Skip to content

Primary Science chapter 1: Introduction to Plants

উদ্ভিদ পরিচিতি

  • Primary Science
  • Textbook pages 1-10
  • 1 source
  • 11,371 characters of context

Textbook (verbatim transcription): Introduction to Plants

Verbatim transcription of the printed NCTB textbook pages.

Contents27
  1. ১. উদ্ভিদের বিভিন্ন অংশ
  2. উদ্ভিদের সাধারণ অংশগুলো কী কী?
  3. উদ্ভিদের সাধারণ অংশগুলো সম্পর্কে আরো কিছু জানি...
  4. মূল
  5. কাণ্ড
  6. পাতা
  7. ফুল
  8. ফল
  9. ২. উদ্ভিদের বিভিন্ন অংশের কাজ
  10. উদ্ভিদের বিভিন্ন অংশের কাজ কী কী?
  11. সারসংক্ষেপ
  12. উদ্ভিদের বিভিন্ন অংশের কাজ সম্পর্কে আরো কিছু জানি...
  13. ৩. কাণ্ডের উপর ভিত্তি করে উদ্ভিদের শ্রেণিবিভাগ
  14. কাণ্ডের উপর ভিত্তি করে কীভাবে উদ্ভিদের শ্রেণিবিভাগ করা যায়?
  15. বাড়ির কাজ/শ্রেণির কাজ
  16. সারসংক্ষেপ
  17. বিরুৎ
  18. গুল্ম
  19. বৃক্ষ
  20. ৪. ফুলের উপস্থিতির উপর ভিত্তি করে উদ্ভিদের শ্রেণিবিন্যাস
  21. ফুলের উপস্থিতির উপর ভিত্তি করে কীভাবে উদ্ভিদকে বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করা যায়?
  22. সারসংক্ষেপ
  23. চলো, পারি কি না দেখি
  24. অনুশীলনী
  25. ১. সঠিক উত্তরে টিক (√) চিহ্ন দিই।
  26. ২। সংক্ষিপ্ত উত্তর প্রশ্ন
  27. ৩। বর্ণনামূলক উত্তর প্রশ্ন

Printed page 1

অধ্যায় ১

উদ্ভিদ পরিচিতি

পৃথিবীতে নানা রকমের জীব আছে। উদ্ভিদ এক ধরনের জীব। আমরা আমাদের আশপাশে নানা ধরনের উদ্ভিদ দেখতে পাই। যেমন: আম, জাম, লেবু, পেয়ারা, গোলাপ, মরিচ, সরিষা গাছ প্রভৃতি। এগুলোর আকার, আকৃতি, রং ইত্যাদিতে ভিন্নতা রয়েছে।

১. উদ্ভিদের বিভিন্ন অংশ

উদ্ভিদ বিভিন্ন রকমের হলেও এগুলোর গঠনে কিছু মিল রয়েছে।

উদ্ভিদের সাধারণ অংশগুলো কী কী?

কাজ : উদ্ভিদের বিভিন্ন অংশ পর্যবেক্ষণ

যা করতে হবে

১. শ্রেণিকক্ষের বাইরে গিয়ে কিছু পরিচিত উদ্ভিদ ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করি। ২. নিজের খাতায় একটি পরিচিত উদ্ভিদের ছবি আঁকি। ৩. ছবিতে গাছের প্রতিটি অংশের নাম লিখি । ৪. নিজের আঁকা ছবিটি সহপাঠীদের আঁকা ছবির সঞ্জো তুলনা করি ।

Figure

লেবেল: উদ্ভিদের বিভিন্ন অংশ কী কী? ফুল, মূল এবং . . . . ।; চলো, ফুল ও শিকড় বা মূল এবং কাণ্ডসহ একটি উদ্ভিদ পর্যবেক্ষণ করি! বর্ণনা: একটি ছেলে ও একটি মেয়ে, প্রত্যেকের মুখের পাশে একটি করে বক্তব্যের বুদবুদ। মাঝখানে মাটিতে পোঁতা একটি উদ্ভিদ, যার উপরে ফুল, কাণ্ড ও পাতা এবং নিচে মূল দেখানো হয়েছে।

Printed page 2

উদ্ভিদের সাধারণ অংশগুলো সম্পর্কে আরো কিছু জানি...

প্রায় সব উদ্ভিদেরই মূল, কাণ্ড এবং পাতা থাকে। কিছু কিছু উদ্ভিদে আবার ফুল ও ফল থাকে।

মূল

উদ্ভিদের মূল বা শিকড় সাধারণত মাটির নিচে থাকে। মূলের মাধ্যমে গাছ মাটিতে আটকে থাকে। মূল গাছকে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে সহযোগিতা করে।

Figure

লেবেল: মূল বর্ণনা: মাটির ভেতরে একটি ছোট গাছের মূল দেখানো হয়েছে। মাটির উপরে গাছের কাণ্ড ও পাতা রয়েছে এবং মাটির নিচে ছড়িয়ে থাকা মূল দেখানো হয়েছে। "মূল" শব্দটির দিকে একটি তির চিহ্ন রয়েছে।

কাণ্ড

মাটির উপরে উদ্ভিদের প্রধান অংশ কাণ্ড। মূল ও উদ্ভিদের অন্যান্য অংশের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে কাণ্ড। এতে শাখা-প্রশাখা, পাতা, ফুল ও ফল থাকে।

Figure

লেবেল: কাণ্ড বর্ণনা: একটি গাছের মোটা কাণ্ড থেকে শাখা-প্রশাখা বের হয়ে ঝাঁকড়া হয়ে আছে। "কাণ্ড" শব্দটির দিকে একটি তির চিহ্ন রয়েছে।

পাতা

অধিকাংশ উদ্ভিদের পাতা চ্যাপ্টা ও সবুজ হয়ে থাকে। পাতা মূলত একটি বৃন্ত বা বোঁটা, একটি পত্রফলক এবং শিরা-উপশিরা দ্বারা গঠিত।

Figure

বর্ণনা: একটি চওড়া, হৃদয়াকৃতি সবুজ পাতা, যার নিচে একটি লম্বা বৃন্ত রয়েছে। পাতার উপরে শিরা-উপশিরা দেখানো হয়েছে।

ফুল

ফুল উদ্ভিদের বিশেষ ধরনের অংশ, যা সাধারণত রঙিন হয়। বিভিন্ন উদ্ভিদে বিভিন্ন আকার, আকৃতি, ও বর্ণের ফুল হয়। সব উদ্ভিদের ফুল থাকে না।

Figure

বর্ণনা: একটি লাল রঙের জবা ফুল, যার বোঁটা ও কেশরের অংশ দেখা যাচ্ছে। ফুলটির পেছনে সবুজ পাতা রয়েছে।

ফল

ফল উদ্ভিদের বিশেষ ধরনের অংশ, যাতে বীজ থাকে। যেমন: আম একটি ফল। এর ভেতরে বীজ আছে। বিভিন্ন উদ্ভিদের বিভিন্ন আকার, আকৃতি ও বর্ণের ফল হয়। সব উদ্ভিদের ফল হয় না ।

Figure

বর্ণনা: একটি পূর্ণ আম ও দুই টুকরো করা আম, যার ভেতরে বীজ দেখা যাচ্ছে। সবগুলো সবুজ পাতার উপর রাখা।

Printed page 3

২. উদ্ভিদের বিভিন্ন অংশের কাজ

ইতোমধ্যে আমরা উদ্ভিদের বিভিন্ন অংশ সম্পর্কে জেনেছি। প্রতিটি অংশই উদ্ভিদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। উদ্ভিদের মূল, কাণ্ড, পাতা, ফুল ও ফল প্রতিটি অংশেরই সুনির্দিষ্ট কাজ রয়েছে।

উদ্ভিদের বিভিন্ন অংশের কাজ কী কী?

কাজ : কাণ্ডের মাধ্যমে পানি পরিবহণ পর্যবেক্ষণ

যা করতে হবে

১. নিচে দেওয়া গাছের ছবিটি ভালোভাবে লক্ষ করি এবং কী পরিবর্তন হয় তা পর্যবেক্ষণ করি। ২. পরিবর্তনের কারণ কী তা নিয়ে চিন্তা করি। ৩. গাছের কাণ্ড কীভাবে কাজ করে তা নিয়ে সহপাঠীদের সঙ্গে আলোচনা করি।

Figure

লেবেল: ৬-৭ ঘণ্টা পর --->; লাল রং/বর্ণের পানি; চিত্র- ক; চিত্র- খ বর্ণনা: দুটি একই রকম গাছের চারা, প্রতিটির গোড়া একটি লাল রঙের পানি ভর্তি কনিক্যাল ফ্লাস্কে রাখা। বাম দিকের চিত্র-ক-তে গাছের পাতা সবুজ, ডান দিকের চিত্র-খ-তে ৬-৭ ঘণ্টা পর পাতাগুলো লাল রঙের দেখানো হয়েছে। দুটি তির চিহ্ন ফ্লাস্কের লাল পানির দিকে নির্দেশ করছে।

আচ্ছা লাল রঙের পানি কি গাছের পাতায় আসবে?

হ্যাঁ, গাছের পাতায় আসবে। পেপেরোমিয়া গাছের ক্ষেত্রে এটি বাইরে থেকে সহজেই বোঝা যাবে। তবে অন্যান্য গাছের ক্ষেত্রে এটি বোঝা বেশ কঠিন ।

Printed page 4

সারসংক্ষেপ

কাণ্ডের মাধ্যমে পানি উদ্ভিদের বিভিন্ন অংশে পরিবাহিত হয়।

উদ্ভিদের বিভিন্ন অংশের কাজ সম্পর্কে আরো কিছু জানি...

উদ্ভিদ তার দেহের বিভিন্ন অংশ ব্যবহার করে নিজের মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণ করে থাকে। যেমন: মাটি থেকে মূলের সাহায্যে পানি ও পুষ্টি উপাদান সংগ্রহ করে। উদ্ভিদের প্রতিটি অংশের কাজ সুনির্দিষ্ট এবং এক অংশের কাজ অন্য অংশ থেকে ভিন্ন ।

Figure

লেবেল: ফুল; পাতা; কাণ্ড; মূল বর্ণনা: একটি সূর্যমুখী গাছ, যার মাথায় ফুল, মাঝের অংশে পাতা ও কাণ্ড এবং মাটির নিচে মূল দেখানো হয়েছে। প্রতিটি অংশের সঙ্গে একটি করে বাক্স যুক্ত করা আছে এবং বাক্স থেকে গাছের সংশ্লিষ্ট অংশের দিকে তির চিহ্ন রয়েছে। মূলের নিচে মাটি দেখানো হয়েছে।

ফুল

ফুল হলো উদ্ভিদের একটি অংশ, যা থেকে বীজ উৎপন্ন হয়। বীজ বপন করা হলে তা থেকে একসময় নতুন চারাগাছ উৎপন্ন হয়।

পাতা

উদ্ভিদের জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্য পাতায় তৈরি হয়। পাতা সূর্যের আলোতে কার্বন ডাইঅক্সাইড ও পানির সাহায্যে খাদ্য তৈরি করে। উদ্ভিদ এই সময় আমাদের প্রয়োজনীয় অক্সিজেন বাতাসে ছেড়ে দেয়।

কাণ্ড

কাণ্ড উদ্ভিদের শাখা-প্রশাখা, পাতা, ফুল, ফল ধারণ করে। কাণ্ডের মধ্য দিয়ে উদ্ভিদ তার দেহের বিভিন্ন অংশে পানি, খনিজ লবন ও খাদ্য পরিবহন করে।

মূল

মূল/শিকড় মাটি থেকে পানি ও পুষ্টি উপাদান শোষণ করে কাণ্ডের দিকে পরিবাহিত করে। মাটির সাথে উদ্ভিদকে আটকে থাকতে সাহায্য করে।

Printed page 5

৩. কাণ্ডের উপর ভিত্তি করে উদ্ভিদের শ্রেণিবিভাগ

উদ্ভিদের বিভিন্ন অংশের মধ্যে একটি অংশ হলো কাণ্ড। সব গাছের কাণ্ড কি একই রকম, নাকি আলাদা?

কাণ্ডের উপর ভিত্তি করে কীভাবে উদ্ভিদের শ্রেণিবিভাগ করা যায়?

কাজ : কাণ্ডের ভিত্তিতে উদ্ভিদের তুলনা

বাড়ির কাজ/শ্রেণির কাজ

যা করতে হবে

১. নিচে দেখানো ছবির মতো করে খাতায় একটি ছক তৈরি করি।

মিলঅমিল

২. ছবিগুলো ভালোভাবে লক্ষ করি। উভয় গাছের কাণ্ড পর্যবেক্ষণ করি এবং মিল ও অমিল খাতায় আঁকা ছকে লিখি।

৩. অমিলের ভিত্তিতে কীভাবে উদ্ভিদের শ্রেণিবিভাগ করা যায়, তা নিয়ে সহপাঠীদের সঙ্গে আলোচনা করি ।

Figure

লেবেল: আকার, আকৃতি ও বর্ণ/রং পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে এই দুটি গাছের তুলনা করতে পারি। এছাড়া আর অন্য কীভাবে আমরা উদ্ভিদগুলোর মধ্যে তুলনা করতে পারি? বর্ণনা: বাঁ দিকে একটি বড় গাছ, যার ঘন পাতা ও মোটা বাদামি কাণ্ড আছে; ডান দিকে একটি ছোট গাছ, যার সরু সবুজ কাণ্ড ও হৃদয়াকৃতি পাতা আছে। ডান কোণে একজন ছেলে কথা বলছে, তার কথা একটি বক্তৃতা-বুদবুদে দেখানো হয়েছে।

Printed page 6

সারসংক্ষেপ

সব উদ্ভিদের কাণ্ড এক রকম নয়। কাণ্ডের রং, গঠন ও আকারের মধ্যে ভিন্নতা রয়েছে।

কাণ্ডের ধরনের উপর ভিত্তি করে উদ্ভিদের শ্রেণিবিন্যাস সম্পর্কে আরো কিছু জানি...

কাণ্ডের ধরণের উপর ভিত্তি করে আমরা উদ্ভিদের শ্রেণিবিন্যাস করতে পারি। যেমন: বিরুৎ, গুল্ম এবং বৃক্ষ।

বিরুৎ

কিছু উদ্ভিদের কাণ্ড নরম, চিকন ও সবুজ বর্ণের হয়। নরম ও সবুজ কাণ্ড বিশিষ্ট উদ্ভিদকে বলা হয় বিরুৎ শ্রেণির উদ্ভিদ। ধান, সরিষা, টমেটো, মরিচ বিরুৎ শ্রেণির উদ্ভিদ। বিরুৎ উদ্ভিদ গুল্ম উদ্ভিদের চেয়ে আকারে ছোটো হয়। এগুলোর মূল বা শিকড় মাটির উপরের স্তরে থাকে।

Figure

বর্ণনা: একটি বিরুৎ গাছ, যার সরু সবুজ কাণ্ড ও অনেক শাখা-প্রশাখায় লাল ও সবুজ ফল আছে; গাছের গোড়ায় মাটির উপরের স্তরে ছোটো শিকড় দেখানো হয়েছে।

গুল্ম

গোলাপ, রজন, জবা গুল্ম শ্রেণির উদ্ভিদ। এসব উদ্ভিদের কাণ্ড শক্ত এবং বিরুৎ এর তুলনায় আকারে বড়। কাণ্ডের গোড়ার কাছ থেকেই শাখা-প্রশাখা বের হয়। এগুলোর মূল বা শিকড় মাটির বেশি গভীরে যায় না।

Figure

বর্ণনা: একটি গুল্ম গাছ, যার একাধিক শাখায় লাল ফুল ফুটে আছে। গাছটির গোড়া মাটিতে পোঁতা এবং নিচে মাটির ভেতর ছড়ানো শিকড় দেখানো হয়েছে।

বৃক্ষ

আকারে দীর্ঘ ও শক্ত প্রকৃতির কাণ্ডবিশিষ্ট উদ্ভিদকে বলা হয় বৃক্ষ। কাণ্ড থেকে শাখা-প্রশাখা ও পাতা হয়। এগুলোর মূল মাটির অনেক গভীরে যায়। আম, কাঁঠাল, বেল ইত্যাদি বৃক্ষ শ্রেণির উদ্ভিদ।

Figure

বর্ণনা: একটি বড় বৃক্ষ, যার মোটা বাদামি কাণ্ড থেকে শাখা বের হয়ে ঘন গোলাকার, সবুজ পাতা ও ফল-সমৃদ্ধ মাথা তৈরি করেছে; গাছের নিচে গভীর ও বিস্তৃত শিকড় দেখানো হয়েছে।

Printed page 7

৪. ফুলের উপস্থিতির উপর ভিত্তি করে উদ্ভিদের শ্রেণিবিন্যাস

আমরা জানলাম যে, কাণ্ডের উপর ভিত্তি করে উদ্ভিদের শ্রেণিবিন্যাস করা যায়। ফুলের উপর ভিত্তি করে আমরা উদ্ভিদের শ্রেণিবিন্যাস করতে পারি কি?

ফুলের উপস্থিতির উপর ভিত্তি করে কীভাবে উদ্ভিদকে বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করা যায়?

কাজ : ফুলের ভিত্তিতে উদ্ভিদের শ্রেণিবিন্যাস

যা করতে হবে

১. নিচে দেখানো ছকের মতো করে খাতায় একটি ছক তৈরি করি ।

গোলাপ গাছফার্ন গাছ

২. নিচের ছবিগুলো ভালোভাবে লক্ষ করি। খাতায় আঁকা ছকে গোলাপ গাছ ও ফার্ন গাছের বিভিন্ন অংশের নাম লিখি ।

৩. ছকটি তৈরি করার পর তৈরিকৃত ছকের ভিত্তিতে নিচের প্রশ্নটির উত্তর চিন্তা করি গোলাপ গাছ ও ফার্ন গাছের বিভিন্ন অংশ দেখতে কি একই রকম, নাকি আলাদা?

৪. সহপাঠীদের সঙ্গে মতবিনিময় করি।

৫. ফুলের উপস্থিতির ভিত্তিতে কীভাবে উদ্ভিদের শ্রেণিবিন্যাস করা যায়, তা নিয়ে সহপাঠীদের সঙ্গে আলোচনা করি।

Figure

লেবেল: তুমি কি কখনো ফার্ন গাছের ফুল দেখেছ?; গোলাপ ও ফার্ন গাছের সাধারণ অংশগুলো কী কী?; গোলাপ ও ফার্ন বর্ণনা: বাঁ দিকে একটি ছেলে, ডান দিকে একটি মেয়ে কথা বলছে। মাঝখানে একটি লাল ফুলযুক্ত গোলাপ গাছ এবং তার ডানে একটি ফার্ন গাছ আছে; উভয় গাছের মূল মাটির নিচে দেখানো হয়েছে।

Printed page 8

Loading the rest of the chapter…

Textbook content © National Curriculum and Textbook Board (NCTB), Bangladesh. Shown for study.

Trusted resources

Official links checked by the Zntext team. Part of the context pack.