Skip to content

Primary Science chapter 1: Growth and Reproduction of Living Things

জীবের বৃদ্ধি ও প্রজনন

  • Primary Science
  • Textbook pages 1-11
  • 1 source
  • 13,720 characters of context

Textbook (verbatim transcription): Growth and Reproduction of Living Things

Verbatim transcription of the printed NCTB textbook pages.

Contents17

Printed page 1

অধ্যায় ১

জীবের বৃদ্ধি ও প্রজনন

উদ্ভিদ ও প্রাণীর বেঁচে থাকা এবং ভালোভাবে বৃদ্ধির জন্য পরিবেশের বিভিন্ন উপাদান প্রয়োজন হয়। এই অধ্যায়ে আমরা উদ্ভিদ জন্মানো, বেঁচে থাকা এবং বৃদ্ধির জন্য যা প্রয়োজন সে সম্পর্কে জানব।

১. বীজের অঙ্কুরোদ্গম

বীজ থেকে নতুন চারাগাছ জন্মানোর প্রক্রিয়াই হলো অঙ্কুরোদ্গম। উদ্ভিদের প্রজননের গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো অঙ্কুরোদ্গম।

উদ্ভিদ জন্মানো ও বেঁচে থাকার জন্য কী কী প্রয়োজন?

এসো আমরা বীজ থেকে নতুন চারাগাছ জন্মানোর প্রক্রিয়া দেখি।

বীজ থেকে কীভাবে চারাগাছ জন্মায়?

চারাগাছ জন্মানোর জন্য কী কী প্রয়োজন হয়?

কাজ: বীজের অঙ্কুরোদ্গম পরীক্ষা

১. নিচের ছবিটি ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করি এবং ছকটি পূরণ করি।

Figure

লেবেল: ১, ২, ৩ বর্ণনা: একটি কাচের পাত্রে পানি ভরা। একটি কাঠের দণ্ড পানিতে তির্যকভাবে রাখা, তার গায়ে তিনটি বীজ লাগানো আছে। ১ নম্বর বীজ দণ্ডের ওপরের অংশে, ২ নম্বর বীজ পানির উপরিতলের কাছে, এবং ৩ নম্বর বীজ দণ্ডের নিচের অংশে পানির ভেতরে আছে।

ছোলা বীজকী হলোকেন হলো
বীজ ১
বীজ ২
বীজ ৩

২. পূরণ করা ছকটি পাশের সহপাঠীর সাথে মিলিয়ে নিই। বীকারে পানি নিয়ে কাজটি নিজেরাও করি।

Printed page 2

সারসংক্ষেপ

পর্যবেক্ষণে দেখা গেল, প্রথম বীজটি তাপ, আলো ও বাতাস পেয়েছে, কিন্তু পানির অভাবে অঙ্কুরিত হয়নি। দ্বিতীয় বীজটি তাপ, আলো, বাতাস ও পানি পেয়ে ভালোভাবে অঙ্কুরিত হয়েছে। তৃতীয় বীজটি শুধু পানি পেয়েছে, প্রয়োজনীয় তাপ, আলো ও বাতাস না পাওয়ায় ভালোভাবে অঙ্কুরিত হয়নি। বীজ থেকে নতুন উদ্ভিদ জন্মানো অর্থাৎ অঙ্কুরোদ্গমের জন্য পরিবেশের তাপ, আলো, বাতাস ও পানি প্রয়োজন। এই উপাদানগুলোর যে কোনো একটির অনুপস্থিতিতে যথাযথভাবে অঙ্কুরোদ্গম হয় না।

২. উদ্ভিদের বৃদ্ধি

উদ্ভিদের বেঁচে থাকা ও বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি ও শক্তি খাদ্য থেকে আসে। খাদ্য গ্রহণ করে উদ্ভিদ ধীরে ধীরে ছোটো থেকে বড়ো হয়। উদ্ভিদ নিজের খাদ্য তৈরি করার জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান পরিবেশ থেকে সংগ্রহ করে।

উদ্ভিদের বৃদ্ধির জন্য কী কী প্রয়োজন?

কাজ: উদ্ভিদের বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান খুঁজে বের করা

যা করতে হবে:

১। চারাগাছসহ তিনটি টব তৈরি করি।

২। নিচে দেখানো চিত্রের মতো করে টব তিনটি সাজাই। টব -১ এবং টব -২ সূর্যের আলোতে রাখি। টব -৩ কাঠের বা মোটা কাগজের তৈরি বাক্সের সাহায্যে ঢেকে দিই।

৩। টব-১ ব্যতীত টব-২ এবং টব-৩-এ প্রতিদিন পানি দিই।

Figure

লেবেল: টব-১, টব-২, টব-৩ বর্ণনা: উপরে সূর্য থেকে আলোর রশ্মি আসছে। তিনটি টবে তিনটি চারা। টব-১-এ ছোটো চারা, খোলা অবস্থায় আছে। টব-২-এ আরও বড়ো চারা আছে এবং তাতে ঝারি দিয়ে পানি দেওয়া হচ্ছে। টব-৩-এ চারাটি একটি স্বচ্ছ বাক্স দিয়ে ঢেকে রাখা আছে, এবং বাক্সের পাশ দিয়ে ঝারির নল দেখা যাচ্ছে।

(বিশেষ নির্দেশনা: যদি কোনো কারণে কাজটি করা সম্ভব না হয় তাহলে উপরের চিত্র দেখে প্রাপ্ত তথ্য ছকে লিখি।)

Printed page 3

৪. কয়েক সপ্তাহ পর তিনটি টবের চারাগাছের বৃদ্ধির তুলনা করি।

টবউপাদানপর্যবেক্ষণ থেকে প্রাপ্ত তথ্য
১সূর্যের আলো ও বায়ু আছে
২সূর্যের আলো, বায়ু ও পানি সবই আছে
৩সূর্যের আলো নেই কিন্তু বায়ু ও পানি আছে

৫. কাজ শেষে যা পেলাম উপরের ছকে লিখি।

৬. কাজটি নিয়ে সহপাঠীদের সাথে আলোচনা করি।

৭. আলোচনার শেষে নিচের প্রশ্নটির উত্তর লিখি।

উদ্ভিদের বৃদ্ধির জন্য কী কী উপাদান প্রয়োজন?

সারসংক্ষেপ

পরীক্ষণ ও পর্যবেক্ষণ থেকে আমরা জানলাম, প্রথম টবের উদ্ভিদ সূর্যের আলো ও বায়ু পেয়েছে। কিন্তু পানি পায়নি, তাই বৃদ্ধি হয়নি। দ্বিতীয় টবে সূর্যের আলো, বায়ু ও পানি পাওয়ায় উদ্ভিদটির ভালোভাবে বৃদ্ধি হয়েছে। তৃতীয় টবের উদ্ভিদ পানি পেয়েছে কিন্তু সূর্যের আলো ও বায়ু না পাওয়ায় যথাযথ বৃদ্ধি পায়নি। অর্থাৎ সূর্যের আলো, বায়ু ও পানি না পেলে উদ্ভিদের যথাযথ বৃদ্ধি হয় না।

উদ্ভিদের বৃদ্ধির জন্য সূর্যের আলো, পানি এবং বায়ু প্রয়োজন। খাদ্য তৈরির সময় উদ্ভিদ বায়ু থেকে কার্বন ডাই অক্সাইড ও পরিবেশ থেকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি ও শক্তি পেয়ে থাকে। উদ্ভিদ শ্বাসকার্যের জন্য বায়ু থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে এবং কার্বন ডাই অক্সাইড ত্যাগ করে। বৃদ্ধির সাথে সাথে এক পর্যায়ে গাছে ফুল ফোটে ও ফল ধরে।

Printed page 4

৩. সপুষ্পক উদ্ভিদের ফুল, ফল ও বীজ

আমরা তৃতীয় শ্রেণিতে জেনেছি কিছু উদ্ভিদের ফুল ও ফল হয় না। এরা হলো অপুষ্পক উদ্ভিদ। আবার কিছু উদ্ভিদের ফুল ও ফল হয়। এদের সপুষ্পক উদ্ভিদ বলা হয়। সপুষ্পক উদ্ভিদের ফুল হতে ফল ও বীজ হয়।

ফুল ও ফলের অংশগুলো কী কী?

ফুল এক ধরনের রূপান্তরিত পাতা। আমাদের বাড়ি ও বিদ্যালয়ের আশেপাশে বিভিন্ন ধরনের ফুল ফোটে। এগুলো বিভিন্ন বর্ণের হয়ে থাকে। যেমন- লাল, সাদা, হলুদ, বেগুনি ইত্যাদি। কোনো কোনো ফুলে সুগন্ধ থাকে।

চলো, আমরা ফুলের কী কী অংশ আছে, তা পর্যবেক্ষণ করি।

কাজ: ফুলের বিভিন্ন অংশ পর্যবেক্ষণ ও এদের কাজ চিহ্নিত করা

যা করতে হবে:

১। একটি ফুলের বিভিন্ন অংশ পর্যবেক্ষণ করি। খাতায় ফুলটির ছবি আঁকি।

২। খাতায় আঁকা ফুলের ছবির সাথে শিক্ষকের দেখানো ফুল অথবা ফুলের চিত্রের তুলনা করি এবং ফুলের বিভিন্ন অংশের কাজ নিয়ে দলে আলোচনা করি।

৩। ফুলের বিভিন্ন অংশের কাজ সম্পর্কে চিন্তা করে নিচের ছকটি পূরণ করি।

ফুলের বিভিন্ন অংশের কাজফুলের সংশ্লিষ্ট অংশের নাম
ফুলের অন্যান্য অংশকে রক্ষা করে
ডিম্বক ধারণ করে
ফুলকে সুন্দর দেখায়
পরাগরেণু উৎপন্ন করে

৪। পূরণ করা ছকটি নিয়ে সহপাঠীদের সাথে আলোচনা করি।

সারসংক্ষেপ

ফুলের বিভিন্ন অংশ আছে। প্রতিটি অংশের নির্দিষ্ট কিছু কাজ রয়েছে।

Printed page 5

ফুলের বিভিন্ন অংশ ও ফল সম্পর্কে আরও কিছু জানি...

ফুলের বিভিন্ন অংশ

Figure: ফুলের বিভিন্ন অংশ

লেবেল: গর্ভমুণ্ড, স্ত্রীকেশর, পুংকেশর, দল বা পাপড়ি, বৃতি, উপবৃতি, গর্ভাশয় বর্ণনা: বাঁ দিকে একটি পূর্ণ জবা ফুল ও তার বৃন্তসহ একটি কুঁড়ি এবং একটি পাতা। ডান দিকে ফুলটিকে লম্বালম্বি কাটা অবস্থায় দেখানো হয়েছে; মাঝখানে লম্বা স্ত্রীকেশর, তার মাথায় গর্ভমুণ্ড এবং চারপাশে পুংকেশর; দুটি পাপড়ি দৃশ্যমান; নিচে বৃতি ও উপবৃতি এবং গর্ভাশয়।

বৃতি

বৃতি সাধারণত সবুজ, দেখতে অনেকটা পাতার মতো। এটি ফুলের সবচেয়ে বাইরের অংশ। কুঁড়ি অবস্থায় বৃতি ফুলের অন্যান্য অংশকে রোদ, বৃষ্টি ও পোকামাকড় থেকে রক্ষা করে।

দলমণ্ডল

বাইরে থেকে ভিতর দিকে ফুলের দ্বিতীয় উজ্জ্বল ও রঙিন অংশ হলো দল বা পাপড়ি। কতগুলো পাপড়ি মিলে দলমণ্ডল গঠন করে। দলমণ্ডল রঙিন হওয়ায় পোকামাকড় ও পশুপাখি আকর্ষণ করে এবং পরাগায়ন নিশ্চিত করে।

পুংস্তবক

এক বা একাধিক পুংকেশর নিয়ে পুংস্তবক গঠিত। এটি ফুলের অত্যাবশ্যকীয় অংশ। পুংকেশর এর দণ্ডের মতো অংশকে পুংদণ্ড এবং শীর্ষের থলির মতো অংশকে পরাগধানী বলে। পরাগধানীর মধ্যে পরাগরেণু উৎপন্ন হয়। পরাগরেণুর মধ্যে থাকে পুরুষ কোষ। পোকামাকড় ও পশুপাখির গায়ে লেগে এক ফুলের পরাগরেণু অন্য ফুলের স্ত্রী কেশরের গর্ভমুণ্ডে পতিত হয়। এই প্রক্রিয়াকে পরাগায়ন বলে।

স্ত্রীস্তবক

এটি ফুলের অত্যাবশ্যকীয় অংশ। এক বা একাধিক গর্ভপত্র বা স্ত্রীকেশর নিয়ে একটি স্ত্রীস্তবক গঠিত হয়। একটি গর্ভপত্রের তিনটি অংশ রয়েছে। যথা- গর্ভাশয়, গর্ভদণ্ড ও গর্ভমুণ্ড। গর্ভাশয়ের ভিতরে ডিম্বক থাকে। ডিম্বক হলো স্ত্রী কোষ।

Printed page 6

ফল ও বীজ

স্ত্রীকেশরের গর্ভাশয়ের ভিতরে থাকে ডিম্বক। ডিম্বক হলো স্ত্রী কোষ। পরাগরেণুর পুরুষ কোষ গর্ভাশয়ের ডিম্বকের সাথে মিলিত হয়। এই প্রক্রিয়াকে বলে নিষেক। নিষেকের পর গর্ভাশয়টি ফলে এবং ডিম্বকটি বীজে পরিণত হয়।

Figure: ফলের বিভিন্ন অংশ

লেবেল: ফল, বীজ, বহিঃত্বক, মধ্যত্বক, অন্তঃত্বক, পেরিকার্প, বীজ বর্ণনা: বাঁ দিকে একটি পূর্ণ ফল এবং তার পাশে একটি বীজ। ডান দিকে ফলটিকে কাটা অবস্থায় দেখানো হয়েছে; বাইরের স্তর বহিঃত্বক, তার ভিতরে মধ্যত্বক, সবচেয়ে ভিতরে অন্তঃত্বক; বহিঃত্বক থেকে অন্তঃত্বক পর্যন্ত অংশ একসাথে পেরিকার্প হিসেবে চিহ্নিত; ভিতরে বীজ।

ফলের দুটি অংশ রয়েছে। যেমন- পেরিকার্প এবং বীজ। পেরিকার্পের তিনটি স্তর রয়েছে। যেমন- বহিঃত্বক, মধ্যত্বক ও অন্তঃত্বক।

বহিঃত্বক হলো ফলের খোসা। এটি ফলের ভিতরের অংশসমূহকে রক্ষা করে।

মধ্যত্বক সাধারণত রসালো, এটি আমরা খাই। এতে ভিটামিন ও খনিজ লবণ থাকে।

অন্তঃত্বক দিয়ে বীজ ঢাকা থাকে। বীজের উপরে পাতলা আবরণই অন্তঃত্বক।

সব ফলেরই কি বীজ থাকে?

কাজ: পরিচিত ফলে বীজের উপস্থিতি চিহ্নিতকরণ

যা লাগবে: পরিচিত বিভিন্ন ফল (যেমন- আম, জাম, পেঁপে, তরমুজ, কলা, কাঁঠাল ইত্যাদি)

যা করতে হবে:

১। পরিচিত কয়েক ধরনের ফল সংগ্রহ করে শিক্ষকের সহায়তায় ছুরি দিয়ে কাটি।

২। ফলের খোসা থেকে শুরু করে ভিতরের অংশ পর্যন্ত পর্যবেক্ষণ করি।

৩। বিভিন্ন ফলের অভ্যন্তরীণ অংশ পর্যবেক্ষণ শেষে নিচের ছকটি পূরণ করি।

ফলের নামফলে বীজের উপস্থিতি (আছে/নেই)বীজের সংখ্যা (একটি/অল্প/অনেকগুলো)

সারসংক্ষেপ

বেশিরভাগ ফলে বীজ থাকে। কোনো ফলে একটিমাত্র বীজ থাকে, আবার কোনো ফলে অনেক বীজ থাকে।

Printed page 7

৪. সপুষ্পক উদ্ভিদের জীবনচক্র

পরাগায়ন ও নিষেকের পর নিষিক্ত ডিম্বক থেকে বীজ হয় এবং পুরো গর্ভাশয়টি ফলে পরিণত হয়। বীজ থেকে অনুকূল পরিবেশে নতুন চারাগাছ জন্মায়।

Figure: সপুষ্পক উদ্ভিদের জীবনচক্র

লেবেল: অঙ্কুরোদ্গম, বীজ, চারাগাছ, পূর্ণাঞ্জা গাছ, ফল, ফুল বর্ণনা: একটি বৃত্তাকার চক্র। ঘড়ির কাঁটার দিকে ক্রমানুসারে: বীজ, অঙ্কুরোদ্গম (মাটিতে বসানো বীজ থেকে কচি অঙ্কুর), চারাগাছ, পূর্ণাঞ্জা গাছ, ফুল, ফল, এবং আবার বীজ। পূর্ণাঞ্জা গাছটি চক্রের নিচের অংশে বড় করে আঁকা।

চারাগাছ ধীরে ধীরে বড়ো হয়, পরিণত গাছে ফুল ও ফল ধরে। সকল সপুষ্পক উদ্ভিদের জীবনকালে এই ধাপসমূহ পর্যায়ক্রমে চলতে থাকে। জীবনব্যাপী পর্যায়ক্রমে বা চক্রাকারে চলতে থাকা ধাপসমূহই হলো জীবনচক্র। মরিচ, টমেটো, আম, জাম, কাঁঠাল ইত্যাদি উদ্ভিদের ফুল ও ফল হয় এবং ফলে বীজ থাকে।

কাজ: গাছের জীবনচক্রের ধাপসমূহ চিহ্নিতকরণ

যা করতে হবে:

Figure

বর্ণনা: একটি বৃত্তাকার চক্র। চক্রের উপরে একটি টবে রোপণ করা চারা, ডানে একটি ছোট চারাগাছ, নিচে ফল ধরা একটি মরিচ গাছ, এবং বাম দিকে লাল মরিচ ঝুলছে। তীর দ্বারা পর্যায়গুলো ক্রমানুসারে যুক্ত।

১। উপরের চিত্রটি নিয়ে সহপাঠীর সাথে আলোচনা করি। চিত্রটিতে জীবনচক্রের বিভিন্ন পর্যায় চিহ্নিত করি।

Printed page 8

Loading the rest of the chapter…

Textbook content © National Curriculum and Textbook Board (NCTB), Bangladesh. Shown for study.

Trusted resources

Official links checked by the Zntext team. Part of the context pack.