Skip to content

Islamic Studies chapter 4: Religious Harmony

ধর্মীয় সম্প্রীতি

  • Islamic Studies
  • Textbook pages 61-68
  • 1 source
  • 12,803 characters of context

Textbook (verbatim transcription): Religious Harmony

Verbatim transcription of the printed NCTB textbook pages.

Contents5

Printed page 61

চতুর্থ অধ্যায়

ধর্মীয় সম্প্রীতি

ধর্মীয় সম্প্রীতির গুরুত্ব

ধর্মীয় সম্প্রীতি হলো সমাজের সকল ধর্মের মানুষের মাঝে সুসম্পর্ক বজায় থাকা। এর মাধ্যমে বিভিন্ন ধর্মের মানুষের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত হয়।

বিভিন্ন ধর্মের মানুষের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে ধর্মীয় সম্প্রীতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ভিন্ন ধর্মের মানুষের সঙ্গে সংঘাত এড়াতেও সাহায্য করে। ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় থাকলে সকলের মধ্যে সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বাড়ে। সকলের মধ্যে সাহায্য-সহযোগিতার মনোভাব বৃদ্ধি পায়।

ইসলাম ধর্মীয় সম্প্রীতির ওপর গুরুত্ব দেয়। ইসলাম ভিন্ন ধর্মের লোকদের সঙ্গে শান্তিপূর্ণভাবে সহাবস্থান করতে নির্দেশনা দেয়। বিভিন্ন কাজে তাদের সহযোগিতা করতে উৎসাহিত করে। মহান আল্লাহ সকল মানুষের প্রতি ইনসাফ অবলম্বনের নির্দেশ দিয়ে বলেন—

Figure

লেবেল: لَا يَنْهَاكُمُ اللَّهُ عَنِ الَّذِيْنَ لَمْ يُقَاتِلُوْكُمْ فِي الدِّيْنِ وَلَمْ يُخْرِجُوْكُمْ مِّنْ دِيَارِكُمْ اَنْ تَبَرُّوْهُمْ وَتُقْسِطُوْا اِلَيْهِمْ বর্ণনা: আরবি ভাষায় লেখা পবিত্র কুরআনের একটি আয়াত।

উচ্চারণ: লা-ইয়ানহাকুমুল্লাহু আনিল্লাযিনা লাম ইউকাতিলুকুম ফিদ্দীনি ওয়া লাম ইউখরিজুকুম মিন দিয়ারিকুম আন তাবাররুহুম ওয়া তুকছিতু ইলাইহিম।

অর্থ: ধর্মের ব্যাপারে যারা তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেনি এবং তোমাদেরকে তোমাদের ঘর-বাড়ি থেকে বের করে দেয়নি, তাদের প্রতি সদ্ব্যবহার এবং ন্যায়বিচার করতে আল্লাহ তোমাদের নিষেধ করেন না। (সূরা আল-মুমতাহিনা, আয়াত: ৮)

মহানবি (স.) ও তাঁর সাহাবিগণ অমুসলিমদের সঙ্গে ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রেখেছিলেন। মদিনার মুসলমান, ইহুদি ও পৌত্তলিকদের অধিকার রক্ষায় মহানবি (স.) 'মদিনা সনদ' প্রণয়ন করেন। এ সনদ তাদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা নিশ্চিত করে। ইসলামের প্রথম খলিফা হজরত আবু বকর (রা.)ও অমুসলিমদের প্রতি সহনশীলতা প্রদর্শন করেছেন। তিনি তাঁর শাসনামলে ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের নিরাপত্তা, স্বাধীনতা এবং উপাসনালয়ের সুরক্ষার নিশ্চয়তা দেন। মহানবি (স.)-এর অন্যান্য সাহাবিগণও অমুসলিম সম্প্রদায়ের সঙ্গে ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রেখেছিলেন।

Printed page 62

আমাদের জন্মভূমি বাংলাদেশ ধর্মীয় সম্প্রীতির দেশ হিসেবে পরিচিত। এ দেশে বিভিন্ন ধর্মের মানুষ বসবাস করে। ইসলাম ধর্মের পাশাপাশি কেউ হিন্দু, কেউ বৌদ্ধ, কেউ খ্রিস্টধর্ম পালন করে। সব ধর্মের মানুষ মিলেমিশে বসবাস করে। আমাদের দেশের ঐতিহ্যে উদ্বুদ্ধ হয়ে আমরাও ভিন্ন ধর্মের মানুষের সঙ্গে সম্প্রীতি বজায় রাখব। তাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলব। তাদের সঙ্গে হাসিমুখে কথা বলব। তাদের বিপদ-আপদে সাহায্য করব। তাদের ক্ষেত্রে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করব। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দিয়ে কোনো কথা বলব না বা কোনো কাজ করব না।

ক) ধর্মীয় সম্প্রীতির গুরুত্ব বর্ণনা করে পাঁচটি বাক্য রচনা করি। কাজটি একাকী করি।

ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষার গুরুত্ব
১.
২.
৩.
৪.
৫.

ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে উত্তম আচরণ

ভিন্ন ধর্মের মানুষের সঙ্গে উত্তম আচরণ হলো– তাদের প্রতি সদয় ও সহানুভূতিশীল আচরণ করা। নিজের ধর্ম ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান তাদের ওপর জোর করে চাপিয়ে না দেয়া। তাদের উপাসনালয়, পবিত্র স্থান, আচার-অনুষ্ঠান, জীবন-সম্পদ, মান-সম্মান ও বাসস্থানের নিরাপত্তা বিধান করা। তাদের প্রতি কটুক্তি না করা, গালি না দেওয়া বা তাদের সম্পর্কে অবমাননাকর কথাবার্তা না বলা। ধর্মের ভিত্তিতে তাদের সঙ্গে বৈষম্য না করে নৈতিক সামাজিক সম্পর্ক স্থাপন ও সম্প্রীতি বৃদ্ধি করা।

Printed page 63

আমাদের চারপাশে বিভিন্ন ধর্মের লোক বসবাস করে। তাদের সঙ্গে উত্তম আচরণ করা আমাদের নৈতিক কর্তব্য। এর ফলে সবার মধ্যে সুদৃঢ় সামাজিক বন্ধন গড়ে ওঠে। দ্বিধা-দ্বন্দ্ব দূর হয়। স্থিতিশীল ও শান্তিপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠিত হয়।

ইসলাম ভিন্ন ধর্মের মানুষের সঙ্গে উত্তম আচরণ করতে উৎসাহ প্রদান করে। সব ধর্মের মানুষের প্রতি সহনশীল আচরণ করতে নির্দেশনা দেয়। পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ বলেন—

Figure

লেবেল: لَآ اِكْرَاهَ فِي الدِّيْنِ বর্ণনা: আরবি ভাষায় লেখা পবিত্র কুরআনের একটি আয়াত।

উচ্চারণ: লা-ইকরা-হা ফীদ্দীন।

অর্থ: ধর্মের ব্যাপারে কোনো জবরদস্তি নেই। (সূরা আল-বাকারা, আয়াত: ২৫৬)

এ আয়াতের আলোকে বোঝা যায় যে, ধর্মে দীক্ষিত করার ব্যাপারে কাউকে জোর করা বা বাধ্য করা যায় না। প্রত্যেকে স্বাধীনভাবে নিজ নিজ ধর্ম পালন করতে পারবে।

মহানবি (স.) ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের প্রতি দয়া, সহানুভূতি ও সম্মানজনক আচরণ করতে উদ্বুদ্ধ করেছেন। তিনি বলেছেন— “তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম তারাই, যারা আচরণগত দিক থেকে সর্বোত্তম।” (সহিহ বুখারি)

মহানবি (স.) সব সময় অন্য ধর্মের লোকদের প্রতি উদারতা প্রদর্শন করেছেন। তিনি অমুসলিম সম্প্রদায়ের সঙ্গে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য চুক্তি সম্পাদন করেছেন। মহানবি (স.) কুরাইশ গোত্রের সঙ্গে হুদায়বিয়ার সন্ধি করেছিলেন। যার ফলে মুসলমান ও কুরাইশ গোত্রের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপিত হয়েছিল। অমুসলিমদের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি করা তিনি পছন্দ করতেন না। তিনি বলেছেন— “সাবধান! কেউ যদি কোনো চুক্তিবদ্ধ (অমুসলিম) ব্যক্তির ওপর অন্যায় করে বা তার অধিকার খর্ব করে বা তাকে তার সাধ্যের বাইরে কাজ করতে বাধ্য করে বা তার অনুমতি ছাড়া তার কাছ থেকে কিছু নিয়ে যায়, কিয়ামতের দিন আমি তার বিপক্ষে বাদী হব।” (সুনানে আবু দাউদ)

এ হাদিসে মহানবি (স.) অন্য ধর্মের মানুষের যথাযথ অধিকারের সুরক্ষা দিয়েছেন।

মহানবি (স.) অন্য ধর্মের লোকদের উপাসনার প্রতিও সহনশীল ছিলেন। একবার নাজরান নামক স্থানে খ্রিষ্টান প্রতিনিধিরা মহানবি (স.)-এর নিকট এসেছিলেন। তাদের উপাসনার সময় হলে তিনি তাদেরকে তাদের পদ্ধতিতে উপাসনা করার পূর্ণ স্বাধীনতা দেন।

মহানবি (স.)-এর সাহাবিগণও ভিন্ন ধর্মের মানুষের অধিকারের প্রতি যত্নশীল ছিলেন। দ্বিতীয় খলিফা হজরত উমর (রা.) জেরুজালেম জয়ের পর ঘোষণা করেন যে, অমুসলিমদের জীবন, সম্পদ, গীর্জা ও ক্রুশের সুরক্ষা নিশ্চিত করা হয়েছে। কেউ তাদের গীর্জায় বাস করবে না বা সেগুলো ধ্বংস করবে না। তাদের সম্পত্তি থেকে কিছুই নিবে না। ধর্মের ব্যাপারে তাদের ওপর কোনো জবরদস্তি করবে না এবং তাদের কারো ক্ষতি করবে না।

Printed page 64

মহানবি (স.) ও তাঁর সাহাবিগণের দৃষ্টান্তসমূহ ভিন্ন ধর্মের মানুষের অধিকারের প্রতি যত্নশীল হতে আমাদেরকে উদ্বুদ্ধ করে। আমরা তাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখব। তাদের প্রতি সহনশীলতা দেখাব। তাদের সঙ্গে সম্মানজনক ভাষায় কথা বলব। তাদের মধ্যে অভাবী ব্যক্তিদের জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিব। বিভিন্ন কাজে তাদের সহযোগিতা করব। এভাবে সকলের মধ্যে আস্থা ও বিশ্বাস বৃদ্ধি পাবে। সমাজে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠিত হবে।

ক) সূরা আল-বাকারার ২৫৬ নং আয়াতের আলোকে উদ্বুদ্ধ হয়ে ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের প্রতি উত্তম আচরণের তালিকা তৈরি করি। কাজটি দলগতভাবে করি।

ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের প্রতি উত্তম আচরণের তালিকা
১.
২.
৩.
৪.
৫.

খ) ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের অধিকারের প্রতি যত্নশীল হওয়ার উপায়সমূহ কীভাবে অনুশীলন করব তার তালিকা করি। কাজটি জোড়ায় করি।

১.
২.
৩.
৪.
৫.

Printed page 65

ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান

শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান হলো ধর্ম ভিন্ন হওয়া সত্ত্বেও সকলে সম্প্রীতি ও সৌহার্দের সঙ্গে বসবাস করা। অন্যের ধর্মীয় বিশ্বাসকে স্বাধীনভাবে প্রকাশ ও চর্চা করতে দেওয়া। পরস্পরের প্রতি সহনশীলতা প্রদর্শন করা। সুসম্পর্ক বজায় রাখা। একে অন্যকে সহযোগিতা করা ইত্যাদি। শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের মাধ্যমে ঐক্য, সহানুভূতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে একটি শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠন করা সম্ভব।

ইসলাম ভিন্ন ধর্মের মানুষের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের নির্দেশনা দেয়। আচার-ব্যবহারে ন্যায়পরায়ণ হতে অনুপ্রেরণা যোগায়।

বিভিন্ন জাতি-সম্প্রদায় ও সংস্কৃতির বৈচিত্রে মহান আল্লাহর ইচ্ছা ও নিদর্শন প্রতিফলিত হয়। আমাদের প্রত্যেকের উচিত হবে ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মের ব্যাপারে জোরজবরদস্তি না করা। তাদের হক আদায় করা এবং নিজ ধর্মের ওপর অবিচল থেকে সৎকাজের জন্য প্রতিযোগিতা করার মাধ্যমে ইসলামের সৌন্দর্য ফুটিয়ে তোলা। মহান আল্লাহ পবিত্র কুরআনে বলেন—

Figure

লেবেল: وَلَوْ شَاۤءَ اللّٰهُ لَجَعَلَكُمْ اُمَّةً وَّاحِدَةً وَّلٰكِنْ لِّيَبْلُوَكُمْ فِيْ مَآ اٰتٰىكُمْ فَاسْتَبِقُوا الْخَيْرٰتِ বর্ণনা: আরবি ভাষায় লেখা পবিত্র কুরআনের একটি আয়াত।

উচ্চারণ: ওয়া লাও শা-আল্লাহ লাজাআলাকুম উম্মাতাও ওয়াহিদাতাও ওয়ালাকিন লিইয়াব্লুওয়াকুম ফী-মা আতাকুম ফাস্তাবিকুল খাইরাত।

অর্থ: আল্লাহ ইচ্ছা করলে তোমাদেরকে এক জাতি করতে পারতেন। কিন্তু তিনি তোমাদের যা দিয়েছেন তা দিয়ে তোমাদের পরীক্ষা করতে চান। সুতরাং তোমরা সৎকর্মে প্রতিযোগিতা কর। (সূরা আল-মায়িদা, আয়াত: ৪৮)

মহানবি (স.) ভিন্ন ধর্মের লোকদের সঙ্গে সহনশীল আচরণ করতেন। মদিনায় বিভিন্ন ধর্মের মানুষের বসবাস ছিল। তিনি সকলের মধ্যে শান্তিপূর্ণ ও সহযোগিতামূলক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার জন্য উদ্যোগ নেন। মুসলমানসহ অন্যান্য ধর্মের লোকদের কল্যাণের জন্য তিনি মদিনা সনদ প্রণয়ন করেন। তাঁর শিক্ষার ফলে মদিনায় একটি আদর্শ সমাজ প্রতিষ্ঠিত হয়। সকলের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান, সম্প্রীতি ও সহযোগিতা নিশ্চিত হয়।

মহানবি (স.)-এর সাহাবিগণও ভিন্ন ধর্মের লোকদের প্রতি যত্নশীল ছিলেন। ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হজরত উমর (রা.) জেরুজালেম শহর জয় করেন। সেখানে একটি গির্জার ভিতরে থাকা অবস্থায় নামাজের ওয়াক্ত হয়। গির্জার পাদরি খলিফাকে গির্জার ভিতরে নামাজ পড়তে অনুরোধ করেন। কিন্তু তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি বলেন, তিনি যদি গির্জার ভিতরে নামাজ পড়েন তাহলে ভবিষ্যতে অন্যরা গির্জাকে মসজিদ হিসেবে ব্যবহার করবে। এই বলে তিনি গির্জার বাইরে নামাজ আদায় করেন। এভাবে হজরত উমর (রা.) ভিন্ন ধর্মের লোকদের অধিকার সংরক্ষণ করেন।

Printed page 66

ইসলামের আদর্শ আমাদেরকে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান করতে উদ্বুদ্ধ করে। বিভিন্ন উপায়ে আমরা ভিন্ন ধর্মের লোকদের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান করতে পারি। আমরা তাদের সঙ্গে কথা, আচরণ ও লেনদেনের ক্ষেত্রে দায়িত্বশীল হতে পারি। বিভিন্ন কাজে সহযোগিতার মাধ্যমে আস্থা, বিশ্বাস ও আন্তরিকতা বাড়াতে পারি। এভাবে তাদের সঙ্গে সুন্দর সামাজিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারি। শান্তিপূর্ণভাবে সহাবস্থান নিশ্চিত করতে পারি।

ক) আলোচনার মাধ্যমে ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের উপায়সমূহের একটি তালিকা তৈরি করি। কাজটি দলগতভাবে করি।

ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের উপায়সমূহ
১.
২.
৩.
৪.
৫.

খ) মহানবি (স.) ও তাঁর সাহাবিদের আদর্শের আলোকে অন্য ধর্মের সহপাঠীদের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের ভূমিকাভিনয় করে দেখাই। কাজটি দলগতভাবে করি।

Printed page 67

Loading the rest of the chapter…

Textbook content © National Curriculum and Textbook Board (NCTB), Bangladesh. Shown for study.

Trusted resources

Official links checked by the Zntext team. Part of the context pack.