Skip to content

Primary Science chapter 3: Food for Good Health

সুস্বাস্থ্যের জন্য খাদ্য

  • Primary Science
  • Textbook pages 23-38
  • 1 source
  • 18,462 characters of context

Textbook (verbatim transcription): Food for Good Health

Verbatim transcription of the printed NCTB textbook pages.

Contents34
  1. ১. খাদ্যের উৎস
  2. আমরা কোথা থেকে খাদ্য পাই?
  3. খাদ্যের উৎস সম্পর্কে আরো কিছু জানি . . .
  4. ২. মৌসুমি ফল
  5. আমাদের দেশে বিভিন্ন ঋতুতে কী কী ফল পাওয়া যায়?
  6. বিভিন্ন ঋতুর ফল সম্পর্কে আরো কিছু জানি . . .
  7. ৩. মৌসুমি সবজি
  8. বিভিন্ন ঋতুতে আমাদের দেশে কী কী সবজি পাওয়া যায়?
  9. বিভিন্ন ঋতুর সবজি সম্পর্কে আরো কিছু জানি . . .
  10. ৪. পুষ্টি উপাদান
  11. শর্করা
  12. আমিষ
  13. চর্বি বা তেল
  14. ভিটামিন ও খনিজ লবণ
  15. পানি
  16. ৫. পুষ্টি উপাদানের উৎস
  17. বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানের উৎসগুলো কী কী?
  18. পুষ্টি উপাদানের উৎস নিয়ে আরো কিছু জানি...
  19. ৬. পুষ্টি উপাদানের প্রয়োজনীয়তা
  20. শরীরের জন্য বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানের প্রয়োজনীয়তা কী?
  21. পুষ্টি উপাদানের কাজ সম্পর্কে আরো কিছু জানি...
  22. ৭. স্বাস্থ্যকর খাদ্য
  23. কোনগুলো স্বাস্থ্যকর খাদ্য?
  24. পুষ্টি উপাদানের উৎস নিয়ে আরো কিছু জানি...
  25. ৮. নিরাপদ পানীয়
  26. নিরাপদ পানীয় কী?
  27. পুষ্টি উপাদানের উৎস নিয়ে আরো কিছু জানি ...
  28. চলো, পারি কি না দেখি
  29. অনুশীলনী
  30. ১. সঠিক উত্তরে টিক (√) চিহ্ন দিই।
  31. ২। শব্দগুলো থেকে সঠিক শব্দ নিয়ে শূন্যস্থান পূরণ করি।
  32. ৩। বাম পাশের শব্দগুচ্ছের সাথে ডান পাশের শব্দের মিল করি।
  33. ৪। সংক্ষিপ্ত উত্তর প্রশ্ন
  34. ৫। বর্ণনামূলক প্রশ্ন

Printed page 23

অধ্যায় ৩

সুস্বাস্থ্যের জন্য খাদ্য

প্রতিদিন আমরা নানা রকম খাদ্য খেয়ে থাকি। এই খাদ্যগুলো আমরা কেন খাই? খাদ্য আমাদের কী কাজে লাগে? আমাদের খাদ্যগুলো কোথা থেকে আসে? চলো, খাদ্য সম্পর্কে জানার চেষ্টা করি।

১. খাদ্যের উৎস

আমরা কোথা থেকে খাদ্য পাই?

কাজ : খাদ্যের উৎস খুঁজে বের করা

যা করতে হবে

১. খাতায় ডান পাশের ছকের মতো একটি ছক তৈরি করি। ২. নিচের খাবারের ছবিগুলো দেখি। ৩. খাবারগুলোকে উৎস (কোথা থেকে পাই) অনুসারে ছকে লিখি। ৪. খাদ্যের উৎসগুলো নিয়ে সহপাঠীদের সজো আলোচনা করি।

উদ্ভিদ থেকে পাওয়া খাদ্যপ্রাণী থেকে পাওয়া খাদ্য

Figure

বর্ণনা: বিভিন্ন ফল, সবজি, ডিম, দুধের গ্লাস, মুরগির মাংস, রুটি, চাল, শস্যদানা ও গাজরের একটি সমষ্টি একসঙ্গে সাজানো আছে।

পাউরুটি কী থেকে পাই?

দই কোথা থেকে পাই?

Printed page 24

সারসংক্ষেপ

প্রতিদিনের খাবারগুলো আমরা উদ্ভিদ এবং প্রাণী থেকে পেয়ে থাকি।

খাদ্যের উৎস সম্পর্কে আরো কিছু জানি . . .

উদ্ভিদ থেকে পাওয়া খাদ্যের মধ্যে আছে ভাত, রুটি, ডাল, সবজি, ফল ইত্যাদি। আবার, মাছ, মাংস, ডিম, দুধ ইত্যাদি খাদ্য আসে প্রাণী থেকে।

কিছু খাদ্য আমরা সরাসরি খেতে পারি। যেমন: ফল। আবার কিছু খাদ্য তৈরি করে নিতে হয়। যেমন: পাউরুটি। পাউরুটি, বিস্কুট ইত্যাদি তৈরি হয় আটা ও ময়দা দিয়ে। এই আটা ও ময়দা আসে গমসহ বিভিন্ন শস্য থেকে। আর আমরা গম পাই উদ্ভিদ থেকে। তাই পাউরুটি ও বিস্কুট ইত্যাদি উদ্ভিদ থেকে আসা খাদ্য।

একইভাবে মাখন, ঘি, দই, পনির ইত্যাদি তৈরি হয় দুধ থেকে। আর দুধ আসে প্রাণী থেকে। তাই এই খাবারগুলোর উৎস প্রাণী।

২. মৌসুমি ফল

আমাদের দেশে সারা বছরই নানান স্বাদের ফল পাওয়া যায়। ফল স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী। বিভিন্ন ঋতুতে পাওয়া ফলগুলো নানা রকম রোগব্যাধি প্রতিরোধে আমাদের সাহায্য করে।

আমাদের দেশে বিভিন্ন ঋতুতে কী কী ফল পাওয়া যায়?

কাজ : ঋতুভেদে ফলের শ্রেণিকরণ করা

যা করতে হবে

১. খাতায় নিচের ছকের মতো একটি ছক তৈরি করি।

গ্রীষ্মকালীন ফলশীতকালীন ফলবারোমাসি ফল

২. নিচের ছবির ফলগুলোকে গ্রীষ্মকালীন, শীতকালীন এবং বারোমাসি- এ তিনটি দলে ভাগ করে ছকে লিখি। ৩. কাজটি নিয়ে সহপাঠীদের সজো আলোচনা করি।

Figure

বর্ণনা: বিভিন্ন ধরনের ফল একসঙ্গে একটি ঝুড়িতে ও টেবিলে সাজানো আছে। বাম দিকে পেঁপে ও কলা, মাঝে তরমুজ এবং বড় একটি কাঁঠাল, ডানে আঙুরের থোকা দেখানো হয়েছে।

আম পাওয়া যায় গ্রীষ্মকালে। বরই কখন পাওয়া যায়?

কলা কি সারা বছরই পাওয়া যায়? নাকি কোনো বিশেষ ঋতুতে পাওয়া যায়?

Printed page 25

সারসংক্ষেপ

আমাদের দেশে আম, জাম, কলা, পেঁপে, কমলা, পেয়ারাসহ আরো অনেক ফল পাওয়া যায়। কিছু কিছু ফল নির্দিষ্ট মৌসুমে পাওয়া যায়। আবার কিছু ফল সারা বছর ধরে পাওয়া যায়।

বিভিন্ন ঋতুর ফল সম্পর্কে আরো কিছু জানি . . .

আমাদের দেশে পাওয়া ফলগুলোকে গ্রীষ্মকালীন, শীতকালীন এবং বারোমাসি- এ তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।

গ্রীষ্মকালীন ফল

গ্রীষ্মকালীন ফলের মধ্যে রয়েছে আম, জাম, কাঁঠাল, বেল, তরমুজ, লিচু, তাল, পেয়ারা, আমড়া, জাম্বুরা, আনারস, লটকন, জামরুল ইত্যাদি।

Figure

বর্ণনা: কয়েকটি ফল একসঙ্গে সাজানো আছে; বাম দিকে কমলা রঙের ফল ও তরমুজের টুকরো, মাঝে একটি বড় কাঁঠাল, নিচে জামের স্তূপ ও আমের ঝুড়ি, ডানে লিচুর গুচ্ছ।

শীতকালীন ফল

Figure

বর্ণনা: কয়েকটি বড় কমলা রঙের ফল, সবুজ বরই এবং আমলকীর স্তূপ একসঙ্গে দেখানো হয়েছে।

শীতকালীন ফলের মধ্যে রয়েছে বরই, কমলা, আমলকী, জলপাই ইত্যাদি।

বারোমাসি ফল

বারোমাসি ফলের মধ্যে রয়েছে কলা, পেঁপে, নারিকেল ইত্যাদি। এ ফলগুলো সারা বছরই কমবেশি পাওয়া যায়।

Figure

বর্ণনা: একটি নারিকেল (আংশিক ছাড়ানো), একটি পেঁপে (অর্ধেক কাটা) এবং একগুচ্ছ কলা একসঙ্গে দেখানো হয়েছে।

Printed page 26

৩. মৌসুমি সবজি

আমাদের দেশে সারা বছর প্রচুর পরিমাণে নানা রকম শাকসবজি উৎপন্ন হয়। ভিন্ন ভিন্ন ঋতু বা মৌসুমে ভিন্ন ভিন্ন সবজি পাওয়া যায়। সুস্বাস্থ্যের জন্য নিয়মিত শাকসবজি খেতে হয়।

বিভিন্ন ঋতুতে আমাদের দেশে কী কী সবজি পাওয়া যায়?

কাজ : ঋতুভেদে সবজির শ্রেণিকরণ করা

বাড়ির কাজ/শ্রেণির কাজ

যা করতে হবে

১. খাতায় নিচের ছকের মতো একটি ছক তৈরি করি।

গ্রীষ্মকালীন সবজিশীতকালীন সবজিবারোমাসি সবজি

২. নিচের ছবির সবজিগুলোকে গ্রীষ্মকালীন, শীতকালীন এবং বারোমাসি এ তিনটি দলে ভাগ করে ছকে লিখি। ৩. কাজটি নিয়ে সহপাঠীদের সজো আলোচনা করি।

Figure

বর্ণনা: বিভিন্ন ধরনের সবজি একসঙ্গে সাজানো আছে; এর মধ্যে কুমড়া, ফুলকপি, গাজর, লাউ (অর্ধেক কাটা), বেগুনি রঙের বাঁধাকপি এবং বিভিন্ন পাতাযুক্ত সবজি রয়েছে।

এমন কী সবজি আছে যা সারা বছর পাওয়া যায়?

শীতকালে বাঁধাকপি পাওয়া যায়। কিন্তু লাউ কখন পাওয়া যায়?

Printed page 27

সারসংক্ষেপ

আমাদের দেশে পাওয়া সবজিগুলোকে গ্রীষ্মকালীন, শীতকালীন এবং বারোমাসি- এই তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।

বিভিন্ন ঋতুর সবজি সম্পর্কে আরো কিছু জানি . . .

Figure: গ্রীষ্মকালীন সবজি

বর্ণনা: কুমড়া, শসা, শিম ও শাক একসঙ্গে সাজানো আছে; বাম দিকে কুমড়ার একটি টুকরো।

Figure: শীতকালীন সবজি

বর্ণনা: লাউ, বাঁধাকপি, ফুলকপি, মূলা, টমেটো ও গাজর একসঙ্গে সাজানো আছে।

Figure: বারোমাসি সবজি

বর্ণনা: কলা, পেঁপে ও শাকপাতা একসঙ্গে সাজানো আছে; একটি পেঁপের অর্ধেক কাটা অবস্থায় দেখানো হয়েছে।

গ্রীষ্মকালীন সবজি

গ্রীষ্মকালে নানা রকম সবজি পাওয়া যায়। যেমন: পটোল, করলা, ঢেঁড়স, মিষ্টিকুমড়া, চালকুমড়া, কাকরোল, ঝিঙ্গা, ধুন্দল, চিচিঙ্গা ইত্যাদি। বিভিন্ন শাক যেমন: পুঁইশাক, ডাঁটাশাক ইত্যাদি।

এছাড়া গ্রীষ্মকালে শসা, মিষ্টিকুমড়া, চালকুমড়া, পানি কচু ইত্যাদি পাওয়া যায়।

শীতকালীন সবজি

শিম, লাউ, মূলা, টমেটো, বাঁধাকপি, ফুলকপি, গাজর ইত্যাদি হলো শীতকালীন সবজি। শীতকালে লালশাক, পালংশাক, লাউশাক ইত্যাদিও পাওয়া যায়।

বারোমাসি সবজি

পেঁপে, কাঁচাকলা ইত্যাদি সবজি সারা বছরই পাওয়া যায়। একইভাবে বারোমাসি শাকের মধ্যে রয়েছে কলমিশাক, কুচুশাক ইত্যাদি। তবে কৃষি বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রার ফলে অনেক সবজি ও ফলমূল এখন সারা বছর ধরে উৎপাদন করা যায়।

৪. পুষ্টি উপাদান

আমরা যেসব খাবার খাই তাতে নানারকমের পুষ্টি উপাদান আছে। খাদ্যে উপস্থিত প্রধান পুষ্টি উপাদানগুলো হলো শর্করা, আমিষ এবং চর্বি। এছাড়া রয়েছে ভিটামিন ও খনিজ লবণ। একেকটি পুষ্টি উপাদান আমাদের শরীরের একেক কাজে লাগে। তাই সুস্থ থাকার জন্য বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানযুক্ত খাবার নিয়মিত গ্রহণ করতে হয়।

Figure

বর্ণনা: ভাত, আলু, মিষ্টি আলু, মুড়ি বা চিড়া, রুটি ও একটি ভাতের বাটি একসঙ্গে সাজানো আছে।

শর্করা

শর্করা জাতীয় খাদ্যের প্রধান উৎস হলো ভাত, রুটি, চিড়া, মুড়ি, আলু, মিষ্টি আলু ইত্যাদি। আমাদের চলাফেরাসহ সব কাজের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি শর্করা থেকে পেয়ে থাকি।

Printed page 28

আমিষ

মাছ, মাংস, ডাল, শিমের বিচি, ডিমের সাদা অংশ ইত্যাদিতে আমিষ থাকে। আমাদের দেহের গঠন ও ক্ষয় পূরণের জন্য আমিষ প্রয়োজন।

Figure

বর্ণনা: একটি বাটিতে ডাল, ডিম, একটি মাছের টুকরো, শিমের বিচি এবং একটি মুরগি একসঙ্গে সাজানো আছে।

চর্বি বা তেল

Figure

বর্ণনা: একগ্লাস দুধ, একটি মাখনের টুকরো ও ছুরি, এবং কয়েকটি বাদাম একসঙ্গে সাজানো আছে।

বাদাম, দুধ, মাখন, ঘি, পনির ইত্যাদি খাদ্যে প্রচুর পরিমাণে চর্বি বা তেল রয়েছে। এছাড়া কিছু উদ্ভিদ থেকে তেল পাওয়া যায়। যেমন: তিল, তিসি, সরিষা, নারিকেল, জলপাই, সূর্যমুখী, সয়াবিন ইত্যাদি। শর্করার মতোই চর্বি বা তেলও আমাদের শক্তি জোগায়। চর্বি আমাদের দেহের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। শরীরে কিছু পুষ্টি উপাদান ও ভিটামিন শোষণ হওয়ার জন্য চর্বির প্রয়োজন।

ভিটামিন ও খনিজ লবণ

Figure

বর্ণনা: বিভিন্ন ফল ও সবজি একসঙ্গে সাজানো আছে; এর মধ্যে কুমড়া, ফুলকপি, গাজর, কলা, পেঁপে, কমলা, আঙুর ও শাকপাতা রয়েছে।

ফল ও শাকসবজি থেকে আমরা ভিটামিন ও খনিজ লবণ পাই। ভিটামিন ও খনিজ লবণ আমাদের কর্মক্ষম ও সুস্থ রাখে; রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ভিটামিনের অভাবে শরীরে বিভিন্ন ধরনের রোগ হয়। যেমন: রাতকানা রোগ। এই রোগ হলে মানুষ রাতে কম দেখতে পায়।

পানি

Figure

বর্ণনা: একগ্লাস স্বচ্ছ পানি।

পানি সরাসরি পুষ্টি উপাদান নয়। তবে শরীরের বিভিন্ন কাজের জন্য পানির প্রয়োজন। খাদ্য হজম এবং দেহে পুষ্টি উপাদান শোষণের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে বিশুদ্ধ পানি পান করা প্রয়োজন। পানির মাধ্যমে শরীরে উৎপন্ন বর্জ্য পদার্থ ঘাম ও মূত্রের সাথে বের হয়ে আসে।

Printed page 29

৫. পুষ্টি উপাদানের উৎস

বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানের উৎসগুলো কী কী?

কাজ : আমাদের শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানের উৎস খুঁজে বের করা

যা করতে হবে

১. নিচের ছকের মতো একটি ছক তৈরি করি। ২. শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানের উৎস কী কী তা নিয়ে চিন্তা করি। ৩. নিচের পুষ্টি উপাদানগুলো ছবির কোন কোন খাবার থেকে পাওয়া যায় তা ছকে লিখি। ৪. পুষ্টি উপাদানের উৎসগুলো নিয়ে সহপাঠীদের সজো আলোচনা করি।

পুষ্টি উপাদানখাবারের নাম
শর্করা
আমিষ
চর্বি বা তেল
ভিটামিন ও খনিজ লবণ

Figure

লেবেল: কোন কোন খাবার থেকে আমিষ পাওয়া যায়?, আমরা ভিটামিন ও খনিজ লবণ কোন কোন খাবার থেকে পাই? বর্ণনা: একটি ছেলে ও একটি মেয়ে; প্রতিটি মুখের পাশে একটি করে কথার বুদবুদ আছে, যাতে উপরের লেখাগুলো রয়েছে।

Printed page 30

সারসংক্ষেপ

খাদ্যে উপস্থিত প্রধান পুষ্টি উপাদানগুলো হলো শর্করা, আমিষ, চর্বি, ভিটামিন ও খনিজ লবণ। শর্করার প্রধান উৎস হলো ভাত, রুটি ইত্যাদি শস্যজাতীয় খাদ্য। মাছ, মাংস, ডাল, শিমের বিচি, ডিমের সাদা অংশ ইত্যাদিতে আমিষ থাকে। বাদাম, দুধ, মাখন, ঘি, পনির, চর্বিযুক্ত মাছ ইত্যাদি খাদ্যে প্রচুর পরিমাণে চর্বি বা তেল রয়েছে। তাছাড়া ফল ও শাকসবজি থেকে আমরা ভিটামিন ও খনিজ লবণ পাই।

Loading the rest of the chapter…

Textbook content © National Curriculum and Textbook Board (NCTB), Bangladesh. Shown for study.

Trusted resources

Official links checked by the Zntext team. Part of the context pack.