Primary Science chapter 7: Water
পানি
- Primary Science
- Textbook pages 80-94
- 1 source
- 17,069 characters of context
Textbook (verbatim transcription): Water
Verbatim transcription of the printed NCTB textbook pages.
Contents13ShowHide
Printed page 80
অধ্যায় ৭
পানি
পৃথিবীর মানচিত্রটি দেখি। কী মনে হয়? পৃথিবীর উপরিভাগের চার ভাগের প্রায় তিন ভাগই পানি। কিন্তু এসব পানি ব্যবহার উপযোগী নয়। তাই না?
কেন? ভেবে দেখি।
১. পানির উৎস
আমরা নানা কাজে প্রচুর পানি ব্যবহার করি। পানি পান করি। বেঁচে থাকার জন্য সকল প্রাণী ও উদ্ভিদের পানির প্রয়োজন। পানি মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এসব পানি আমরা কোথা থেকে পাই? একটু ভেবে দেখি।
কাজ: আমাদের চারপাশের পরিবেশের পানির উৎস খুঁজে বের করি
পানির উৎস
Figure
বর্ণনা: পৃথিবীর মানচিত্র; স্থলভাগ সবুজ এবং চারপাশের মহাসাগর নীল রঙে দেখানো হয়েছে।
যা করতে হবে :
১. বাড়ির কাজের খাতায় ডান দিকে দেখানো ছকের মতো করে একটি ছক তৈরি করি।
২. আমরা কোথায় কোথায় পানি পাই, তা নিয়ে চিন্তা করি এবং ছকে পানির উৎসগুলোর একটি তালিকা তৈরি করি।
৪. পানির উৎস নিয়ে সহপাঠীদের সঙ্গে আলোচনা করি।
| পানির উৎস |
|---|
বর্ণনা: দুজন শিশু কথা বলছে; তাদের কথোপকথন নিচে দেওয়া হয়েছে।
পান করার পানি আমরা কোথা থেকে পাই?
কৃষিকাজের পানি আমরা কোথা থেকে পাই?
সারসংক্ষেপ
পানির প্রধান উৎসগুলো হলো- পুকুর, নদী-নালা, খাল-বিল, বৃষ্টি, হ্রদ, সমুদ্র ইত্যাদি। এছাড়া পানির কল এবং নলকূপ থেকেও আমরা পানি পাই।
Printed page 81
পানির উৎস সম্পর্কে আরো কিছু জানি...
পানির উৎসগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়: প্রাকৃতিক উৎস এবং মানুষের তৈরি উৎস।
পানির প্রাকৃতিক উৎস
বৃষ্টি, নদী-নালা, খাল-বিল, হ্রদ এবং সমুদ্র হলো পানির প্রাকৃতিক উৎস।
বৃষ্টির পানি
প্রাকৃতিক উৎস থেকে প্রাপ্ত পানির মধ্যে বৃষ্টির পানিই সবচেয়ে বিশুদ্ধ। আমাদের দেশে বর্ষাকালে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। বৃষ্টির পানি, পুকুর, নদী, হাওর, খাল-বিল, হ্রদ ইত্যাদিতে জমা হয়। বৃষ্টির পানি ভূপৃষ্ঠে এবং ভূগর্ভে সঞ্চিত হয়।
ভূপৃষ্ঠের পানি
পৃথিবী পৃষ্ঠের পানিই হলো ভূপৃষ্ঠের পানি। যেমন: সাগর, মহাসাগর, নদী, জলাভূমি, পুকুর ইত্যাদি। ভূপৃষ্ঠের পানি ক্রমাগত বাষ্পে পরিণত হচ্ছে। পরবর্তী সময়ে বৃষ্টি আকারে ভূপৃষ্ঠে পড়ছে এবং তা চুয়ে চুয়ে ভিতরে ঢুকে ভূগর্ভে জমা হচ্ছে।
ভূগর্ভস্থ পানি
মাটির অভ্যন্তরে জমা হওয়া পানিই হলো ভূগর্ভস্থ পানি। বিভিন্ন উপায়ে আমরা ভূগর্ভস্থ পানি পেয়ে থাকি। পাহাড়ি অঞ্চলে এ পানি ঝরনার আকারে বের হয়ে আসে। সমতল অঞ্চলে কূপ খনন করে অথবা নলকূপের মাধ্যমে আমরা এ পানি সংগ্রহ করি।
Figure
বর্ণনা: সমুদ্রের তীর; ঢেউ আছড়ে পড়ছে বালুর ওপর।
Figure
বর্ণনা: বৃষ্টির মধ্যে ছাতা মাথায় দুজন মানুষ রাস্তা দিয়ে হাঁটছে।
Figure
বর্ণনা: একটি হ্রদ বা জলাশয়; তীরে গাছপালা এবং পানিতে একটি নৌকা।
পানির প্রাকৃতিক উৎস
মানুষের তৈরি পানির উৎস
পুকুর, কুয়া, নলকূপ এবং পানির কল থেকেও আমরা পানি পাই। এগুলো মানুষের তৈরি পানির উৎস।
Figure
বর্ণনা: একটি পুকুর; চারপাশে গাছপালা।
Figure
বর্ণনা: একটি ইটের তৈরি কুয়া; একজন মহিলা কুয়া থেকে পানি তুলছেন।
Figure
বর্ণনা: একটি নলকূপ; একটি শিশু নলকূপ থেকে পানি সংগ্রহ করছে।
Figure
বর্ণনা: একটি পানির কল; বেসিনের ওপরে কল থেকে পানি পড়ছে।
মানুষের তৈরি পানির উৎস
Printed page 82
আলোচনা
পানির উৎসগুলোকে কয়ভাগে ভাগ করা যায়?
১. বাড়ির কাজের খাতায় ডানে দেখানো ছকের মতো একটি ছক তৈরি করি।
২. পানির উৎসগুলোকে দু'ভাগে ভাগ করি।
৩. কাজ নিয়ে সহপাঠীদের সঙ্গে আলোচনা করি।
| পানির প্রাকৃতিক উৎস | মানুষের তৈরি পানির উৎস |
|---|---|
২. পানির ধরন
আমরা আমাদের আশপাশের বিভিন্ন জায়গায় পানি দেখতে পাই। এই পানিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা: মিঠা বা স্বাদু পানি এবং লবণাক্ত পানি।
কাজ: বিভিন্ন ধরনের পানি খুঁজে বের করা
যা করতে হবে
১. নিচের মতো করে একটি ছক নিজ নিজ খাতায় আঁকি।
| মিঠা বা স্বাদু পানির উৎস | লবণাক্ত পানির উৎস |
|---|---|
২. নিচের ও পরের পৃষ্ঠার ছবি দেখে মিঠা বা স্বাদু ও লবণাক্ত পানির উৎস খুঁজে বের করে ছকে লিখি।
৩. পানির ধরনগুলো নিয়ে সহপাঠীদের সঙ্গে আলোচনা করি।
Figure
বর্ণনা: একটি ইটের তৈরি গোল কুয়া; একজন মহিলা দড়ি ধরে কুয়া থেকে বালতি দিয়ে পানি তুলছেন। কুয়ার পাশে একটি কলসি রাখা।
Figure
বর্ণনা: একটি হস্তচালিত নলকূপ; ওপরে হাতল এবং সামনে থেকে পানি বের হচ্ছে।
Figure
বর্ণনা: একটি পানির কল; দেয়ালে লাগানো।
Printed page 83
Figure: পানির বিভিন্ন উৎস
বর্ণনা: চারটি ছবি পাশাপাশি: প্রথমটিতে সমুদ্রের তীর, দ্বিতীয়টিতে গাছপালা ঘেরা হ্রদ, তৃতীয়টিতে সেতুর নিচে একটি জলাশয়, চতুর্থটিতে নদীতে দুটি নৌকা।
বর্ণনা: একজন মেয়ে ও একজন ছেলে কথা বলছে; তাদের কথোপকথন নিচে দেওয়া হয়েছে।
মিঠা পানির আর কী কী উৎস আছে?
কোন কোন উৎসের পানি লবণাক্ত?
সারসংক্ষেপ
পানিকে আমরা মিঠা পানি ও লবণাক্ত পানি– এই দুই ভাগে ভাগ করতে পারি।
পানির ধরন সম্পর্কে আরো কিছু জানি...
লবণাক্ত বা লোনা পানি
যে পানিতে প্রাকৃতিকভাবে লবণ থাকে, তাকে লবণাক্ত পানি বলে। পৃথিবীর অধিকাংশ পানিই লবণাক্ত। সাগর ও মহাসাগরের পানি লবণাক্ত।
Figure
বর্ণনা: বিশাল নীল সমুদ্র; দূরে উপকূলে গাছের সারি এবং সমুদ্রে একটি ছোট নৌকা।
স্বাদু পানি বা মিঠা পানি
মিঠা পানি এমন এক ধরনের পানি যাতে লবণ নেই বা থাকলেও তাতে লবণের পরিমাণ খুবই কম। প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট হ্রদ, জলপ্রপাত, নদী, তুষারপাত, বরফ, বৃষ্টি ইত্যাদি মিঠা পানির প্রধান উৎস।
আমরা পুকুর, কুয়া, পানির কল থেকে মিঠা পানি পাই।
Figure
বর্ণনা: একটি নদী বা হ্রদ; তীরে গাছ ও ঘাস, পানিতে দুটি নৌকা এবং একটি পাথর দেখা যাচ্ছে।
Printed page 84
আলোচনা
কোন উৎসের পানি পান করার উপযোগী এবং কোন উৎসের পানি পান করার উপযোগী নয়, তা খুঁজে বের করে ছকে লিখি।
১. বাড়ির কাজের খাতায় পাশে দেখানো ছকের মতো একটি ছক তৈরি করি।
২. ছকে পান করার যোগ্য এবং পানের অযোগ্য— এই দুই ধরনের পানির তালিকা তৈরি করি।
৩. কাজ নিয়ে সহপাঠীদের সঙ্গে আলোচনা করি।
| পান করার উপযোগী পানি | পানের অযোগ্য পানি |
|---|---|
পানির ধরন সম্পর্কে আরো কিছু জানি...
সব ধরনের পানি পান করা নিরাপদ নয়। পান করার জন্য মানুষের নিরাপদ পানি প্রয়োজন। যে সকল পানি মানুষের ব্যবহারের জন্য নিরাপদ তা হলো– বোতলে প্রক্রিয়াজাত করা পানি, ফুটানো পানি এবং সবুজ রং করা নলকূপের পানি।
যে সকল পানি পান বা রান্না করার জন্য নিরাপদ নয় তা হলো- পুকুরের পানি, নদীর দূষিত পানি এবং লাল রং করা নলকূপের পানি ইত্যাদি। কীভাবে পুকুরের ও নদীর দূষিত পানিকে নিরাপদ করা যায়, নিচের চিত্রগুলো থেকে খুঁজে বের করি।
Figure
লেবেল: অনিরাপদ পানি, নিরাপদ পানি বর্ণনা: দুটি অংশে বিভক্ত চিত্র। উপরের অংশে দুটি ছবি: বাঁদিকে গাছপালা ঘেরা একটি পুকুর, যার ঘাটে একটি নৌকা বাঁধা; ডানদিকে একটি নদী, যাতে দুটি নৌকা এবং তীরে একটি গাছ। নিচের অংশে তিনটি ছবি: বাঁদিকে চুলায় বসানো একটি পাত্রে পানি ফুটানো হচ্ছে; মাঝখানে একটি কাঠের র্যাকে তিনটি মাটির কলসি, সর্বোচ্চটিতে পানি ঢালা হচ্ছে; ডানদিকে একজন মেয়ে নলকূপ থেকে পানি তুলছে।
Printed page 85
৩. পানির ব্যবহার
প্রতিদিন আমরা বিভিন্ন কাজে পানি ব্যবহার করে থাকি। জীবের বেঁচে থাকার জন্য পানি প্রয়োজন। মানুষ দৈনন্দিন জীবনে নানাভাবে পানি ব্যবহার করে। চলো, আমরা দৈনন্দিন জীবনে কী কী কাজে পানি ব্যবহার করি তা খুঁজে বের করি।
কী কী কাজে পানি ব্যবহার করি?
কাজ: পানির ব্যবহার খুঁজে বের করা
যা করতে হবে :
১. বাড়ির কাজের খাতায় নিচের মতো করে একটি ছক আঁকি ।
| যেসব কাজে আমরা পানি ব্যবহার করি |
|---|
২. কী কী কাজে পানি ব্যবহার করি, সে সম্পর্কে চিন্তা করি এবং ধারণাগুলো ছকে লিখি।
৩. ধারণাগুলো নিয়ে সহপাঠীদের সঙ্গে আলোচনা করি। দৈনন্দিন জীবনে পানির ব্যবহার সম্পর্কে কথা বলি।
Figure
বর্ণনা: একটি বাগানে একজন মহিলা ও একটি ছোট মেয়ে গাছে জল দিচ্ছে; মহিলার হাতে একটি বালতি ও পাইপ।
Figure
বর্ণনা: দুজন ছেলে নিচু হয়ে একটি উঠানে বা রাস্তায় ঝাড়ু দিচ্ছে এবং পানির বালতি রাখা।
Figure
বর্ণনা: একজন মহিলা মাটিতে বসে বালতি থেকে পানি দিয়ে একটি বোতল বা পাত্র ধুচ্ছেন।
বর্ণনা: একটি ছেলে ও একটি মেয়ে কথা বলছে; তাদের কথোপকথন নিচে দেওয়া হয়েছে।
আমরা কখন বা কোথায় পানি ব্যবহার করি?
আমরা সকালে পানি দিয়ে হাত-মুখ ধুই, পানি পান করি, পানি দিয়ে গোসল করি।
Printed page 86
সারসংক্ষেপ
আমরা বিভিন্ন কাজে পানি ব্যবহার করি। পান করা, রান্না করা, থালাবাসন ধোয়া, মেঝে পরিষ্কার করা, দাঁত মেজে মুখ ধোয়া, গোসল করা, কাপড় ধোয়া, চাষাবাদ করা, ইত্যাদি কাজে আমরা পানি ব্যবহার করি। নদীতে বাঁধ দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।
Figure
বর্ণনা: একটি ছোট মেয়ে একটি গ্লাস থেকে পানি পান করছে।
Figure
বর্ণনা: একটি মেয়ে গ্লাস হাতে নিয়ে পানি পান করছে।
Figure
বর্ণনা: নদী বা জলাশয়ে তিনজন মানুষ জাল দিয়ে মাছ ধরছে।
Figure
বর্ণনা: একটি বড় বাঁধ, যার থেকে পানি ধাপে ধাপে নিচে পড়ছে।
পানির ব্যবহার
৪. আমাদের জীবনে পানির গুরুত্ব
আমরা বিভিন্ন উপায়ে পানি ব্যবহার করে থাকি। পানি ছাড়া আমরা বাঁচতে পারি না। তাই আমাদের জীবনের জন্য পানি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আমাদের জীবনে পানির এত প্রয়োজন কেন?
কাজ: পানির প্রয়োজনীয়তা খুঁজে বের করা
বাড়ির কাজ/শ্রেণির কাজ
যা করতে হবে
১. বাড়ির কাজের খাতায় পাশের চিত্রের মতো করে একটি ধারণাচিত্র আঁকি।
২. যেসব কাজে পানি ব্যবহার করি, সেসব কাজ বা দৃশ্যের কথা মনে করি। নিচের ছবিগুলো দেখি। পানি না থাকলে কী হবে তা নিয়ে চিন্তা করি ও ধারণাচিত্রে লিখি।
৩. সহপাঠীদের সঙ্গে ধারণাগুলো নিয়ে মতবিনিময় করি। আমাদের জীবনের জন্য পানি কেন গুরুত্বপূর্ণ তা আলোচনা করি।
Figure
লেবেল: পানি না থাকলে কী হবে? বর্ণনা: একটি কেন্দ্রীয় হলুদ-লাল বৃত্তের ভেতরে "পানি না থাকলে কী হবে?" লেখা; কেন্দ্রের চারপাশে ছয়টি খালি হলুদ বৃত্ত, যেগুলো কেন্দ্রের সঙ্গে সংযুক্ত।
Printed page 87
Figure
বর্ণনা: শুকনো, ফাটল ধরা মাটির মাঠে একটি ছোট সবুজ গাছ।
Figure
বর্ণনা: একজন ছেলে বোতল থেকে পানি পান করছে।
পানি না থাকলে ধানের চারাগুলো মারা যাবে।
পানি না থাকলে আমাদের জীবনে কী হবে?
সারসংক্ষেপ
প্রাণী ও উদ্ভিদের বেঁচে থাকার জন্য পানির প্রয়োজন। পানি না থাকলে পিপাসা লাগলে আমরা পানি পান করতে পারতাম না। পানি ব্যবহার করে আমরা ফসল ফলাই। আমাদের বেশির ভাগ খাদ্য আসে উদ্ভিদ এবং প্রাণী থেকে। পানি ছাড়া এই উদ্ভিদ এবং প্রাণী বেঁচে থাকতে পারে না।
পানির গুরুত্ব সম্পর্কে আরো কিছু জানি...
পানি মানুষের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পানির অপর নাম জীবন। আমরা পানি ছাড়া বাঁচতে পারি না। পৃথিবীর সকল প্রাণের বেঁচে থাকার জন্য পানি অপরিহার্য। মানুষের শরীরের প্রায় ৬০-৭০ শতাংশ পানি। তাই প্রতিদিন কমপক্ষে প্রায় ৫-৬ গ্লাস নিরাপদ পানি পান করা উচিত। খাবার ছাড়া কয়েক দিন বেঁচে থাকা সম্ভব। কিন্তু পানি ছাড়া এক দিনও বেঁচে থাকা সম্ভব নয়। পানি ছাড়া কৃষি খেত, কূপ, নদী ও পুকুর শুকিয়ে যায়। গ্রীষ্মকালে বাংলাদেশের কিছু অঞ্চলে পানির অভাব তীব্র হয়। এ অবস্থাকে খরা বলে।
Figure: পানির অভাবে শুকিয়ে যাওয়া মাঠ
বর্ণনা: ফাটল ধরা শুকনো মাটির বিশাল মাঠ।
Figure: পানির অভাবে শুকিয়ে যাওয়া নদী
বর্ণনা: শুকিয়ে যাওয়া নদীর খাত; মাঝখানে সামান্য পানির চিহ্ন, দুই পাশে শুকনো বালুময় তীর ও গাছপালা।
Printed page 88
Loading the rest of the chapter…
Textbook content © National Curriculum and Textbook Board (NCTB), Bangladesh. Shown for study.
Trusted resources
Official links checked by the Zntext team. Part of the context pack.