Primary Science chapter 2: Introduction to Animals
প্রাণী পরিচিতি
- Primary Science
- Textbook pages 11-22
- 1 source
- 13,197 characters of context
Textbook (verbatim transcription): Introduction to Animals
Verbatim transcription of the printed NCTB textbook pages.
Contents17ShowHide
- ১. প্রাণীদেহের বিভিন্ন অংশ
- বিভিন্ন অঙ্গ সম্পর্কে আরো কিছু জানি ...
- ২. প্রাণীদেহের বিভিন্ন অঙ্গের কাজ
- প্রাণির বিভিন্ন অঙ্গের কাজ সম্পর্কে আরো কিছু জানি ...
- দেখা
- শোনা
- শ্বাস গ্রহণ ও শ্বাস ত্যাগ করা এবং ঘ্রাণ নেওয়া
- খাদ্য ও পানীয় গ্রহণ
- চলাচল
- ৩. প্রাণীর শ্রেণিবিন্যাস
- মেরুদন্ডী প্রাণী
- অমেরুদন্ডী প্রাণী
- ৪. মেরুদন্ডী প্রাণীর শ্রেণিবিভাগ
- মেরুদন্ডী প্রাণী সম্পর্কে আরো কিছু জানি ...
- ৫. অমেরুদন্ডী প্রাণী (কীটপতঙ্গ) পর্যবেক্ষণ
- কীটপতঙ্গের দেহ সম্পর্কে আরো কিছু জানি ...
- অনুশীলনী
Printed page 11
অধ্যায় ২
প্রাণী পরিচিতি
পৃথিবীতে নানা রকমের জীব আছে। প্রাণী একধরনের জীব। আমরা আমাদের আশপাশে নানা ধরনের প্রাণী দেখতে পাই। এগুলোর চলন, খাদ্য গ্রহণ, দেহের গঠন, আকার, আকৃতি, রং ইত্যাদিতে ভিন্নতা রয়েছে।
১. প্রাণীদেহের বিভিন্ন অংশ
পৃথিবীতে অনেক রকমের প্রাণী আছে। বিভিন্ন প্রাণিদেহের গঠনও ভিন্ন। কিন্তু প্রাণিদের ক্ষেত্রে কি এরকম সাধারণ কোনো বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা সব প্রাণির মধ্যেই দেখা যায়?
প্রাণিদেহের সাধারণ অঙ্গগুলো কী কী?
কাজঃ প্রাণি পর্যবেক্ষণ
যা করতে হবে
১. একটি পরিচিত প্রাণির ছবি আঁকি এবং দেহের বিভিন্ন অঙ্গের নাম লিখি। ২. ছবিটি বন্ধুদের আঁকা ছবির সঙ্গে তুলনা করি। ৩. ছবির প্রাণির সাধারণ অঙ্গগুলো নিয়ে সহপাঠীদের সঙ্গে আলোচনা করি।
Figure
বর্ণনা: একটি বিড়ালছানা বসে আছে। পাঁচটি ফাঁকা আয়তাকার বাক্স কালো রেখা দিয়ে বিড়ালছানার বিভিন্ন অংশের সঙ্গে যুক্ত: উপরে বাম কান, ডান চোখ, বাম দিকে মুখের কাছে, ডান দিকে নাক-মুখের কাছে, এবং নিচে ডান পায়ের কাছে।
Printed page 12
সারসংক্ষেপ
প্রাণির সাধারণত চোখ, কান ও মুখ থাকে।
বিভিন্ন অঙ্গ সম্পর্কে আরো কিছু জানি ...
প্রাণিদেহ বিভিন্ন অঙ্গ নিয়ে গঠিত। বিভিন্ন ধরনের প্রাণীর দেহে বিভিন্ন অঙ্গ থাকে।
Figure: মাছ
বর্ণনা: একটি মাছ পাশ থেকে দেখানো হয়েছে; পাখনা ও লেজ দৃশ্যমান।
মাছের চোখ, মুখ, পাখনা, কান, আঁইশ ও ফুলকা থাকে।
Figure: পাখি
বর্ণনা: একটি পাখি ডানা মেলে উড়ছে; লেজ নিচের দিকে।
পাখির চোখ, চঞ্চু বা ঠোঁট, কান, ডানা, লেজ, পালক ও পা থাকে।
Figure: কুমির
বর্ণনা: একটি কুমির শুয়ে আছে; মুখ খোলা।
কুমিরের দেহে চোখ, নাক, মুখ, কান, আঁইশ, লেজ ও পা থাকে।
Figure: ব্যাঙ
বর্ণনা: একটি ব্যাঙ বসে আছে।
ব্যাঙের চোখ, নাক, মুখ, কান, ত্বক ও পা থাকে।
Figure: বাঘ
বর্ণনা: একটি বাঘ সবুজ পটভূমিতে শুয়ে আছে।
বাঘের চোখ, নাক, মুখ, কান, লোম বা পশম, লেজ ও পা থাকে।
Printed page 13
২. প্রাণীদেহের বিভিন্ন অঙ্গের কাজ
বিভিন্ন অঙ্গের সাহায্যে প্রাণিরা সুস্থ ও সুন্দরভাবে বেঁচে থাকে। প্রতিটি অঙ্গেরই সুনির্দিষ্ট কাজ রয়েছে।
প্রাণিদেহের বিভিন্ন অঙ্গের কাজ কী?
কাজঃ প্রাণিদেহের বিভিন্ন অঙ্গের কাজ
যা করতে হবে :
১. নিচের মতো করে খাতায় একটি ছক তৈরি করি।
| দেহের বিভিন্ন অঙ্গ | কাজ |
|---|---|
| চোখ | |
| কান | |
| নাক | |
| মুখ | |
| পাখনা | |
| ডানা | |
| পা |
২. ছকে লেখা দেহের বিভিন্ন অঙ্গ প্রাণী কীভাবে ব্যবহার করে, সে সম্পর্কে চিন্তা করি এবং ছকে লিখি। ৩. কাজটি নিয়ে সহপাঠীদের সঙ্গে আলোচনা করি।
Figure
বর্ণনা: পানিতে একটি ভিজা প্রাণী (উদ্ভূদ/ভোঁদড় ধরনের) মুখে একটি মাছ ধরে আছে।
Figure
বর্ণনা: একটি পাখি ডানা মেলে উড়ছে।
Figure
বর্ণনা: একটি বাঘ সবুজ ঘাসের ওপর দিয়ে দৌড়াচ্ছে।
Printed page 14
সারসংক্ষেপ
প্রাণিদেহের বিভিন্ন অঙ্গ প্রাণি তার নিজের প্রয়োজনে ব্যবহার করে। প্রাণিদেহের প্রতিটি অংশের কাজ ভিন্ন।
প্রাণির বিভিন্ন অঙ্গের কাজ সম্পর্কে আরো কিছু জানি ...
Figure
লেবেল: কান: শোনা, চোখ: দেখা, নাক: শ্বাস নেওয়া, মুখ: খাদ্য গ্রহণ বর্ণনা: একটি বাঘের মুখ সামনে থেকে দেখানো হয়েছে। কান, চোখ, নাক ও মুখের দিকে লাল রেখা ও তীর দিয়ে প্রতিটি অঙ্গের কাজ যুক্ত করা হয়েছে।
দেখা
চোখ দিয়ে প্রাণী আশপাশের সবকিছু দেখে। খাবার সংগ্রহ এবং শত্রুর কবল থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্যও প্রাণীর চোখের প্রয়োজন।
শোনা
কোনোকিছু শোনার জন্য প্রাণী কান ব্যবহার করে। কোনো কোনো প্রাণী কানের মাধ্যমে আসন্ন বিপদ বুঝতে পারে।
শ্বাস গ্রহণ ও শ্বাস ত্যাগ করা এবং ঘ্রাণ নেওয়া
প্রাণী সাধারণত নাক দিয়ে শ্বাস গ্রহণ করে বেঁচে থাকে। আবার ঘ্রাণ নেওয়ার ক্ষেত্রেও নাক ব্যবহার করে।
খাদ্য ও পানীয় গ্রহণ
বেঁচে থাকার জন্য প্রাণির খাদ্য ও পানির প্রয়োজন হয়। খাদ্য ও পানি গ্রহণ করার জন্য প্রাণী সাধারণত মুখ ব্যবহার করে।
Figure: প্রাণীর পায়ের ব্যবহার
বর্ণনা: একটি ব্যাঙ সবুজ পাথরের ওপর থেকে পা দুটি পেছনে টান করে লাফ দিচ্ছে।
চলাচল
খাদ্য সংগ্রহ এবং নিজেকে রক্ষা করার জন্য প্রাণীকে চলাচল করতে হয়। এছাড়াও বিভিন্ন প্রয়োজনে প্রাণীকে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতে হয়। বিভিন্ন উপায়ে প্রাণী চলাচল করে থাকে। প্রাণীরা বিভিন্ন অঙ্গের মাধ্যমে চলাচল করে থাকে। কিছু প্রাণী আছে, যেগুলো হাঁটা, দৌড়ানো ও লাফ দেয়ার কাজে নিজেদের পা ব্যবহার করে। প্রায় সব পাখি ডানা ব্যবহার করে ওড়ে। পানিতে সাঁতার কাটার জন্য মাছ পাখনা ব্যবহার করে।
Printed page 15
৩. প্রাণীর শ্রেণিবিন্যাস
কাণ্ড এবং ফুলের উপর ভিত্তি করে উদ্ভিদকে বিভিন্ন দলে ভাগ করা যায়। কিন্তু প্রাণীকে আমরা কীভাবে ভাগ করতে পারি?
কীভাবে প্রাণীকে বিভিন্ন দলে ভাগ করা যায়?
কাজ: প্রাণীকে বিভিন্ন দলে বিভক্তকরণ
বাড়ির কাজ/শ্রেণির কাজ
যা করতে হবে
১. নিচে দেখানো ছকের মতো খাতায় একটি ছক তৈরি করি।
| হাড়বিশিষ্ট প্রাণী | হাড়বিহীন প্রাণী |
|---|---|
২. নিচের ছবিগুলো পর্যবেক্ষণ করি। পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে প্রাণীগুলোকে মেরুদন্ডবিশিষ্ট ও মেরুদন্ডবিহীন এই দুই দলে ভাগ করি এবং ছকে লিখি । ৩. কাজটি নিয়ে সহপাঠীদের সঙ্গে আলোচনা করি।
Figure
বর্ণনা: এগারোটি প্রাণীর ছবি সারিবদ্ধভাবে সাজানো আছে: মাকড়সা, ব্যাঙ, শামুক, মাছ, ফড়িং, পাখি ও তার বাসা-ডিম, অক্টোপাস, বিড়াল, কেঁচো, টিকটিকি ও কচ্ছপ।
Printed page 16
সারসংক্ষেপ
পৃথিবীতে বিদ্যমান প্রাণীদেরকে বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের আলোকে শ্রেণিবিভাগ করা হয়। হাড়ের উপস্থিতি বিবেচনায় দুই ধরনের প্রাণী আছে। যেমন: হাড়বিশিষ্ট প্রাণী এবং হাড়বিহীন প্রাণী। মেরুদন্ডের উপস্থিতির উপর ভিত্তি করে প্রাণীদেরকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়— মেরুদন্ডী এবং অমেরুদন্ডী প্রাণী ।
মেরুদন্ডী প্রাণী
প্রাণীর পিঠের দিকে ছোটো ছোটো এক সারি হাড় নিয়ে তৈরি হয় মেরুদন্ড। মেরুদন্ড প্রাণীর দেহকে দৃঢ় করে। যেসব প্রাণীর মেরুদন্ড আছে সেগুলোকে মেরুদন্ডী প্রাণী বলে। এ ধরনের প্রাণীর দেহের অভ্যন্তরীণ কঙ্কাল কাঠামোতে মেরুদন্ড থাকে । বাঘ, সাপ, ব্যাঙ ও মানুষ মেরুদন্ডী প্রাণীর কিছু উদাহরণ।
Figure
বর্ণনা: একটি মানুষের পিঠের পাশ থেকে দেখানো মেরুদণ্ডের অবস্থান; মেরুদণ্ড পিঠের মাঝবরাবর লম্বালম্বিভাবে চলে গেছে।
Figure
লেবেল: সাপ, কঙ্কাল, মেরুদন্ড, মোরগ, কঙ্কাল, মেরুদন্ড বর্ণনা: বাম দিকে একটি সাপ এবং তার কঙ্কাল; মাঝে তীর চিহ্ন। ডান দিকে একটি মোরগ এবং তার কঙ্কাল; মাঝে তীর চিহ্ন। প্রতিটি কঙ্কালে মেরুদন্ড চিহ্নিত করা হয়েছে।
অমেরুদন্ডী প্রাণী
কিছু কিছু প্রাণীর মেরুদন্ড থাকে না। যেসব প্রাণীর মেরুদন্ড নেই, সেগুলোকে অমেরুদন্ডী প্রাণী বলে। কেঁচো, শামুক, কাঁকড়া, অক্টোপাস, চিংড়ি, প্রজাপতি অমেরুদন্ডী প্রাণীর কিছু উদাহরণ।
Figure
বর্ণনা: একসারিতে চারটি অমেরুদন্ডী প্রাণী: কেঁচো, চিংড়ি, প্রজাপতি এবং শামুক।
Printed page 17
৪. মেরুদন্ডী প্রাণীর শ্রেণিবিভাগ
প্রাণীকে মেরুদন্ডী ও অমেরুদন্ডী এই দুই শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। কিন্তু মেরুদন্ডী প্রাণীকে কী আর অন্য কোনোভাবে ভাগ করা যায়?
মেরুদন্ডী প্রাণীদের কীভাবে শ্রেণিকরণ করা যায়?
কাজ: বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে মেরুদন্ডী প্রাণীদের তুলনাকরণ
যা করতে হবে
১. নিচের ছকের মতো করে খাতায় একটি ছক তৈরি করি।
| বৈশিষ্ট্য | মাছ | ব্যাঙ | টিকটিকি | মুরগি | কুকুর |
|---|---|---|---|---|---|
| কীভাবে চলাচল করে? | |||||
| কোথায় বাস করে? | |||||
| দেহ কী দ্বারা আবৃত? | |||||
| ডিম পাড়ে, নাকি বাচ্চা জন্ম দেয়? |
২. নিচের ছবিগুলো দেখে প্রাণীগুলোর বৈশিষ্ট্য মনোযোগ সহকারে লক্ষ করি এবং বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে ছকটি পূরণ করি । ৩. কাজটি নিয়ে সহপাঠীদের সঙ্গে আলোচনা করি।
Figure
লেবেল: আমরা কি বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে বিভিন্ন প্রাণীর শ্রেণিবিন্যাস করতে পারি? বর্ণনা: একটি মেয়ের মুখ, যার উক্তি বুদবুদে লেখা আছে। নিচে একটি কুকুর, একটি মাছ, একটি ব্যাঙ, একটি টিকটিকি ও একটি মুরগি আঁকা আছে।
Printed page 18
সারসংক্ষেপ
বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে মেরুদন্ডী প্রাণীদের বিভিন্ন দলে বা শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।
মেরুদন্ডী প্রাণী সম্পর্কে আরো কিছু জানি ...
বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে মেরুদন্ডী প্রাণীদের পাঁচটি দলে ভাগ করা যায়। যেমন: মাছ, উভচর, সরীসৃপ, পাখি ও স্তন্যপায়ী।
Figure: মাছ
বর্ণনা: একটি মাছ পাশ থেকে দেখানো হয়েছে।
মাছ পানিতে বাস করে। এরা ডিম পাড়ে এবং পাখনার সাহায্যে পানিতে সাঁতার কাটে। বেশির ভাগ মাছের দেহ আঁশ দ্বারা আবৃত থাকে।
Figure: উভচর
বর্ণনা: একটি সবুজ ব্যাঙ সামনে থেকে দেখানো হয়েছে।
উভচর প্রাণী জল ও স্থল উভয় জায়গাতেই বাস করে। এরা পানিতে ডিম পাড়ে। এগুলোর দেহ এক ধরনের মসৃণ ও ভেজা ত্বক দ্বারা আবৃত থাকে।
ব্যাঙ একটি উভচর প্রাণী। এরা সাধারণত লাফিয়ে চলাচল করে।
Figure: সরীসৃপ
বর্ণনা: একটি সবুজ টিকটিকি দীর্ঘ লেজসহ পাশ থেকে দেখানো হয়েছে।
সরীসৃপ শ্রেণির অধিকাংশ প্রাণী জলে বা স্থলে বাস করে। এগুলোর দেহ এক ধরনের শুষ্ক আঁশযুক্ত ত্বক দ্বারা আবৃত থাকে। এরা স্থলে ডিম পাড়ে। সাপ, টিকটিকি ও কুমির সরীসৃপ। এরা পা দিয়ে হাঁটে অথবা বুকে ভর দিয়ে চলে।
Figure: পাখি
বর্ণনা: একটি নীল ও কমলা রঙের পাখি গাছের ডালে বসে আছে।
বেশির ভাগ পাখি ডানা মেলে উড়তে পারে। এদের দেহ পালকে ঢাকা থাকে। এদের বেশির ভাগই গাছে বাসা বানায় এবং সেই বাসায় ডিম পাড়ে।
Figure: স্তন্যপায়ী
বর্ণনা: একটি বাদামী ও সাদা কুকুর সবুজ পটভূমিতে দাঁড়িয়ে আছে।
স্তন্যপায়ী প্রাণীর দেহ পশম, লোম বা ত্বক দিয়ে ঢাকা থাকে। এরা হাঁটা বা দৌড়ানোর কাজে নিজেদের পা ব্যবহার করে। এরা বাচ্চা জন্ম দেয়। বাচ্চা মায়ের দুধ পান করে। অধিকাংশ স্তন্যপায়ী প্রাণী স্থলে বাস করে, যেমন: মানুষ, কুকুর, বিড়াল ইত্যাদি। কিছু স্তন্যপায়ী প্রাণী পানিতে বাস করে, যেমন: তিমি এবং ডলফিন। কিছু স্তন্যপায়ী প্রাণী উড়তে পারে, যেমন: বাদুড়।
Printed page 19
Loading the rest of the chapter…
Textbook content © National Curriculum and Textbook Board (NCTB), Bangladesh. Shown for study.
Trusted resources
Official links checked by the Zntext team. Part of the context pack.