Primary Science chapter 5: Energy
শক্তি
- Primary Science
- Textbook pages 53-66
- 1 source
- 17,163 characters of context
Textbook (verbatim transcription): Energy
Verbatim transcription of the printed NCTB textbook pages.
Contents18ShowHide
- ১. শক্তির বিভিন্ন রূপ
- শক্তির বিভিন্ন রূপ সম্পর্কে আরো কিছু জানি...
- তাপশক্তি
- আলোকশক্তি
- বিদ্যুৎশক্তি
- শব্দশক্তি
- রাসায়নিক শক্তি
- গতিশক্তি
- স্থিতিশক্তি
- ২. শক্তির উৎস
- ৩. শক্তির দায়িত্বশীল ব্যবহার
- শক্তির দায়িত্বশীল ব্যবহার সম্পর্কে আরো কিছু জানি...
- অনুশীলনী
- ১। সঠিক উত্তরে টিক(√ ) চিহ্ন দিই।
- ২। শূন্যস্থান পূরণ করি।
- ৩। বাম পাশের সাথে ডান পাশের মিল করি।
- ৪। সংক্ষিপ্ত-উত্তর প্রশ্ন
- ৫। বর্ণনামূলক-উত্তর প্রশ্ন
Printed page 53
অধ্যায় ৫
শক্তি
তৃতীয় শ্রেণিতে আমরা বিভিন্ন শক্তি সম্পর্কে জেনেছি। আলোকশক্তি আমাদেরকে দেখতে সাহায্য করে। শব্দশক্তি আমাদেরকে শুনতে সাহায্য করে। বিদ্যুৎশক্তি আমাদের বিভিন্ন বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি চালাতে সাহায্য করে। তাপশক্তি রান্নার কাজে ব্যবহৃত হয়।
১. শক্তির বিভিন্ন রূপ
শক্তির বিভিন্ন ধরন বা রূপ আছে। চারপাশ থেকে আমরা শক্তির বিভিন্ন রূপ খুঁজে বের করতে পারি।
আমাদের চারপাশে কী কী ধরনের শক্তি রয়েছে?
কাজ: শক্তির বিভিন্ন রূপ চিহ্নিত করা।
যা করতে হবে:
Figure: প্রকৃতিতে বিভিন্ন শক্তি
লেবেল: [অস্পষ্ট] বর্ণনা: মেঘলা আকাশ, বাতাসে হেলে থাকা একটি নারিকেল গাছ, বিদ্যুৎ চমকানো, ঝড়ো বৃষ্টি। নিচে একটি টিনের চালের ঘর, গাছপালা এবং এক ব্যক্তি ছাতা নিয়ে ঝড়ে হাঁটছে।
Figure
লেবেল: বজ্রপাত হলে আমরা আলো দেখতে পাই; বজ্রপাত হলে আমরা শব্দও শুনতে পাই বর্ণনা: একটি ছেলে ও একটি মেয়ে মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছে। ছেলেটির মুখের পাশের বুদবুদে "বজ্রপাত হলে আমরা আলো দেখতে পাই" এবং মেয়েটির মুখের পাশের বুদবুদে "বজ্রপাত হলে আমরা শব্দও শুনতে পাই" লেখা।
১. উপরের চিত্রটি ভালো করে লক্ষ করি।
Printed page 54
২. ছবির বিভিন্ন ঘটনাগুলোতে শক্তির কী কী রূপ আছে তা নিচের ছকে লিখি ।
| ঘটনা | সংশ্লিষ্ট শক্তি |
|---|---|
| বজ্রপাত | |
সারসংক্ষেপ
বিদ্যুৎ চমকানোর ঘটনার সাথে আলোর ঝলকানি দেখা যায়। কাজেই আলোকশক্তি এর সাথে জড়িত। বৃষ্টিপাত হলে আশেপাশের পরিবেশ শীতল হয়ে যায়, ফলে এতে তাপশক্তির প্রভাব রয়েছে। বজ্রপাত হলে ঘরের চালে বৃষ্টি বা শিলা পড়লে শব্দশক্তি তৈরি হয়। বাতাসের গতিশক্তি থাকায় গাছপালা নড়ে ও নুইয়ে পড়ে। আকাশে বিদ্যুৎ চমকানোর সাথে আরেকটি শক্তি জড়িত এবং তা হলো বিদ্যুৎশক্তি।
কাজ: গাড়ির বিভিন্ন অংশে শক্তির বিভিন্ন রূপ খুঁজে বের করা।
যা করতে হবে:
Figure
বর্ণনা: সামনে থেকে দেখা একটি হলুদ গাড়ি; ছাদের ওপর একটি লাল সাইরেন এবং তার ওপরে কয়েকটি বিকিরণ রেখা; সামনের দুই পাশে দুটি হেডলাইট, দুই পাশে দুটি সাইড মিরর এবং নিচে গ্রিল। গাড়ির বাইরে বাম পাশে একটি ব্যাটারি এবং ডান পাশের হলুদ বৃত্তের ভেতরে একটি হাতে ধরা জ্বালানি-নল একটি গাড়ির চাকার মতো অংশের কাছে ধরা।
উপরের গাড়িটি ভালোভাবে দেখি এবং এর সাথে কী কী শক্তি সম্পর্কিত আছে তা ছকে লিখি।
Printed page 55
| গাড়ির অংশ | কোন শক্তি সম্পর্কিত |
|---|---|
| ব্যাটারি | রাসায়নিক শক্তি |
| জ্বালানি তেল | |
| হেডলাইট | |
| হর্ন | |
| চাকা |
সারসংক্ষেপ
গাড়ির ব্যাটারি এবং তেলে রাসায়নিক শক্তি জমা থাকে। হেডলাইটগুলো আলোকশক্তি দিয়ে সামনের রাস্তাকে আলোকিত করে এবং হর্ন শব্দশক্তি তৈরি করে। গাড়ির ব্যাটারি থেকে হেডলাইট এবং গাড়ির হর্ন বৈদ্যুতিক শক্তি পায়। গাড়ির চাকার সাথে গতিশক্তি জড়িত ।
শক্তির বিভিন্ন রূপ সম্পর্কে আরো কিছু জানি...
তাপশক্তি
একটি বস্তু যত বেশি গরম হয়, তাতে তাপ শক্তি তত বেশি থাকে। যেমন– এক কাপ গরম পানিতে এক কাপ ঠান্ডা পানির চেয়ে বেশি তাপশক্তি রয়েছে। আবার তাপশক্তি এক বস্তু থেকে অন্য বস্তুতে স্থানান্তরিত হতে পারে। যেমন– গরম পানিসহ একটি গ্লাসের ক্ষেত্রে পানি থেকে গ্লাসে তাপ স্থানান্তরিত হয়।
Figure: তাপশক্তি ও এর স্থানান্তর
বর্ণনা: বাম পাশে একটি স্বচ্ছ গ্লাসে পানি রাখা আছে। ডান পাশে একটি হলুদ কাপে গরম পানি, যার ওপর থেকে ধোঁয়া উপরের দিকে উঠছে।
আলোকশক্তি
এটি আমাদের দেখতে সহায়তা করে এবং এই শক্তি এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় অনেক দূর পর্যন্ত স্থানান্তরিত হতে পারে। যেমন–সূর্য থেকে আলো অনেক দূরের পথ অতিক্রম করে পৃথিবীতে এসে পৌঁছায়।
Figure
লেবেল: সূর্য বর্ণনা: হলুদ রঙের একটি সূর্য, যার চারদিক থেকে অনেক রশ্মি বেরিয়ে আসছে।
Figure: আলোকসজ্জা
Figure: টর্চ লাইট
বর্ণনা: একটি ধূসর টর্চ লাইট, যার সামনের দিক থেকে হলুদ আলোর রশ্মি ডান দিকে বিস্তৃত।
Printed page 56
বিদ্যুৎশক্তি
আমরা বিদ্যুৎশক্তি দেখতে না পেলেও এটি যে আছে, তা বুঝতে পারি। লোড শেডিং হলে বাসায় কোনো বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি চালানো যায় না। আবার ব্যাটারির চার্জ শেষ হলে বাসার দেয়াল ঘড়ি এবং বিদ্যুৎ চালিত খেলনাগুলোও চলে না।
Figure: বিদ্যুৎশক্তির মাধ্যমে বেল বাজানো ও বাল্ব জ্বালানো
লেবেল: +, - বর্ণনা: একটি বন্ধ বৈদ্যুতিক বর্তনী; বর্তনীতে একটি ব্যাটারি (এক প্রান্তে + এবং অন্য প্রান্তে − চিহ্ন), একটি বাল্ব, একটি সুইচ এবং একটি বেল যুক্ত। বর্তনীর ভেতর দিয়ে তীর চিহ্ন দ্বারা বিদ্যুতের গতিপথ দেখানো হয়েছে।
শব্দশক্তি
শব্দ হলো এক ধরনের শক্তি যা আমরা শুনতে পাই। বস্তুর কম্পনের ফলে শব্দ তৈরি হয়। যেমন– স্কুলের ঘণ্টা বাজালে এটি কেঁপে ওঠে এবং আমরা শব্দ শুনতে পাই।
Figure: স্কুলের ঘণ্টা
বর্ণনা: একটি হলুদ ঘণ্টা, যার ওপরের অংশ একটি হাত ধরে আছে এবং নিচের দিক থেকে একটি কাঠের হাতুড়ি দিয়ে আরেকটি হাত ঘণ্টায় আঘাত করছে। ঘণ্টার চারপাশে কম্পনের রেখা দেখানো হয়েছে।
রাসায়নিক শক্তি
আমরা খাবার খেলে শক্তি পাই। এই শক্তি খাদ্যে রাসায়নিক শক্তি হিসেবে জমা থাকে। একইভাবে জ্বালানি তেল, কাঠ, গ্যাস, কয়লা এবং ব্যাটারিতেও রাসায়নিক শক্তি জমা থাকে।
Figure
লেবেল: ব্যাটারি; খাবার; জ্বালানি তেল; Milk; Petrol; +; - বর্ণনা: বাম দিকে একটি ব্যাটারি; মাঝখানে একটি প্লেটে ভাত ও মাংস, পাশে একটি দুধের বোতল এবং কয়েকটি ডিম; ডান দিকে একটি জ্বালানি তেলের (Petrol) বোতল।
Printed page 57
গতিশক্তি
গতিশীল বস্তু গতির ফলে শক্তি পায়। দৌড়ালে, লাফ দিলে, সাইকেল চালালে বা উড়োজাহাজ উড়ার সময় গতিশক্তি তৈরি হয়। কোনো বস্তুর গতি যত দ্রুত, তার গতিশক্তিও তত বেশি।
Figure: উড়োজাহাজ উড়ছে
বর্ণনা: একটি উড়োজাহাজ আকাশে উড়ছে; এর দুই পাশে দুটি ইঞ্জিন এবং পেছনে একটি উল্লম্ব লেজ আছে।
Figure: দৌড়ানো
বর্ণনা: একজন মেয়ে সবুজ জামা ও নীল জিন্স পরে দৌড়াচ্ছে।
Figure: বল ছুড়ে মারা হয়েছে
বর্ণনা: একজন ছেলে বল ছুড়ছে; বলটি উইকেটের দিকে যাচ্ছে, উইকেটের তিনটি স্ট্যাম্প ও দুটি বেল দেখানো হয়েছে; একটি বল স্ট্যাম্পের গোড়ায় আঘাত করছে এবং বেলগুলো ছিটকে যাচ্ছে।
স্থিতিশক্তি
Figure
বর্ণনা: একটি সবুজ পাহাড়ের গায়ে আঁকাবাঁকা মাটির রাস্তা; রাস্তার ওপরের অংশে একটি লাল গাড়ি পাহাড়ের চূড়ার কাছে রয়েছে।
স্থিতিশক্তি হলো এমন একটি শক্তি, যা কোনো বস্তুর অবস্থানের কারণে জমা থাকে। যেমন– যখন একটি গাড়ি পাহাড়ের চূড়ায় থাকে, তখন এটি ভূমির চেয়ে উপরে থাকার কারণে এতে স্থিতিশক্তি জমা থাকে। ছবির মতো অবস্থায় গাড়ি বন্ধ করলেও তা নিচের দিকে চলতে থাকে। বন্ধ অবস্থায় চলমান গাড়ির শক্তির উৎস হলো এর ভেতর জমা থাকা স্থিতিশক্তি।
Printed page 58
কাগজের টুকরাসহ একটি রাবার ব্যান্ডকে টেনে ধরলে তাতে স্থিতিশক্তি জমা হয়। রাবার ব্যান্ডকে ছেড়ে দেওয়া হলে সেই স্থিতিশক্তি গতিশক্তিতে রূপান্তরিত হয়। ফলে রাবার ব্যান্ডের সাথে সাথে কাগজের টুকরাটি গতিবেগ প্রাপ্ত হয়। কাগজের টুকরার এই বেগ পাওয়ার কারণ হচ্ছে রাবারে জমা থাকা স্থিতিশক্তি।
Figure
লেবেল: রাবারের স্থিতিশক্তি; কাগজের টুকরার গতি লাভ; স্প্রিং-এর স্থিতিশক্তি; কাঠের টুকরার গতিলাভ বর্ণনা: বাম পাশে একটি হাতে রাবার ব্যান্ডসহ কাগজের টুকরা টেনে ধরা আছে এবং ছেড়ে দিলে কাগজের টুকরা ছুটে যাচ্ছে। ডান পাশের উপরের চিত্রে একটি সংকুচিত স্প্রিংয়ের সামনে একটি গোলাপি রঙের কাঠের টুকরা রাখা; নিচের চিত্রে স্প্রিং ছেড়ে দেওয়ার পর কাঠের টুকরাটি সামনের দিকে ছুটছে।
অনুরূপভাবে, সংকুচিত স্প্রিং-এর সাথে একটি কাঠের টুকরা থাকলে সেখানে স্থিতিশক্তি জমা থাকে। পরবর্তী স্প্রিংকে ছেড়ে দিলে কাঠের টুকরাটি গতিপ্রাপ্ত হয়।
কাজ: শক্তির বিভিন্ন রূপ সম্পর্কে জানি।
যা করতে হবে:
১. পূর্বের পাঠে শক্তির সাতটি রূপ সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করা হয়েছে। একটি করে শক্তির রূপের তথ্য মনোযোগ সহকারে পড়ি ও দলে আলোচনা করি। দলের একজন সদস্য শ্রেণিতে তথ্যটি উপস্থাপন করি।
২. প্রত্যেক দলের উপস্থাপনা শেষে শক্তির সাতটি রূপের বৈশিষ্ট্য দলে আলোচনা করে নিচের ছকে লিখি।
| শক্তির রূপ | বৈশিষ্ট্য |
|---|---|
Printed page 59
Figure
লেবেল: স্থিতিশক্তি সম্পর্কে তুমি কী জানো?; উঁচু স্থানে কোনো বস্তু থাকলে তাতে স্থিতিশক্তি জমা থাকে। বর্ণনা: একটি ছেলে ও একটি মেয়ে মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছে। ছেলেটির বুদবুদে প্রশ্ন এবং মেয়েটির বুদবুদে উত্তর লেখা।
২. শক্তির উৎস
দৈনন্দিন জীবনে আমরা বিভিন্ন পরিবর্তন দেখতে পাই যার পেছনে কোনো না কোনো শক্তির উৎস কাজ করে। যেমন– গাড়ি চলতে রাসায়নিক শক্তি প্রয়োজন হয়। এই রাসায়নিক শক্তি তেল বা গ্যাস থেকে পাওয়া যায়। মোবাইল চার্জের ক্ষেত্রে কোন শক্তি উৎস হিসেবে কাজ করে আমরা কি তা জানি? এসো আমরা একটি মজার কাজ করি।
শক্তির বিভিন্ন উৎস কী কী?
কাজ: শক্তির উৎস খুঁজে বের করা।
যা করতে হবে:
১। নিচের ছবিগুলো ভালোভাবে লক্ষ করি।
Figure
লেবেল: ঘূর্ণি ঘুরছে; পাথর গড়িয়ে পড়ছে; গ্যাসের চুলায় রান্না হচ্ছে বর্ণনা: বাম দিকে একটি রঙিন ঘূর্ণি (ফিরকি) একটি লাঠির ওপর বসানো; মাঝখানে একটি সবুজ পাহাড়ের গা থেকে কয়েকটি পাথর গড়িয়ে পড়ছে; ডান দিকে একটি গ্যাস চুলায় দুটি পাত্রে রান্না হচ্ছে এবং চুলার সাথে একটি কমলা রঙের গ্যাস সিলিন্ডার নলের মাধ্যমে যুক্ত।
Printed page 60
Figure: মোবাইল চার্জ হচ্ছে
বর্ণনা: একটি মোবাইল ফোন চার্জার তারের মাধ্যমে দেয়ালের সকেটে যুক্ত; মোবাইলের পর্দায় একটি ব্যাটারি চিহ্ন দেখা যাচ্ছে।
Figure: টর্চ থেকে আলো বের হচ্ছে
বর্ণনা: একটি টর্চ লাইট, যার সামনের দিক থেকে হলুদ আলোর রশ্মি ডান দিকে ছড়িয়ে পড়ছে; পাশে দুটি ব্যাটারি রাখা আছে।
২। উপরের ঘটনাগুলোর পেছনে শক্তির উৎসের নামসমূহ নিচের ছকে লিখি।
| ঘটনা | শক্তির কোন রূপ উৎস হিসেবে কাজ করছে? |
|---|---|
| ঘূর্ণি ঘোরা | বাতাসের গতিশক্তি |
| পাহাড়ের উপর থেকে পাথর গড়িয়ে পড়া | |
| গ্যাসের চুলায় রান্না করা | |
| মোবাইল চার্জ করা | |
| টর্চ থেকে আলো ছড়ানো |
সারসংক্ষেপ
বাতাসের গতিশক্তিকে কাজে লাগিয়ে ঘূর্ণি ঘোরে। পাহাড়ের উপর থেকে গড়িয়ে পড়া পাথরের শক্তির উৎস হলো এতে জমা থাকা স্থিতিশক্তি। গ্যাসের চুলার গ্যাসের শক্তির উৎস হলো রাসায়নিক শক্তি। মোবাইল চার্জিংয়ের বেলায় বিদ্যুৎশক্তি উৎস হিসেবে কাজ করে। টর্চ থেকে আলো পাওয়ার জন্য ব্যাটারির দরকার হয়। তাই টর্চ থেকে আলো ছড়ানোর ক্ষেত্রে রাসায়নিক শক্তি উৎস হিসেবে কাজ করে।
বিদ্যুৎশক্তির কী কী উৎস রয়েছে?
কাজ: বিদ্যুৎশক্তির উৎস চিহ্নিত করা।
বিভিন্ন উপায়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়:
(১) সৌরকোষের সাহায্যে (২) জেনারেটরের সাহায্যে (৩) খরস্রোতা পানির প্রবাহে বাঁধের সাহায্যে (৪) বায়ুকলের সাহায্যে
Printed page 61
Figure
লেবেল: বিদ্যুৎ উৎপাদন, (১), (২), (৩), (৪) বর্ণনা: একটি কেন্দ্রীয় বৃত্তকে ঘিরে চারটি বৃত্তাকার ছবি আছে। (১) নম্বর ছবিতে সৌরকোষের সারি, (২) নম্বর ছবিতে জেনারেটর, (৩) নম্বর ছবিতে বাঁধ থেকে পানি পড়ার দৃশ্য, (৪) নম্বর ছবিতে কয়েকটি বায়ুচালিত টারবাইন দেখানো হয়েছে।
যা করতে হবে:
বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিভিন্ন পদ্ধতিতে শক্তির উৎস কী তা নিয়ে দলে আলোচনা করি এবং নিচের ছকটি পূরণ করি।
| বিদ্যুৎ উৎপাদনের পদ্ধতি | শক্তির উৎস |
|---|---|
| বাঁধ দিয়ে | |
| বায়ুকলের সাহায্যে | |
| জেনারেটরের সাহায্যে | |
| সৌরকোষের সাহায্যে |
Printed page 62
সারসংক্ষেপ
বাঁধ দিয়ে আটকে রাখা পানিতে স্থিতিশক্তি জমা থাকে। বাঁধের জলাধারে সঞ্চিত পানি ছেড়ে দেওয়া হলে তা বয়ে যেতে থাকে। বয়ে যাওয়া পানি একটি জেনারেটরের সাথে সংযুক্ত টারবাইনটিকে ঘুরিয়ে বিদ্যুৎ তৈরি করে। এক্ষেত্রে শক্তির উৎস হলো পানিতে থাকা স্থিতিশক্তি। বায়ুকলে বাতাস ব্যবহার করে ব্লেডগুলোকে ঘুরিয়েও বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়। এক্ষেত্রে শক্তির উৎস হবে বাতাসের গতিশক্তি। জ্বালানি তেল ব্যবহার করে জেনারেটর বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার করা শক্তির উৎস হলো রাসায়নিক শক্তি। সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য আলোকশক্তি দরকার হয়। তাই সৌরকোষের সাহায্যে উৎপন্ন বিদ্যুতের উৎস হলো আলোকশক্তি।
Loading the rest of the chapter…
Textbook content © National Curriculum and Textbook Board (NCTB), Bangladesh. Shown for study.
Trusted resources
Official links checked by the Zntext team. Part of the context pack.