Skip to content

Bangladesh and Global Studies chapter 6: Historical Places and Relics of Bangladesh

বাংলাদেশের ঐতিহাসিক স্থান ও নিদর্শন

  • Bangladesh and Global Studies
  • Textbook pages 61-76
  • 1 source
  • 17,469 characters of context

Textbook (verbatim transcription): Historical Places and Relics of Bangladesh

Verbatim transcription of the printed NCTB textbook pages.

Contents9

Printed page 61

অধ্যায় ৬

বাংলাদেশের ঐতিহাসিক স্থান ও নিদর্শন

১ মহাস্থানগড় ও উয়ারী-বটেশ্বর

Figure: মহাস্থানগড়ে প্রাপ্ত প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা

বর্ণনা: দুটি ছবিতে মহাস্থানগড়ে প্রাপ্ত প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা দেখানো হয়েছে। একটিতে ঘাসে ঢাকা ভূমিতে ইটের দেয়ালের ভিত্তি দেখা যাচ্ছে; অন্যটিতে উঁচু ইটের প্রাচীর ও তার ভেতরের খোলা অংশ দেখা যাচ্ছে।

Figure: উয়ারী-বটেশ্বরে প্রাপ্ত প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা

বর্ণনা: দুটি ছবিতে উয়ারী-বটেশ্বরে খননকাজের দৃশ্য দেখানো হয়েছে। মাটি খুঁড়ে বের করা ইটের দেয়াল ও ভিত্তি দেখা যাচ্ছে, এবং কয়েকজন ব্যক্তি খননস্থলে কাজ করছেন।

ক) উপরের ছবি দুটি পর্যবেক্ষণ করে নিচের প্রশ্নের উত্তর লিখি।

প্রশ্নমহাস্থানগড়উয়ারী-বটেশ্বর
১. ছবিতে কী কী ধরনের স্থাপনা দেখানো হয়েছে?
২. এই স্থাপনা কী দিয়ে তৈরি?
৩. এই স্থাপনা কি প্রাচীন না সাম্প্রতিক?

Printed page 62

মহাস্থানগড়

বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১৩ কিলোমিটার উত্তরে করতোয়া নদীর তীরে মহাস্থানগড় অবস্থিত। এই নিদর্শনটি খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতক থেকে পরবর্তী পনেরো শত বছরের বেশি সময়কালের। এটি বাংলার ইতিহাসে ১৮ শত বছরের বেশি সময়ের সাক্ষ্য বহন করে। মৌর্য আমলে এই স্থানটি 'পুণ্ড্রনগর' নামে পরিচিত ছিল। কালের বিবর্তনে এটি ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। এটি আয়তাকার। উত্তর-দক্ষিণে ১৫০০ মিটার এবং পূর্ব-পশ্চিমে ১৪০০ মিটার বিস্তৃত। এখানে বৈরাগীর ভিটা, গোবিন্দ ভিটা, খোদার পাথর ভিটা প্রভৃতি প্রত্নস্থল আবিষ্কৃত হয়। এটি প্রায় ৬ মিটার উঁচু প্রাচীর দ্বারা বেষ্টিত।

Figure: স্বর্ণমুদ্রা

বর্ণনা: দুটি গোলাকার মুদ্রা পাশাপাশি রাখা; মুদ্রার গায়ে খোদাই করা নকশা দেখা যাচ্ছে।

Figure: প্রস্তর বুদ্ধমূর্তি

বর্ণনা: বেদির ওপর বসা একটি প্রস্তর বুদ্ধমূর্তি; আশেপাশে ফুলগাছ দেখা যাচ্ছে।

Figure: পোড়ামাটির ফলক

বর্ণনা: একটি আয়তাকার পোড়ামাটির ফলকে একটি প্রাণী উপুড় হয়ে বসে থাকার দৃশ্য উৎকীর্ণ।

Figure: রৌপ্যমুদ্রা

বর্ণনা: দুটি মুদ্রা পাশাপাশি রাখা; একটির গায়ে খাঁজকাটা নকশা এবং অন্যটির গায়ে গোলাকার চিহ্ন দেখা যাচ্ছে।

Figure

বর্ণনা: একটি পাথরের ফলক, যার গায়ে সারিবদ্ধ প্রাচীন লিপির অক্ষর খোদাই করা।

মহাস্থানগড়ে প্রাপ্ত নিদর্শনসমূহ

⊙ চওড়া খাদবিশিষ্ট প্রাচীন দুর্গ

⊙ প্রাচীন ব্রাহ্মী শিলালিপি

⊙ মন্দিরসহ অন্যান্য ধর্মীয় ভগ্নাবশেষ

⊙ পোড়ামাটির ফলক, ভাস্কর্য, স্বর্ণমুদ্রা, রৌপ্যমুদ্রা, প্রস্তরের পুঁতি, কাচের পুঁতি

⊙ ৩.৩৫ মিটার লম্বা 'খোদাই পাথর'

Printed page 63

উয়ারী-বটেশ্বর

নরসিংদী জেলার বেলাবো উপজেলার প্রায় ৩ কিলোমিটার পশ্চিমে উয়ারী ও বটেশ্বর নামক দুটি গ্রাম। এখানে খ্রিস্টপূর্ব ৪৫০ অব্দের মৌর্য আমলের পূর্বের নিদর্শন পাওয়া গেছে। উয়ারী প্রত্নস্থলে ৬০০ মিটার দৈর্ঘ্য ও ৬০০ মিটার প্রস্থের চারটি দুর্গ প্রাচীর আবিষ্কৃত হয়েছে। এখানে গলিপথসহ ১৬০ মিটার দীর্ঘ রাস্তা পাওয়া গেছে। উয়ারী-বটেশ্বরে নগরায়ণের পাশাপাশি নদীবন্দর এবং বাণিজ্য নগরও গড়ে উঠেছিল। এই সভ্যতাটি সমুদ্র বাণিজ্যের সাথে সম্পর্কিত ছিল। প্রাচীন নগর সভ্যতার নিদর্শনস্বরূপ এখানে প্রাচীন রাস্তাঘাটও পাওয়া গেছে।

Figure: পাথরের পুঁতি

বর্ণনা: একটি ছকের মধ্যে সাজানো বিভিন্ন আকৃতি ও রঙের পাথরের পুঁতি; কোনো কোনোটিতে আঁকাবাঁকা বা ডোরাকাটা নকশা রয়েছে।

Figure: রৌপ্যমুদ্রা

বর্ণনা: চারটি রৌপ্যমুদ্রা; উপরের দুটি মুদ্রার গায়ে কিছু চিহ্ন এবং নিচের দুটির গায়ে ছাপ দেখা যাচ্ছে।

Figure: মৃৎপাত্র

বর্ণনা: বাঁ দিকে একটি গোলাকার মৃৎপাত্র; ডান দিকে একটি ঢাকনাযুক্ত মৃৎপাত্র এবং কয়েকটি মৃৎখণ্ড ও একটি শঙ্কু আকৃতির বস্তু।

Figure: পাথরের হাতিয়ার

বর্ণনা: চারটি লম্বাটে পাথরের হাতিয়ার পাশাপাশি রাখা।

উয়ারী-বটেশ্বরে প্রাপ্ত নিদর্শনসমূহ

⊙ ছাপাঙ্কিত রৌপ্যমুদ্রা

⊙ পাথরের হাতিয়ার

⊙ লৌহ নির্মিত নানা বস্তু

⊙ নানা ধরনের মৃৎপাত্র

⊙ পাথর ও কাচের পুঁতি

Printed page 64

খ) পূর্বের পৃষ্ঠায় মহাস্থানগড় ও উয়ারী-বটেশ্বরে প্রাপ্ত নিদর্শনের ছবি দেখি এবং স্থান দুটি সম্পর্কে দেওয়া তথ্য পড়ে নিচের ছকে এদের বৈশিষ্ট্য লিখি।

মহাস্থানগড়উয়ারী-বটেশ্বর
১৮০০ বছরের ইতিহাসের সাক্ষ্য বহন করেখ্রিষ্টপূর্ব ৪৫০ অব্দের ইতিহাসের নিদর্শন পাওয়া গেছে

গ) মহাস্থানগড় ও উয়ারী-বটেশ্বরের প্রত্নতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য নিচের ছক অনুযায়ী তুলনা করি।

তুলনার বিষয়মহাস্থানগড়ের বৈশিষ্ট্যউয়ারী-বটেশ্বরের বৈশিষ্ট্য
কত বছর পূর্বের
স্থাপনার ধরন
মুদ্রা
পোড়ামাটির ফলক
ভাস্কর্য
মৃৎপাত্র
শিলালিপি

ঘ) মহাস্থানগড় ও উয়ারী-বটেশ্বরের প্রত্নতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্যের সাথে নিম্নের ছক অনুযায়ী বর্তমান সময়ের বিভিন্ন বিষয়ের সাথে তুলনা করি।

তুলনার বিষয়মহাস্থানগড় ও উয়ারী-বটেশ্বরের বৈশিষ্ট্যবর্তমান সময়ের বৈশিষ্ট্য
স্থাপনার ধরন
মুদ্রা
পোড়ামাটির ফলক
ভাস্কর্য
মৃৎপাত্র
লিপি

Printed page 65

২ পাহাড়পুর ও ময়নামতি

ক) নিচের ছবি দুটি পর্যবেক্ষণ করে ডান পাশের প্রশ্নগুলোর উত্তর লিখি।

Figure: পাহাড়পুরে প্রাপ্ত প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা

বর্ণনা: আকাশ থেকে তোলা ছবিতে একটি বিশাল ইটের তৈরি মন্দিরসদৃশ স্থাপনা দেখানো হয়েছে। এর চারদিকে আয়তাকার প্রাচীর ও অসংখ্য ছোট ছোট কক্ষের ভিত্তি দেখা যাচ্ছে, এবং বাইরের দিকে সবুজ ঘাসের মাঠ।

১. ছবিতে কী ধরনের স্থাপনা দেখানো হয়েছে?

……………………………

২. এই স্থাপনাটি কী দিয়ে তৈরি?

……………………………

৩. এটি কি প্রাচীন না সাম্প্রতিক?

……………………………

Figure: ময়নামতিতে প্রাপ্ত প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা (শালবন বিহার)

বর্ণনা: আকাশ থেকে তোলা ছবিতে একটি বিশাল বিহার-কমপ্লেক্স দেখানো হয়েছে। সবুজ মাঠের মাঝখানে একটি কেন্দ্রীয় পথ ধরে সারিবদ্ধভাবে ইটের তৈরি বর্গাকার ভিত্তি ও প্রাচীরের চিহ্ন দেখা যাচ্ছে।

১. ছবিতে কী ধরনের স্থাপনা দেখানো হয়েছে?

……………………………

২. এই স্থাপনাটি কী দিয়ে তৈরি?

……………………………

৩. এটি কি প্রাচীন না সাম্প্রতিক?

……………………………

Printed page 66

Figure: টেরাকোটা

বর্ণনা: দুটি পাশাপাশি আয়তাকার টেরাকোটা ফলকে খোদাই করা মানবমূর্তি দেখানো হয়েছে।

Figure: পোড়ামাটির ফলক

বর্ণনা: লালচে পোড়ামাটির একটি ফলকে উঁচু করে খোদাই করা মানবদেহের অবয়ব দেখানো হয়েছে।

পাহাড়পুর

পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারটি রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ জেলায় অবস্থিত। এটি 'সোমপুর বিহার' নামেও পরিচিত। এই ঐতিহাসিক নিদর্শনটি ৭৮১–৮২১ খ্রিস্টাব্দে পাল রাজা ধর্মপালের শাসনামলে নির্মিত হয়। এখানে ২৪ মিটার উঁচু গড় রয়েছে। বৌদ্ধ বিহারটি উত্তর-দক্ষিণে ২৭৪.১৫ মিটার ও পূর্ব-পশ্চিমে ২৭৩.৭০ মিটার। এই চমৎকার বৌদ্ধ বিহারের চারপাশে ১৭৭টি ভিক্ষুকক্ষ আছে। এছাড়া এখানে বিস্তৃত প্রবেশপথ ও ছোটো ছোটো মন্দির, রান্নাঘর, খাবার ঘর এবং পাকা নর্দমা রয়েছে।

Figure: ব্রোঞ্জ বুদ্ধমূর্তি

বর্ণনা: ব্রোঞ্জের তৈরি একটি বুদ্ধমূর্তির আবক্ষ অংশ দেখানো হয়েছে; মূর্তির মাথায় কোঁকড়ানো চুল ও কাঁধে বস্ত্র।

Figure: পাথরের বুদ্ধমূর্তি

বর্ণনা: পাথরে খোদাই করা একটি বুদ্ধমূর্তির মুখমণ্ডল ও গলার অংশ দেখানো হয়েছে; মাথার উপরে অলংকৃত মুকুট ও গলায় মালার নকশা রয়েছে।

পাহাড়পুরে প্রাপ্ত নিদর্শনসমূহ

পাথরের ভাস্কর্য, পোড়ামাটির ফলকচিত্র, তাম্রশাসন, ব্রোঞ্জের তৈরি বুদ্ধের আবক্ষ অংশ, লিপিসহ প্রস্তরখণ্ড, মুদ্রা, চুনাপাথরের মূর্তি, ধাতবমূর্তি, মৃৎপাত্রের টুকরা, অলংকৃত ইট, জীবজন্তুর মূর্তি ও টেরাকোটা ইত্যাদি। মন্দিরের চতুর্দিকে বেষ্টন করে ৬৩টি পাথরের মূর্তি রয়েছে।

Printed page 67

ময়নামতি

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলে কুমিল্লা শহরের কাছে ময়নামতি অবস্থিত। ময়নামতি স্থানটি অষ্টম শতকের রাজা মানিকচন্দ্রের স্ত্রী ময়নামতির কাহিনির সঙ্গে জড়িত। এটি বৌদ্ধ সভ্যতার অন্যতম কেন্দ্র ছিল। তবে এখানে হিন্দু ও জৈন ধর্মেরও নিদর্শন পাওয়া গেছে। এখানকার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক নিদর্শন হলো শালবন বিহার। এটি একটি বৃহৎ বৌদ্ধ মঠ। ৫৫০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৫৫০ ফুট প্রস্থবিশিষ্ট শালবন বিহারে ১১৫টি ভিক্ষুকক্ষ রয়েছে। এছাড়া আনন্দ বিহার, ভোজ বিহার এখানকার উল্লেখযোগ্য ঐতিহাসিক নিদর্শন। এখানে সাত থেকে বারো শতকের মধ্যবর্তী সময়ের মূল্যবান দ্রব্যাদি পাওয়া গেছে।

Figure: পোড়ামাটির ফলক

বর্ণনা: পোড়ামাটির একটি ফলকে কয়েকটি জীবজন্তুর মূর্তি খোদাই করা দেখানো হয়েছে।

Figure: ব্রোঞ্জ বুদ্ধমূর্তি

বর্ণনা: ব্রোঞ্জের তৈরি একটি বুদ্ধমূর্তি দেখানো হয়েছে; মূর্তিটি পদ্মাসনে বসা এবং তার পেছনে একটি অলংকৃত প্রভামণ্ডল ও চূড়াযুক্ত তোরণ রয়েছে।

Figure: স্বর্ণমুদ্রা

বর্ণনা: একাধিক গোলাকার স্বর্ণমুদ্রা পাশাপাশি সাজানো দেখানো হয়েছে; মুদ্রাগুলোর গায়ে খোদাই করা নকশা রয়েছে।

Figure: পোড়ামাটির ভাস্কর্য

বর্ণনা: পোড়ামাটির তৈরি একটি ভাস্কর্য দেখানো হয়েছে, যাতে একটি প্রাণীর মাথা ও মুখের অংশ খোদাই করা রয়েছে।

Figure: প্রস্তর বুদ্ধমূর্তি

বর্ণনা: পাথরের তৈরি একটি বুদ্ধমূর্তি দেখানো হয়েছে; মূর্তিটি একটি অলংকৃত প্রভামণ্ডলের সামনে দাঁড়ানো এবং এর একাধিক হাত রয়েছে।

ময়নামতিতে প্রাপ্ত নিদর্শনসমূহ

তাম্রশাসন, স্বর্ণ ও রৌপ্যমুদ্রা, অসংখ্য জীবজন্তু অঙ্কিত পোড়ামাটির ফলক, পোড়ানো মাটির সিল ও সিলিং, বহু সংখ্যক পাথর, ব্রোঞ্জ ও পোড়ামাটির ভাস্কর্য। এখানে প্রাপ্ত উল্লেখযোগ্য নিদর্শনের মধ্যে ছয় থেকে সাত শতকের বিরাটকায় প্রস্তর বুদ্ধমূর্তি এবং খাদযুক্ত স্বর্ণমুদ্রা অন্তর্ভুক্ত।

Printed page 68

খ) পূর্বের পৃষ্ঠায় পাহাড়পুর ও ময়নামতিতে প্রাপ্ত নিদর্শনের ছবি দেখি এবং স্থান দুটি সম্পর্কে দেওয়া তথ্য পড়ে নিচের ছকে এদের বৈশিষ্ট্য লিখি।

পাহাড়পুরময়নামতি
৭৮১–৮২১ খ্রিস্টাব্দে নির্মিত স্থাপনার নিদর্শনঅষ্টম শতকের রাজা মানিকচন্দ্রের স্ত্রী ময়নামতির কাহিনির সঙ্গে জড়িত

গ) পাহাড়পুর ও ময়নামতির প্রত্নতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য নিচের ছক অনুযায়ী তুলনা করি।

তুলনার বিষয়পাহাড়পুরের বৈশিষ্ট্যময়নামতির বৈশিষ্ট্য
কত বছর পূর্বের
স্থাপনার ধরন
মুদ্রা
পোড়ামাটির ফলক
ভাস্কর্য
মৃৎপাত্র
লিপি
মূর্তি

ঘ) পাহাড়পুর ও ময়নামতির প্রত্নতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্যের সাথে নিম্নের ছক অনুযায়ী বর্তমান সময়ের বিভিন্ন বিষয়ের সাথে তুলনা করি।

তুলনার বিষয়পাহাড়পুর ও ময়নামতির বৈশিষ্ট্যবর্তমান সময়ের বৈশিষ্ট্য
স্থাপনার ধরন
মুদ্রা
পোড়ামাটির বস্তু
ভাস্কর্য
লিপি

Printed page 69

Loading the rest of the chapter…

Textbook content © National Curriculum and Textbook Board (NCTB), Bangladesh. Shown for study.

Trusted resources

Official links checked by the Zntext team. Part of the context pack.