Primary Science chapter 9: Sun for Life
জীবনের জন্য সূর্য
- Primary Science
- Textbook pages 111-121
- 1 source
- 14,391 characters of context
Textbook (verbatim transcription): Sun for Life
Verbatim transcription of the printed NCTB textbook pages.
Contents15ShowHide
- ১. তাপ ও আলোর উৎস হিসেবে সূর্য
- সূর্য কী?
- সূর্য কী করতে পারে?
- সূর্য যে তাপ ও আলোর উৎস, সে সম্পর্কে আরো কিছু জানি ...
- ২. জীবের জন্য সূর্যের গুরুত্ব
- জীবের জন্য সূর্যের গুরুত্ব কী?
- জীবের জন্য সূর্যের গুরুত্ব সম্পর্কে আরো কিছু জানি ...
- ৩. সূর্যের অবস্থান এবং ছায়ার দিকের মধ্যে সম্পর্ক
- ছায়া এবং সূর্যের অবস্থানের মধ্যে সম্পর্ক কী?
- ছায়া তৈরি হওয়া সম্পর্কে আরও কিছু জানি ...
- সূর্যের অবস্থান পরিবর্তনের সঙ্গে বস্তুর ছায়ার দৈর্ঘ্যের সম্পর্ক কী?
- সূর্যের অবস্থান পরিবর্তনের সঙ্গে বস্তুর ছায়ার দৈর্ঘ্যের সম্পর্ক নিয়ে আরও কিছু জানি...
- সূর্য এবং ছায়া সম্পর্কে আরও কিছু জানি...
- চলো, পারি কি না দেখি
- অনুশীলনী
Printed page 111
অধ্যায় ৯
জীবনের জন্য সূর্য
প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে আমরা সূর্যকে দেখি। আমাদের বেঁচে থাকার জন্য সূর্যের আলো অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। সূর্য পৃথিবী থেকে অনেক দূরে অবস্থান করে বলে পৃথিবী থেকে এটিকে অনেক ছোটো দেখায়।
১. তাপ ও আলোর উৎস হিসেবে সূর্য
সূর্য কী?
কাজ- ১: সূর্য সম্পর্কে জানা
যা করতে হবে
১. বাড়ির কাজের খাতায় নিচে দেখানো ছকের মতো করে, একটি ছক তৈরি করি।
| সূর্য সম্পর্কে কী জানি? | যদি সূর্য না থাকে, তবে কী হবে? |
|---|---|
২. সূর্য সম্পর্কে কী জানি এবং কীভাবে সূর্য আমাদের উপকার করে, তা নিয়ে সহপাঠীদের সঙ্গে আলোচনা করি।
Figure
বর্ণনা: বাম দিকে একটি রশিতে কয়েকটি কাপড় শুকানো হচ্ছে। ডান দিকে একজন নারী একটি লাঠি দিয়ে উঠানে ছড়িয়ে রাখা শস্য নাড়াচাড়া করছেন; পেছনে আরেকজন ব্যক্তি রয়েছেন।
Figure
লেবেল: সূর্য থেকে আমরা কী কী পাই?; সূর্য না থাকলে আমাদের কী হতো? বর্ণনা: একটি বালিকা ও একটি বালক পাশাপাশি দাঁড়িয়ে কথা বলছে; প্রতিজনের মুখের কাছে একটি করে কথার বুদবুদ।
Printed page 112
সূর্য কী করতে পারে?
কাজ- ২: সূর্যের আলোর উজ্জ্বলতা এবং তাপ পর্যবেক্ষণ
যা প্রয়োজনঃ আতশি কাচ, এক টুকরো কালো কাগজ
যা করতে হবে
১. বাড়ির কাজের খাতায় নিচের ছকের মতো করে একটি ছক তৈরি করি।
| কালো কাগজে আলোর বৃত্তের আকার | উজ্জ্বলতা | কাগজে দেখা পরিবর্তন |
|---|---|---|
| বড়ো আকারের আলোর বৃত্ত | ||
| ছোটো আকারের আলোর বৃত্ত |
২. আতশি কাচ দিয়ে কালো কাগজে সূর্যের আলো ফেলি।
৩. আতশি কাচটি উপরে বা নিচে সরিয়ে কালো কাগজের উপর প্রথমে বড় আকারের আলোর বৃত্ত তৈরি করি। আলোর উজ্জ্বলতা পর্যবেক্ষণ করে ছকে লিখি।
৪. এবার আতশি কাচটি উপরে বা নিচে সরিয়ে কালো কাগজে ছোটো আকারের আলোর বৃত্ত তৈরি করি এবং আলোর উজ্জ্বলতা পর্যবেক্ষণ করে ছকে লিখি।
৫. বড়ো আকারের এবং ছোটো আকারের আলোর বৃত্তের ক্ষেত্রে কালো কাগজে দেখা পরিবর্তন ছকে লিখি।
৬. এ নিয়ে সহপাঠীদের সঙ্গে আলোচনা করি।
Figure
লেবেল: আতশি কাচের উপর আলো ফেলে বড় আকারে বৃত্ত তৈরি।; আতশি কাচের উপর আলো ফেলে সবচেয়ে ছোট আকারের বৃত্ত তৈরি।; আতশি কাচের উপর আলো ফেলে মাঝারি আকারের বৃত্ত তৈরি।; আতশি কাচ উপর-নিচ করলে আলোকবৃত্তের আকারের পরিবর্তন হবে। বর্ণনা: তিনটি ধাপে একটি আতশি কাচ ধরে সূর্যের আলো কালো কাগজের উপর ফেলা হচ্ছে। প্রথম ধাপে কাচটি উপরে, দ্বিতীয় ধাপে সবচেয়ে নিচে এবং তৃতীয় ধাপে মাঝামাঝি অবস্থানে রয়েছে; প্রতিটি ধাপে আলোক বৃত্ত কালো কাগজের উপর পড়ছে।
Printed page 113
Figure
লেবেল: কাগজ পোড়াতে সূর্যের আলো কীভাবে ফেলতে হবে?; সূর্যের আলো এমনভাবে ফেলতে হবে, যেন আলোকবৃত্ত ছোটো হয়। বর্ণনা: একটি বালিকা ও একটি বালক কথা বলছে; প্রতিজনের মুখের কাছে একটি করে কথার বুদবুদ।
ফলাফল
আতশি কাচের মাধ্যমে সূর্যের আলো দিয়ে কাগজ পোড়ানো যায়। আলোক বৃত্তের আকার ছোটো হলে আলো সবচেয়ে উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। কাগজ থেকে উপরে ধোঁয়া উড়ে যেতে দেখা যায়। ছোটো আলোক বৃত্তের ক্ষেত্রে কাগজে আগুন ধরে যায়।
| কালো কাগজে আলোক বৃত্তের আকার | উজ্জ্বলতা | কাগজে দেখা পরিবর্তন |
|---|---|---|
| বড়ো | কম | কাগজ গরম হয়ে গেছে |
| ছোটো | বেশি | কাগজ থেকে ধোঁয়া উড়ছে |
সূর্য যে তাপ ও আলোর উৎস, সে সম্পর্কে আরো কিছু জানি ...
পৃথিবীতে সূর্যই হলো আলোর প্রধান উৎস। সূর্যের আলোর কারণেই আমরা দিনের বেলায় দেখতে পাই। সূর্য না থাকলে সারাক্ষণ অন্ধকার থাকত। সূর্য তাপেরও প্রধান উৎস। এই কারণেই উজ্জ্বল রোদে আমরা যখন বাইরে থাকি, তখন গরম অনুভব করি। সূর্য বায়ুমণ্ডলকে গরম রাখে। সূর্য যদি পৃথিবী থেকে আরো বেশি দূরে থাকত, তবে পৃথিবী আরো বেশি ঠান্ডা হতো। পৃথিবীর যেসব অঞ্চলে সূর্যের আলো অনেক কম পড়ে, সেসব অঞ্চল বেশি ঠান্ডা ও বরফে আবৃত থাকে। সূর্যের আলো সংগ্রহ করে সৌর প্যানেল দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়। এছাড়া সূর্যের তাপ ব্যবহার করে সৌরচুলাও তৈরি করা যায়। উল্লেখ্য, সৌরচুলা ও সৌর প্যানেল দূষণমুক্ত ও পরিবেশবান্ধব শক্তির উৎস।
Figure: সৌর চুল্লি
বর্ণনা: একটি বড়ো প্যারাবোলিক পাত্রের মতো সৌর চুল্লি; এর কেন্দ্রে একটি ছোটো পাত্র বসানো আছে এবং একটি বাহু দিয়ে পাত্রটি ধরে রাখা হয়েছে।
Figure: সৌর প্যানেল
বর্ণনা: একটি বাড়ির কাঠের ছাদের উপর কয়েকটি নীল সৌর প্যানেল বসানো আছে; নিচে দুটি জানালা দেখা যাচ্ছে।
Printed page 114
২. জীবের জন্য সূর্যের গুরুত্ব
জীবের জন্য সূর্যের গুরুত্ব কী?
কাজঃ জীবের জন্য সূর্যের গুরুত্ব বোঝা
যা করতে হবে
১. বাড়ির কাজের খাতায় নিচে দেখানো ছকের মতো একটি ছক তৈরি করি ।
| উদ্ভিদ কীভাবে সূর্যের আলো ব্যবহার করে | প্রাণী কীভাবে সূর্যের আলো ব্যবহার করে |
|---|---|
২. উদ্ভিদ ও প্রাণী কীভাবে সূর্যের আলো ব্যবহার করে, তা নিয়ে চিন্তা করি এবং ছকে লিখি।
৩. সহপাঠীদের সঙ্গে জীবের জন্য সূর্যের গুরুত্ব সম্পর্কে আলোচনা করি ।
Figure
লেবেল: সূর্যের আলো ছাড়া কি উদ্ভিদ খাদ্য তৈরি করতে পারে?; সূর্য যদি না থাকত তবে প্রাণীদের কী হতো? বর্ণনা: একটি বালক ও একটি বালিকা কথা বলছে; প্রতিজনের মুখের কাছে একটি করে কথার বুদবুদ।
সারসংক্ষেপ
প্রাণী এবং উদ্ভিদের জন্য সূর্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি তাদের বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় শক্তির যোগান দেয়। উদ্ভিদ সূর্যের আলোর সাহায্যে খাদ্য তৈরি করে। প্রাণীরা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে খাদ্যের জন্য উদ্ভিদের উপর নির্ভরশীল।
জীবের জন্য সূর্যের গুরুত্ব সম্পর্কে আরো কিছু জানি ...
উদ্ভিদ সূর্যের আলোর সাহায্যে খাদ্য তৈরি করে। মানুষসহ অন্যান্য প্রাণী খাদ্যের জন্য উদ্ভিদের উপর নির্ভর করে। উদ্ভিদ যখন সূর্যের আলোর সাহায্যে খাদ্য তৈরি করে, তখন অক্সিজেন গ্যাস ত্যাগ করে। এই অক্সিজেন প্রাণী তার শ্বাসকার্যে ব্যবহার করে। সূর্য পৃথিবীর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। এর ফলে উদ্ভিদ, মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীর বসবাসের জন্য একটি উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি হয়। সূর্য থাকার ফলে পৃথিবী আলোকিত হয় এবং আমরা আশপাশের পরিবেশ দেখতে পাই। সূর্য না থাকলে আমাদের চারপাশ অন্ধকার থাকত। সূর্য আছে বলেই পৃথিবীতে প্রাণের অস্তিত্ব আছে।
Printed page 115
৩. সূর্যের অবস্থান এবং ছায়ার দিকের মধ্যে সম্পর্ক
আমরা যখন খোলা মাঠে দাঁড়াই, তখন মাটিতে আমাদের ছায়া দেখতে পাই। কোন দিক থেকে ছায়া তৈরি হয়? বিভিন্ন বস্তুর ছায়ার দিকের সঙ্গে সূর্যের অবস্থানের সম্পর্ক আছে কি?
ছায়া এবং সূর্যের অবস্থানের মধ্যে সম্পর্ক কী?
কাজ: সূর্যের আলোতে বস্তুর ছায়ার দিক পরিবর্তন দেখা
বাড়ির কাজ/শ্রেণির কাজ
যা করতে হবে
১. খাতায় নিচের মতো করে একটি ছক তৈরি করি।
| বস্তুর নাম | সূর্যের অবস্থান | ছায়ার দিক |
|---|---|---|
২. স্কুলের মাঠে একটি গাছ বা খুঁটির ছায়া খুঁজে বের করি।
৩. একটি কম্পাসের সাহায্যে ছায়া কোন দিকে আছে, তা খেয়াল করি এবং সেই সঙ্গে সূর্যের অবস্থান লক্ষ করি।
Figure
বর্ণনা: বাম পাশে একটি লম্বা খুঁটি এবং তার মাটিতে পড়া ছায়া; ছায়ার পাশে দুইজন শিশু ঝুঁকে বসে আছে। ডান পাশে তিনজন শিশু দুই হাত দুই পাশে প্রসারিত করে দাঁড়িয়ে আছে, তাদের পেছনে মাটিতে লম্বা ছায়া পড়েছে।
৪. সূর্যের ভিন্ন ভিন্ন অবস্থানে (পূর্ব ও পশ্চিম) প্রাপ্ত ফলাফল খাতায় লিখি।
৫. বিভিন্ন বস্তুর ছায়ার জন্য ৩ এবং ৪ নম্বর ধাপ সম্পন্ন করি।
৬. ছায়ার দিকের সঙ্গে সূর্যের অবস্থান কীভাবে সম্পর্কিত, তা নিয়ে সহপাঠীর সঙ্গে আলোচনা করি।
Figure
লেবেল: আমি দেখলাম, ছায়া পূর্ব দিকে। তাহলে সূর্য কোন দিকে আছে বলতে পারো?; পশ্চিমে ... বর্ণনা: একটি ছেলে ও একটি মেয়ে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে কথা বলছে; প্রতিজনের মুখের কাছে একটি করে কথার বুদবুদ।
Printed page 116
ফলাফল
সূর্য এবং ছায়া পরস্পর বিপরীত দিকে থাকে। সূর্য পূর্ব দিকে উদিত হয়। সে সময় ছায়া পশ্চিম দিকে পড়ে। সূর্য পশ্চিম দিকে অস্ত যায়, সে সময় ছায়া পূর্ব দিকে পড়ে। দিনের সময়ের উপর নির্ভর করে ছায়া পশ্চিম দিক থেকে আস্তে আস্তে পূর্ব দিকে চলে যায়।
আলোচনা
নিচের প্রশ্ন নিয়ে সহপাঠীদের সঙ্গে আলোচনা করি কীভাবে ছায়া তৈরি হয়?
Figure
লেবেল: কীভাবে ছায়া তৈরি হয়? বর্ণনা: একটি ছেলে কথা বলছে; তার মুখের কাছে একটি কথার বুদবুদ।
ছায়া তৈরি হওয়া সম্পর্কে আরও কিছু জানি ...
আলো সরল রেখায় চলে এবং আলোর পথে কোনো অস্বচ্ছ বস্তু এলে ওই বস্তুর ওপর পড়া আলো অন্য দিকে পৌঁছাতে পারে না। তাই সেই নির্দিষ্ট অঞ্চল অন্ধকার হয়ে যায় এবং সেই জায়গা কালো দেখায়। এভাবে কোনো বস্তু আলো যেতে বাঁধা দিলে আলোর উৎসের বিপরীতে ছায়া সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন বস্তুর ছায়া দেখে আমরা বুঝতে পারি যে, ছায়ার আকৃতি বস্তুর আকৃতির অনুরূপ হয়।
Figure
বর্ণনা: আকাশে একটি সূর্য; সূর্যের আলো বাঁ দিক থেকে একটি গাছের ওপর পড়ছে। গাছের পেছনে মাটিতে গাছের আকৃতির একটি ছায়া পড়েছে এবং গাছের পাশে একজন মানুষ দাঁড়িয়ে আছে।
সূর্যের অবস্থান পরিবর্তনের সঙ্গে বস্তুর ছায়ার দৈর্ঘ্যের সম্পর্ক কী?
কাজ : ছায়া পর্যবেক্ষণ
যা প্রয়োজন : লম্বা একটি লাঠি, পরিমাপ করার ফিতা বা টেপ
যা করতে হবে
১. নিচের ছকের মতো করে খাতায় একটি ছক তৈরি করি।
| সময় | ছায়ার দৈর্ঘ্য |
|---|---|
Printed page 117
২. শ্রেণিকক্ষের বাইরে যাই এবং লম্বা একটি লাঠি স্থাপন করি।
Figure
লেবেল: [অস্পষ্ট] ছায়া, [অস্পষ্ট] ছায়া, [অস্পষ্ট] ছায়া বর্ণনা: একটি লম্বা খাড়া লাঠি; লাঠির গোড়া থেকে তিনটি ছায়ারেখা বিভিন্ন দিকে বের হয়েছে। সবচেয়ে লম্বা ছায়ার রেখাটি বাঁ দিকে, এরপর ক্রমশ ছোট ছায়ারেখাগুলো যথাক্রমে নিচের দিকে ও ডান দিকে গেছে; প্রতিটি ছায়ারেখার পাশে সময় লেখা আছে।
৩. একটি টেপের সাহায্যে ছায়ার দৈর্ঘ্য পরিমাপ করি। ছায়ার দৈর্ঘ্য এবং সেই সঙ্গে ঘড়ি দেখে সময় ছকে লিখি।
৪. দিনের বেলা প্রতি এক ঘণ্টা পরপর ছায়ার দৈর্ঘ্য এবং সময় ছকে লিখি।
৫. ছায়ার দৈর্ঘ্য সময়ের সঙ্গে কীভাবে সম্পর্কিত, তা নিয়ে সহপাঠীদের সঙ্গে আলোচনা করি।
Figure
লেবেল: ছায়ার দৈর্ঘ্য কখন সবচেয়ে ছোটো হয়?; দুপুরে! বর্ণনা: একটি বালিকা ও একটি বালক কথা বলছে; প্রতিজনের মুখের কাছে একটি করে কথার বুদবুদ।
ফলাফল
সূর্যের অবস্থান পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ছায়ার অবস্থান ও দৈর্ঘ্যের পরিবর্তন হয়।
আলোচনা
নিচের বিষয়গুলো নিয়ে সহপাঠীদের সঙ্গে আলোচনা করি
১. কখন ছায়ার দৈর্ঘ্য সবচেয়ে ছোটো হয়? কেন?
২. কখন ছায়ার দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বড়ো হয়? কেন?
Printed page 118
Loading the rest of the chapter…
Textbook content © National Curriculum and Textbook Board (NCTB), Bangladesh. Shown for study.
Trusted resources
Official links checked by the Zntext team. Part of the context pack.