতি সহমর্মী হবেন।”
মহানবি (স.) এতিম ছিলেন। তিনি এতিম শিশুদের প্রতি সহমর্মী ছিলেন এবং নিজের সন্তানের মতোই তাদের ভালোবাসতেন। এক ঈদে নামাজ শেষে তিনি ঘরে ফিরছিলেন। এমন সময় দেখলেন, মাঠের এক কোণে বসে একটি শিশু কাঁদছে। রাসুল (স.) ছেলেটির কাছে গিয়ে কান্নার কারণ জিজ্ঞেস করলেন। শিশুটি বলল, আমার মা-বাবা নেই। তিনি পরম আদরে শিশুটিকে বাড়ি নিয়ে গেলেন। মুহাম্মদ (স.) তাঁর স্ত্রী হজরত আয়েশা (রা.)-কে ডেকে বললেন, হে আয়েশা! ঈদের দিনে তোমার জন্য একটি উপহার নিয়ে এসেছি। এই নাও তোমার উপহার। ছেলেটিকে পেয়ে দারুণ খুশি হলেন হজরত আয়েশা (রা.)। দেরি না করে মুহূর্তেই তাকে গোসল করিয়ে জামা পরালেন। তারপর তাকে পেট ভরে খেতে দিলেন। রাসুল (স.) ছেলেটিকে বললেন, আজ থেকে আমরাই তোমার পিতা-মাতা। নবিজি (স.)-এর কথা শুনে ছেলেটি খুশি হল।
খলিফা হজরত উমর (রা.) এক রাতে প্রজাদের খোঁজ-খবর নিতে মদিনার লোকালয়ে বের হলেন। ঘুরতে ঘুরতে তিনি একটি ক্ষুধার্ত পরিবারকে দেখতে পেলেন। পরিবারের ক্ষুধার্ত বাচ্চারা কান্নাকাটি করছিল। তাদের মা শূন্য হাঁড়িতে পানি গরম করছিলেন। শিশুরা কেন কান্নাকাটি করছে খলিফা তা জানতে চান। শিশুদের মা বললেন, আমাদের ঘরে কোনো খাবার নেই। ক্ষুধায় বাচ্চারা কান্নাকাটি করছে। তাই শূন্য হাঁড়িতে পানি গরম করছি। তারা তাতে মনে করবে খাবার রান্না করছি। এভাবে খাবারের অপেক্ষায় থেকে তারা এক সময় ঘুমিয়ে পড়বে। একথা শুনে খলিফা খুবই ব্যথিত হলেন। তিনি নিজের পিঠে বহন করে সরকারি গুদাম থেকে খাবার নিয়ে এসে ঐ পরিবারকে দিলেন।
আমরাও দুঃখী মানুষের প্রতি সহমর্মী হব। তাদের সাহায্য-সহযোগিতায় এগিয়ে আসব। আমাদের সহপাঠীদের মধ্যে যারা অভাব-অনটনে রয়েছে তাদেরকে সাহায্য করব। আমাদের সহপাঠীদের সাথেও ভালো ব্যবহার করব। তাদেরকে যেকোনো সমস্যায় সহযোগিতা করব। তাদেরকে সব সময় হাসিখুশি রাখব, তাদের সাথে ভাই-বোনের মতো আচরণ করব। এভাবে বিভিন্ন কাজের মাধ্যমে তাদের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করব।
ক) নিচের বাম ও ডান পাশের তথ্যগুলো মিল করি। কাজটি একা করি।
| বাম পাশ | ডান পাশ |
|---|---|
| ১) কেউ বিপদে পড়লে | ১) অনেকেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। |
| ২) দুঃখ-কষ্ট, বিপদ-আপদ ও অভাব-অনটনে | ২) সমস্যার সমাধান হয়। |
Printed page 43
| ৩) সহমর্মিতার মাধ্যমে অসহায় মানুষের | ৩) হওয়াই হল সহমর্মিতা। |
| ৪) অন্যের কষ্টকে অনুভব করে সমব্যথী | ৪) যিনি আসমানে আছেন তিনি তোমাদের প্রতি সহমর্মী হবেন। |
| ৫) তোমরা পৃথিবীবাসীর প্রতি সহমর্মী হও | ৫) আমাদের খারাপ লাগে |
খ) বিষয়বস্তু পড়ি। মহানবি (স.) ও হজরত উমর (রা.)-এর সহমর্মিতার গল্পটি আলোচনা করি ও নিজের ভাষায় লিখি। কাজটি দুজনে মিলে করি।
শুরু
মধ্যভাগ
শেষভাগ
Printed page 44
গ) আমাদের আশপাশের অভাবী লোকদের জন্য কী ধরনের সহমর্মিতামূলক কাজ করব তা নিচের সহমর্মিতা গাছের নির্দিষ্ট স্থানে লিখি।
Figure
লেবেল: সহমর্মিতা গাছ বর্ণনা: একটি সবুজ কাঠামোর মধ্যে বড়ো মেঘের আকৃতির একটি গাছ; গাছের ভেতরে অনেকগুলো ফাঁকা রেখা লেখার জন্য দেওয়া আছে।
উদারতা
উদারতা মানুষের একটি মানবিক গুণ। এই গুণের অধিকারী ব্যক্তিকে উদার বলা হয়। উদারতা হল অন্যের কথা, কাজ ও চিন্তা-ভাবনার প্রতি সহনশীল হওয়া। মানুষকে ক্ষমা করা এবং পরোপকারী হওয়াও উদারতা।
মহানবি (স.) কথায়, কাজে ও ব্যবহারে উদার ছিলেন। তিনি সব সময় অন্যের সাথে উদার মনে মিশতেন। হাসিমুখে কথা বলতেন। তাঁর মধুর কথায় সবাই মুগ্ধ হত। তাঁর সাহাবি হজরত আনাস (রা.) বলেন– “আমি ১০ বছর রাসুল (স.)-এর খেদমত করেছি। আমার কোনো কাজে আপত্তি করে তিনি কখনো বলেননি, এমন কেন করলে বা এমন করনি কেন?”
মহানবি (স.) ভিন্ন ধর্মের লোকদের প্রতিও উদারতা দেখিয়েছেন। তিনি তাদের নিজ নিজ ধর্ম পালনের স্বাধীনতা দিয়েছিলেন। একবার এক অমুসলিম ব্যক্তি মসজিদে নববিতে প্রস্রাব করে
Printed page 45
দিলে কোনো কোনো সাহাবি রেগে যান। মহানবি (স.) সাহাবিগণকে বলেন, লোকটিকে প্রস্রাব করতে দাও এবং তার প্রস্রাবের উপর এক বালতি পানি ঢেলে দাও।
মহানবি (স.)-এর সাহাবিগণও ছিলেন উদার ও পরোপকারী। একবার এক ব্যক্তি জনৈক সাহাবিকে একটি ছাগলের মাথা হাদিয়া দেয়। তিনি দেখলেন যে, তার প্রতিবেশী অধিক অভাবী। তাই তিনি মাথাটি প্রতিবেশীকে দিয়ে দেন। প্রতিবেশী মাথাটি না রেখে তার চাইতে অধিক অভাবী অন্য ব্যক্তিকে দিয়ে দেন। এভাবে ছাগলের মাথাটি সাত ঘর ঘুরে পুনরায় প্রথম সাহাবির ঘরে ফিরে আসে।
আমরা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে উদারতা প্রদর্শন করব। কেউ যদি আমাদের কাছ থেকে কোনো কিছু ধার নেয় এবং তা সময়মত পরিশোধ করতে না পারে তাহলে আমরা তার সাথে রাগ না করে তাকে সময় দেব। এটাও উদারতা। অন্যের বিপদে সাহস জোগাব, ক্ষুধার্তকে খাবার দেব, বস্ত্রহীনকে বস্ত্র দেব, অন্ধকে রাস্তা পার হতে সাহায্য করব, অন্যের সাথে হাসিমুখে কথা বলব, বয়স্ক বা দুর্বলদের সাহায্য করব, দানশীল হব, কথা ও কাজে নম্রতা ও বিনয় প্রদর্শন করব এবং সবার সাথে সহনশীল আচরণ করব।
ক) মহানবি (স.) ও সাহাবিদের উদারতার ঘটনা থেকে কী শিখলাম তা লিখি। কাজটি একা করি।
খ) দৈনন্দিন জীবনে উদারতার গুণ অবলম্বন করে কী কী কাজ করব তার একটি তালিকা করি। কাজটি দলগতভাবে করি।
গ) বন্ধুরা মিলে যেসব উদারতামূলক কাজের তালিকা করেছি তা একত্র করি। এবার এসব কাজ অভিনয় করে দেখাই। কাজটি দলগতভাবে করি।
Printed page 46
দেশপ্রেম
দেশপ্রেম হল নিজের দেশকে ভালোবাসা। নিজের দেশকে ভালোবেসে এর উন্নয়নের জন্য নিজ নিজ দায়িত্ব ও কর্তব্য সঠিকভাবে পালন করা দেশ প্রেমের লক্ষণ।
মহানবি হজরত মুহাম্মদ (স.) নিজের জন্মভূমিকে ভালোবাসতেন। তিনি নিজের জন্মভূমি মক্কা থেকে হিজরত করে যখন মদিনায় চলে যাচ্ছিলেন তখন তাঁর চোখ থেকে অশ্রু গড়িয়ে পড়ছিল। তিনি বারবার মক্কার দিকে ফিরে তাকাচ্ছিলেন আর বলছিলেন– “হে মক্কা! আমি তোমাকে ভালোবাসি। তুমি আমার কাছে কতই না প্রিয়! আমার স্বজাতি যদি আমাকে নির্যাতন করে বের করে না দিত, আমি কখনো তোমাকে ছেড়ে যেতাম না।”
হিজরতের পর মদিনাকে তিনি নিজের দেশ হিসেবে গ্রহণ করেন। তিনি মদিনাকে ভালোবাসতেন। মদিনায় শান্তি প্রতিষ্ঠা ও এর উন্নয়নের জন্য তিনি আপ্রাণ চেষ্টা করেন। তিনি মদিনা সনদ প্রণয়ন করেন যাতে অশান্ত মদিনায় শান্তি প্রতিষ্ঠা হয়।
Figure: চিত্র: জাতীয় পতাকার প্রতি সম্মান প্রদর্শন দেশপ্রেমের প্রতীক
আমাদের জন্মভূমি বাংলাদেশ। আমাদের প্রিয় জন্মভূমি আগে পরাধীন ছিল। দেশকে ভালোবেসে দেশের স্বাধীনতার জন্য লাখ লাখ মানুষ তাঁদের জীবন বিসর্জন দিয়েছেন। যারা শহিদ হয়েছেন তাঁদের জন্য আমরা দু'আ করব। মুক্তিযোদ্ধারা জীবন বাজি রেখে দেশের স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করেছেন। আমরা তাঁদেরকে সম্মান করব। দেশের মানুষকে ভালোবাসব। দেশের কল্যাণে কাজ করব। দেশের উন্নয়নের জন্য যার যার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করব। আমরা শিক্ষার্থী। পড়ালেখা করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব। আমরা ভালোভাবে পড়ালেখা করব। তাহলে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারব। আমাদের বাড়িতে যারা লেখাপড়া জানেন না তাদের লেখাপড়া শেখাব। সকল ভালো কাজে সহযোগিতা করব। কেউ বিপদে পড়লে তাকে সাহায্য করব। দেশের প্রকৃতি ও জীবজগৎকেও আমরা ভালোবাসব। এদের যত্ন নেব। আমরা গাছ লাগাব। ফুল ও সবজির বাগান করব। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযানে বড়োদের সঙ্গে অংশ নেব।
Printed page 47
ক) বিষয়বস্তু ভালোভাবে পড়ি। নিচের শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ বসাই। কাজটি একাকী করি।
১) দেশপ্রেম হল নিজের দেশকে ............................ । ২) মহানবি হজরত মুহাম্মদ (স.) নিজের ............................ ভালোবাসতেন। ৩) স্বাধীনতার জন্য ........................... মানুষ তাদের জীবন বিসর্জন দিয়েছেন। ৪) পড়ালেখা করা আমাদের প্রধান .............................। ৫) প্রকৃতি ও জীবজগৎকেও আমরা ............................।
খ) মহানবি (স.) ও অন্যদের দেশপ্রেমের ঘটনা আলোচনা করি। ইসলামে দেশপ্রেম সম্পর্কে একটি অনুচ্ছেদ লিখি। কাজটি জোড়ায় করি।
গ) ইসলামের আদর্শ অনুসরণ করে দেশের জন্য কী ধরনের কাজ করব তা নিচের ছকে লিখি। কাজটি দলগতভাবে করি।
| ১. |
| ২. |
| ৩. |
| ৪. |
| ৫. |
ঘ) ইসলামের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে দেশকে ভালোবেসে যেসব কাজ করব তা ভূমিকাভিনয় করে দেখাই। কাজটি দলগতভাবে করি।
Printed page 48
Loading the rest of the chapter…
Textbook content © National Curriculum and Textbook Board (NCTB), Bangladesh. Shown for study.
Trusted resources
Official links checked by the Zntext team. Part of the context pack.