Bangladesh and Global Studies chapter 11: Communication Map of Bangladesh
বাংলাদেশের যোগাযোগ মানচিত্র
- Bangladesh and Global Studies
- Textbook pages 115-125
- 1 source
- 11,212 characters of context
Textbook (verbatim transcription): Communication Map of Bangladesh
Verbatim transcription of the printed NCTB textbook pages.
Printed page 115
অধ্যায় ১১
বাংলাদেশের যোগাযোগ মানচিত্র
১ যোগাযোগ মানচিত্র
ক) নিচের ছবিগুলো পর্যবেক্ষণ করে পাশের প্রশ্নগুলোর উত্তর লিখি–
Figure
লেবেল: BRTC বর্ণনা: একটি লাল-সবুজ রঙের বাস, গায়ে BRTC লেখা।
১) এটি কী ধরনের যানবাহন?
২) এটি কোন পথে চলে?
Figure
বর্ণনা: একটি নৌকায় অনেক যাত্রী নদীতে চলছে।
১) এটি কী ধরনের যানবাহন?
২) এটি কোন পথে চলে?
Figure
বর্ণনা: নীল-হলুদ রঙের একটি ইঞ্জিন রেললাইনে দাঁড়িয়ে আছে এবং তার পেছনে কয়েকটি বগি লাগানো।
১) এটি কী ধরনের যানবাহন?
২) এটি কোন পথে চলে?
Figure
বর্ণনা: একটি সাদা-লাল রঙের যাত্রীবাহী উড়োজাহাজ, চাকা নামানো অবস্থায় মাটিতে দাঁড়িয়ে আছে।
১) এটি কী ধরনের যানবাহন?
২) এটি কোন পথে চলে?
Printed page 116
খ) মানচিত্র পর্যবেক্ষণ করে নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর লিখি।
Figure: বাংলাদেশের সড়ক যোগাযোগ
লেবেল: বাংলাদেশের সড়ক যোগাযোগ; সাংকেতিক চিহ্ন; ★ বিভাগ; নদী; অন্যান্য রাস্তা; প্রধান সড়ক; উ; দ; প; পূ; রংপুর; সিলেট; রাজশাহী; ময়মনসিংহ; ঢাকা; খুলনা; বরিশাল; চট্টগ্রাম বর্ণনা: বাংলাদেশের মানচিত্রে প্রধান সড়ক লাল রেখায়, অন্যান্য রাস্তা বিন্দুরেখায় এবং নদী নীল রেখায় দেখানো হয়েছে। বিভাগীয় শহরগুলো তারকা চিহ্ন দ্বারা চিহ্নিত এবং মানচিত্রের ওপরের ডান কোণে একটি দিকনির্দেশক চিহ্ন আছে।
১) মানচিত্রে কোন ধরনের যোগাযোগের পথ দেখানো হয়েছে?
২) প্রধান সড়ক পথগুলো মানচিত্রে দাগ টেনে চিহ্নিত করি।
Printed page 117
Figure: বাংলাদেশের নদীবন্দর ও নদীপথ
লেবেল: বাংলাদেশের নদীবন্দর ও নদীপথ; সাংকেতিক চিহ্ন; নদী; নদী বন্দর; লঞ্চঘাট; উ; দ; প; পূ; ফুলছড়ি; বাহাদুরাবাদ; সিলেট; সিরাজগঞ্জ; বাঘাবাড়ী; ভৈরব; নগরবাড়ী; আরিচা; শাঠল; চাঁদপুর; খুলনা; বাগেরহাট; ঝালকাঠি; পিরোজপুর; ভান্ডারিয়া; পায়রা; নারায়ণগঞ্জ; চট্টগ্রাম; মাতারবাড়ী; বঙ্গোপসাগর; [অস্পষ্ট] বর্ণনা: বাংলাদেশের মানচিত্রে নদীগুলো নীল রেখায় এবং নদীবন্দরগুলো লাল-নীল আয়তাকার চিহ্নে দেখানো হয়েছে। লঞ্চঘাট কালো পতাকা-চিহ্নে দেখানো হয়েছে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে নদীর জালের ঘনত্ব বেশি এবং চট্টগ্রাম অঞ্চলের উপকূলে নদীপথ দেখানো হয়েছে।
১) মানচিত্রে কোন ধরনের যোগাযোগের পথ দেখানো হয়েছে?
২) দুইটি নদীবন্দর ও নদীপথ মানচিত্রে দাগ টেনে চিহ্নিত করি।
Printed page 118
Figure: বাংলাদেশের রেলপথ
লেবেল: বাংলাদেশের রেলপথ; সাংকেতিক চিহ্ন; কিলোমিটার; ঢাকা; চট্টগ্রাম; কক্সবাজার; ময়মনসিংহ; যশোর; মিটার গেজ রেল লাইন; ব্রড গেজ রেল লাইন; ডুয়েল গেজ রেল লাইন; কর্কটক্রান্তি রেখা; বঙ্গোপসাগর; উ; দ; প; পূ; [অস্পষ্ট] বর্ণনা: বাংলাদেশের মানচিত্রে রেলস্টেশনগুলো সবুজ চিহ্নে এবং বিভিন্ন ধরনের রেললাইন কালো রেখায় দেখানো হয়েছে। নদী ও নদীপথ নীল রঙে দেখানো হয়েছে। মানচিত্রের নিচে বঙ্গোপসাগর এবং ডান পাশে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চল দেখানো হয়েছে।
১) মানচিত্রে কোন ধরনের যোগাযোগের পথ দেখানো হয়েছে?
২) রেলপথ মানচিত্রে দাগ টেনে চিহ্নিত করি।
Printed page 119
Figure
লেবেল: বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর; সাংকেতিক চিহ্ন; আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর; অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দর; কার্যকর বিমানবন্দর; বিমানপথ; ত্রিপুরা (ভারত); ঠাকুরগাঁও; সৈয়দপুর; লালমনিরহাট; সিলেট; মৌলভীবাজার; রাজশাহী; যশোর; ঢাকা; বরিশাল; খুলনা; চট্টগ্রাম; কুমিল্লা; কক্সবাজার; কর্কটক্রান্তি রেখা; বঙ্গোপসাগর; [অস্পষ্ট] বর্ণনা: বাংলাদেশের মানচিত্রে ঢাকা থেকে বিভিন্ন বিমানবন্দরে কালো সরল রেখায় বিমানপথ দেখানো হয়েছে। লাল "×" চিহ্ন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, লাল "+" চিহ্ন অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দর এবং গোলাপি "+" চিহ্ন কার্যকর বিমানবন্দর নির্দেশ করে।
১) মানচিত্রে কোন ধরনের যোগাযোগের পথ দেখানো হয়েছে?
২) ২টি বিমানবন্দর মানচিত্রে চিহ্নিত করি।
Printed page 120
একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের পূর্বশর্ত হলো উন্নত পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা। বাংলাদেশের পরিবহন ব্যবস্থা প্রতিনিয়ত উন্নত হচ্ছে। সাধারণত সড়ক, নৌ, রেল ও বিমান এ চার ধরনের পথ ব্যবহার করা হয়। এর মধ্যে সড়কপথ সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। জাতীয়, আঞ্চলিক, জেলা সড়কগুলো বেশ উন্নত। সড়কপথে বাস, ট্রাক, লরি, প্রাইভেট কারসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করে। তবে মানুষের কাছে রেলপথ বেশ জনপ্রিয়। বাংলাদেশে মিটারগেজ, ব্রডগেজ ও ডুয়েলগেজ এ তিন ধরনের রেলপথ আছে। রেলপথে যাত্রীবাহী ও মালবাহী দুই ধরনের ট্রেন চলাচল করে। তাছাড়া বাংলাদেশে যাতায়াতের ক্ষেত্রে নৌপথের গুরুত্ব অনেক। নৌপথে যাতায়াত ও পণ্য পরিবহন ব্যয় অনেক কম। অভ্যন্তরীণ নদীপথ ও উপকূলীয় সমুদ্রপথ নিয়ে আমাদের নৌপথ। ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, খুলনা, বরিশাল, চাঁদপুর ও ভৈরব দেশের অন্যতম প্রধান নদীবন্দর। আর সমুদ্র বন্দর হলো চট্টগ্রাম, মংলা, পায়রা। সম্প্রতি যোগাযোগ ব্যবস্থায় বিমানের ব্যবহারও বেড়েছে। দেশে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক দুই ধরনের বিমানবন্দর রয়েছে। আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর তিনটি, যথা– শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ঢাকা; শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, চট্টগ্রাম; ও ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, সিলেট। এ তিনটি বিমানবন্দর অভ্যন্তরীণ বিমান চলাচলের জন্যও ব্যবহৃত হয়। যশোর, রাজশাহী, সৈয়দপুর, বরিশাল ও কক্সবাজার বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দর। বর্তমান সময়ে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় উন্নয়নের অভূতপূর্ব নিদর্শন হলো মেট্রোরেল, উড়াল সড়ক, কর্ণফুলী নদীর তলদেশে টানেল।
গ) উপরের পাঠ্যাংশটুকু পড়ে যোগাযোগের বিভিন্ন পথের ধরন দিয়ে নিচের মাইন্ডম্যাপ তৈরি করি।
Figure
লেবেল: যোগাযোগের পথ; নদীপথ; স্টিমার বর্ণনা: মাঝখানে একটি হীরকাকৃতি বাক্সে "যোগাযোগের পথ" লেখা। ওপরের দিকে "নদীপথ" বাক্স থেকে দুটি তীর দুটি খালি বাক্সে যায়, এর একটি বাক্সে "স্টিমার" লেখা। বাম দিকের সবুজ শাখায় তিনটি এবং ডান দিকের বেগুনি শাখায় তিনটি খালি বাক্স রয়েছে। নিচের নীল শাখায় একটি খালি বাক্স এবং তার নিচে দুটি খালি বাক্স রয়েছে।
Printed page 121
ঘ) যোগাযোগ মানচিত্রে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট, খুলনা যাওয়ার সড়কপথ দাগ টেনে চিহ্নিত করি।
Figure
লেবেল: বাংলাদেশের সড়কপথ; সাংকেতিক চিহ্ন; বিভাগ; নদী; অন্যান্য রাস্তা; প্রধান সড়ক; উ; প; পূ; দ; রংপুর; রাজশাহী; ময়মনসিংহ; সিলেট; ঢাকা; চট্টগ্রাম; খুলনা; বরিশাল বর্ণনা: বাংলাদেশের মানচিত্রে বিভাগীয় শহরগুলোর অবস্থান তারকা চিহ্ন দিয়ে, নদী নীল রেখায় এবং প্রধান সড়ক লাল রেখায় দেখানো হয়েছে। অন্যান্য রাস্তা বিন্দুরেখায় আঁকা। মানচিত্রের ডান উপরে একটি কম্পাস চিহ্ন রয়েছে।
Printed page 122
২ যোগাযোগ মানচিত্রের ব্যবহার ও জিপিএস-এর ধারণা
Figure
লেবেল: বাংলাদেশ; যোগাযোগ ব্যবস্থা; উ; প; পূ; দ; পঞ্চগড়; ঠাকুরগাঁও; নীলফামারী; দিনাজপুর; রংপুর; লালমনিরহাট; কুড়িগ্রাম; গাইবান্ধা; জয়পুরহাট; নওগাঁ; বগুড়া; শেরপুর; জামালপুর; চাঁপাইনবাবগঞ্জ; রাজশাহী; সিরাজগঞ্জ; পাবনা; টাঙ্গাইল; ময়মনসিংহ; কিশোরগঞ্জ; সুনামগঞ্জ; নেত্রকোনা; হবিগঞ্জ; মৌলভীবাজার; সিলেট; ব্রাহ্মণবাড়িয়া; নরসিংদী; ঢাকা; মানিকগঞ্জ; নারায়ণগঞ্জ; মুন্সীগঞ্জ; শরীয়তপুর; ফরিদপুর; গোপালগঞ্জ; মাদারীপুর; কুমিল্লা; চাঁদপুর; লক্ষ্মীপুর; নোয়াখালী; ফেনী; খাগড়াছড়ি; রাঙ্গামাটি; বান্দরবান; কক্সবাজার; ভোলা; পটুয়াখালী; বরগুনা; ঝালকাঠি; পিরোজপুর; বাগেরহাট; বরিশাল; খুলনা; সাতক্ষীরা; যশোর; নড়াইল; মাগুরা; ঝিনাইদহ; চুয়াডাঙ্গা; মেহেরপুর; কুষ্টিয়া; বঙ্গোপসাগর; [অস্পষ্ট]; কর্কটক্রান্তি রেখা; কিলোমিটার; সূচক; নদী; জাতীয় সড়ক; আঞ্চলিক সড়ক; ফিডার সড়ক; মিটার গেজ রেল লাইন; ব্রড গেজ রেল লাইন; উভয় (মিটার ও ব্রড গেজ) রেল লাইন; সরল বিমানপথ বর্ণনা: বাংলাদেশের যোগাযোগ মানচিত্র; জাতীয়, আঞ্চলিক ও ফিডার সড়ক, নদী এবং মিটার, ব্রড ও উভয় গেজের রেলপথ বিভিন্ন রং ও রেখায় দেখানো হয়েছে। ঢাকা থেকে সিলেট এবং কক্সবাজার অভিমুখে সরল বিমানপথের কালো রেখা আঁকা। মানচিত্রের ডান উপরে একটি কম্পাস এবং নিচে কিলোমিটার স্কেল রয়েছে।
Printed page 123
ক) পূর্বের পৃষ্ঠার মানচিত্র পর্যবেক্ষণ করে নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর লিখি।
| ১. কোন কোন পথ ব্যবহার করে ঢাকা থেকে কক্সবাজার যাওয়া যায়? | |
| ২. ময়মনসিংহ থেকে ভোলা যাওয়ার জন্য যোগাযোগের কোন কোন মাধ্যম ব্যবহার করা যাবে? | |
| ৩. যোগাযোগের কোন কোন মাধ্যম ব্যবহার করে যশোর থেকে ঢাকা যাওয়া যায়? | |
| ৪. কোন কোন পথে সিলেট হতে চট্টগ্রাম যাওয়া যায়? |
Figure
লেবেল: যে স্থান থেকে যাব; যে স্থানে যাব; Dhaka; Chattogram; Add destination; Bangladesh; MEGHALAYA; Kolkata; এই নীল রেখাটি জিপিএস নির্দেশিত পথ; জিপিএস নির্দেশিত পথ; 45 min; 5 hr 10 min; 8 hr 16; 2 days বর্ণনা: বাঁ দিকে গুগল ম্যাপের পথ নির্ণয়ের পর্দা, যেখানে যাত্রার শুরুর স্থান Dhaka এবং গন্তব্য Chattogram লেখা। ডান দিকে বাংলাদেশের মানচিত্রে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত একটি নীল রেখা দেখানো হয়েছে, যা জিপিএস নির্দেশিত পথ।
খ) উপরের ছবিটি পর্যবেক্ষণ করে নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর লিখি।
১) ছবিতে কোন স্থান থেকে যাত্রা শুরু করার কথা বলা হয়েছে?
২) গন্তব্যস্থল কোথায় দেখানো হয়েছে?
Printed page 124
GPS (জিপিএস)-এর পূর্ণরূপ Global Positioning System। এর দ্বারা নিখুঁতভাবে কোনো কিছুর অবস্থান নির্ণয় করা যায়। বর্তমানে মানচিত্রে জিপিএস-এর ব্যবহার নানাবিধ। জিপিএস সিস্টেমে রাস্তাঘাট ছাড়াও পেট্রোল পাম্প, পুলিশ স্টেশন, হোটেল, রেস্টুরেন্ট, পর্যটন স্থান, ডিপার্টমেন্টাল স্টোর ইত্যাদির অবস্থান চিহ্নিত থাকে। বর্তমান অবস্থানের আশপাশে উল্লিখিত কোনো কিছু থাকলে জিপিএস ডিভাইসের ডিসপ্লেতে তা প্রদর্শন করে। গাড়ি, জাহাজ, প্লেন ছাড়াও বড়ো বড়ো শহরের ট্র্যাফিক নিয়ন্ত্রণে এ সিস্টেম ব্যবহার করা হয়। এই প্রযুক্তিতে মোবাইল, ল্যাপটপে Apps ব্যবহার করে নির্দিষ্ট স্থানে নির্ভুলভাবে যাওয়া যায়। নির্দিষ্ট স্থান নির্বাচন করে google map-এর অপশনে গেলে ঐ স্থানে যাওয়ার রাস্তা তীর চিহ্ন দিয়ে নির্দেশ করে। তীর চিহ্ন বরাবর রাস্তা দিয়ে এগিয়ে গেলে প্রত্যাশিত স্থানে পৌঁছা যায়। হেঁটে, গাড়িতে, বাসে, মোটরসাইকেলে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যেতে সম্ভাব্য কত সময় লাগবে জিপিএস সিস্টেমের মাধ্যমে তাও জানা যায়।
গ) উপরের পাঠ্যাংশটুকু পড়ে জিপিএস ব্যবহার করে যোগাযোগের জন্য কী কী তথ্য পাওয়া যায় তা লিখি।
ঘ) চলো জিপিএস ব্যবহার করে শিক্ষকের সহায়তায় এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাওয়ার পথ খুঁজে বের করি।
Printed page 125
Loading the rest of the chapter…
Textbook content © National Curriculum and Textbook Board (NCTB), Bangladesh. Shown for study.
Trusted resources
Official links checked by the Zntext team. Part of the context pack.