Primary Science chapter 10: Introduction to Technology
প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচয়
- Primary Science
- Textbook pages 122-132
- 1 source
- 12,053 characters of context
Textbook (verbatim transcription): Introduction to Technology
Verbatim transcription of the printed NCTB textbook pages.
Contents11ShowHide
- ১. আমাদের জীবনে প্রযুক্তি
- ২. আধুনিক প্রযুক্তির উদ্ভাবন ও আমাদের জীবনে এর ব্যবহার
- বাড়িতে ব্যবহৃত প্রযুক্তি
- শিক্ষায় ব্যবহৃত প্রযুক্তি
- চিকিৎসায় ব্যবহৃত প্রযুক্তি
- কৃষিতে ব্যবহৃত প্রযুক্তি
- যাতায়াতে ব্যবহৃত প্রযুক্তি
- ৩. প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহার
- প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহার নিয়ে আরো কিছু জানি . . .
- চলো, পারি কি না দেখি
- অনুশীলনী
Printed page 122
অধ্যায় ১০
প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচয়
প্রযুক্তি হতে পারে কোনো যন্ত্র বা কৌশল, যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে কাজে লাগে এবং আমাদের জীবনকে সহজ করে।
১. আমাদের জীবনে প্রযুক্তি
আমাদের চারপাশে বিভিন্ন ধরনের প্রযুক্তি রয়েছে। দৈনন্দিন জীবনে আমরা কীভাবে প্রযুক্তি ব্যবহার করি?
দৈনন্দিন জীবনে আমরা কী কী প্রযুক্তি ব্যবহার করি?
কাজ : প্রযুক্তির ব্যবহার খোঁজা
যা করতে হবে :
১. নিচে দেখানো ছকের মতো করে খাতায় একটি ছক তৈরি করি।
| ব্যবহারের ক্ষেত্র | প্রযুক্তির ধরণ | আমরা কীভাবে ব্যবহার করি |
|---|---|---|
| বাড়ি | টেলিভিশন | |
| বিদ্যালয় | ||
| কৃষি | ||
| যাতায়াত | ||
| চিকিৎসা |
২. বিভিন্ন প্রযুক্তির তালিকা তৈরি করি এবং কীভাবে ব্যবহার হয়, তা ছকে লিখি।
৩. কাজটি নিয়ে সহপাঠীদের সঙ্গে আলোচনা করি।
Printed page 123
সারসংক্ষেপ
উপরের কাজগুলোর মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের প্রযুক্তির নাম এবং কোন কোন ক্ষেত্রে তাদের ব্যবহার করা হয়, সে সম্পর্কে ধারণা পাই। প্রযুক্তিগত সুবিধার ফলে সময় এবং শ্রমের সাশ্রয় হচ্ছে, যা আমাদের জীবনযাত্রাকে আরামদায়ক ও নিরাপদ করে তুলছে।
২. আধুনিক প্রযুক্তির উদ্ভাবন ও আমাদের জীবনে এর ব্যবহার
সৃষ্টির শুরু থেকেই মানুষ প্রতিনিয়ত জীবনকে সহজ করার জন্য নানা ধরনের প্রযুক্তি উদ্ভাবনের চেষ্টা করে আসছে। আমাদের জীবনের প্রতিটা ক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহার লক্ষণীয়।
প্রযুক্তির উন্নয়ন আমাদের জীবনে কী প্রভাব ফেলছে?
কাজঃ যাতায়াত ও পরিবহণে প্রযুক্তির উন্নয়ন
যা করতে হবে
১. নিচের চিত্রের মতো একটি চিত্র খাতায় তৈরি করি।
Figure
লেবেল: পায়ে হাঁটা মানুষ, স্থলপথ, জলপথ, আকাশপথ বর্ণনা: উপরে একটি আয়তাকার বাক্সে "পায়ে হাঁটা মানুষ" লেখা। সেখান থেকে তিনটি তীর তিনটি বাক্সের দিকে গেছে: বাঁদিকে "স্থলপথ", মাঝখানে "জলপথ" এবং ডানদিকে "আকাশপথ"। প্রতিটি পথের নিচে একটি করে ফাঁকা বাক্স-সারি আছে, যেখানে নিচের দিকে তীর চিহ্নিত রয়েছে।
পরের পৃষ্ঠার ছবিগুলো দেখে উপরের ছকে নাম লিখি। প্রথমে পুরোনো প্রযুক্তি দিয়ে শুরু করি এবং নতুন প্রযুক্তি দিয়ে শেষ করি। যেমনঃ স্থলপথ
প্রথমে ঘোড়ার গাড়ি, তারপরে বাস্পীয় ইঞ্জিন (রেলগাড়ি) এবং সব শেষে বাস।
Printed page 124
Figure
বর্ণনা: আট ধরনের পরিবহন দেখানো হয়েছে। উপরের সারিতে বাঁদিক থেকে: হেলিকপ্টার, পাল তোলা নৌকা, বাষ্পীয় ইঞ্জিনচালিত ট্রেন, বাস। নিচের সারিতে বাঁদিক থেকে: ঘোড়ার গাড়ি, দাঁড় টানা নৌকা, যাত্রীবাহী জাহাজ, এবং বিমান।
আলোচনা
নিচের প্রশ্নটি সম্পর্কে চিন্তা করি এবং আলোচনা করি
১. পরিবহন প্রযুক্তির উন্নয়ন কীভাবে আমাদের জীবনে প্রভাব বিস্তার করে?
বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহার সম্পর্কে আরো কিছু জানি . . .
বাড়িতে ব্যবহৃত প্রযুক্তি
বাড়িতে আমরা বিভিন্ন ধরনের প্রযুক্তির ব্যবহার দেখতে পাই। এগুলোর মধ্যে রয়েছে বৈদ্যুতিক বাতি, টেলিভিশন, মোবাইল ফোন, কম্পিউটার ইত্যাদি। রান্নাঘরে ব্যবহৃত প্রযুক্তির কয়েকটি উদাহরণ হলো: গ্যাসের চুলা, রেফ্রিজারেটর, রাইস কুকার, মাইক্রোওয়েভ ওভেন ইত্যাদি।
Figure: গৃহস্থালি কাজে ব্যবহৃত প্রযুক্তি
বর্ণনা: বাড়িতে ব্যবহৃত সাতটি প্রযুক্তি পাশাপাশি আঁকা হয়েছে: বৈদ্যুতিক বাতি, টেলিভিশন, মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, গ্যাসের চুলা, রাইস কুকার এবং মাইক্রোওয়েভ ওভেন।
Printed page 125
শিক্ষায় ব্যবহৃত প্রযুক্তি
কলম, পেনসিল ও কাগজ উদ্ভাবনের পরে শিক্ষাক্ষেত্রে বিরাট পরিবর্তন আসা শুরু করে। মুদ্রণযন্ত্র উদ্ভাবন হওয়ার পরে কাগজে ছাপার কাজ শুরু হয়। শিক্ষাপ্রযুক্তির অংশ হিসেবে আমরা এখন কম্পিউটার, ইন্টারনেট, প্রিন্টার এবং ভিডিও ক্যামেরা ব্যবহার করি। যেমনঃ যেকোনো প্রয়োজনীয় তথ্য এখন কম্পিউটারে টাইপ করে সংরক্ষণ করা হচ্ছে।
Figure: টাইপ রাইটার
বর্ণনা: একটি টাইপ রাইটার।
Figure: কম্পিউটার
বর্ণনা: মনিটর, টাওয়ার আকৃতির কেস, কিবোর্ড ও মাউস সহ একটি কম্পিউটার।
Figure: প্রিন্টার
বর্ণনা: একটি প্রিন্টার, যার ওপরে কাগজ রাখা এবং সামনে ছাপা কাগজ বের হচ্ছে।
চিকিৎসায় ব্যবহৃত প্রযুক্তি
চিকিৎসাক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের প্রযুক্তি উদ্ভাবিত হয়েছে। যেমনঃ উদ্ভাবিত বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসা যন্ত্রপাতি হলো থার্মোমিটার, স্টেথোস্কোপ এবং রক্তচাপ মাপার যন্ত্র। এক্স-রে মেশিন এবং আল্ট্রাসনোগ্রাফিও চিকিৎসা ক্ষেত্রে ব্যবহৃত প্রযুক্তি।
Figure: থার্মোমিটার
বর্ণনা: একটি থার্মোমিটার।
Figure: রক্তচাপ মাপার যন্ত্র
বর্ণনা: বাহু-বাঁধনী ও ডিজিটাল ডিসপ্লে সহ একটি রক্তচাপ মাপার যন্ত্র।
Figure: স্টেথোস্কোপ
বর্ণনা: একটি স্টেথোস্কোপ।
কৃষিতে ব্যবহৃত প্রযুক্তি
কৃষিতে প্রথম উন্নয়ন শুরু হয় অনেক বছর আগে। সে সময় মানুষ লাঙল, কোদাল, কাস্তে, শাবল ইত্যাদি কৃষিযন্ত্র উদ্ভাবন করে। তখন জমি চাষাবাদের কাজে প্রাণী যেমনঃ গরু ও ঘোড়া ব্যবহার করা হতো। এখন আমরা জমি চাষে ট্রাক্টর ব্যবহার করি।
Figure: লাঙ্গল ও গরু
বর্ণনা: একটি লাঙল গরু দিয়ে টানা হচ্ছে এবং একজন চাষি তা পরিচালনা করছেন।
Figure: ট্রাক্টর
বর্ণনা: একটি ট্রাক্টর জমি চাষ করছে।
Figure: হার্ভেস্টার
বর্ণনা: একটি হার্ভেস্টার ফসল কাটছে।
Figure: সেচ পাম্প
বর্ণনা: একটি সেচ পাম্প থেকে পানি বের হয়ে জলাশয়ে পড়ছে।
Printed page 126
যাতায়াতে ব্যবহৃত প্রযুক্তি
মানুষ দূরদূরান্তে দ্রুত মালামাল পরিবহণের জন্য যাতায়াত প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে। যাতায়াত প্রযুক্তিকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যেমনঃ স্থলপথ, জলপথ ও আকাশপথের প্রযুক্তি। স্থলপথের যাতায়াত প্রযুক্তির মধ্যে রয়েছে গাড়ি, ট্রেন, রিকশা, সাইকেল ইত্যাদি।
Figure: ঘোড়ার গাড়ি
বর্ণনা: একটি ঘোড়ায় টানা গাড়ি, যাতে চালক ও দুইজন যাত্রী বসে আছেন।
Figure: রেলগাড়ি
বর্ণনা: একটি রেলগাড়ির ইঞ্জিন, পেছনে একসারি বগি টেনে নিয়ে যাচ্ছে।
Figure: কার
বর্ণনা: একটি লাল রঙের কার।
চাকা আবিষ্কার যাতায়াত প্রযুক্তিতে যুগান্তকারী পরিবর্তন এনে দেয়। চাকা আবিষ্কারের পরে গরুর গাড়ি, ঘোড়ার গাড়িতে করে মানুষ যাতায়াত করতো এবং তাদের মালামাল পরিবহন করতো। এর পরে আবিষ্কার করা হয় ইঞ্জিন। চাকা এবং ইঞ্জিন মিলে যাতায়াত ও পরিবহণ ব্যবস্থার দ্রুত উন্নয়ন হয়। এর আগে মানুষ হেঁটে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে চলাচল করতো।
Figure: চাকার বিবর্তন
বর্ণনা: বাঁদিক থেকে ডানদিকে পাশাপাশি পাঁচটি চাকা দেখানো হয়েছে। প্রথমটি পাথরের মতো মোটা ও মাঝখানে ছিদ্রযুক্ত চাকা, দ্বিতীয়টি কাঠের তক্তা জোড়া দেওয়া চাকা, তৃতীয়টি কাঠের শলাকাযুক্ত চাকা, চতুর্থটি ধাতব শলাকাযুক্ত চাকা এবং পঞ্চমটি রাবারের টায়ারসহ আধুনিক চাকা।
জলপথে চলাচলের জন্য নৌকা, লঞ্চ, স্টিমার, কার্গো জাহাজ, স্পিডবোট, ফেরি ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়।
Figure: কার্গো জাহাজ
বর্ণনা: একটি কার্গো জাহাজ, যার ডেকে সারি সারি রঙিন বাক্স সাজানো আছে।
Figure: লঞ্চ
বর্ণনা: একটি বহুতল লঞ্চ, যা পানিতে ভাসছে।
Figure: স্পিডবোট
বর্ণনা: একটি ছোট স্পিডবোট, যাতে একজন চালক বসে আছেন, পেছনে পানির ঢেউ।
Printed page 127
উড়োজাহাজ ও হেলিকপ্টার উদ্ভাবন করা হয়েছে আকাশপথে চলাচলের জন্য। মানুষ এখন মহাকাশযানের মাধ্যমে চাঁদে যেতে পারে, যা যোগাযোগপ্রযুক্তির এক অন্যতম সাফল্য।
Figure: উড়োজাহাজ
বর্ণনা: আকাশে উড়ন্ত একটি উড়োজাহাজ, দুটি ইঞ্জিন ও পেছনের লেজসহ।
Figure: হেলিকপ্টার
বর্ণনা: আকাশে উড়ন্ত একটি হেলিকপ্টার, মাথার ওপরে ঘূর্ণায়মান রোটর ও নিচে চাকা দেখা যাচ্ছে।
Figure: রকেট
বর্ণনা: মহাকাশের পটভূমিতে একটি রকেট, পেছনে উজ্জ্বল শিখা ও ধোঁয়ার রেখা।
উপরের সকল আলোচনা থেকে প্রতিটা ক্ষেত্রে প্রযুক্তির উন্নয়নের ধারাবাহিকতা এবং তা ব্যবহারের সুবিধাগুলো জানতে পারলাম। মানুষের দৈনন্দিন সব কাজের ক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহার অনস্বীকার্য।
৩. প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহার
আমরা দৈনন্দিন জীবনে প্রযুক্তি ব্যবহার করি। কিন্তু কীভাবে সেগুলোকে আমরা নিরাপদে ব্যবহার করতে পারি?
প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহারের উপায় কী কী?
কাজ: প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহারের উপায়
যা করতে হবে
১. নিচে দেখানো ছকের মতো একটি ছক তৈরি করি।
| প্রযুক্তির নাম | নিরাপদ ব্যবহারের উপায় |
|---|---|
| কলম | কোনো কিছুতে আঘাত না করা |
২. উপরের ছকে কোন প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহারের জন্য কী কী সচেতনতা অবলম্বন করা যেতে পারে তা লিখি।
৩. নিজের ছকটি সহপাঠীদের সঙ্গে মিলাই এবং প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহারের দিকগুলো আলোচনা করি।
উপরের কাজের মাধ্যমে আমরা বিভিন্ন প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহারের জন্য কী কী সতর্কতা অবলম্বন করা যেতে পারে, সে সম্পর্কে ধারণা পাই।
Printed page 128
আলোচনা
চিন্তা করি এবং আলোচনা করি–
উপরের ফলাফলের উপর ভিত্তি করে নিচের প্রশ্নগুলো নিয়ে শিক্ষক ও সহপাঠীদের সঙ্গে আলোচনা করি।
১. কোন প্রযুক্তিটি তুমি প্রতিদিন ব্যবহার করো?
২. প্রযুক্তিটি ব্যবহারের সময় তোমার কী কী অসুবিধা হয়?
৩. প্রযুক্তি ব্যবহারে তোমাকে কে সাহায্য করে?
প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহার নিয়ে আরো কিছু জানি . . .
প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহার সম্পর্কে আমাদের সচেতন হতে হবে। দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত প্রতিটি প্রযুক্তির সুনির্দিষ্ট ব্যবহার রয়েছে। যেমন: কলম একটি শিক্ষাপ্রযুক্তি, যা লেখার কাজে ব্যবহৃত হয়। তাই লেখার কাজ ব্যতীত অন্য কোনো কাজে কলম ব্যবহার করা উচিত নয়। যেমন: কলম বা পেনসিল দিয়ে কোনো কিছু আঘাত করা বা খোঁচা দেওয়া যাবে না। এতে করে কলম নষ্ট হয়ে যেতে পারে, আবার আঘাত বা খোঁচার ফলে কেউ ব্যথা পেতে পারে।
ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, ঘড়ি, রেডিও, টেলিভিশন ইত্যাদি প্রযুক্তি সাবধানে ব্যবহার করতে হবে। কম্পিউটার ও মোবাইল ফোন দীর্ঘ সময় ব্যবহারের ফলে চোখের এবং শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। এই সমস্যা যাতে না হয়, সেজন্য নির্দিষ্ট সময় পরপর উঠে হাঁটাহাঁটি করতে হবে বা কিছু সাধারণ ব্যায়াম করতে হবে। ল্যাপটপ বা কম্পিউটারের পাশে খাবার বা পানীয় গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকতে হবে। কারণ, খাবার বা পানীয় পড়ে গিয়ে কি-বোর্ড নষ্ট হতে পারে। এতে বৈদ্যুতিক দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
যাতায়াতের ক্ষেত্রে নতুন ইঞ্জিনচালিত যানবাহন দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা না করলে তা থেকে ক্ষতিসাধন হতে পারে। এ জন্য নতুন যানবাহন চালানোর আগে চালকের জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। প্রযুক্তির কল্যাণকে কাজে লাগানোর পাশাপাশি এর নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।
Printed page 129
Loading the rest of the chapter…
Textbook content © National Curriculum and Textbook Board (NCTB), Bangladesh. Shown for study.
Trusted resources
Official links checked by the Zntext team. Part of the context pack.