Skip to content

Bangladesh and Global Studies chapter 7: Geographical and Cultural Diversity of Asia

এশিয়ার ভৌগোলিক ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য

  • Bangladesh and Global Studies
  • Textbook pages 49-58
  • 1 source
  • 12,030 characters of context

Textbook (verbatim transcription): Geographical and Cultural Diversity of Asia

Verbatim transcription of the printed NCTB textbook pages.

Contents4

Printed page 49

অধ্যায় ৭

এশিয়ার ভৌগোলিক ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য

১ এশিয়ার ভৌগোলিক বৈচিত্র্য

Figure

লেবেল: আর্কটিক মহাসাগর, আটলান্টিক মহাসাগর, প্রশান্ত মহাসাগর, ভারত মহাসাগর, দক্ষিণ মহাসাগর, প্রশান্ত মহাসাগর বর্ণনা: বিশ্বমানচিত্র; মহাদেশগুলো ভিন্ন ভিন্ন রঙে দেখানো হয়েছে এবং চারপাশের মহাসাগরগুলোর নাম চিহ্নিত রয়েছে।

ক) মানচিত্র দেখে নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর লিখি।

প্রশ্নউত্তর
১.মানচিত্রে কয়টি মহাদেশ আছে?
২.মানচিত্রে বৃহত্তম মহাদেশ চিহ্নিত করি ও নাম লিখি।

Printed page 50

ভৌগোলিকভাবে এশিয়া মহাদেশকে ছয়টি অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে। যথা:

১. দক্ষিণ এশিয়া

২. দক্ষিণপূর্ব এশিয়া

৩. পূর্ব এশিয়া

৪. পশ্চিম এশিয়া

৫. উত্তর এশিয়া

৬. মধ্য এশিয়া

এশিয়ার একেক অঞ্চলে একেক ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য। ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্যের বিভিন্ন উপাদান যেমন- পর্বত, নদ-নদী, মরুভূমি, বনভূমি ইত্যাদি ভৌগোলিক ভিন্নতা বা বৈচিত্র্যকে প্রকাশ করে। এশিয়ায় রয়েছে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি পর্বতমালা। যেমন- দক্ষিণ এশিয়ার হিমালয় পর্বতমালা ও হিন্দুকুশ পর্বতমালা, চীনে কুনলুন পর্বতমালা, রাশিয়ায় উরাল পর্বতমালা ইত্যাদি। পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গা মাউন্ট এভারেস্ট হিমালয় পর্বতমালায়। এটি নেপালে অবস্থিত।

Figure: মাউন্ট এভারেস্ট

বর্ণনা: বরফে ঢাকা উঁচু পর্বতশৃঙ্গ, যার চারপাশে পাহাড়ের ঢাল এবং শৃঙ্গের পাশে মেঘ দেখা যাচ্ছে।

বিভিন্ন বিখ্যাত নদ-নদী এশিয়াকে করেছে আরও বৈচিত্র্যময়। ইয়াংসিকিয়াং, হোয়াংহো, আমুর, সিন্ধু, গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র, টাইগ্রিস, ইউফ্রেটিস ইত্যাদি এশিয়ার উল্লেখযোগ্য নদ-নদী। ইয়াংসিকিয়াং এশিয়ার বৃহত্তম ও দীর্ঘতম নদী যা পূর্ব এশিয়ার চীনে অবস্থিত। দক্ষিণ এশিয়ার উল্লেখযোগ্য নদ-নদী সিন্ধু, গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্র। ব্রহ্মপুত্র হলো দক্ষিণ এশিয়ার দীর্ঘতম নদী।

Figure: ইয়াংসিকিয়াং

বর্ণনা: পাহাড়ি উপত্যকার মধ্য দিয়ে একটি নদী আঁকাবাঁকা হয়ে প্রবাহিত; নদীর দুই পাশে সবুজ বনাঞ্চল এবং পাহাড়ের গায়ে আঁকাবাঁকা পথ দেখা যাচ্ছে।

Printed page 51

ভৌগোলিক বৈচিত্র্যের আরেক উপাদান হলো বনভূমি। পৃথিবীর বিখ্যাত ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন ও হিমালয়ের পাইন বনভূমি দক্ষিণ এশিয়ার গর্ব। আবার বোর্নিও রেইন ফরেস্ট দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার পরিচয় বহন করে।

Figure: সুন্দরবন

বর্ণনা: কাদাময় জমিতে ঘন সবুজ গাছপালা ও শেকড়ের মধ্যে একটি বাঘ দাঁড়িয়ে আছে।

এশিয়ার ভূ-ভাগের আরও একটি বৈচিত্র্য হলো মরুভূমি। পশ্চিম এশিয়ার আরব মরুভূমি এশিয়ার বৃহত্তম মরুভূমি। এছাড়া গোবি মরুভূমি ও দক্ষিণ এশিয়ার থর মরুভূমি উল্লেখযোগ্য।

Figure: আরব মরুভূমি

বর্ণনা: বালিয়াড়ির ওপর দিয়ে একটি উটের সারি এগিয়ে যাচ্ছে; পেছনে সূর্যাস্তের আকাশ।

খ) উপরের অনুচ্ছেদটুকু পড়ে নিচের ছক অনুযায়ী এশিয়ার ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্যগুলোর নাম লিখি।

পর্বতমালাবনভূমিনদ-নদীমরুভূমি

Printed page 52

গ) নিম্নের উল্লিখিত ভৌগোলিক উপাদানগুলো এশিয়ার কোন অঞ্চলে অবস্থিত ও কেন বিখ্যাত তা নিচের ছকে লিখি।

ভৌগোলিক উপাদানএশিয়ার কোন অঞ্চলে অবস্থিতকেন বিখ্যাত
ইয়াংসিকিয়াং
সুন্দরবন
হিমালয়
আরব মরুভূমি
ব্রহ্মপুত্র
বোর্নিও রেইন ফরেস্ট

ঘ) নিচের মানচিত্র-১ থেকে এশিয়ার বিখ্যাত নদী ইয়াংসিকিয়াং ও ব্রহ্মপুত্র কোন কোন দেশের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে ও মানচিত্র-২ থেকে এশিয়ার বিখ্যাত পর্বতমালাসমূহ কোন কোন দেশে অবস্থিত তা লিখি।

Figure

লেবেল: মানচিত্র-১, চীন, তিব্বত মালভূমি, কৈলাশ পর্বত, ব্রহ্মপুত্র, ইয়াংসিকিয়াং, চীন, ইয়াংসিকিয়াং, ভারত, গঙ্গা, ভুটান, বাংলাদেশ বর্ণনা: এশিয়ার মানচিত্র; তিব্বত মালভূমি কমলা রঙে দেখানো হয়েছে। কৈলাশ পর্বত, ব্রহ্মপুত্র ও ইয়াংসিকিয়াং নদী তিব্বত মালভূমির ওপর দিয়ে দেখানো হয়েছে। দক্ষিণে ভারত ও গঙ্গা নদী দেখানো হয়েছে এবং বাংলাদেশের অবস্থান একটি সবুজ তীর চিহ্ন দ্বারা নির্দেশ করা হয়েছে।

Printed page 53

নদ-নদীকোন কোন দেশ দিয়ে প্রবাহিত
ব্রহ্মপুত্র
ইয়াংসিকিয়াং

Figure

লেবেল: তাজিকিস্তান, উজবেকিস্তান, তিয়ানশান, তুর্কিমেনিস্তান, কুনলুন পর্বত, হিন্দুকুশ, চীন, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, নেপাল, ভুটান, হিমালয় পর্বতমালা, ভারত, ভারত, বাংলাদেশ, মিয়ানমার, মানচিত্র-২ বর্ণনা: মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার ভূপ্রকৃতি মানচিত্র; উত্তর-পশ্চিমে হিন্দুকুশ এবং দক্ষিণে হিমালয় পর্বতমালা সাদা রঙের পর্বত চিহ্ন দিয়ে দেখানো হয়েছে। নেপাল ও ভুটানের অবস্থান তীর চিহ্ন দ্বারা নির্দেশ করা হয়েছে এবং বাংলাদেশের অবস্থান দক্ষিণ-পূর্বে দেখানো হয়েছে।

পর্বতমালাকোন কোন দেশে অবস্থিত
হিমালয়
হিন্দুকুশ

Printed page 54

২ এশিয়ার সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য

Figure: জাপানের পোশাক

বর্ণনা: একজন পুরুষ ও একজন নারী পাশাপাশি দাঁড়িয়ে আছেন; পুরুষের পরনে গাঢ় রঙের লম্বা পোশাক, নারীর পরনে নকশাকরা পোশাক।

Figure: ইন্দোনেশিয়ার পোশাক

বর্ণনা: একজন পুরুষ গাঢ় রঙের পোশাকে এবং একজন নারী গোলাপি উপরের অংশ ও নকশাকরা নিচের অংশের পোশাকে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে আছেন।

Figure: ইরাকের পোশাক

বর্ণনা: একজন নারী কালো পোশাকে মাথা ও শরীর ঢেকে রয়েছেন এবং একজন পুরুষ মাথায় পাগড়ি ও লম্বা হালকা রঙের পোশাক পরে পাশে দাঁড়িয়ে আছেন।

Figure: ভারতের পোশাক

বর্ণনা: একজন নারী সাদা-সবুজ শাড়ি এবং একজন পুরুষ সাদা লম্বা পোশাক পরে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে আছেন; পেছনে সবুজ আভা।

ক) উপরের ছবি পর্যবেক্ষণ করে আমাদের পোশাকের সাথে অন্যান্য দেশের পোশাকের যে মিল-অমিল তা লিখি।

মিল

------------------------------------------------------------------------------------

অমিল

------------------------------------------------------------------------------------

এশিয়া মহাদেশ সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যে ভরপুর। বিশ্বের অনেক প্রধান ধর্মের উৎপত্তিস্থল এই এশিয়া। এর মধ্যে ইসলাম, হিন্দু, বৌদ্ধ ও কুনফুসিয়াস ধর্ম উল্লেখযোগ্য। নানান ভাষায় কথা বলে এই মহাদেশের মানুষ। এশিয়ার মানুষের খাবার, পোশাক ও আচার-অনুষ্ঠানে রয়েছে নানা বৈচিত্র্য।

এ মহাদেশের মানুষদের কাছে পরিবারের গুরুত্ব অনেক। প্রায় বেশির ভাগ দেশেই যৌথ পরিবারের সংস্কৃতি দেখা যায়।

Printed page 55

Figure

লেবেল: এশিয়া মহাদেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য, মধ্য এশিয়া, উত্তর এশিয়া, পশ্চিম এশিয়া, পূর্ব এশিয়া, দক্ষিণ এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া বর্ণনা: মাঝখানে একটি গ্লোব; তার চারপাশ থেকে ছয়টি রঙিন বাক্স সংযুক্ত রয়েছে, প্রতিটি বাক্সে একটি অঞ্চলের নাম ও সেই অঞ্চলের সাংস্কৃতিক বিবরণ লেখা আছে।

মধ্য এশিয়া

এ অঞ্চলে ইসলাম প্রধান ধর্ম। মধ্য এশিয়ায় রাশিয়ান ভাষার ব্যবহার বেশি। পুরুষরা টিউনিক, সিরওয়ালের সাথে পাগড়ি আর নারীরা স্কার্ফ পরে। এ অঞ্চলের প্রধান প্রধান খাবার হলো রুটি, নুডলস, মাংস, দুধ ও ফলমূল।

উত্তর এশিয়া

এ অঞ্চলে খ্রিস্ট ধর্মের মানুষই বেশি। এখানকার প্রধান ভাষা রুশ। মেয়েদের পোশাকের নাম খুরি বুরিয়াট ও টার্কমেন পুরুষদের পোশাক। সয়াবিন, ডাল, মাছ, মাংস এখানকার অধিবাসীদের প্রধান খাবার। বুলিয়ান নামক স্যুপ খুব প্রিয়। ঐতিহ্যগত আরও একটি খাবার হলো পেলমেনি।

পশ্চিম এশিয়া

এ অঞ্চলের মানুষের প্রধান ধর্ম ইসলাম। প্রায় সব মানুষই আরবি ভাষায় কথা বলে। নারীরা আবায়া, কাফতান এবং পুরুষরা বিসত ও মাথায় ঘুতরা পরেন। মুরগি, ভেড়া, দুম্বা, উটের মাংস, রুটি, খেজুর, কাবাব, শর্মা প্রচলিত খাবার। মাচবুস এদের জনপ্রিয় খাবার।

পূর্ব এশিয়া

এ অংশে বৌদ্ধ ধর্মের মানুষ সবচেয়ে বেশি। চীনাদের ম্যান্ডারিন ও জাপানিদের জাপানিজ ভাষাই প্রধান। কিমোনো জাপানের ঐতিহ্যবাহী পোশাক। বর্তমানে পুরুষরা ট্রাউজার ও স্যুট এবং মেয়েরা স্কার্ট ও ব্লাউজ ব্যবহার করেন। তাদের প্রিয় খাবার ভাত, সামুদ্রিক মাছ, সবজি, মাংস, সয়াবিন, নুডলস। সুশি জাপানের ঐতিহ্যবাহী খাবার। জাপানিরা রান্নায় তেল ও চর্বি ব্যবহার পরিহার করে এবং মাংস কম খায়। চীনাদের চাউমিন খুবই প্রিয় খাবার।

দক্ষিণ এশিয়া

দক্ষিণ এশিয়ায় মূলত হিন্দু ও ইসলাম ধর্মের মানুষের বসবাস। হিন্দি, বাংলা, উর্দু ভাষার বহুল ব্যবহারের পাশাপাশি পশতু, তামিল ও সিংহলি ভাষার ব্যবহারও আছে। পুরুষরা ধুতি, লুঙ্গি, কুর্তা, পায়জামা, পাঞ্জাবি, পাগড়ি, শেরওয়ানি, শার্ট-প্যান্ট, টিশার্ট ও গেঞ্জি পরে। শাড়ি, ব্লাউজ, সালোয়ার কামিজ, বোরকা ও হিজাব মেয়েদের পোশাক। খাবারের তালিকায় আছে ভাত, রুটি, মাংস এবং সামুদ্রিক ও মিঠাপানির মাছ। দক্ষিণ এশিয়ার মানুষ সাধারণত মসলাযুক্ত খাবারে অভ্যস্ত। ভারতজুড়ে নিরামিষভোজীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া

এ অঞ্চলে সংখ্যার দিক থেকে বৌদ্ধ ধর্মের পরেই ইসলাম ধর্মের মানুষের বসবাস। বাহাসা (ইন্দো ও মালয়) ভাষার পাশাপাশি ফিলিপিনো, বার্মিজ ভাষার ব্যবহার উল্লেখযোগ্য। সারং এ অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী পোশাক। সারং নানা রূপে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে ব্যবহৃত হয়। মেয়েদের পোশাক চাক্রি, স্কার্টস, কলারহীন টপস। ভাত, সামুদ্রিক মাছ ও তাজা শাকসবজি এই অঞ্চলের খাবার। নাসি গরেং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার নামকরা খাবার।

Printed page 56

Figure: পেলমেনি

বর্ণনা: একটি বাটিতে সাজানো কয়েকটি ভাঁজ করা খাবার, উপরে সবুজ পাতা।

Figure: সুশি

বর্ণনা: কাঠি দিয়ে তুলে ধরা একটি সুশি; পেছনে সারি সারি সুশি সাজানো।

Figure: মাচবুস

বর্ণনা: ভাতের ওপর রাখা রান্না করা মাংসের টুকরা ও অন্যান্য উপকরণ।

Figure: নাসি গরেং

বর্ণনা: ভাজা ভাতের পাশে ডিমভাজা, শসার টুকরা ও লাল রঙের উপকরণ একটি প্লেটে সাজানো।

খ) পূর্বের পৃষ্ঠার তথ্যের আলোকে এশিয়ার সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের উপাদানগুলো নিচের ছকে লিখি।

Figure

লেবেল: এশিয়ার সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের উপাদান বর্ণনা: মাঝখানে একটি সাদা হীরক, তার চারপাশে চারটি রঙিন হীরক; প্রতিটি রঙিন হীরকে লেখার জন্য বিন্দুযুক্ত রেখা দেওয়া আছে।

Printed page 57

টিউনিক, বুলিয়ান, সিরওয়াল, আরবি, চাউমিন, উর্দু , ধুতি, পাঞ্জাবি, বাংলা, বিসত, খেজুর, মাচবুস, বাহাসা, সারং, হিন্দি, চাক্রি, নাসি গরেং, আবায়া, ম্যান্ডারিন, কিমোনো, সুশি, পশতু, টার্কমেন, পেলমেনি, শেরওয়ানি

গ) উপরের কোনটি কোন অঞ্চলের কীসের সাথে সম্পর্কিত তা নিচের ছকে লিপিবদ্ধ করি।

এশিয়ার ছয়টি অঞ্চলভাষাখাবারপোশাক
উত্তর এশিয়া
দক্ষিণ এশিয়া
পশ্চিম এশিয়া
পূর্ব এশিয়া
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া
মধ্য এশিয়া

ঘ) শ্রেণিকক্ষে অভিবাদনের ধরনগুলো কোন দেশ বা অঞ্চলের তা চিহ্নিত করে ভূমিকাভিনয় করি ।

Figure

লেবেল: বাংলাদেশ, চীন, আধুনিক এশিয়ায় অভিবাদন, ভারত, জাপান বর্ণনা: পাঁচটি অষ্টভুজাকার ছবি। বাংলাদেশ লেখা ছবিতে দুজন মানুষ মুখোমুখি কথা বলছেন; চীন লেখা ছবিতে লাল ও নীল পোশাকে দুজন শিশু পাশাপাশি দাঁড়িয়ে আছে; কেন্দ্রের ছবিতে দুজন মানুষ হাত নেড়ে "HELLO!" ও "HI!" বলছেন; ভারত লেখা ছবিতে সবুজ-নীল পোশাকে একটি পরিবার দাঁড়িয়ে আছে; জাপান লেখা ছবিতে দুজন মানুষ মাথা নিচু করে অভিবাদন জানাচ্ছেন। জাপানের ছবিটির চারপাশে লাল রেখা রয়েছে।

Printed page 58

Loading the rest of the chapter…

Textbook content © National Curriculum and Textbook Board (NCTB), Bangladesh. Shown for study.

Trusted resources

Official links checked by the Zntext team. Part of the context pack.