Skip to content

Primary Science chapter 4: Matter

পদার্থ

  • Primary Science
  • Textbook pages 37-52
  • 1 source
  • 21,441 characters of context

Textbook (verbatim transcription): Matter

Verbatim transcription of the printed NCTB textbook pages.

Contents10

Printed page 37

অধ্যায় ৪

পদার্থ

১. পদার্থের বৈশিষ্ট্য

খেলনা থেকে শুরু করে বাতাস, পানি সবকিছুই পদার্থ। কিন্তু সব পদার্থ কি এক রকম? নিশ্চয়ই না। কখনো কি ভেবেছ কেন বল লাফ দেয়? কেনইবা নদীর পানি বয়ে যায়? এসবের পেছনের কারণ পদার্থগুলোর ভিন্ন ভিন্ন বৈশিষ্ট্য। পদার্থের কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্য আছে। এই বিশেষ বৈশিষ্ট্যগুলোকেই পদার্থের ধর্ম বলা হয়।

তৃতীয় শ্রেণিতে আমরা দেখেছি, একগ্লাস পানিতে পাথর ফেললে পানির উচ্চতা বাড়ে। এভাবে কঠিন পদার্থের একটি বৈশিষ্ট্য আমরা খুঁজে বের করেছিলাম- তা হলো আয়তন। কঠিন পদার্থ জায়গা দখল করে। দখলকৃত জায়গাকে ঐ বস্তুর আয়তন বলে। কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট আকৃতি থাকে। কঠিন পদার্থের মতো তরল পদার্থেরও আয়তন আছে। তরল পদার্থকে যে পাত্রে রাখা হয়, তার আকৃতি ধারণ করে। তরল পদার্থ এক স্থান হতে অন্য স্থানে গড়িয়ে যেতে পারে।

কঠিন ও তরল পদার্থের কী কী বৈশিষ্ট্য রয়েছে?

কাজ ১: পদার্থের ওজন আছে তা বোঝার জন্য সরল পরীক্ষণ।

যা প্রয়োজন: একটি কাঠি বা স্কেল (৩০ সে.মি. বা তার বেশি), একটি পেন্সিল বা কলম, দুটি একই ধরনের কাগজের বা প্লাস্টিকের কাপ, কিছু পয়সা বা ছোট পাথর, সুতা, কাঁচি ও টেপ।

Printed page 38

যা করতে হবে:

Figure

বর্ণনা: দুটি স্কেল পাশাপাশি আছে; প্রতিটি স্কেল সুতা দিয়ে ঝুলানো এবং দুই প্রান্তে একটি করে কাপ ঝুলছে। বাম দিকের স্কেলের দুটি কাপই খালি; ডান দিকের স্কেলের বাম কাপে একটি ছোট বস্তু ও ডান কাপে একটি ছোট বস্তু রাখা। দুটি স্কেলই আনুভূমিক।

১. প্রয়োজন অনুযায়ী সমান দৈর্ঘ্যের দুই টুকরা সুতা নিই। ২. সুতা দুটো দিয়ে দুটো হালকা প্লাস্টিকের বা কাগজের কাপের (বা ছোট পাত্র) মুখ এমনভাবে বেঁধে নিই যেন পরে এগুলো সহজে খোলা যায়। ৩. একটি রুলার স্কেলের দুই প্রান্তে কাপ দুটো এমনভাবে বেঁধে দিই যেন স্কেলটি ব্যালান্স করা যায়। ৪. স্কেলের মাঝ বরাবর আরেকটি সুতা দিয়ে বাঁধি এবং সেটিকে একটি পেন্সিল বা কলমের উপর এমনভাবে রাখি যেন স্কেলটি দোল খায় এবং ভারসাম্য পর্যবেক্ষণ করা যায়। ৫. স্কেলটি শুরুতে সোজাভাবে (আনুভূমিকভাবে) আছে কি না তা লক্ষ করি। যদি না থাকে, কাপের জায়গা বা সুতা সামান্য সরিয়ে ভারসাম্য আনি। ৬. এখন বাম পাশে একটি মুদ্রা রাখি এবং স্কেল কোন দিকে ঝুঁকে পড়ে তা দেখি। ৭. ডান পাশে ধীরে ধীরে ছোটো পাথর রেখে ভারসাম্য ফিরিয়ে আনি। ৮. এখন বাম পাশে তরল দ্বারা অর্ধপূর্ণ করি। ডান পাশে ধীরে ধীরে ছোটো পাথর রেখে ভারসাম্য ফিরিয়ে আনি।

সারসংক্ষেপ

স্কেল ও কাপ দিয়ে বানানো নিক্তির এক পাশে একটি মুদ্রা অথবা পানি রাখলে দেখা যায় স্কেলটির যে পাশে বস্তু রাখা হয়েছে সেই দিকে ঝুঁকে পড়ে। এরপর অন্য পাশে পাথর রেখে ভারসাম্য আনা হয়। এই কাজের মাধ্যমে বোঝা যায়– মুদ্রা বা পানির মতো জিনিসের অর্থাৎ কঠিন ও তরল পদার্থের ওজন আছে।

কাজ ২: পদার্থ চাপ প্রয়োগে বাধা প্রদান করে।

Figure

বর্ণনা: একটি ব্যক্তি এক হাত দিয়ে দেয়ালে ধাক্কা দিচ্ছে, পা দুটি সামনে-পিছনে ফাঁক করে রাখা।

Figure

বর্ণনা: দুই হাত দিয়ে একটি সিরিঞ্জ ধরে রাখা হয়েছে; বাম হাত সিরিঞ্জের মুখের দিকে ধরে আছে এবং ডান হাত পিস্টনে চাপ দিচ্ছে।

Printed page 39

যা করতে হবে–

১. একটি দেয়ালে ধাক্কা দিই। ২. সুই ছাড়া একটি সিরিঞ্জ নিই। ৩. এবার সিরিঞ্জটিতে পানি প্রবেশ করিয়ে সিরিঞ্জটির মুখ আঙুল দিয়ে বন্ধ করি। পিস্টন দিয়ে ধীরে ধীরে চাপ দিই। ৪. নিচের প্রশ্নগুলো নিয়ে চিন্তা করি। - চাপ প্রয়োগে কী ঘটে? - বাধা প্রদান করেছে কি?

Figure

লেবেল: পদার্থের ওজন আছে।, পদার্থ চাপ প্রয়োগে বাধা দেয়। বর্ণনা: একটি ছেলে (বাম দিকে) ও একটি মেয়ে (ডান দিকে) মুখোমুখি দাঁড়িয়ে কথা বলছে। ছেলেটির মুখ থেকে একটি বাবল বের হচ্ছে যাতে লেখা "পদার্থের ওজন আছে।"; মেয়েটির মুখ থেকে একটি বাবল বের হচ্ছে যাতে লেখা "পদার্থ চাপ প্রয়োগে বাধা দেয়।"

সারসংক্ষেপ

কঠিন বস্তুতে (যেমন দেয়াল) ধাক্কা দিলে তা সহজে নড়ে না। বরং আমরা একটি প্রতিরোধ অনুভব করি। এর অর্থ হলো, কঠিন পদার্থ চাপ বা ধাক্কার বিরুদ্ধে বাধা সৃষ্টি করে। সিরিঞ্জের মুখ বন্ধ করে যখন ভেতরের দিকে চাপ দেওয়া হয়, তখন পিস্টন সহজে নামতে চায় না। কারণ ভেতরে থাকা পানি বাধা দেয়। ফলে আমরা বুঝি, পদার্থের একটি বৈশিষ্ট্য হলো–পদার্থকে চাপ প্রয়োগ করলে বাধা প্রদান করে।

বায়বীয় পদার্থের বৈশিষ্ট্য

আজকে আমরা বায়বীয় পদার্থ (যেমন– বাতাস বা বায়ু)– এর ধর্ম বা বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে জানার চেষ্টা করব।

বায়বীয় পদার্থের কী কী বৈশিষ্ট্য রয়েছে?

কাজ: বায়বীয় পদার্থের বৈশিষ্ট্য শনাক্তকরণ

যা যা দরকার: সুতা, একটি রুলার স্কেল, একই উৎস থেকে সংগ্রহ করা দুটি নতুন পলিথিনের ব্যাগ অথবা দুটি বেলুন।

যা করতে হবে:

১. প্রয়োজন অনুযায়ী সমান দৈর্ঘ্যের দুই টুকরা সুতা নিই।

Printed page 40

২. সুতা দিয়ে দুটি পলিথিনের ব্যাগের মুখ আলতোভাবে এমন করে বাঁধি যাতে পরে সহজেই খুলে ফেলা যায়। ৩. একটি রুলার স্কেলের দুই প্রান্তে পলিথিনের ব্যাগ দুটি এমনভাবে বাঁধি যেন এটিকে সহজেই এপাশে-ওপাশে নাড়াচাড়া করা যায়। ৪. রুলার স্কেলের মাঝ বরাবর আরেকটি লম্বা সুতার টুকরো দিয়ে বাঁধি এবং এটিকে একটি উঁচু স্থান থেকে ঝুলিয়ে দিই। ৫. দেখা যাবে যে রুলার স্কেলটি যেকোনো একটি দিকে ঝুঁকে পড়েছে। পলিথিন ব্যাগের বাঁধনের যে অংশটি রুলারের সাথে আছে তা এমনভাবে নাড়াচাড়া করি যেন রুলার স্কেলটি আনুভূমিক হয়।

যেকোনো একদিকের একটি চুপসানো পলিথিনের ব্যাগ খুলে ফেলি এবং দু হাত দিয়ে পলিথিনের মুখ প্রসারিত করে নাড়াচাড়া করে এটির মধ্যে বাতাস প্রবেশ করাই। বাতাস– ভর্তি ব্যাগটির মুখ বেঁধে ঝুলন্ত রুলারের আগের জায়গায় সুতা দিয়ে আটকাই। (রুলারের যে সুতাটি ছিল তাই ব্যবহার করব।)

কী ঘটে লক্ষ করি।

বাতাস ভরা ব্যাগটির গায়ে হালকা চাপ দিয়ে দেখি কী ঘটে।

পর্যবেক্ষণের আলোকে নিচের ছকটি পূরণ করি।

পর্যবেক্ষণ ছক
পলিথিনের ব্যাগটি কীভাবে ফোলানো হলো?
তাহলে কি বাতাসের আয়তন আছে?
বাতাস ভর্তি ব্যাগটির আটকানোর পর রুলারের কোন দিকটি ঝুঁকে পড়েছে?
কেন ঝুঁকে পড়েছে?
চাপ প্রয়োগে কি বাধা অনুভব করেছিলে?
বাতাস কি কঠিন ও তরল পদার্থের তিনটি বৈশিষ্ট্যই প্রদর্শন করেছে?
আমরা কি বাতাসকে একটি পদার্থ হিসেবে বিবেচনা করতে পারি?

Printed page 41

Figure: সহজ নিক্তির সাহায্যে বায়ুর ওজন আছে তা শনাক্তকরণ

লেবেল: সহজ নিক্তির সাহায্যে বায়ুর ওজন আছে তা শনাক্তকরণ বর্ণনা: একটি কাঠি ঝুলন্ত অবস্থায় আছে; দুই প্রান্তে দুটি বায়ু-ভর্তি ও চুপসানো ব্যাগ ঝুলছে। প্রথম ছবিতে কাঠিটি সমান অবস্থায় আছে। দ্বিতীয় ছবিতে ডান দিকের ব্যাগটি বাতাসে ফোলানো, তাই কাঠিটি ডান দিকে ঝুঁকে আছে।

সারসংক্ষেপ

বাতাস একটি পদার্থ। কঠিন ও তরল পদার্থের ন্যায় বাতাস বা বায়বীয় পদার্থেরও ওজন আছে, আয়তন আছে। তাছাড়া বায়বীয় পদার্থ চাপ প্রয়োগে বাধা প্রদান করে।

২. পানির বিভিন্ন রূপ

Figure

লেবেল: পানি; বরফ গলে পানি হচ্ছে; তাপের মাধ্যমে পানি বাষ্প হচ্ছে বর্ণনা: বাম দিকে একটি গ্লাসে পানি; মাঝে কয়েকটি বরফের টুকরা গলছে; ডান দিকে একটি পাত্র চুলার ওপর বসানো, যা থেকে ধোঁয়ার মতো বাষ্প উঠছে।

আমরা ইতোমধ্যে পদার্থের বিভিন্ন ধর্ম বা বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে জেনেছি। প্রত্যেক পদার্থকে আমরা তিন ধরনের ভিন্ন রূপে পাই, যেমন– কঠিন, তরল ও গ্যাসীয় বা বায়বীয় । আমরা কি এমন কোনো পদার্থের কথা ভাবতে পারি যাকে এই তিন অবস্থাতেই দেখেছি? চলো, পানির কথা ভেবে দেখি। আমরা আজ পানির তিনটি অবস্থা নিয়ে কথা বলব।

পানির কী কী রূপ আছে?

কাজ: বরফে তাপ প্রয়োগ করলে কী ঘটে তা পর্যবেক্ষণ

যা করতে হবে:

নিচের প্রশ্নগুলো নিয়ে চিন্তা করি এবং চিত্রের শূন্যস্থান পূরণ করি। বরফ গরম করার ফলে কী ঘটে? এখানে বরফের কি কোনো পরিবর্তন হয়? আমরা কি কখনো বাসায় চা তৈরি করতে বা পানি ফুটাতে দেখেছি?

Printed page 42

পানি গরম করার ফলে কী ঘটে? এখানে পানির কি কোনো পরিবর্তন হয়?

Figure

লেবেল: ………; তাপ প্রয়োগ; পানি; তাপ প্রয়োগ; ……… বর্ণনা: তিনটি বৃত্ত বাম থেকে ডানে সাজানো। মাঝের বৃত্তে "পানি" লেখা। প্রথম ও মধ্যবর্তী বৃত্তের মধ্যে এবং মধ্যবর্তী ও শেষ বৃত্তের মধ্যে তীর চিহ্ন, প্রতিটি তীরের ওপরে "তাপ প্রয়োগ" লেখা। প্রথম ও তৃতীয় বৃত্তে ফাঁকা স্থান (………) রয়েছে।

সারসংক্ষেপ

বরফকে তাপ প্রয়োগ করলে তা গলে যায় এবং পানিতে রূপান্তরিত হয়। পরবর্তী সময়ে পানিকে গরম করলে গরম পানি থেকে বাষ্প তৈরি হয়। এভাবে পানির এক অবস্থা থেকে অন্য অবস্থায় রূপান্তর ঘটে।

৩. পানির তিন অবস্থার বৈশিষ্ট্য

পানির তিন অবস্থার কী কী বৈশিষ্ট্য রয়েছে?

কাজ: পানির তিন অবস্থার নাম ও তার বৈশিষ্ট্য শনাক্তকরণ

যা করতে হবে:

  • নিচের প্রশ্নগুলো নিয়ে চিন্তা করি।
    • আমরা কি পানিকে কঠিন, তরল ও গ্যাসীয় এই তিনটি অবস্থায় দেখেছি?
    • কঠিন, তরল ও গ্যাসীয় অবস্থায় পানিকে আমরা যে নামে চিনি সেগুলো কী?
  • পাশে বসা সহপাঠীর সাথে আলোচনা করে নিচের ছকটি পূরণ করি।
পানির অবস্থাঅবস্থার নামবৈশিষ্ট্য
কঠিনবরফ
তরল
গ্যাসীয়

Figure

লেবেল: তরল পদার্থ সহজেই গড়িয়ে পড়ে।; তরল অবস্থায় পদার্থের নির্দিষ্ট আকৃতি না থাকলেও আয়তন থাকে। বর্ণনা: একটি ছেলে (বাম দিকে) ও একটি মেয়ে (ডান দিকে) মুখোমুখি রয়েছে। ছেলেটির বাবলে লেখা "তরল পদার্থ সহজেই গড়িয়ে পড়ে।"; মেয়েটির বাবলে লেখা "তরল অবস্থায় পদার্থের নির্দিষ্ট আকৃতি না থাকলেও আয়তন থাকে।"

Printed page 43

সারসংক্ষেপ

পানিকে আমরা তরল, কঠিন (বরফ) এবং গ্যাসীয় (জলীয়বাষ্প) এই তিন অবস্থায় পাই। প্রতিটি অবস্থার আলাদা আলাদা বৈশিষ্ট্য রয়েছে। যেমন– তরল অবস্থায় পানি গড়িয়ে চলে, এর নির্দিষ্ট আকৃতি না থাকলেও নির্দিষ্ট আয়তন আছে। কঠিন অবস্থায় বরফের নির্দিষ্ট আকৃতি এবং আয়তন আছে। গ্যাসীয় অবস্থায় এর নির্দিষ্ট আকৃতি এবং আয়তন নেই।

তাপীয় অবস্থার পরিবর্তনের কারণে পানি এক অবস্থা থেকে অন্য অবস্থায় রূপান্তরিত হতে পারে। তিন অবস্থাতেই পানি আমাদের জীবনে বিভিন্ন উপকারে আসে।

পানির তিন অবস্থার বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে আরও কিছু জানি...

অন্যান্য পদার্থের মতো পানির তিনটি অবস্থা আছে। বরফ হলো কঠিন অবস্থায় থাকা পানি। বরফের নিজস্ব আকৃতি রয়েছে। আমরা বরফ স্পর্শ করলে ঠান্ডা অনুভব করি। পানির নিজস্ব আকৃতি থাকে না। পানিকে যে পাত্রে রাখা হয়, সেই আকৃতি গ্রহণ করে। পানি সহজে গড়িয়ে পড়ে, যেমন- গ্লাস থেকে পড়ে গেলে মেঝেতে ছড়িয়ে পড়ে। পানির গ্যাসীয় অবস্থা হলো বাষ্প। যখন পানি অনেক গরম হয়, তখন তা বাষ্পে পরিণত হয়। রান্না করার সময় হাঁড়ির ঢাকনা খুললে যে ধোঁয়া ওঠে, সেটিই বাষ্প। এটি বাতাসের সঙ্গে মিশে যায় এবং তারপর এই বাষ্পকে আমরা আর দেখতে পাই না।

বিপরীতভাবে বাষ্পকে ঠান্ডা করলে আমরা তরল পানি পাই। আর পানিকে ঠান্ডা করে বরফ পেতে পারি।

Figure

লেবেল: বাষ্প; ঠান্ডা করা; পানি; ঠান্ডা করা; বরফ বর্ণনা: তিনটি বৃত্ত বাম থেকে ডানে সাজানো; বাম বৃত্তে "বাষ্প", মাঝে "পানি", ডানে "বরফ" লেখা। প্রথম ও দ্বিতীয় বৃত্তের মধ্যে এবং দ্বিতীয় ও তৃতীয় বৃত্তের মধ্যে তীর চিহ্ন; প্রতিটি তীরের ওপরে "ঠান্ডা করা" লেখা।

Loading the rest of the chapter…

Textbook content © National Curriculum and Textbook Board (NCTB), Bangladesh. Shown for study.

Trusted resources

Official links checked by the Zntext team. Part of the context pack.