Islamic Studies chapter 5: Love for Living Beings and Nature
জীব ও প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা ও যত্নশীল আচরণ
- Islamic Studies
- Textbook pages 60-68
- 1 source
- 12,762 characters of context
Textbook (verbatim transcription): Love for Living Beings and Nature
Verbatim transcription of the printed NCTB textbook pages.
Contents7ShowHide
Printed page 60
পঞ্চম অধ্যায়
জীবজগৎ ও প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা
প্রকৃতি ও জীবজগতের পরিচয়
আমাদের চারপাশে যা কিছু আছে তার সবকিছু মিলে প্রকৃতি। প্রকৃতিতে রয়েছে চন্দ্র, সূর্য, পৃথিবী, সাগর-মহাসাগর, পাহাড়-পর্বত, নদ-নদী, বায়ু, পানি, মাটি ইত্যাদি। প্রকৃতি, পরিবেশ ও জীবজগতের সকল কিছুই মহান আল্লাহর সৃষ্টি এবং এসব তারই আদেশে পরিচালিত হয়। এ সকল কিছু আমাদের জন্য মহান আল্লাহর নিয়ামত।
মহান আল্লাহ প্রকৃতিতে জড় ও জীবের সৃষ্টি করেছেন। এই জড়জগৎ ও জীবজগৎ পৃথিবীর উপাদান। এর কোনোটা আমরা খেয়ে বেঁচে থাকি আবার কোনোটা আমরা ব্যবহার করি। যেমন— গাছপালা থেকে আমরা ফলমূল পাই; জীবজন্তু থেকে আমরা নানা রকম খাদ্য পাই।
Figure: চিত্র: প্রকৃতি, পরিবেশ ও জীবজগৎ
বেঁচে থাকার জন্য আমরা প্রকৃতি, পরিবেশ ও জীবজগতের ওপর নির্ভরশীল। আমাদের বাঁচার জন্য পানি দরকার। পানির অপর নাম জীবন। অক্সিজেন ছাড়া আমরা শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে পারি না। গাছপালা থেকে আমরা অক্সিজেন পাই। এছাড়া সূর্য আমাদের আলো দেয়। সূর্যের আলো ও তাপ না থাকলে পৃথিবী অন্ধকার ও বরফ হয়ে যেত। মহান আল্লাহ পাহাড়, পর্বত, সমুদ্রসহ আরও অনেক কিছু সৃষ্টি করেছেন আমাদের উপকারের জন্য। এ সম্পর্কে তিনি পবিত্র কুরআনে বলেন-
Printed page 61
هُوَ الَّذِيْ خَلَقَ لَكُمْ مَّا فِى الْاَرْضِ جَمِيْعًا
উচ্চারণ: হুয়াল্লাযি খালাকা লাকুম্ মা ফিল আরদি জামিয়া।
অর্থ: তিনি (আল্লাহ) পৃথিবীর সবকিছু তোমাদের জন্য সৃষ্টি করেছেন। (সূরা বাকারা, আয়াত: ২৯)
মহান আল্লাহ এই পৃথিবীর সবকিছু সৃষ্টি করে আমাদেরকে এর রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব দিয়েছেন। তাই আমাদের উচিত প্রকৃতি, জীবজগৎ ও পরিবেশকে জানা এবং এদের প্রতি যত্নবান হওয়া।
ক) বিষয়বস্তু পড়ি ও ভাবি। আমাদের চারপাশের প্রকৃতি, পরিবেশ ও জীবজগতের পাঁচটি উপকারী উপাদানের নাম লিখি। কাজটি একা করি।
১.
২.
৩.
৪.
৫.
খ) নিচের বাম ও ডান পাশের তথ্যগুলো দাগ টেনে মিল করি। কাজটি দুজনে মিলে করি।
| ১) মহান আল্লাহ | প্রকৃতি, জীবজগৎ ও পরিবেশকে জানা এবং এদের প্রতি যত্নবান হওয়া। |
| ২) আমাদের চারপাশে যা কিছু আছে | জীবন। |
| ৩) গাছপালা থেকে আমরা | তার সবকিছু মিলে প্রকৃতি |
| ৪) জীবজন্তু থেকে আমরা | পাহাড়, পর্বত, সমুদ্রসহ আরও অনেক কিছু সৃষ্টি করেছেন। |
| ৫) পানির অপর নাম | অক্সিজেন পাই। |
| ৬ আমাদের উচিত | নানা রকম খাবার পাই। |
Printed page 62
গ) আমাদের জীবনে প্রকৃতি ও জীবজগতের অবদান বর্ণনা করে চারটি বাক্য লিখি। কাজটি দুজনে মিলে করি।
Figure
লেবেল: প্রকৃতির অবদান; জীবজগতের অবদান বর্ণনা: দুটি বেলুনের রেখা-আঁকা ছবি, বাম বেলুনের নিচে "প্রকৃতির অবদান" এবং ডান বেলুনের নিচে "জীবজগতের অবদান" লেখা; প্রতিটি বেলুনের ভেতরে লেখার জন্য কয়েকটি ফাঁকা রেখা রয়েছে।
মানুষ, প্রকৃতি ও জীবজগতের পারস্পরিক সম্পর্ক
আমরা প্রকৃতি, পরিবেশ ও জীবজগতের ওপর নির্ভরশীল। আমরা ঘরে আলো দেখি। এ আলো সূর্য থেকে আসে। সূর্য না থাকলে পৃথিবী অন্ধকার থাকত। শীতের মৌসুমে রোদ না থাকলে সবকিছু শীতল হয়ে যায়। একইভাবে সূর্যের আলো না থাকলে পৃথিবী বরফ হয়ে যেত। পৃথিবীর কোনো জীবই বাঁচতে পারত না। মেঘ থেকে বৃষ্টি হয়। ফলে আমরা শান্তি অনুভব করি। আবার বৃষ্টি না হলে খরা দেখা দিত, কোনো ফসল-ফলাদি হত না। আমাদের চারপাশে নদ-নদী ও খাল-বিল দেখতে পাই। নদীপথে আমরা চলাচল করি। এছাড়া নদী থেকে আমরা খাবারের মাছ পেয়ে থাকি। নদীর পানি দিয়ে আমরা ফসল উৎপাদন করি।
Printed page 63
Figure: চিত্র: মানুষ, প্রকৃতি ও জীবজগৎ
বর্ণনা: একজন মানুষ মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে; তার পেছনে গাছ, সূর্য ও পাহাড় দেখানো হয়েছে। ডান দিকে ঘর ও গাছের কাছে গরু, ছাগল ও মুরগি; সামনে একটি পুকুর, যার পাড়ে পাখি রয়েছে।
গাছপালা থেকে আমরা ফলমূল, শাকসবজি ও অন্যান্য খাদ্য উপাদান পাই। গাছ থেকে আমরা কাঠ ও আসবাবপত্র পাই। কাঠ জ্বালানি হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। আমাদের শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য যে অক্সিজেন দরকার তাও গাছপালা থেকে আসে।
আমাদের গৃহপালিত অনেক পশু-পাখি রয়েছে। গরু আমাদের দুধ দেয়। গরুর দুধ থেকে বিভিন্ন রকম মিষ্টিজাতীয় খাবার তৈরি করা হয়। আমরা গরু, মহিষ ও ছাগলের গোশত খাই। গরু ও মহিষ দিয়ে জমি চাষাবাদ করা হয়। হাঁস-মুরগি থেকে গোশত ও ডিম পাই। মাটিতে সকল প্রকার ফুল-ফল ও ফসলাদি জন্মে। যেমন— ধান, গম, ভুট্টা, আলু, পেঁয়াজ, মরিচ, হলুদ, রসুন, শাকসবজি, ফলমূল ইত্যাদি। এক কথায় প্রকৃতি ও জীবজগৎকে আশ্রয় করেই আমরা জীবন ধারণ করে থাকি। নিঃশ্বাস ছাড়া যেমন মানুষ বাঁচতে পারে না, তেমনি প্রকৃতি, পরিবেশ ও জীবজগৎ ছাড়া মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাপন সম্ভব নয়।
এভাবে আমাদের সঙ্গে প্রকৃতি ও জীবজগতের নিবিড় সম্পর্ক বিদ্যমান। এদের যত্ন নেওয়ার জন্য ইসলামে নির্দেশনা রয়েছে। হাদিসে বর্ণিত হয়েছে— “যখন কোনো মুসলমান একটি বৃক্ষরোপণ করে অথবা কোনো বীজ বপন করে এবং সে গাছে ফল-ফলাদি-শস্য হয়, তা থেকে কোনো মানুষ বা পাখি বা পশু ভক্ষণ করে, তবে তা উৎপাদনকারীর জন্য সদকারূপে (দান) গণ্য হবে।”
সুতরাং আমরা প্রকৃতি ও জীবজগতের প্রতি ভালোবাসাপূর্ণ আচরণের মাধ্যমে যত্নশীল হতে সচেষ্ট হব।
ক) এক কথায় উত্তর বলি। কাজটি একাকী করি।
১) মানুষ, প্রকৃতি ও জীবজগতের সৃষ্টিকর্তা কে?
২) সূর্য থেকে আমরা কী পাই?
৩) অক্সিজেন কোথা থেকে আসে?
৪) কোথা থেকে আমরা কাঠ পাই?
৫) আমরা প্রকৃতি ও জীবজগতের প্রতি কীরূপ আচরণ করব?
Printed page 64
খ) বিষয়বস্তু পড়ি ও ভাবি। মানুষ, প্রকৃতি ও জীবজগতের পারস্পরিক সম্পর্ক বর্ণনা করে পাঁচটি বাক্য লিখি। কাজটি একা করি।
১.
২.
৩.
৪.
গ) আমরা যে প্রকৃতি ও জীবজগতের ওপর নির্ভরশীল সে সম্পর্কে একটি ছবি আঁকি।
জীব ও প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা ও যত্নশীল আচরণ
নিচের ছবিটি দেখে বল তো একটি মেয়ে ও একটি ছেলে কীভাবে প্রকৃতির যত্ন নিচ্ছে?
আমরা পরিবারে মা-বাবার স্নেহ, ভালোবাসা ও যত্নে বেড়ে উঠি। জীব ও প্রকৃতিরও পরিবার আছে। সেখানে তারাও পরিচর্যা পেয়ে বেড়ে ওঠে। আমরাও প্রকৃতি ও জীবজন্তুর পরিচর্যা করতে পারি।
Figure: চিত্র: প্রকৃতি ও জীবজন্তুর পরিচর্যা
বর্ণনা: একটি ছেলে গাছের গোড়ায় লাল বালতি থেকে পানি ঢালছে। পাশের উঠোনে একটি মেয়ে লাল পোশাকে ঝুঁকে দাঁড়িয়ে আছে; পেছনে একটি কুঁড়েঘর ও কয়েকটি মুরগি দেখা যাচ্ছে।
তাতে তারা ভালো থাকে। একটা গাছের যদি নিয়মিত যত্ন করা হয় তাহলে গাছটি ভালো ফুল ও ফল দেয়। তেমনি একটি গরুকে নিয়মিত যত্ন ও পরিচর্যা করলে বেশি দুধ দেয়। গাছপালা, বনাঞ্চল, পাহাড়-পর্বত, নদ-নদী এসবই প্রকৃতির অংশ। এগুলোর ক্ষতিসাধন করলে প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা দেয়। আমাদের অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়ে। সুতরাং এগুলোরও পরিচর্যা করা প্রয়োজন। মহান আল্লাহর প্রতিটি সৃষ্টিকে ভালোবাসতে ও যত্ন করতে হবে। আল্লাহর সৃষ্টির প্রতি সদয় হলে আল্লাহ আমাদের প্রতি সদয় হন।
জীব ও প্রকৃতির প্রতি দয়া ও ভালোবাসা দেখানোর জন্য মহানবি (স.) বলেছেন– “তোমরা পৃথিবীবাসীর প্রতি দয়া করো আসমানবাসী (আল্লাহ) তোমাদের প্রতি দয়া করবেন।”
আমাদের মহান আল্লাহ সবচেয়ে বুদ্ধিমান প্রাণী করে সৃষ্টি করেছেন। তাই আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে প্রকৃতি ও জীবজগতের প্রতি যত্নবান হওয়া। আমরা যদি গাছ লাগাই তবে পৃথিবী সবুজ-শ্যামল হয়। আমরা বেশি বেশি ফুল-ফল ও অক্সিজেন পাই। আর যদি গাছ কাটি পৃথিবীর ক্ষতি হবে। আমাদের খাদ্যের জন্য ফলমূল এবং বাঁচার জন্য অক্সিজেন পাব না। তাই আমরা বেশি বেশি করে গাছ
Printed page 65
লাগাব। গাছ লাগানোর গুরুত্ব তুলে ধরে মহানবি (স.) বলেছেন– “যদি নিশ্চিতভাবে জানতে পার যে, কিয়ামত উপস্থিত, তখন যদি হাতে রোপণ করার মত একটি গাছের চারা থাকে তবে সেই চারাটিও রোপণ করবে।”
পশু-পাখি কষ্ট পায় এমন কাজ আমরা করব না। আমরা পশু-পাখির কষ্ট দেখলে সদয় হব। অসুস্থ পশুপাখির সেবাযত্ন করব। তারা বিপদে-আপদে পড়লে আশ্রয় দিব। অভুক্ত পশু-পাখিকে খাওয়ানো সাওয়াবের কাজ।
Figure: জীব ও প্রকৃতির যত্ন নেওয়া সম্পর্কিত হাদিস
লেবেল: ইমানের ৭০টির বেশি শাখা রয়েছে। এর মধ্যে সর্বনিম্ন শাখা হলো রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু সরিয়ে ফেলা। (মুসলিম শরীফের হাদিস); যে ব্যক্তি চড়ুই বা তার চাইতে ছোটো কোনো প্রাণীকে অযথা হত্যা করে, আল্লাহ তাকে কিয়ামতের দিন সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবেন। (নাসাঈ শরীফের হাদিস); অভিশাপের কারণ হয় এমন তিনটি স্থানে পেশাব-পায়খানা করা থেকে তোমরা বেঁচে থাকবে-(১) জলাশয়ের ঘাট (২) চলাচলের পথ ও (৩) ছায়াযুক্ত স্থান (আবু দাউদ শরীফের হাদিস); প্রকৃতি, পরিবেশ ও জীবজন্তুর প্রতি যত্নশীল হতে ইসলামের নির্দেশনা বর্ণনা: কেন্দ্রে একটি বৃত্তে "প্রকৃতি, পরিবেশ ও জীবজন্তুর প্রতি যত্নশীল হতে ইসলামের নির্দেশনা" লেখা আছে। এর তিন দিক থেকে তিনটি বাক্স থেকে তিনটি তীরচিহ্ন বৃত্তের দিকে এসেছে: বাম দিকের বাক্সে ঈমানের শাখা সম্পর্কিত হাদিস, ওপরের বাক্সে চড়ুই হত্যা সম্পর্কিত হাদিস, ডান দিকের বাক্সে পেশাব-পায়খানা সম্পর্কিত হাদিস।
আমরা আমাদের চারপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখব। যেখানে-সেখানে ময়লা-আবর্জনা ও থুতু ফেলব না। কেননা এর ফলে জীবাণু ছড়ায় ও বায়ু দূষিত হয়। প্লাস্টিক, পলিথিন, রাসায়নিক বর্জ্য ইত্যাদি পরিবেশ নষ্ট করে। পুকুর, খাল ও নদীতে ময়লা-আবর্জনা ফেললে পানি দূষিত হয়। কুরবানির সময়ে জবাইকৃত পশুর রক্ত ভালোভাবে পরিষ্কার না করলে পরিবেশের ক্ষতি হয়। সুতরাং আমরা এসকল কাজ করা থেকে বিরত থাকব।
মাটি, বায়ু, পানি ও পরিবেশের ক্ষতি হয় এমন যেকোনো কাজ ইসলামে নিষিদ্ধ। তাই পরিবেশের ক্ষতি হয় এমন কোনো কাজ আমরা করব না। জীবজন্তুর মৃতদেহ বা উচ্ছিষ্ট যেখানে সেখানে না ফেলে মাটিতে গর্ত করে চাপা দিয়ে রাখব। বাড়িঘরের আবর্জনা এবং উচ্ছিষ্ট যেখানে-সেখানে না ফেলে নির্দিষ্ট স্থানে ফেলব। প্রয়োজনে এসব আবর্জনা গর্ত করে মাটি চাপা দিয়ে রাখব। ধূমপান বায়ুদূষণ ঘটায়। তাই ধূমপান রোধে সচেতনতা তৈরি করব। এভাবে বিভিন্ন কাজের মাধ্যমে আমরা জীব ও প্রকৃতিকে ভালোবেসে তাদের প্রতি যত্নশীল আচরণ করব।
ক) বিষয়বস্তু পড়ি ও ভাবি। শুদ্ধ/অশুদ্ধ উত্তর চিহ্নিত করি। কাজটি একাকী করি।
১) জীব ও প্রকৃতির পরিবার আছে। শুদ্ধ/অশুদ্ধ
২) গাছপালা ও বনাঞ্চলের ক্ষতিসাধন করলে প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা দেয় না। শুদ্ধ/অশুদ্ধ
৩) যেখানে সেখানে থুতু ফেললে জীবাণু ছড়ায়। শুদ্ধ/অশুদ্ধ
৪) ধূমপান বায়ুদূষণ ঘটায় না। শুদ্ধ/অশুদ্ধ
Printed page 66
৫) পরিবেশের ক্ষতি হয় এমন যেকোনো কাজ ইসলামে নিষিদ্ধ। শুদ্ধ/অশুদ্ধ
৬) পবিত্র কুরআন ও হাদিসে জীব ও প্রকৃতির পরিচর্যার নির্দেশ রয়েছে। শুদ্ধ/অশুদ্ধ
খ) জীব ও প্রকৃতির যত্ন নিতে আমরা কী কী কাজ করব তা নিচের ঘরগুলোতে লিখি। কাজটি দুজনে মিলে করি।
Figure
লেবেল: মাটির যত্নে আমরা যা করব; পানির যত্নে আমরা যা করব; জীবজন্তুর যত্নে আমরা যা করব; বায়ুর যত্নে আমরা যা করব; গাছপালার যত্নে আমরা যা করব বর্ণনা: পাঁচটি লেখার ঘর একটি খাতার পাতার মতো সাজানো আছে। কেন্দ্রে একটি বড় ঘর "জীবজন্তুর যত্নে আমরা যা করব" এবং তার চারপাশে চারটি ঘর (ওপরের বাঁয়ে মাটি, ওপরের ডানে পানি, নিচের বাঁয়ে বায়ু, নিচের ডানে গাছপালা) রয়েছে। প্রতিটি ঘরে লেখার জন্য রেখা টানা আছে; ফুলের ছবি দিয়ে সাজানো।
ঘ) বিদ্যালয় ও বাড়ির আশপাশের জীব ও প্রকৃতির যত্ন নেওয়ার ব্যবহারিক অনুশীলন সম্পর্কে তালিকা তৈরি করি। কাজটি দলগতভাবে করি।
যেখানে সেখানে আবর্জনা না ফেলে নির্দিষ্ট স্থানে ফেলব।
১)
২)
৩)
৪)
৫)
৬)
৭)
৮)
৯)
১০)
Printed page 67
Loading the rest of the chapter…
Textbook content © National Curriculum and Textbook Board (NCTB), Bangladesh. Shown for study.
Trusted resources
Official links checked by the Zntext team. Part of the context pack.