Islamic Studies chapter 1: Aqaid and Ibadat
আকাইদ ও ইবাদত
- Islamic Studies
- Textbook pages 1-35
- 1 source
- 49,019 characters of context
Textbook (verbatim transcription): Aqaid and Ibadat
Verbatim transcription of the printed NCTB textbook pages.
Contents45ShowHide
- মহান আল্লাহ ও তার একত্ববাদ
- শিরক
- সালাত
- সালাতের ওয়াজিব
- তাশাহহুদ
- দু‘আ কুনুত
- মুনাজাতের দু‘আ
- সাওম
- সাওমের পরিচয়
- সাওমের প্রকারভেদ
- সাওম ভঙ্গের কারণ
- সাওম পালনরত অবস্থায় করণীয়সমূহ
- সাওমের গুরুত্ব
- জাকাত
- জাকাতের পরিচয়
- জাকাতের নিসাব
- জাকাতের মাসারিফ (খাতসমূহ)
- জাকাত আদায়ের সুফল
- হজ
- হজের পরিচয়
- হজের কাজসমূহ
- কুরবানি
- কুরবানির পরিচয়
- পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত
- তাজবিদ
- মাখরাজ
- গুন্নাহ
- গুন্নাহর প্রকারভেদ
- ১. ওয়াজিব গুন্নাহ
- ২. মিম সাকিন গুন্নাহ
- ৩. নুন সাকিন গুন্নাহ বা তানবিন গুন্নাহ
- মিম সাকিনের বিধান
- নুন সাকিন ও তানবিনের বিধান
- ইকলাব
- ইদগাম
- ইদগামের প্রকারভেদ
- ইযহার
- ইখফা
- অনুশীলনী - ১
- ১. সঠিক উত্তরে টিক চিহ্ন (✓) দাও:
- ২. শূন্যস্থান পূরণ
- ৩. বাম পাশের সাথে ডান পাশ মিলকরণ
- ৪. শুদ্ধ/অশুদ্ধ নির্ণয়
- ৫. সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন
- ৬. বর্ণনামূলক প্রশ্ন
Printed page 1
بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ
প্রথম অধ্যায়
আকাইদ ও ইবাদত
মহান আল্লাহ ও তার একত্ববাদ
আমরা আমাদের চারপাশের সৃষ্টিজগৎকে পর্যবেক্ষণ করি। এবার বলি নিচের কোন কোন সৃষ্টি একই নিয়মে সুশৃঙ্খলভাবে চলে?
| চন্দ্র | সূর্য | পৃথিবী |
|---|---|---|
| দিন | রাত | ঋতু |
| গ্রহ | নক্ষত্র | তারকারাজি |
আমরা নিশ্চয়ই লক্ষ্য করেছি যে, উপরে উল্লিখিত সৃষ্টিগুলো সবই একই নিয়মে চলে। প্রতিদিন পূর্ব দিকে সূর্য ওঠে এবং পশ্চিম দিকে অস্ত যায়। দিনের পর রাত এবং রাতের পরে আবার দিন আসে। ঋতুর ক্ষেত্রে গ্রীষ্মের পরে আসে বর্ষা, তারপর আসে শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বসন্ত। এই ধারাবাহিকতার কোনো ব্যতিক্রম হয় না। তারা সব একই নিয়মে চলে। তাদের জন্য এই নিয়ম কে সৃষ্টি করেছেন? সৃষ্টিজগতের এই শৃঙ্খলার পেছনে কে আছেন?
Figure: চিত্র: মহান আল্লাহর সৃষ্টি প্রকৃতি ও জীবজগৎ
বর্ণনা: সবুজ মাঠ ও গাছপালার মধ্য দিয়ে একটি নদী বয়ে গেছে। বাম দিকে বড়ো গাছের সারির নিচে দুটি হরিণ, ডানে একটি পাহাড়ের গা বেয়ে জলপ্রপাত নামছে। মাঠে কয়েকটি পাখি ও দুটি গরু চরছে, আকাশে কয়েকটি পাখি উড়ছে।
Printed page 2
এসব সৃষ্টি করেছেন মহান আল্লাহ। আমাদের পৃথিবী এই বিশাল বিশ্বজগতের সামান্য অংশমাত্র। বড়ো বড়ো গ্রহ, নক্ষত্র, ছায়াপথ, নীহারিকা, গ্যালাক্সি এ বিশ্বজগতে বিরাজমান। এগুলোর প্রত্যেকটিই সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালিত হচ্ছে। এই শৃঙ্খলার পেছনেও আছেন মহান আল্লাহ। তিনি একাই নিয়ন্ত্রণ করেন এই বিশ্বজগৎ। ফলে এখানে কোনো বিশৃঙ্খলা নেই বরং সবকিছুতে একটা ঐক্য রয়েছে।
আমরা আমাদের চারপাশে নানারকম জিনিস দেখতে পাই। সুন্দর ফুল-ফল, গাছপালা, তরুলতা, পশু-পাখি ইত্যাদি। এছাড়া রয়েছে নদী-নালা, পাহাড়-পর্বত, বন-জঙ্গল, সাগর-মহাসাগর ইত্যাদি। আমরা খালি চোখে দেখতে পাই না এমন অনেক বস্তু ও প্রাণী রয়েছে। এসবকিছু সৃষ্টিজগতের অন্তর্গত। এগুলো সৃষ্টিকর্তা ছাড়া নিজে থেকে সৃষ্টি হয়নি। আমাদের চারপাশে রয়েছে নানারকম পশু-পাখি। কাক আমাদের অতি পরিচিত পাখি। কাক সবসময় কা কা করে ডাকে। সে কখনো কোকিলের মতো ডাকে না। আবার গরু, ছাগল, কুকুর, বিড়াল সবাই নিজ নিজ স্বরে ডাকে। আমরা কি কখনো চিন্তা করেছি, কেন এমন হয়? কেন এক পশু আরেক পশুর স্বরে ডাকে না? কেন এই নিয়ম বা শৃঙ্খলার কোনো ব্যতিক্রম হয় না?
কারণ এসব কিছুর পেছনে রয়েছেন মহান আল্লাহ। তিনিই সবকিছুর সৃষ্টিকর্তা ও নিয়ন্ত্রক। মহাজগতের নিয়ম-শৃঙ্খলা তারই দান। এসব কিছুতে যদি একের বেশি নিয়ন্ত্রক থাকত, তবে নানারকম বিশৃঙ্খলা দেখা দিত। মহান আল্লাহ বলেন–
لَوْ كَانَ فِيْهِمَآ اٰلِهَةٌ اِلَّا اللّٰهُ لَفَسَدَتَا
উচ্চারণ: লাও কানা ফীহিমা আলিহাতুন ইল্লাল্লাহ লাফাছাদাতা।
অর্থ: যদি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে আল্লাহ ব্যতীত বহু ইলাহ (উপাস্য) থাকত তবে উভয়ে (আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী) ধ্বংস হয়ে যেত। (সূরা আল-আম্বিয়া, আয়াত: ২২)
একটু চিন্তা করলে আমরা বিষয়টি বুঝতে পারব। যেমন– মহাজগতের সৃষ্টিকর্তা ও বিধানদাতা যদি একাধিক হতেন, তাহলে একজন চাইতেন সূর্য পূর্বদিকে উঠুক, আরেকজন চাইতেন পশ্চিম দিকে উঠুক। আবার অন্যজন হয়ত চাইতেন দক্ষিণ বা উত্তর দিকে উঠুক। ফলে বিশৃঙ্খলা দেখা দিত। একাধিক নিয়ন্ত্রক থাকলে বিশ্বজগতের সুন্দর সুশৃঙ্খল অবস্থা বিনষ্ট হয়ে যেত। বাস্তবে সেরকম হয় না। এই অবস্থা একথাই প্রমাণ করে যে, বিশ্বজগতের নিয়ন্ত্রক একজনই। আর তিনি হলেন মহান আল্লাহ। তিনি সকল কিছুর স্রষ্টা, নিয়ন্ত্রক ও পালনকর্তা। তার হুকুম ও নিয়মেই সবকিছু পরিচালিত হয়। তিনি এক ও অদ্বিতীয়।
Figure: চিত্র: মহান আল্লাহর সৃষ্টি সুন্দর পৃথিবী
বর্ণনা: মহাকাশ থেকে তোলা পৃথিবীর গোলাকার ছবি। নীল সমুদ্র ও সবুজ-বাদামি স্থলভাগ দেখা যাচ্ছে, উত্তর আমেরিকা ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ দৃশ্যমান, এবং উপরে মেঘের আবরণ রয়েছে।
Printed page 3
মহান আল্লাহ নিজ সত্তা, গুণাবলি ও কর্মে এক ও অদ্বিতীয় -এই বিশ্বাসকে তাওহিদ বলে। তাওহিদ (تَوْحِيْد) আরবি শব্দ। এর অর্থ একত্ববাদ। তাওহিদ ইমানের মূল ভিত্তি। এর তাৎপর্য হলো এরূপ বিশ্বাস করা যে, মহান আল্লাহই একমাত্র উপাস্য। এই বিশ্ব পরিচালনার ক্ষেত্রে তার কোনো অংশীদার বা সমকক্ষ নেই। অন্য কেউ তার মর্যাদায় আসীন হতে পারে না। তিনি সব ক্ষেত্রে পূর্ণতার অধিকারী। মহান আল্লাহ পবিত্র কুরআনে সূরা ইখলাসে তার একত্ববাদের পরিচয়সমূহ বর্ণনা করে বলেন–
قُلْ هُوَ اللّٰهُ اَحَدٌ اَللّٰهُ الصَّمَدُ لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُوْلَدْ وَلَمْ يَكُنْ لَّهٗ كُفُوًا اَحَدٌ
উচ্চারণ: কুল হওয়াল্লাহু আহাদ। আল্লাহুস সামাদ। লাম ইয়ালিদ ওয়ালাম ইউলাদ। ওয়ালাম ইয়াকুল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ।
অর্থ: (হে নবি) আপনি বলুন! তিনিই আল্লাহ এক-অদ্বিতীয়। আল্লাহ কারো মুখাপেক্ষী নন। তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং তাকেও জন্ম দেওয়া হয়নি। আর তার কোনো সমকক্ষও নেই। (সূরা আল-ইখলাছ, আয়াত: ১-৪)
তাওহিদ বা মহান আল্লাহর একত্ববাদে বিশ্বাস আমাদেরকে এক আল্লাহর সৃষ্টি হিসেবে এক হতে শেখায়; মিলেমিশে বসবাস করতে প্রেরণা জোগায়। এক আল্লাহ আমাদের সৃষ্টি করেছেন। একমাত্র তিনিই আমাদের প্রভু। আমরা সবাই একমাত্র তারই উপাসনা করি। এ ধরনের চেতনা আমাদের মধ্যে এক হওয়ার প্রেরণা নিয়ে আসে। ফলে আমরা এক জাতি হিসেবে বসবাস করতে উদ্বুদ্ধ হই। সুতরাং আমরা আল্লাহর একত্ববাদে বিশ্বাস স্থাপন করব। এই চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে একে অন্যের সঙ্গে মিলেমিশে বসবাস করব।
ক) সৃষ্টিজগতের নিয়ম-শৃঙ্খলা পর্যবেক্ষণ করে মহান আল্লাহর তাওহিদ (একত্ববাদ) সম্পর্কে চিন্তা করি। কোন কোন বিষয় দেখে বুঝতে পারি যে, আল্লাহ এক ও অদ্বিতীয়? সেগুলো নিচের তালিকায় লিখি। কাজটি একাকী করি।
| ১. | |
|---|---|
| ২. | |
| ৩. | |
| ৪. | |
| ৫. |
Printed page 4
খ) সূরা আল-ইখলাস -এর আলোকে আল্লাহর তাওহিদের পরিচয়সমূহ চিহ্নিত করে একটি তালিকা তৈরি করি। কাজটি জোড়ায় করি।
| ১. | |
|---|---|
| ২. | |
| ৩. | |
| ৪. | |
| ৫. |
গ) দৈনন্দিন জীবনে আমরা কীভাবে মহান আল্লাহর তাওহিদের চেতনার অনুশীলন করতে পারি সে সম্পর্কে দলে আলোচনা করি। এরপর উপায়গুলো নিচের ছকে লিখি।
| ১. | |
|---|---|
| ২. | |
| ৩. | |
| ৪. | |
| ৫. |
শিরক
আগের পাঠে আমরা আল্লাহর একত্ববাদ বা তাওহিদ সম্পর্কে জেনেছি। তাওহিদের বিপরীত হলো শিরক। এ পাঠে আমরা শিরক সম্পর্কে জানব। শিরক (الشِّرْك) আরবি শব্দ। এর অর্থ অংশীদার করা, একাধিক স্রষ্টা বা উপাস্যে বিশ্বাস করা। মহান আল্লাহর সঙ্গে তার ইবাদতে কাউকে শরিক করা বা তার গুণাবলিতে কাউকে অংশীদার করা হলো শিরক। যেকোনো দিক থেকে কাউকে তার সমতুল্য মনে করাকে শিরক বলে। যে ব্যক্তি শিরক করে তাকে মুশরিক (مُشْرِكٌ) বলা হয়।
শিরক দুই প্রকার। বড়ো শিরক ও ছোটো শিরক। বড়ো শিরক হলো প্রকাশ্যে ও স্পষ্টভাবে মহান আল্লাহর
Printed page 5
সঙ্গো অন্য কারো উপাসনা করা। যেমন– মূর্তিপূজা, মৃত ব্যক্তির কাছে কিছু চাওয়া, কুসংস্কার বা যাদুতে বিশ্বাস করা, ভাগ্য গণনা করা ও ভাগ্য গণনায় বিশ্বাস করা ইত্যাদি। ছোটো শিরক হলো সূক্ষ্মভাবে মহান আল্লাহর সঙ্গো অন্য কাউকে অংশীদার করা। যেমন– রিয়া করা বা লোক দেখানো ইবাদত করা, আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নামে শপথ করা ইত্যাদি।
মহান আল্লাহ আমাদের স্রষ্টা ও প্রতিপালক। তার দেওয়া নিয়ামতই আমরা ভোগ করি। তাই মহান আল্লাহর সঙ্গো কাউকে অংশীদার করা অত্যন্ত গর্হিত কাজ। শিরক অত্যন্ত ঘৃণ্য অপরাধ। পৃথিবীতে যত প্রকারের জুলুম আছে তার মধ্যে সবচেয়ে বড়ো হলো শিরক। মহান আল্লাহ বলেন–
إِنَّ الشِّرْكَ لَظُلْمٌ عَظِيْمٌ
উচ্চারণ: ইন্নাশিরকা লাজুলমুন আজীম।
অর্থ: নিশ্চয়ই শিরক অনেক বড়ো জুলুম (চরম অন্যায়)। (সূরা লুকমান, আয়াত: ১৩)
এই আয়াতে শিরক করাকে বড়ো জুলুম বলা হয়েছে। একজনের অধিকার অন্যকে দিয়ে দেওয়া জুলুম। তাই এই আয়াতের মর্মার্থ হলো, ইবাদত একমাত্র মহান আল্লাহর অধিকার। অথচ শিরককারী মহান আল্লাহর এই অধিকারে অন্যকে অংশীদার বানায়। এ হিসেবে শিরক চরম জুলুম। মহান আল্লাহ তার সঙ্গো শিরক করার অপরাধ ক্ষমা করেন না।
মানব জাতিকে শিরক থেকে রক্ষা করার জন্য মহান আল্লাহ যুগে যুগে অসংখ্য নবি ও রাসুল প্রেরণ করেছেন। পূর্ববর্তী সকল নবি ও রাসুল শিরক পরিহার করার জন্য তাঁদের উম্মতদের নির্দেশ দিয়েছিলেন। মহানবি হজরত মুহাম্মদ (স.) নিজেও শিরক পরিহার করার জন্য আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন। প্রখ্যাত সাহাবি হজরত আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণনা করেন– “মহানবি (স.) বলেছেন, তোমরা ৭টি ধ্বংসকারী বস্তু থেকে বেঁচে থাকো। তাঁরা জানতে চাইলেন, হে আল্লাহর রাসুল! সেগুলো কী? রাসুল (স.) বললেন, আল্লাহর সঙ্গো শিরক করা; জাদু করা; আল্লাহ যাকে হত্যা করা হারাম করেছেন এমন কাউকে হত্যা করা; সুদ খাওয়া; এতিমের সম্পদ ভক্ষণ করা; জিহাদের ময়দান থেকে পলায়ন করা; সচ্চরিত্র, বিশ্বাসী ও সরলমনা নারীর প্রতি অপবাদ আরোপ করা।” (সহিহ বুখারি)
শিরক করার মাধ্যমে মানুষ বহু উপাস্যের উপাসনা করে। তারা নিজ নিজ উপাস্যকে শ্রেষ্ঠ মনে করে। এভাবে তারা বিভিন্ন সম্প্রদায়ে বিভক্ত হয়ে যায়। ফলে তাদের মধ্যে বিভেদ তৈরি হয়। তারা ঝগড়া-বিবাদ, মারামারি ইত্যাদিতে লিপ্ত হয়। এভাবে তারা একে অন্যের ওপর অত্যাচার করে। এ কারণেও শিরক বড়ো জুলুম। শিরকের পরিণতি হয় ভয়াবহ। এতে মানুষের একতা, শান্তি ও স্থিতিশীলতা বিনষ্ট হয়। মহানবি (স.) আমাদেরকে শিরক থেকে মুক্তির জন্য মহান আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইতে বলেছেন এবং নিম্নের দু‘আ পড়তে বলেছেন–
اَللَّهُمَّ اِنِّيْٓ اَعُوْذُبِكَ اَنْ اُشْرِكَ بِكَ وَاَنَا اَعْلَمُ وَاَسْتَغْفِرُكَ لِمَا لَا اَعْلَمُ
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযুবিকা আন উশরিকা বিকা ওয়া আনা আ‘লামু ওয়া আসতাগফিরুকা লিমা লা-আ‘লামু।
Printed page 6
অর্থ: হে আল্লাহ! আমি সজ্ঞানে আপনার সঙ্গো শিরক করা থেকে আপনার কাছে আশ্রয় চাই এবং মনের অজান্তে যদি (শিরক) হয়ে যায়, তার থেকে আপনার কাছে ক্ষমা চাই। (মুসনাদে আহমাদ)
আমরা অবশ্যই শিরক থেকে বেঁচে থাকব। ইচ্ছাকৃতভাবে শিরক হয় এমন কোনো কাজ করব না। ভুলক্রমে শিরক হয়ে গেলে তওবা করে তা থেকে ফিরে আসব এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইব। এভাবে শিরক থেকে বেঁচে আমরা তাওহিদের পথে থাকব। তাহলেই আমরা মহান আল্লাহর প্রিয়পাত্র হতে পারব। আমাদের ইহকাল ও পরকাল কল্যাণকর হবে।
ক) শিরক সম্পর্কে আলোচনা করে শিরক হয় এমন কাজের তালিকা তৈরি করি। কাজটি জোড়ায় করি।
| ১. | |
|---|---|
| ২. | |
| ৩. | |
| ৪. | |
| ৫. |
খ) দৈনন্দিন জীবনে শিরক থেকে বেঁচে থাকার জন্য করণীয় কাজের একটি তালিকা প্রস্তুত করি। কাজটি দলগতভাবে করি।
| ১. | |
|---|---|
| ২. | |
| ৩. | |
| ৪. | |
| ৫. |
Printed page 7
Loading the rest of the chapter…
Textbook content © National Curriculum and Textbook Board (NCTB), Bangladesh. Shown for study.
Trusted resources
Official links checked by the Zntext team. Part of the context pack.