Islamic Studies chapter 2: Life Stories of Prophets Messengers and Companions of the Prophet
নবি, রাসুল ও মহানবি (স.)-এর সাহাবিগণের জীবনচরিত
- Islamic Studies
- Textbook pages 28-46
- 1 source
- 29,533 characters of context
Textbook (verbatim transcription): Life Stories of Prophets Messengers and Companions of the Prophet
Verbatim transcription of the printed NCTB textbook pages.
Contents32ShowHide
- হজরত ইবরাহিম (আ.)
- জন্ম ও পরিচয়
- নবুয়ত লাভ
- সন্তান লাভ ও মহান আল্লাহর পরীক্ষা
- কাবাঘর পুনর্নির্মাণ
- হজরত ইবরাহিম (আ.)-এর জীবনাদর্শ
- হজরত মুসা (আ.)
- জন্ম ও পরিচয়
- মিশর ত্যাগ ও বিবাহ
- নবুয়ত লাভ
- দলবলসহ ফিরাউনের ধ্বংস
- হজরত মুসা (আ.)-এর জীবনাদর্শ
- মহানবি হজরত মুহাম্মদ (স.)
- জন্ম ও পরিচয়
- কিশোর মহানবি (স.)
- হিলফুল ফুজুল গঠন
- হজরত উমর (রা.)
- জন্ম ও পরিচয়
- ইসলাম গ্রহণের ঘটনা
- খিলাফতকাল
- হজরত উমর (রা.)-এর জীবনাদর্শ
- হজরত আয়েশা (রা.)
- জন্ম ও পরিচয়
- হজরত আয়েশা (রা.)-এর জীবনচরিত
- হজরত আয়েশা (রা.)-এর জীবনাদর্শ
- অনুশীলনী - ২
- ১. সঠিক উত্তরে টিক চিহ্ন (✓) দাও:
- ২. শূণ্যস্থান পূরণ
- ৩. বাম পাশের সাথে ডান পাশ মিলকরণ
- ৪. শুদ্ধ/অশুদ্ধ নির্ণয়
- ৫. সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন
- ৬. বর্ণনামূলক প্রশ্ন
Printed page 28
দ্বিতীয় অধ্যায়
নবি, রাসুল ও মহানবি (স.)-এর সাহাবিগণের জীবনচরিত
হজরত ইবরাহিম (আ.)
জন্ম ও পরিচয়
হজরত ইবরাহিম (আ.) একজন নবি ছিলেন। মহান আল্লাহর প্রতি অবিচল বিশ্বাস ও আনুগত্যের জন্য তিনি প্রসিদ্ধি লাভ করেন। তাঁর উপনাম ছিল 'আবুল মিল্লাত' বা 'মুসলিম জাতির পিতা' এবং 'আবুল আম্বিয়া' বা 'নবিগণের পিতা'। তাঁর বংশে অনেক নবি-রাসুল জন্মগ্রহণ করেন। হজরত মুসা (আ.), হজরত ঈসা (আ.) ও হজরত মুহাম্মদ (স.) -এ তিনজন প্রসিদ্ধ রাসুল তাঁর বংশে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মহান আল্লাহর খুব প্রিয় বান্দা ছিলেন। তাই তাঁকে 'খলিলুল্লাহ' বা 'আল্লাহর বন্ধু' বলা হয়।
হজরত ইবরাহিম (আ.) বর্তমান ইরাকের প্রাচীন বাবেল শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম আজর। মূর্তি-উপাসক আজর ছিলেন একজন পেশাগত মূর্তিনির্মাতা। তখন সারা পৃথিবীর মানুষ মহান আল্লাহকে ভুলে গিয়েছিল। তারা আকাশের তারকা ও নিজেদের তৈরি মূর্তির পূজা করত। ভালো-মন্দ জানার জন্য জ্যোতিষী বা গণকদের কাছে যেত। জ্যোতিষীদের কথা তারা মনেপ্রাণে বিশ্বাস করত।
হজরত ইবরাহিম (আ.) বাল্যকাল থেকেই মূর্তিপূজার ঘোর বিরোধী ছিলেন। তিনি দেখলেন চন্দ্র, সূর্য ও তারকা প্রতিদিন একই নিয়মে ওঠে এবং অস্ত যায়। মূর্তি মানুষের হাতে গড়া। কাজেই এগুলো মানুষের উপাস্য হতে পারে না। দেশের বাদশাহ আমাদের মত সাধারণ মানুষ। তাদের সামনে মানুষ কেন মাথা নত করবে? তাদের শক্তিকে কেন ভয় করবে? তাদের দাসত্বই-বা কেন করবে? এসব দেখে হজরত ইবরাহিম (আ.) ভাবতেন, এ বিশ্বজগতের সৃষ্টিকর্তা কে? কে চন্দ্র, সূর্য ও পৃথিবীর সবকিছু পরিচালনা করেন? গভীর চিন্তা করে তিনি ঘোষণা করলেন যে, এসবের পেছনে কোনো একক ও সর্বশক্তিমান সৃষ্টিকর্তা আছেন।
নবুয়ত লাভ
হজরত ইবরাহিম (আ.) যখন নবুয়ত লাভ করেন তখন সে দেশের বাদশাহ ছিল নমরুদ। সে ছিল অত্যন্ত নিষ্ঠুর ও অত্যাচারী শাসক। হজরত ইবরাহিম (আ.) নবুয়ত লাভের পর প্রথমে তাঁর পিতা ও পরে নিকটাত্মীয়সহ অন্যদের এক আল্লাহর আনুগত্য করার জন্য আহ্বান জানান। তাঁর গোত্রের লোকেরা তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করল। তারা সে দেশের বাদশাহ নমরুদের কাছে নালিশ করল। কিন্তু হজরত ইবরাহিম (আ.) সত্যের প্রতি অবিচল রইলেন। বাদশাহ নমরুদের দরবার থেকে সিদ্ধান্ত
Printed page 29
হলো যে, হজরত ইবরাহিম (আ.)-কে আগুনে পুড়িয়ে মারা হবে। তাদের এ ভয়াবহ সিদ্ধান্তে তিনি একটুও বিচলিত হলেন না। সবশেষে বাদশাহ নমরুদ তাঁকে পুড়িয়ে মারার জন্য বিশাল অগ্নিকুণ্ড তৈরি করল। আর সেই জ্বলন্ত আগুনে তাঁকে ফেলে দিল। আল্লাহর হুকুমে আগুন সুশীতল হয়ে গেল। হজরত ইবরাহিম (আ.)-এর কোনো ক্ষতি হলো না। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ বলেন—
قُلْنَا يٰنَارُ كُونِي بَرْدًا وَّسَلٰمًا عَلٰٓى اِبْرٰهِيْمَ
উচ্চারণ: কুলনা ইয়া-নারু কুনি বারদাও ওয়া ছালামান আলা-ইবরাহিম।
অর্থ: আমি বললাম, হে আগুন তুমি ইবরাহিমের জন্য সুশীতল ও আরামদায়ক হও। (সূরা আল-আম্বিয়া, আয়াত: ৬৯)
আগুন থেকে মুক্তি পাওয়ার পর হজরত ইবরাহিম (আ.) মানুষকে মহান আল্লাহর পথে আবারও ডাকতে লাগলেন। তাঁর ওপর অত্যাচারের মাত্রা আরো বেড়ে গেল। এরপর বিভিন্ন অঞ্চলে বছরের পর বছর ঘুরে তিনি ধর্মের দাওয়াত দিয়েছেন। এভাবেই তাঁর যৌবনকাল অতিবাহিত হয়।
সন্তান লাভ ও মহান আল্লাহর পরীক্ষা
৮৬ বছর বয়স পর্যন্ত হজরত ইবরাহিম (আ.)-এর ঘরে কোনো সন্তান আসেনি। তাই তিনি মহান আল্লাহর নিকট দু'আ করতেন, 'হে আমার প্রভু! আমাকে পুণ্যবান সন্তান দান করুন।' মহান আল্লাহ তাঁর দু'আ কবুল করে বৃদ্ধ বয়সে তাঁকে পুত্রসন্তান দান করলেন। হজরত ইবরাহিম (আ.) তাঁর নাম রাখেন ইসমাইল। একদিন হজরত ইবরাহিম (আ.) মহান আল্লাহর আদেশে শিশুপুত্র ইসমাইল ও তাঁর মা হাজেরাকে মক্কায় রেখে আসলেন। তখন মক্কা ছিল জনমানবহীন পাহাড় ঘেরা মরু উপত্যকা। মা হাজেরা পানির সন্ধানে এদিক-ওদিক ছুটাছুটি করছিলেন। সে সময় মহান আল্লাহর অসীম কুদরতে জমিন থেকে পানি প্রবাহিত হতে লাগল। সৃষ্টি হলো 'জমজম কূপ'। পানির পর্যাপ্ততা দেখে সেখানে মানুষ এসে বসবাস করতে লাগল। ধীরে ধীরে সেখানে জনবসতি গড়ে উঠল।
এদিকে ইসমাইল কৈশোরে উপনীত হলেন। তখন মহান আল্লাহ হজরত ইবরাহিম (আ.)-কে পরীক্ষা করতে চাইলেন। তিনি পরপর তিনবার স্বপ্নে দেখেন যে, মহান আল্লাহ আদেশ দিচ্ছেন, 'তোমার প্রিয় বস্তু আমার নামে কুরবানি করো।' হজরত ইবরাহিম (আ.) উট কুরবানি করলেন। কিন্তু তারপরেও একই স্বপ্ন দেখলেন, 'তোমার প্রিয় বস্তু আমার নামে কুরবানি করো।'
নবিগণকে স্বপ্নে যা দেখানো হয়, তাও ওহি বা আল্লাহর আদেশ। হজরত ইবরাহিম (আ.) বুঝতে পারলেন যে, মহান আল্লাহ তাঁর প্রিয়পুত্র ইসমাইলকে কুরবানি করতে আদেশ দিচ্ছেন। এরপর তিনি ইসমাইলকে কুরবানি করার সিদ্ধান্ত নিলেন। তিনি ইসমাইলকে বললেন, স্বপ্নে দেখেছি যে, 'আমি তোমাকে কুরবানি করছি। এখন তোমার অভিমত কী?' উত্তরে ইসমাইল বলেন, 'আপনাকে যা আদেশ করা হয়েছে আপনি তা পালন করুন।' আল্লাহর ইচ্ছায় আপনি আমাকে ধৈর্যশীলদের মধ্যে
Printed page 30
পাবেন। অতঃপর তিনি ইসমাইলকে কুরবানি করার জন্য মাটিতে শুইয়ে দেন। এমন সময় মহান আল্লাহ হজরত ইবরাহিম (আ.)-কে উদ্দেশ্য করে বলেন, 'হে ইবরাহিম! তুমি তো স্বপ্নাদেশ সত্যিই পালন করে দেখালে।' এরপর মহান আল্লাহ হজরত ইসমাইল (আ.)-এর পরিবর্তে একটি হালাল পশু পাঠিয়ে তা কুরবানি করার ব্যবস্থা করেন। তখন থেকেই মুসলমানগণ প্রতিবছর হালাল পশু কুরবানি করে আসছে।
কাবাঘর পুনর্নির্মাণ
পৃথিবীর প্রথম ইবাদতের ঘর হলো 'কাবা'। হজরত আদম (আ.) এ ঘর নির্মাণ করেন। হজরত নূহ (আ.)-এর সময় মহাপ্লাবনে কাবাঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মহান আল্লাহর নির্দেশে হজরত ইবরাহিম (আ.) ও হজরত ইসমাইল (আ.) তা পুনর্নির্মাণ করেন। কাবাঘর নির্মাণ শেষ হলে হজরত ইবরাহিম (আ.) বিশ্ববাসীকে হজের দাওয়াত দিলেন। এজন্যই মুসলমানগণ প্রতিবছর সারা দুনিয়া থেকে মক্কায় হজ পালন করতে আসেন।
Figure: চিত্র: কাবাঘর
বর্ণনা: কাবাঘরের একটি ঘনাকার ভবন দেখানো হয়েছে, যার গায়ে কালো আবরণ ও একটি দরজা আছে। এর চারপাশে মাটির তৈরি বাড়ি, ছোট ছোট স্তম্ভ এবং একটি গোলাকার কাঠামো আঁকা আছে।
Printed page 31
হজরত ইবরাহিম (আ.)-এর জীবনাদর্শ
হজরত ইবরাহিম (আ.) ছিলেন বিশ্বমানবের জন্য অন্যতম অনুকরণীয় আদর্শ। তিনি এক আল্লাহর আনুগত্যের দাওয়াত দিতেন। ফলে তাঁর নিজ পরিবার ও বাদশাহ নমরুদের বিরোধিতার সম্মুখীন হয়েছিলেন। এসময় তিনি নানা রকম অত্যাচার-নিপীড়নের শিকার হন। এসব কষ্টের মধ্যেও তিনি ধৈর্যশীল থেকে তাঁর দ্বীনি কাজ চালিয়ে যান। তাঁর ধৈর্যের দৃষ্টান্ত মানব ইতিহাসে বিরল। মহান আল্লাহ এ প্রসঙ্গে পবিত্র কুরআনে বলেন—
اِنَّ اِبْرٰهِيْمَ لَحَلِيْمٌ اَوَّاهٌ مُّنِيْبٌ
উচ্চারণ: ইন্না ইবরাহিমা লাহালিমুন আওয়্যাহুম মুনীব।
অর্থ: নিশ্চয়ই ইবরাহিম বড়োই ধৈর্যশীল, কোমল হৃদয় ও আমার প্রতি অনুরক্ত। (সূরা হুদ, আয়াত: ৭৫)
হজরত ইবরাহিম (আ.) মহান আল্লাহর প্রতি অনুগত ছিলেন। তিনি মহান আল্লাহর আদেশে নিজের পুত্র ইসমাইল (আ.)-কে কুরবানি দিতে গিয়ে এ আনুগত্যের পরিচয় দেন। তিনি উদার আতিথেয়তার জন্য বিখ্যাত ছিলেন। তিনি তাঁর বাড়িতে অতিথিদের আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাতেন এবং তাদের খাবার ও আশ্রয় প্রদান করতেন।
হজরত ইবরাহিম (আ.)-এর জীবন থেকে আমরা যেসব বিষয় অনুসরণ করতে পারি—
➢ সকল অবস্থায় এক আল্লাহর আনুগত্য করব।
➢ মহান আল্লাহর সন্তুষ্টিকে সবার ওপর প্রাধান্য দেব।
➢ যেকোনো বিপদে ধৈর্যশীল হব এবং মহান আল্লাহর ওপর ভরসা করব।
➢ মহান আল্লাহর দয়া ও রহমত হতে কখনো নিরাশ হব না।
➢ অন্যের প্রতি স্নেহশীল, দয়ালু ও উদার হব।
➢ পরিবার-পরিজন, বন্ধু-বান্ধবসহ সকলের সঙ্গে ভালো আচরণ এবং তাদের সেবাযত্ন করব।
➢ সব সময় সত্যের পথে চলব এবং মিথ্যার সঙ্গে কখনো আপোস করব না।
➢ অতিথিদের আন্তরিকভাবে গ্রহণ করব এবং তাদের আদর আপ্যায়ন করব।
Printed page 32
ক) হজরত ইবরাহিম (আ.)-এর জীবনাচরণ সম্পর্কে আলোচনা করে একটি অনুচ্ছেদ তৈরি করি। কাজটি জোড়ায় করি।
খ) হজরত ইবরাহিম (আ.)-এর জীবনাচরণ অনুসরণে আমরা নিজেরা যে কাজগুলো করি বা করতে পারি তার একটি তালিকা তৈরি করি। কাজটি দলগতভাবে আলোচনা করে করি।
১.
২.
৩.
৪.
৫.
Printed page 33
হজরত মুসা (আ.)
জন্ম ও পরিচয়
হজরত মুসা (আ.) একজন নবি ও রাসুল ছিলেন। তাঁর ভাই হজরত হারুন (আ.)-ও একজন নবি ছিলেন। তাঁর সম্প্রদায়ের নাম ছিল 'বনি ইসরাইল'। প্রাচীনকালে মিশরের বাদশাহদের উপাধি ছিল ফিরাউন। তাদের মধ্যে এক ফিরাউনের নাম ছিল ওলীদ মতান্তরে দ্বিতীয় রামেসিস। সে ছিল অত্যন্ত লোভী ও অহংকারী। তার বাদশাহি চিরস্থায়ী করার লক্ষ্যে সে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়। ফলে মানুষ জ্ঞানচর্চা ও ধর্ম-কর্ম ভুলে যায়। সেই সুযোগে সে নিজেকে প্রভু দাবি করে বসে। তখন মিশরে দুটি প্রধান বংশধারা ছিল। তার একটি ছিল কিবতি এবং অপরটি বনি ইসরাইল। কিবতি বংশের লোকেরা ফিরাউনের অনুগত ছিল। অন্যদিকে বনি ইসরাইলগণ তাওহিদে (একত্ববাদ) বিশ্বাসী ছিল। অত্যাচারী ফিরাউন ও তার অনুগত কিবতিগণ বনি ইসরাইলদের ওপর কঠিন নির্যাতন চালাতে থাকে।
ফিরাউন এক রাতে আশ্চর্যজনক এক স্বপ্ন দেখল। স্বপ্নের ব্যাখ্যায় গণকরা তাকে বলল, বনি ইসরাইল বংশে এমন এক ছেলে শিশু জন্মগ্রহণ করবে যে আপনার ও আপনার রাজত্বের ধ্বংসের কারণ হবে। ফিরাউন এতে ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে গেল। সারা রাজ্যে ফরমান জারি করল যে, বনি ইসরাইল বংশে জন্ম নেওয়া সকল পুত্রসন্তানকে হত্যা করতে হবে। ফিরাউনের আদেশ অনুযায়ী সে সময় বনি ইসরাইলের বহুসংখ্যক নবজাতককে হত্যা করা হলো।
এমন পরিস্থিতিতে হজরত মুসা (আ.)-এর জন্ম হয়। তাঁর মা ফিরাউনের ভয়ে শিশুপুত্রকে কাঠের সিন্দুকে ভরে নদীতে ভাসিয়ে দিলেন। মহান আল্লাহর কুদরতে সিন্দুকটি ভাসতে ভাসতে নদীর তীরবর্তী ফিরাউনের প্রাসাদের ঘাটে গিয়ে ভিড়ল। মায়াময় চেহারার ফুটফুটে শিশুটিকে দেখে ফিরাউনের স্ত্রী আছিয়া কোলে তুলে নিলেন। লালন-পালনের উদ্দেশ্যে শিশুটিকে প্রাসাদে নিয়ে গেলেন। কিন্তু সে সময় শিশু মুসা (আ.) কারো দুধ পান করছিলেন না। ঘটনাচক্রে ফিরাউনের স্ত্রীর মাধ্যমে মুসা (আ.)-এর নিজ মাতা তাঁর ধাত্রীমাতা হিসেবে নিয়োগ পেলেন। এরপর মহান আল্লাহর অসীম কুদরতে মুসা (আ.) নিজ মায়ের দুধ পান করতে থাকেন। এভাবেই শিশু মুসা (আ.) নিজ মায়ের কোলে লালিত-পালিত হতে লাগলেন।
Loading the rest of the chapter…
Textbook content © National Curriculum and Textbook Board (NCTB), Bangladesh. Shown for study.
Trusted resources
Official links checked by the Zntext team. Part of the context pack.