Skip to content

Bangladesh and Global Studies chapter 2: We Are Human

আমরা মানুষ

  • Bangladesh and Global Studies
  • Textbook pages 9-18
  • 1 source
  • 12,634 characters of context

Textbook (verbatim transcription): We Are Human

Verbatim transcription of the printed NCTB textbook pages.

Contents3

Printed page 9

অধ্যায় ২

আমরা মানুষ

১ বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষ

ক) ছবিগুলো পর্যবেক্ষণ করে ডান পাশের প্রশ্নগুলোর উত্তর লিখি।

Figure

বর্ণনা: শ্রেণিকক্ষের প্রবেশপথে একটি র‍্যাম্প (ঢালু পথ) দেখানো হয়েছে। একজন হুইলচেয়ারে বসা শিক্ষার্থী র‍্যাম্প দিয়ে উঠছেন এবং অন্য শিক্ষার্থীরা সিঁড়ি দিয়ে উঠছে।

শ্রেণিকক্ষে প্রবেশের জন্য র‍্যাম্প করা হয়েছে কেন?

Figure

বর্ণনা: একজন শিক্ষার্থী কানে যন্ত্র লাগিয়ে বেঞ্চে বসে আছে এবং একজন শিক্ষক তার দিকে তাকিয়ে হাত দিয়ে নির্দেশ করছেন।

শিক্ষার্থীর কানে কী লাগানো আছে? এটি কেন প্রয়োজন হয়?

Figure

লেবেল: ট, [অস্পষ্ট] বর্ণনা: একজন শিক্ষক একটি চার্ট ধরে আছেন, যাতে বড় করে "ট" অক্ষর এবং একটি টিয়া পাখির ছবি আঁকা আছে। সামনে শিক্ষার্থীরা বসে আছে; একজন চশমা পরা শিক্ষার্থী চার্টের দিকে তাকিয়ে আছেন।

শিক্ষকের দেখানো ছবিটি ভালোভাবে দেখতে শিক্ষার্থীর কীসের সাহায্যের প্রয়োজন হয়েছে?

Printed page 10

সাগর কুমিল্লার একটি স্কুলে পড়ত। ছোটোবেলায় একটি সড়ক দুর্ঘটনায় সাগরের পা ভেঙে যায়। পরে সে হাঁটতে পারলেও তার একটি পা অন্য পা থেকে ছোটো থেকে যায়। ক্রিকেট তার প্রিয় খেলা। বাসার পাশের মাঠে সে তার স্থানীয় বন্ধুদের সাথে ক্রিকেট খেলত। পায়ের সমস্যা থাকার পরও খুব ভালো খেলত সাগর। তার বাবার চাকুরিতে বদলিজনিত কারণে তারা শরীয়তপুর চলে যায়। নতুন জায়গায়, বিদ্যালয়ের মাঠে সাগরকে কেউ খেলায় নিতো না। কেউ ভাবত তাকে নিলে তাদের দল হেরে যাবে। কেউ ভাবত, তার পায়ের সমস্যা আরও বেড়ে নতুন কোনো সমস্যা তৈরি হতে পারে। বিদ্যালয়ের শিক্ষক লক্ষ করলেন, সবাই যখন খেলে তখন সাগর খুব মন খারাপ করে থাকে। তিনি একদিন তাকে বিদ্যালয়ের দলে খেলার সুযোগ দিলেন। সেদিন তার দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ের কারণে জয়ী হলো তার দল। বিদ্যালয়ের সবাই খুব গর্ব করেছিল সাগরকে নিয়ে। শিক্ষকের একটু সহমর্মিতা ও সহপাঠীদের সহযোগিতায় পাল্টে গেল সাগরের জীবন।

খ) সাগরের মতো কোনো বন্ধু থাকলে আমি তাকে যেভাবে সাহায্য করব তা ৫টি বাক্যে লিখি।

Printed page 11

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুসাধারণত তাদের প্রয়োজন
শারীরিক প্রতিবন্ধিতা (শরীরের কোনো একটি অঙ্গ বা অংশ ব্যবহার করে কাজ করতে অসুবিধা হয়।)
  • চলাফেরা ও অন্যান্য কাজে অপরের সহযোগিতা
  • চলাচলের জন্য হুইল চেয়ার, স্ক্রাচ, র‍্যাম্প ইত্যাদি
  • উপযোগী টয়লেট ও শ্রেণিকক্ষে বসার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা
দৃষ্টি প্রতিবন্ধিতা
(ছোটো ও দূরের কিছু জিনিস দেখতে অসুবিধা হয় বা কিছুই দেখতে পায় না। অনেকে চলাফেরার সময় ধাক্কা বা হোঁচট খায়।)
  • উপযুক্ত চশমা ব্যবহার
  • শ্রেণিকক্ষে বড়ো লেখা ও উপকরণ ব্যবহার
  • শ্রেণিকক্ষে সামনে বসার ব্যবস্থা
  • দেখানোর সাথে সাথে মুখে বলে দেওয়া বা শোনার ব্যবস্থা করা
  • চাহিদাভিত্তিক শিখন উপকরণ সরবরাহ
অটিস্টিক
(এটি মস্তিষ্কের একটি বিকাশগত সমস্যা। তাদের কেউ কেউ চমৎকার প্রতিভার অধিকারী হতে পারে। যেমন— ছবি আঁকা, গান গাওয়া, গাণিতিক সমস্যা সমাধান। সাধারণত দেখা যায়–
১) কথা বলার সময় চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলে না।
২) একই কাজ একটানা করতে থাকে।
৩) একটি নির্দিষ্ট বস্তুর প্রতি প্রবল আকর্ষণ থাকে।
৪) দলে কাজ করতে অসুবিধা হয়।)
  • বিশেষ যত্ন নেওয়া, বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করা
  • কথা বলার সময় জটিল শব্দ ব্যবহার না করা
  • উৎসাহ প্রদান করা
  • শিক্ষক, অভিভাবক ও সহপাঠীদের অন্তরিকতা
  • কষ্ট পায় ও রেগে যায় এমন আচরণ না করা
বুদ্ধি প্রতিবন্ধিতা
(অনেক সময় নিয়ে কাজ করে এবং তার চেয়ে কমবয়সি শিশুদের মতো আচরণ করে। কোনো কিছু গুছিয়ে ব্যাখ্যা করতে অসুবিধা হয়। কোনো বিষয় বোঝাতে বারবার বুঝিয়ে বলতে হয়।)
  • কাজে উৎসাহ প্রদান
  • আলাদা ও অতিরিক্ত সময় প্রদান
  • মনোভাব বুঝে সাড়া দেওয়া
  • বন্ধুত্বপূর্ণ ও সহযোগিতামূলক আচরণ করা

Printed page 12

শ্রবণ প্রতিবন্ধিতা
(কানে কম শোনে বা শুনতে অসুবিধা হয়। কেউ কেউ নাও শুনতে পারে।)
  • কথা বলার সময় ইশারা ও অঙ্গভঙ্গির সাহায্যে বোঝানো
  • কোনো নির্দেশনা মুখে বলার সাথে সাথে লিখে দেয়া
  • চিত্র বা ভিডিয়ো দেখানো
  • শ্রবণ-সহায়ক যন্ত্র ব্যবহার
  • শ্রেণিকক্ষের সামনে বসতে দেওয়া
  • চাহিদাভিত্তিক শিখন উপকরণ সরবরাহ
বাক প্রতিবন্ধিতা
(কথা বলতে না পারা বা বলায় জড়তা থাকা।)
  • ধীরগতিতে কথা বলা
  • মনোযোগের সাথে তাকে বোঝার চেষ্টা করা
  • ভালো আচরণ করা ও না রাগানো
  • চাহিদাভিত্তিক শিখন উপকরণ সরবরাহ

গ) উপরের ছকে দেওয়া বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের প্রয়োজন জেনে তাদের প্রতি আমাদের করণীয় বিষয়ে একটি তালিকা তৈরি করি।

১. …………………………………………………………………………………… ২. …………………………………………………………………………………… ৩. …………………………………………………………………………………… ৪. …………………………………………………………………………………… ৫. ……………………………………………………………………………………

ঘ) বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন একজন প্রতিবেশীর চাহিদা অনুযায়ী তাকে আমি কীভাবে সহযোগিতা করব তা লিখি।

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিকে আমি যেভাবে সহযোগিতা করব–

⊙ …………………………………………………………………………………… ⊙ …………………………………………………………………………………… ⊙ …………………………………………………………………………………… ⊙ ……………………………………………………………………………………

Printed page 13

২ ছেলেমেয়ের সমতাভিত্তিক শিখন পরিবেশের গুরুত্ব

Figure

বর্ণনা: সবুজ পটভূমিতে একটি পৃথিবীর চারপাশে কয়েকজন ছেলে ও মেয়ে হাত ধরাধরি করে গোল হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

Figure

বর্ণনা: একটি শ্রেণিকক্ষে কয়েকজন ছেলে ও মেয়ে নীল পোশাকে একটি টেবিলে বসে আছে; একজন মেয়ে হাতে কলম নিয়ে কথা বলছে।

Figure

লেবেল: খুদে ডাক্তার, জাতীয় কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ, [অস্পষ্ট] বর্ণনা: "খুদে ডাক্তার" লেখা একটি লাল ব্যানারের নিচে কয়েকজন শিক্ষার্থী দাঁড়িয়ে আছে; সাদা পোশাক পরা দুজন শিক্ষার্থী অন্য শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা করছে।

Figure

লেবেল: [অস্পষ্ট] বর্ণনা: একজন স্যুট পরা ব্যক্তি একটি মেয়ের হাতে কিছু তুলে দিচ্ছেন; পাশে কয়েকজন শিক্ষার্থী ও অভিভাবক দাঁড়িয়ে আছেন এবং সামনের টেবিলে ফল ও মিষ্টি রাখা আছে।

ক) উপরের ছবিগুলো পর্যবেক্ষণ করে বাক্সে দেওয়া শব্দ থেকে উপযুক্ত শব্দ নিয়ে নিচের শূন্যস্থানগুলো পূরণ করে অর্থবোধক বাক্য তৈরি করি।

দায়িত্বশীল, আত্মবিশ্বাসী, অংশগ্রহণ, সমতাভিত্তিক

১. পৃথিবীর উন্নয়নে ছেলেমেয়ে উভয়েরই ……………………………… প্রয়োজন। ২. ছেলেমেয়ে দলগতভাবে কাজ করলে ………………………… শিখন পরিবেশ নিশ্চিত হয়। ৩. ছেলেমেয়ে বিদ্যালয়ে ……………………… ভূমিকা পালনের মাধ্যমে তাদের দায়িত্ববোধ তৈরি হয়। ৪. বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে ছেলেমেয়ে ………………………… হয়ে ওঠে।

সমতাভিত্তিক শিখন পরিবেশে ছেলেমেয়েরা নিজেদেরকে যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশে প্রস্তুত করতে পারে। বিদ্যালয়ে তাদের উপযোগী কাজ মিলেমিশে করলে কাজের পরিবেশ সুন্দর হয়। পারস্পরিক সম্মানবোধ তৈরি হয়। কেউ নিজেকে অবহেলিত মনে করে না।

Printed page 14

সকলেই আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠে। সমতাভিত্তিক শিখন পরিবেশে একে অপরের সুবিধা ও অসুবিধার কথা চিন্তা করে। কেউ কিছু বুঝতে না পারলে একে অপরের সহযোগিতায় সহজেই বুঝে নিতে পারে। তাদের মধ্যে সমঅংশগ্রহণ, সমঅধিকার এবং সমমর্যাদা নিশ্চিত হয়। ছেলেমেয়ে উভয়েরই নিরাপত্তাবোধ তৈরি হয়। বিদ্যালয়ের সকল কাজ আমরা মিলেমিশে করব, মিলেমিশে শিখব।

খ) উপরের অনুচ্ছেদটি পড়ে ছেলেমেয়ের জন্য সমতাভিত্তিক শিখন পরিবেশের গুরুত্ব লিখি।

ক্রমিকছেলেমেয়ের সমতাভিত্তিক শিখন পরিবেশের গুরুত্ব
১
২
৩
৪
৫

গ) নিচের যে বাক্যগুলো সঠিক তার পাশে টিক চিহ্ন ও যে বাক্যগুলো সঠিক নয় তার পাশে ক্রস চিহ্ন দিই। যেগুলো সঠিক নয় তার পরিবর্তে সঠিক বাক্যটি লিখি।

বাক্যটিক / ক্রস
শ্রেণিকক্ষে শ্রেণি দলনেতা শুধু ছেলেরাই হতে পারবে।×
শ্রেণিকক্ষে শ্রেণি দলনেতা ছেলে ও মেয়ে উভয়ই হতে পারবে।
ছেলে ও মেয়ে সকলেরই নিরাপত্তার প্রয়োজন আছে।
বাগান করা, গাছ লাগানো বা বিদ্যালয়ের উন্নয়নের কাজ ছেলেরা ভালো করতে পারে।
মেয়েদের দায়িত্ব হলো ঘর-বাড়ি ও বিদ্যালয় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা।
যেকোনো প্রতিযোগিতায় মেয়েদের তুলনায় ছেলেরা বেশি ভালো করে।

ঘ) শিক্ষকের সহায়তায় ছেলেমেয়ে সমতাভিত্তিক শিখন পরিবেশের উপর শ্রেণিকক্ষে প্রদর্শনের জন্য একটি ভূমিকাভিনয়ের আয়োজন করি।

Printed page 15

৩ ছেলেমেয়ের সমতাভিত্তিক শিখন পরিবেশ সৃষ্টি

Figure: ছবি-১

বর্ণনা: একজন মহিলা, একজন পুরুষ, একটি ছেলে ও একটি মেয়ে একটি টেবিলে বসে বই ও খাতায় একসাথে কাজ করছে।

Figure: ছবি-২

বর্ণনা: শ্রেণিকক্ষে নীল পোশাক পরা কয়েকজন ছেলে ও মেয়ে একাধিক টেবিলে বসে বই পড়ছে; একজন শিক্ষার্থী দাঁড়িয়ে অন্যজনকে বই দেখাচ্ছে।

Figure: ছবি-৩

বর্ণনা: বিদ্যালয়ের উঠোনে কয়েকজন শিক্ষার্থী গাছ লাগাচ্ছে ও পানি দিচ্ছে; একজন মানুষ দাঁড়িয়ে তাদের দেখছেন। পাশে একটি ঝারি, একটি কোদাল ও একটি ঠেলাগাড়ি রাখা আছে।

Figure: ছবি-৪

লেবেল: টয়লেট, বালক, বালিকা বর্ণনা: দুটি হলুদ দরজা দেখানো হয়েছে; বাম দরজার উপরে "বালক" এবং ডান দরজার উপরে "বালিকা" লেখা। দরজায় পুরুষ ও মহিলার প্রতীক আঁকা আছে এবং সবার উপরে "টয়লেট" লেখা।

ক) উপরের ছবিগুলো পর্যবেক্ষণ করে ছবিগুলোতে আমরা ছেলেমেয়ে সমতাভিত্তিক শিখন পরিবেশ সৃষ্টির সহায়ক যেসব ক্ষেত্র দেখতে পাচ্ছি সেগুলো লিখি।

ছবি নংসমতাভিত্তিক শিখন পরিবেশ সৃষ্টির সহায়ক ক্ষেত্র
১
২
৩
৪

Printed page 16

পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী জুঁই। বিদ্যালয় থেকে বাসায় ফিরে জুঁই তার মায়ের সাথে গল্প করছিল। বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের ক্লাসটি আজ তার খুব ভালো লেগেছে। শিক্ষক পাঠদানের সময় কিছু প্রশ্ন করেন। যারা পারে তাদের হাত তুলতে বললেন। যারা হাত তুলেছে তিনি তাদের মধ্যে দুজনকে আগে উত্তর বলতে বললেন। তারপর যারা হাত তোলেনি এবার তিনি তাদের কাছ থেকে উত্তর জানতে চাইলেন। এভাবে তিনি দুজন ছেলে ও দুজন মেয়ে শিক্ষার্থীর কাছ থেকে উত্তর শুনতে চাইলেন। তারপর দলগতভাবে কাজ করতে দিলেন। ছেলে ও মেয়ে নিয়ে প্রতিটি দল গঠন করলেন। কোনো দলে ছেলে আবার কোনো দলে মেয়ে শিক্ষার্থীকে দলনেতা বানালেন। দলের দলনেতা কাজটি উপস্থাপন করল। সবশেষে তিনি পুরো শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নিয়ে দুটি দলে ভাগ করলেন। দুই দলের মধ্যে তিনি কুইজ প্রতিযোগিতা করলেন। কুইজ প্রতিযোগিতায় জয়ী হয়েছে জুঁইদের দল। জুঁই মাকে আরও খুশির খবর দিলো। সে বলল, “আমরা বিদ্যালয়ে একটি বাগান করেছিলাম। বাগানে আজ পাঁচটি গোলাপ ফুটেছে। বিরতির সময় আমরা সবাই নিজেদের খাবার ভাগাভাগি করে খেয়েছি। বন্ধুদের সাথে কানামাছি খেলেছি। খেলার সময় রাজীব, বৃষ্টি, আকাশ ও আমার চোখ বাঁধা হয়েছিল।” কথাগুলো বলতে বলতে হাসতে লাগল জুঁই।

খ) উপরের ঘটনাটি পড়ি ও কোন কোন কাজে সমতাভিত্তিক শিখন পরিবেশ ছিল তা লিখি।

ক্রমিকসমতাভিত্তিক শিখন পরিবেশ
১
২
৩
৪

গ) নিচে দেওয়া আকাশ, আশা, তিশা, আনা, বাদল ও কুসুমের বিবৃতিগুলো পড়ি এবং খালি ঘরে আমার করণীয় লিখি।

আকাশ: আমি যখন পড়তে বসি, তখন আমার বোন মাকে ঘরের কাজে সাহায্য করে। আমি কী করব?

আশা: আমার বিদ্যালয়ে ছেলেদের খেলার সুযোগ আছে আমাদের নেই। আমরা কী করব?

Printed page 17

Figure

লেবেল: তিশা, আমি কী করব?, আনা, আমরা কী করব?, বাদল, আমি কী করব?, কুসুম, আমরা কী করব? বর্ণনা: চারজন শিশুর বক্তব্যের চারটি বাক্স (উপরে আমার শ্রেণিতে সব সময় ছেলেরাই শ্রেণি ক্যাপ্টেন হয়, আমিও হতে চাই; আমাদের স্কুলে মেয়েদের জন্য আলাদা টয়লেট নেই; নিচে আমার শ্রেণিকক্ষে শিক্ষক প্রশ্ন করার সময় মেয়েদের গুরুত্ব দেন বেশি; আমার বিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ছেলেদেরকেই দায়িত্ব দেওয়া হয়)। প্রতিটি বক্তব্যের পাশে খালি উত্তর-বাক্স, যার নিচে লেখা আমি কী করব? বা আমরা কী করব?।

ঘ) সমতাভিত্তিক শিখন পরিবেশ তৈরিতে আমি কী কী কাজ করতে পারি তা লিখি।

Printed page 18

Loading the rest of the chapter…

Textbook content © National Curriculum and Textbook Board (NCTB), Bangladesh. Shown for study.

Trusted resources

Official links checked by the Zntext team. Part of the context pack.