Islamic Studies chapter 1: Aqaid and Ibadat
আকাইদ ও ইবাদত
- Islamic Studies
- Textbook pages 1-27
- 1 source
- 31,939 characters of context
Textbook (verbatim transcription): Aqaid and Ibadat
Verbatim transcription of the printed NCTB textbook pages.
Contents32ShowHide
- আকাইদ ও ইবাদত
- মহান আল্লাহর সুন্দরতম নামসমূহ
- আল খালিকু (الْخَالِقُ)
- আররাহমানু (الرَّحْمٰنُ)
- আররাব্বু (الرَّبُّ)
- আররাজ্জাকু (الرَّزَّاقُ)
- আলকাদীরু (القَدِيرُ)
- আলবাছীরু (البَصِيرُ)
- আসসামিউ (السَّمِيعُ)
- আলহালীমু (الحَلِيمُ)
- আলমালিকু (المَالِكُ)
- আলকারীমু (الكَرِيمُ)
- আলগাফুরু (الغَفُورُ)
- আসসালামু (السَّلَامُ)
- ইমানে মুফাসসাল
- ইবাদত
- ইবাদতের পরিচয়
- ইবাদতের গুরুত্ব
- সালাতের আহকাম ও আরকান
- সালাতের আহকাম (أَحْكَامُ الصَّلَاةِ)
- সালাতের আরকান (أَرْكَانُ الصَّلَاةِ)
- সালাত আদায়ের নিয়ম
- রুকু করার নিয়ম
- সিজদা করার নিয়ম
- পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত
- তানবিন (تَنْوِيْن) -এর ব্যবহার
- ‘জযম’ -এর ব্যবহার
- তাশদীদ (تَشْدِيْد) -এর ব্যবহার
- মাদ্দ (مَدّ) -এর ব্যবহার
- সূরা আল-কুরাইশ
- সূরা আল-কুরাইশ -এর তাৎপর্য
- অনুশীলনী - ১
Printed page 1
প্রথম অধ্যায়
আকাইদ ও ইবাদত
আকাইদ (عَقَائِدُ) একটি আরবি শব্দ। এটি একটি বহুবচন শব্দ, যার একবচন হলো আকিদা (عَقِيدَةٌ)। আকিদা শব্দটি এসেছে আকাদা (عَقَدَ) থেকে, যার অর্থ হলো ‘দৃঢ়ভাবে বাঁধা’। অন্তরে যে দৃঢ় বিশ্বাস স্থাপন করা হয়, তাকেই আকিদা বলা হয়। মূলত ইসলামের মৌলিক বিষয়সমূহের প্রতি দৃঢ় বিশ্বাসই আকিদা। এই অধ্যায়ে আমরা আকাইদের কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং কতিপয় ইবাদত সম্পর্কে জানব।
মহান আল্লাহর সুন্দরতম নামসমূহ
মহান আল্লাহ আমাদের সৃষ্টিকর্তা। তিনি শুধু আমাদেরকেই সৃষ্টি করেননি, সমগ্র বিশ্বজগৎও সৃষ্টি করেছেন। তিনি আমাদের লালন-পালনসহ জীবনধারণের জন্য প্রয়োজনীয় সবকিছু প্রদান করেন। তার অনেক গুণবাচক নাম রয়েছে। এ নামগুলোর মাধ্যমে আমরা মহান আল্লাহর পরিচয় লাভ করি। তাছাড়া আমাদের প্রতি তার অনুগ্রহ সম্পর্কেও জানতে পারি।
আল্লাহ (اللّٰهُ) নামটি মহান আল্লাহর জাতি বা সত্তাগত নাম। আমরা সাধারণত এ নামেই তাকে সম্বোধন করে থাকি। এছাড়াও তার আরো অনেক নাম রয়েছে। সেগুলো সিফাতি বা গুণবাচক নাম। এ নামগুলোকে ‘আল-আসমাউল হুসনা’ (الأَسْمَاءُ الْحُسْنٰى) বলা হয়। এর অর্থ ‘সুন্দরতম নামসমূহ’। আমাদের প্রিয়নবি হজরত মুহাম্মদ (স.) আল্লাহর সুন্দর নামসমূহ সম্পর্কে বলেছেন– “আল্লাহর নিরানব্বইটি নাম আছে, একটি কম একশটি; যে ব্যক্তি সেগুলো মুখস্থ করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।” (সহিহ বুখারি)
Figure: চিত্র: মহান আল্লাহর গুণবাচক নামখচিত ফলক
লেবেল: الرَّحْمٰنُ, الْخَالِقُ, الرَّزَّاقُ, الرَّبُّ বর্ণনা: একটি খুঁটির মাথায় চারটি গোলাকার ফলক লাগানো আছে; ফলকগুলোতে আরবি নাম লেখা। পেছনে রাস্তা, গাছপালা ও ভবন দেখা যাচ্ছে।
Printed page 2
মহান আল্লাহর গুণবাচক নামের মধ্যে রয়েছে আল-খালিক (সৃষ্টিকর্তা), আর-রব (পালনকর্তা), আর-রাজ্জাক (রিজিকদাতা), আল-ক্বাদির (সর্বশক্তিমান), আস-সামিউ (সর্বশ্রোতা), আর-রাহমান (পরম করুণাময়), আল-গাফুর (পরম ক্ষমাশীল), আস-সালাম (শান্তিদাতা), আল-জাব্বার (অতি মহিমান্বিত), আল-হাকীম (মহাপ্রজ্ঞাবান), আল-হামীদ (মহাপ্রশংসনীয়), আল-আজীজ (মহাসম্মানিত), আল-ওয়াহহাব (অত্যন্ত দানশীল), আল-বার্র (কল্যাণকারী) ইত্যাদি।
এবার আমরা মহান আল্লাহর কতিপয় সিফাতি (গুণবাচক) নামের তাৎপর্য সম্পর্কে জানব—
আল খালিকু (الْخَالِقُ)
খালিকুন (خَالِقُ) অর্থ সৃষ্টিকর্তা। মহান আল্লাহ বিশ্বজগতের সবকিছুর সৃষ্টিকর্তা। এ পৃথিবী তারই সৃষ্টি। পৃথিবীতে রয়েছে মানুষ, গাছপালা, পাহাড়-পর্বত, নদ-নদী, সাগর-মহাসাগর, পশু-পাখি, ফুল-ফল, বন-বনানীসহ আরো কত কিছু। সবকিছু তিনিই সৃষ্টি করেছেন।
Figure: চিত্র: মহান আল্লাহর সৃষ্ট প্রকৃতি ও জীবজগৎ
আররাহমানু (الرَّحْمٰنُ)
রাহমানুন (رَحْمٰنُ) অর্থ পরম করুণাময়। মহান আল্লাহ তার সকল সৃষ্টির প্রতি অত্যন্ত দয়াবান। তার অসীম দয়ার কোনো তুলনা হয় না। তিনি ফল-ফসল, আলো-বাতাস, মেঘ-বৃষ্টি-পানি দিয়ে আমাদের বাঁচিয়ে রাখেন। মহান আল্লাহর এসব দান সবার জন্য। পৃথিবীতে কেউ করুণা দান থেকে বঞ্চিত হয় না।
Printed page 3
আররাব্বু (الرَّبُّ)
রাব্বুন (رَبٌّ) শব্দের অর্থ প্রতিপালক। মহান আল্লাহ আলো-বাতাস, খাদ্য, পানি ইত্যাদি দিয়ে গোটা সৃষ্টিজগৎকে প্রতিপালন করেন। তিনি আমাদের জীবনের প্রয়োজনীয় সবকিছু দান করেন।
আররাজ্জাকু (الرَّزَّاقُ)
রাজ্জাকুন (رَزَّاقٌ) অর্থ রিজিকদাতা। আমরা যা পান ও আহার করি সবই রিজিক। আমরা ভাত, মাছ, মাংস, দুধ, ডিম, ফলমূল, শাকসবজিসহ কত রকমের সুস্বাদু খাবার খাই। এসব কিছুই মহান আল্লাহর দেওয়া রিজিক। মূলত জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় সকল উপাদানই রিজিক। যেমন— সুস্থতা, ধন-সম্পদ ইত্যাদি। মহান আল্লাহ কেবল আমাদেরই রিজিকদাতা নন; তিনি পশু-পাখি, গাছপালা, জীবজন্তুকেও রিজিক দান করেন। মহান আল্লাহ সকল জীবের রিজিকদাতা।
আলকাদীরু (القَدِيرُ)
কাদীরুন (قَدِيرٌ) অর্থ সর্বশক্তিমান। তার মত শক্তিমান আর কেউ নন। তিনি নিজের ইচ্ছেমত সবকিছু করতে পারেন, কিছুই তার ক্ষমতার বাইরে নয়। দিন-রাত ও ঋতুর পরিবর্তন তিনি করেন। তার নির্দেশে চন্দ্র-সূর্য, গ্রহ-নক্ষত্র আপন কক্ষপথে পরিচালিত হয়। আলো-বাতাস, আগুন-পানিসহ সবকিছুর নিয়ন্ত্রক একমাত্র তিনি।
Figure: চিত্র: মহান আল্লাহর নির্দেশে চন্দ্র-সূর্য, গ্রহ-নক্ষত্র আপন কক্ষপথে পরিচালিত হয়
লেবেল: সূর্য, বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস, নেপচুন, প্লুটো বর্ণনা: সূর্য বাম দিকে রয়েছে, তার ডানে গ্রহগুলো বৃত্তাকার কক্ষপথে ক্রমানুসারে সাজানো আছে। প্রতিটি গ্রহের পাশে তার নাম লেখা আছে।
Printed page 4
আলবাছীরু (البَصِيرُ)
বাছীরুন (بَصِيرٌ) অর্থ সর্বদ্রষ্টা। মহান আল্লাহ সবকিছু দেখেন। আমরা প্রকাশ্যে যা করি তা তিনি দেখেন। গোপনে যা করি, তাও তিনি দেখেন। তার দৃষ্টির বাইরে কিছুই নেই।
আসসামিউ (السَّمِيعُ)
সামিউন (سَمِيعٌ) অর্থ সর্বশ্রোতা। মহান আল্লাহ সব শোনেন। আমরা প্রকাশ্যে যা বলি তা তিনি শোনেন। গোপনে যা বলি তাও তিনি শোনেন। আমরা মনে মনে যা বলি, তাও তিনি শোনেন। তার কাছে কোনো কিছু গোপন থাকে না।
আলহালীমু (الحَلِيمُ)
হালীমুন (حَلِيمٌ) অর্থ অত্যন্ত সহনশীল। দৈনন্দিন জীবনে আমরা অনেক সময় অপরাধ করে থাকি। কিন্তু এর জন্য মহান আল্লাহ আমাদের সঙ্গে সঙ্গেই শাস্তি দেন না। তিনি আমাদের অনুতপ্ত হওয়ার জন্য সুযোগ দেন। তিনি নিজে সহনশীল এবং সহনশীলতাকে পছন্দ করেন। অস্থিরতা ও রাগান্বিত হওয়া তিনি পছন্দ করেন না। তাই আমরাও সহনশীল হব।
আলমালিকু (المَالِكُ)
মালিকুন (مَالِكُ) অর্থ আল্লাহ অধিপতি। মহান আল্লাহ সবকিছুর মালিক। তিনি আসমান-জমিন, চন্দ্র-সূর্য, গ্রহ-নক্ষত্র, পাহাড়-পর্বতসহ বিশ্বজগতে যা কিছু আছে সবকিছুর মালিক। আমাদের ধন-সম্পদ ও জীবন-মৃত্যুর তিনিই মালিক।
Figure: চিত্র: আলো-বাতাস, নদ-নদী, গাছপালা, আসমান-জমিন সবই মহান আল্লাহর দান
Printed page 5
আলকারীমু (الكَرِيمُ)
কারীমুন (كَرِيمٌ) অর্থ মহাসম্মানিত। বিশ্বজগতে মহান আল্লাহ সকল সম্মানের অধিকারী। তার মর্যাদা অতি সুমহান।
আলগাফুরু (الغَفُورُ)
গাফুরুন (غَفُورٌ) অর্থ অতিশয় ক্ষমাশীল। আমরা অপরাধ করে অনুতপ্ত হয়ে মহান আল্লাহর কাছে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইলে তিনি যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন। আল্লাহ ক্ষমাশীলদের পছন্দ করেন।
আসসালামু (السَّلَامُ)
সালামুন (سَلَامٌ) অর্থ শান্তিদাতা। যারা মহান আল্লাহর নির্দেশ মেনে চলেন তিনি তাদের দুনিয়া ও আখিরাতে শান্তি দান করেন। বিশ্বজগতে মহান আল্লাহ ছাড়া আর কেউ শান্তি দিতে পারেন না।
এছাড়াও মহান আল্লাহর আরো অনেক সিফাতি (গুণবাচক) নাম রয়েছে। এসব নামে তার পরিচয় খুব সুন্দরভাবে ফুটে ওঠেছে। আমরা তার গুণাবলি সম্পর্কে জেনে সেসব গুণ নিজেদের জীবনে রুপায়িত করতে পারি। যেমন— মহান আল্লাহর একটি নাম হচ্ছে রাহমান বা পরম দয়ালু। তার এই গুণে প্রভাবিত হয়ে আমরা সকলের প্রতি দয়া প্রদর্শন করতে পারি। তার আরেকটি নাম রব বা প্রতিপালক। এ নামের গুণে গুণান্বিত হয়ে আমরা সৃষ্টির পরিচর্যা করতে পারি। এভাবে মহান আল্লাহর গুণ দ্বারা উদ্বুদ্ধ হয়ে আমরা ভালো কাজ করতে পারি। পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ বলেন—
وَلِلَّهِ الْأَسْمَاءُ الْحُسْنَىٰ فَادْعُوهُ بِهَا ۖ وَذَرُوا الَّذِينَ يُلْحِدُونَ فِي أَسْمَائِهِ
উচ্চারণ: ওয়া লিল্লাহিল আছমাউল হুসনা- ফাদঊহু বিহা; ওয়াযারুল্লাযীনা ইউলহিদূনা ফী আছমাইহী।
অর্থ: আর আল্লাহর জন্যই রয়েছে সুন্দরতম নামসমূহ। সুতরাং তোমরা তাকে সেইসব নামেই ডাকো এবং তাদেরকে বর্জন করো যারা তার নামের বিকৃতি ঘটায়। (সূরা আল-আরাফ, আয়াত: ১৮০)
সুতরাং আমরা মহান আল্লাহকে তার গুণবাচক সুন্দর নামে ডেকে তার প্রতি গভীর ভালোবাসা প্রদর্শন করব। এসব নাম থেকে আমাদের প্রতি তার অসংখ্য অনুগ্রহ সম্পর্কে জেনে, তার প্রতি শুকরিয়া (কৃতজ্ঞতা) প্রকাশ করব। আমাদের ইমানকে সুদৃঢ় করব।
আমরা মহান আল্লাহর গুণবাচক নামসমূহের মাধ্যমে আমাদের প্রতি তার অনুগ্রহ সম্পর্কে জানতে পারি। তিনি আমাদের সৃষ্টি করেছেন এবং আমাদের জন্য আকাশ, বাতাস, পানি, গাছপালা ও খাবার দান করেছেন। তিনি জীবিকা প্রদান করেন, বাসস্থানের ব্যবস্থা করেন, শান্তি দেন, ক্ষমা করেন এবং মর্যাদা দেন। এসব দেখে আমাদের উচিত মহান আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া প্রকাশ করা। আমরা বিভিন্ন উপায়ে তার নেয়ামতের (অনুগ্রহ) জন্য শুকরিয়া জানাতে পারি। যেমন— আন্তরিকভাবে শুকরিয়া আদায় করা, বেশি বেশি ইবাদত করা, আল্লাহর প্রতি আনুগত্য বৃদ্ধি করা, তার দেওয়া নিয়ামত সঠিকভাবে ব্যবহার করা, অন্যকে সাহায্য করা, বিপদের সময় ধৈর্যধারণ করা, সর্বদা তার অনুগ্রহে সন্তুষ্ট থাকা, নিয়মিত সালাত আদায় করা, ভালো কাজ করা এবং আল্লাহর আদেশ ও নিষেধ মেনে চলা।
Printed page 6
ক) মহান আল্লাহর জাতি (সত্তাগত) ও সিফাতি (গুণবাচক) নাম লেখা ছবি বা পোস্টার দেখে আলোচনা করি। কাজটি জোড়ায় করি।
খ) মহান আল্লাহর জাতি নাম লিখি। অতঃপর অর্থসহ তার পাঁচটি সিফাতি নামের তালিকা তৈরি করি। কাজটি একাকী করি।
| ক্রম | মহান আল্লাহর গুণবাচক নাম | গুণবাচক নামের অর্থ |
|---|---|---|
| ১. | ||
| ২. | ||
| ৩. | ||
| ৪. | ||
| ৫. |
গ) মহান আল্লাহর নিয়ামত (অনুগ্রহ) সম্পর্কে পর্যবেক্ষণ করে তার প্রতি শুকরিয়া (কৃতজ্ঞতা) প্রকাশের উপায়সমূহ লিখি। কাজটি দলগতভাবে করি।
| মহান আল্লাহর নিয়ামতসমূহ | শুকরিয়া আদায়ের উপায়সমূহ |
|---|---|
| ১. | |
| ২. | |
| ৩. | |
| ৪. | |
| ৫. |
Printed page 7
ইমানে মুফাসসাল
ইমান (إِيمَانٌ) অর্থ বিশ্বাস। আর মুফাসসাল (مُفَصَّلٌ) অর্থ বিস্তারিত। ইমানে মুফাসসাল হলো ইমানের বিষয়গুলোর বিস্তারিত বিবরণ। প্রত্যেক মুসলমানকে কতগুলো মূল বিষয়ের ওপর বিশ্বাস (ইমান) স্থাপন করতে হয়। ইমানে মুফাসসালে সে বিষয়গুলো বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
| ইমানে মুফাসসাল | উচ্চারণ | অর্থ |
|---|---|---|
| اٰمَنْتُ بِاللّٰهِ وَمَلٰٓئِكَتِهٖ وَكُتُبِهٖ وَرُسُلِهٖ | আমানতু বিল্লাহি ওয়া মালায়িকাতিহী ওয়া কুতুবিহী ওয়া রুসুলিহী। | আমি ইমান আনলাম আল্লাহর প্রতি, তার ফেরেশতাগণের প্রতি, তার কিতাবসমূহের প্রতি এবং তার রাসুলগণের প্রতি। |
| وَالْيَوْمِ الْاٰخِرِ وَالْقَدْرِ خَيْرِهٖ وَشَرِّهٖ مِنَ اللّٰهِ تَعَالٰى | ওয়াল ইয়াওমিল আখিরি ওয়াল কাদরি খাইরিহী ওয়া শাররিহী মিনাল্লাহি তাআলা। | আরো ইমান আনলাম শেষ দিবসের প্রতি ও তকদিরের ভালো-মন্দ আল্লাহর পক্ষ থেকে হয়ে থাকে -এর প্রতি। |
| وَالْبَعْثِ بَعْدَ الْمَوْتِ۔ | ওয়াল বাসি বাদাল মাউত। | এবং মৃত্যুর পর পুনরুত্থানের প্রতি। |
ইমানদার হওয়ার জন্য উল্লিখিত সাতটি মৌলিক বিষয়ের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করা অপরিহার্য। পবিত্র কুরআন ও সুন্নাহর মাধ্যমে ইমানের এ মৌলিক বিষয়গুলো নির্ধারিত হয়েছে।
ক) শিক্ষকের সঙ্গে সরবে সঠিক উচ্চারণে ইমানে মুফাসসাল অনুশীলন করি।
খ) ইমানে মুফাসসালের অর্থ ও এতে উল্লিখিত ইমানের সাতটি মৌলিক বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করি। কাজটি দলগতভাবে করি।
Printed page 8
Loading the rest of the chapter…
Textbook content © National Curriculum and Textbook Board (NCTB), Bangladesh. Shown for study.
Trusted resources
Official links checked by the Zntext team. Part of the context pack.