Skip to content

Primary Science chapter 2: Interdependence of Living Things and Environment

জীব ও পরিবেশের পারস্পরিক নির্ভরশীলতা

  • Primary Science
  • Textbook pages 11-21
  • 1 source
  • 16,845 characters of context

Textbook (verbatim transcription): Interdependence of Living Things and Environment

Verbatim transcription of the printed NCTB textbook pages.

Contents26
  1. ১. জড়বস্তুর ওপর জীবের নির্ভরশীলতা
  2. জীব কীভাবে জড়বস্তুর ওপর নির্ভরশীল?
  3. সারসংক্ষেপ
  4. জড়বস্তুর উপর জীবের নির্ভরশীলতা সম্পর্কে আরও কিছু জানি
  5. প্রাণীর নির্ভরশীলতা
  6. উদ্ভিদের নির্ভরশীলতা
  7. ২. উদ্ভিদ ও প্রাণীর পারস্পরিক নির্ভরশীলতা
  8. উদ্ভিদ ও প্রাণী কীভাবে একে অপরের ওপর নির্ভরশীল?
  9. সারসংক্ষেপ
  10. উদ্ভিদ ও প্রাণীর পারস্পরিক নির্ভরশীলতা সম্পর্কে আরও কিছু জানি
  11. ৩. উদ্ভিদ, প্রাণী ও মানুষের পারস্পরিক নির্ভরশীলতা
  12. উদ্ভিদ, প্রাণী ও মানুষ কীভাবে পরস্পর নির্ভরশীল?
  13. সারসংক্ষেপ
  14. উদ্ভিদ, প্রাণী ও মানুষের পারস্পরিক নির্ভরশীলতা সম্পর্কে আরও কিছু জানি
  15. ৪. খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল
  16. খাদ্য গ্রহণের বিবেচনায় প্রাণী ও উদ্ভিদ কীভাবে সম্পর্কযুক্ত?
  17. সারসংক্ষেপ
  18. খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজালের সম্পর্কে আরও কিছু জানি
  19. ৫. শক্তি প্রবাহ
  20. প্রকৃতিতে জীব কোথা থেকে শক্তি পায়?
  21. সারসংক্ষেপ
  22. শক্তি প্রবাহ সম্পর্কে আরও কিছু জানি
  23. ৬. পরিবেশের সকল উপাদানের ভারসাম্য রক্ষার প্রয়োজনীয়তা
  24. পরিবেশের বিভিন্ন উপাদানের ভারসাম্য রক্ষা করা প্রয়োজন কেন?
  25. সারসংক্ষেপ
  26. পরিবেশের উপাদানের ভারসাম্য রক্ষার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে আরও কিছু জানি

Printed page 11

অধ্যায় ২

জীব ও পরিবেশের পারস্পরিক নির্ভরশীলতা

আমরা আগেই জেনেছি পরিবেশের উপাদানগুলো জীব ও জড় এই দুই ভাগে ভাগ করা যায়। মানুষ, পশু-পাখি, গাছপালা এরা হলো জীব। মাটি, পানি, বায়ু, সূর্য, গাড়ি, চেয়ার, টেবিল, খেলনা ইত্যাদি হলো জড়। এদের মধ্যে মাটি, পানি, বায়ু ও সূর্য হলো পরিবেশের মৌলিক জড় উপাদান। জীব ও জড় উপাদানসমূহ পরস্পর সম্পর্কযুক্ত।

১. জড়বস্তুর ওপর জীবের নির্ভরশীলতা

জড়বস্তু ও জীব নিয়ে আমাদের পরিবেশ। পরিবেশে জড় বস্তু বলতে আমরা মাটি, পানি, বায়ু ইত্যাদিকে বুঝি। বেঁচে থাকার জন্য প্রতিটি জীব কোনো না কোনোভাবে এসব জড় বস্তুর ওপর নির্ভরশীল।

জীব কীভাবে জড়বস্তুর ওপর নির্ভরশীল?

কাজ: জড়বস্তুর ওপর জীবের নির্ভরশীলতা খুঁজে বের করা

যা করতে হবে:

১. আমরা বেঁচে থাকার জন্য পরিবেশের যে সকল জড়বস্তুর ওপর নির্ভর করি তাদের নাম নিচের ছকে দেওয়া আছে। এই জড়বস্তুগুলো কী কাজে ব্যবহার হয় তা খুঁজে বের করে নিচের ছক পূরণ করি। উদাহরণ হিসেবে একটির ব্যবহার দেওয়া আছে।

জড়বস্তুকী কাজে ব্যবহার হয়
পানিপান করা, গোসল করা, চাষাবাদ করা
বায়ু
সূর্য
মাটি

২. ছকে আমরা যা লিখেছি তা নিয়ে সহপাঠীর সাথে আলোচনা করি এবং নতুন কোনো ধারণা পেলে তা লিখে রাখি। এ সময় শিক্ষকের সহায়তা নিই।

সারসংক্ষেপ

আমরা সর্বদা জড়বস্তুর ওপর নির্ভরশীল। আমাদের শ্বাসকার্য চালানোর জন্য বায়ুর প্রয়োজন। পানি ছাড়া আমাদের জীবন অচল। মাটি থেকে আমরা খাদ্যশস্য পাই। এছাড়াও আমাদের প্রয়োজনে ঘরবাড়ি,

Printed page 12

আসবাবপত্র, পোশাক, যন্ত্রপাতি ইত্যাদি তৈরিতে জড়বস্তু ব্যবহার করি। এভাবে আমরা বিভিন্ন কাজে প্রতিনিয়ত জড়বস্তুর ওপর নির্ভরশীল। বেঁচে থাকা, বংশবৃদ্ধি এবং প্রকৃতিতে টিকে থাকার জন্য মানুষ জড়বস্তুর ওপর নির্ভরশীল।

জড়বস্তুর উপর জীবের নির্ভরশীলতা সম্পর্কে আরও কিছু জানি

Figure: আমাদের পরিবেশ

বর্ণনা: একটি গ্রামীণ ও নগর জীবনের সংমিশ্রিত পরিবেশের দৃশ্য। আকাশে সূর্য ও মেঘ, উড়ন্ত পাখি এবং উড়োজাহাজ; দূরে পাহাড়; সামনে নদী ও নৌকায় মানুষ; নদীর তীরে গাছপালা, ঘাস, পাকা রাস্তা, দালানকোঠা, একটি গাড়ি এবং রাস্তায় কয়েকজন মানুষ দেখা যাচ্ছে।

প্রাণীর নির্ভরশীলতা

মানুষের মতো অন্যান্য সকল প্রাণী বেঁচে থাকার জন্য বায়ু, মাটি, পানি ইত্যাদি জড়বস্তুর ওপর নির্ভরশীল। মাটি এবং পানি অনেক জীবের বাসস্থান। অনেক পোকামাকড়, কেঁচো, ইঁদুর ইত্যাদি প্রাণী মাটির নিচে বাস করে। মাছ, কুমির, কাছিম ইত্যাদি পানিতে বাস করে। বায়ুতে যে অক্সিজেন রয়েছে প্রাণীরা তা দিয়ে শ্বাসকার্য চালায়।

Figure: মাটির নিচে প্রাণীর বসবাস

বর্ণনা: মাটির নিচে তৈরি গর্ত বা সুড়ঙ্গে বিভিন্ন প্রাণীর বসবাসের দৃশ্য। মাটির অভ্যন্তরে সুড়ঙ্গে একটি ইঁদুর, একটি কেঁচো এবং অন্যান্য ক্ষুদ্র প্রাণী দেখা যাচ্ছে।

উদ্ভিদের নির্ভরশীলতা

প্রাণীদের মতো উদ্ভিদও জড়বস্তুর ওপর নির্ভর করে বেঁচে থাকে। প্রাণীর মতো উদ্ভিদেরও শ্বাসকার্যের জন্য বায়ুর অক্সিজেন প্রয়োজন হয়। উদ্ভিদ সূর্যের আলোর উপস্থিতিতে বায়ুর কার্বন ডাইঅক্সাইড এবং পানি ব্যবহার করে নিজের খাদ্য তৈরি করে। অধিকাংশ সবুজ উদ্ভিদের দেহে (৭০-৯০)% পানি থাকে। মাটিতে উদ্ভিদের জন্য যে পুষ্টি উপাদানগুলো থাকে তা পানির মাধ্যমেই উদ্ভিদের বিভিন্ন অংশে পৌঁছায়। শাপলা, কচুরিপানা, টোপাপানা প্রভৃতি উদ্ভিদের আবাসস্থল হলো পানি।

Printed page 13

২. উদ্ভিদ ও প্রাণীর পারস্পরিক নির্ভরশীলতা

প্রকৃতিতে উদ্ভিদ ও প্রাণী একে অপরের ওপর নির্ভর করে বেঁচে থাকে। তাদের এই পারস্পরিক নির্ভরতা ও প্রকৃতির ভারসাম্য ও সৌন্দর্য রক্ষা করে।

Figure: উদ্ভিদ ও প্রাণীর নির্ভরতা

বর্ণনা: একটি প্রাকৃতিক পরিবেশের দৃশ্য। গাছপালা ও ঘাসে ছাওয়া মাঠে একটি গরু ঘাস খাচ্ছে এবং তার পিঠে একটি পাখি বসে আছে; বামের গাছে পাখির বাসা ও ডানে গাছের ডালে একটি বানর রয়েছে; আকাশে সূর্য ও উড়ন্ত পাখি এবং দূরে ঘাসবনে আরেকটি প্রাণী দেখা যাচ্ছে।

উদ্ভিদ ও প্রাণী কীভাবে একে অপরের ওপর নির্ভরশীল?

কাজ: উদ্ভিদ ও প্রাণীর পারস্পরিক নির্ভরশীলতা খুঁজে বের করা।

যা করতে হবে:

১. উপরের চিত্রটি ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করি।

২. চিত্র অনুযায়ী উদ্ভিদ ও প্রাণীর পারস্পরিক নির্ভরশীলতা সম্পর্কে লেখো।

উদ্ভিদের ওপর প্রাণীর নির্ভরশীলতাপ্রাণীর ওপর উদ্ভিদের নির্ভরশীলতা

সারসংক্ষেপ

উদ্ভিদ ও প্রাণী কেউই স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। পরিবেশে বসবাস এবং বেঁচে থাকার প্রয়োজনীয় উপাদানের চাহিদা পূরণের জন্য তারা একে অপরের ওপর নির্ভরশীল।

Printed page 14

উদ্ভিদ ও প্রাণীর পারস্পরিক নির্ভরশীলতা সম্পর্কে আরও কিছু জানি

পরিবেশে উদ্ভিদ ও প্রাণী একে অন্যের পরিপূরক। প্রাণী শ্বাসক্রিয়ায় যে কার্বন ডাইঅক্সাইড ত্যাগ করে, উদ্ভিদ তা ব্যবহার করে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য তৈরি করে। প্রাণী এই খাদ্য গ্রহণ করে বেঁচে থাকে। উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণে যে অক্সিজেন উৎপন্ন হয় তা প্রাণী শ্বাসগ্রহণের সময় ব্যবহার করে।

Figure: সালোকসংশ্লেষণ

বর্ণনা: একটি টবে লাগানো সবুজ উদ্ভিদের ওপর সূর্যের আলো পড়ার দৃশ্য, যা উদ্ভিদের খাদ্য তৈরির সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া নির্দেশ করে।

Figure: ফুলে পরাগায়ন

বর্ণনা: হলুদ ফুলে ভরা একটি উদ্ভিদের ফুলের ওপর কয়েকটি মৌমাছি বসে আছে এবং কয়েকটি মৌমাছি উড়ছে।

উদ্ভিদ অনেক প্রাণীর আবাসস্থল। যেমন– গাছের ডালে পাখি, বানর, মৌমাছি, পিঁপড়া ইত্যাদি বাস করে। উদ্ভিদের পরাগায়ন ও বীজের বিস্তরণ প্রাণীদের ওপর নির্ভরশীল। মৌমাছি, পাখি, প্রজাপতি ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের প্রাণী ফুলে ফুলে ঘুরে মধু সংগ্রহ করে। এদের মাধ্যমে এক ফুলের পরাগরেণু অন্য ফুলে স্থানান্তরিত হয়ে পরাগায়ন ঘটায়। পরাগায়ন না হলে অধিকাংশ উদ্ভিদের বংশবৃদ্ধি সম্ভব হবে না।

পাখিরা ফল খায়। ফল খাওয়ার সময় পাখির মাধ্যমে প্রকৃতিতে ফলের বীজ ছড়িয়ে পড়ে। এর ফলে বীজের বিস্তরণ ঘটে। কিছু কিছু উদ্ভিদের বীজের সরাসরি অঙ্কুরোদগম হয় না। এসব উদ্ভিদের বীজ পাখি খাওয়ার পর তার মলের মাধ্যমে আবার মাটিতে ফিরে আসে। তারপর সেগুলো থেকে উদ্ভিদের নতুন চারাগাছ জন্ম নেয়। যেমন–বট, পাকুর প্রভৃতি উদ্ভিদ।

বিভিন্ন উদ্ভিদ ও প্রাণীর মৃতদেহ পচে প্রকৃতিতে জড় উপাদানে পরিণত হয়। সবুজ উদ্ভিদ এদেরকে পুষ্টি উপাদান হিসেবে গ্রহণ করে। এভাবে উদ্ভিদ ও প্রাণীর পারস্পরিক নির্ভরশীলতার মাধ্যমে পরিবেশে গতিশীলতা ও ভারসাম্য বজায় থাকে।

Figure: উদ্ভিদ ও প্রাণীর পারস্পরিক নির্ভরশীলতা

লেবেল: অক্সিজেন, কার্বন ডাই অক্সাইড, পুষ্টি বর্ণনা: উদ্ভিদ ও প্রাণীর মধ্যে গ্যাসীয় ও পুষ্টি আদান-প্রদানের চক্রাকার চিত্র। গাছ থেকে গরুর দিকে লাল তীরচিহ্ন দিয়ে 'অক্সিজেন' এবং গরু থেকে গাছের দিকে তীর দিয়ে 'কার্বন ডাই অক্সাইড' নির্দেশ করা হয়েছে। বাঁ দিকে একটি মৃত প্রাণীর দেহাবশেষ থেকে মাটির নিচে গাছের শিকড়ের দিকে তীর দিয়ে 'পুষ্টি' প্রবাহ দেখানো হয়েছে; ভূমির দুটি বাদামি স্তূপ থেকেও মাটির নিচের দিকে একটি তীর রয়েছে।

Printed page 15

৩. উদ্ভিদ, প্রাণী ও মানুষের পারস্পরিক নির্ভরশীলতা

আমরা উদ্ভিদ ও প্রাণী কীভাবে একে অপরের ওপর নির্ভরশীল তা জেনেছি। এখন আমরা উদ্ভিদ ও প্রাণীর ওপর মানুষের নির্ভরশীলতা সম্পর্কে জানব।

উদ্ভিদ, প্রাণী ও মানুষ কীভাবে পরস্পর নির্ভরশীল?

কাজ: উদ্ভিদ, প্রাণী ও মানুষের পারস্পরিক নির্ভরশীলতা খুঁজে বের করা

যা করতে হবে:

১. ধারণাচিত্রটির ফাঁকা স্থানে উদ্ভিদ, প্রাণী ও মানুষের পারস্পরিক নির্ভরশীলতা সম্পর্কে লেখো।

উদ্ভিদের ওপর মানুষের নির্ভরশীলতাপ্রাণীর ওপর মানুষের নির্ভরশীলতামানুষের ওপর উদ্ভিদ ও প্রাণীর নির্ভরশীলতা

সারসংক্ষেপ

বেঁচে থাকার জন্য মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে উদ্ভিদ ও প্রাণীর ওপর নির্ভর করে। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে উদ্ভিদ ও প্রাণীও বংশবৃদ্ধি এবং টিকে থাকার জন্য মানুষের ওপর নির্ভরশীল।

Printed page 16

উদ্ভিদ, প্রাণী ও মানুষের পারস্পরিক নির্ভরশীলতা সম্পর্কে আরও কিছু জানি

উদ্ভিদের ওপর মানুষের নির্ভরশীলতা

আমরা প্রতিদিন যে খাবারগুলো খাই তার অধিকাংশ উদ্ভিদ থেকে আসে। এগুলো হলো ভাত, আটা, ময়দা, ডাল, ফলমূল, শাকসবজি, বীজ ইত্যাদি। উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় যে অক্সিজেন উৎপন্ন করে মানুষ ও অন্যান্য প্রাণী সেই অক্সিজেন গ্রহণ করে বেঁচে থাকে। উদ্ভিদ থেকে অনেক ধরনের ওষুধ তৈরি হয়। মানুষের ঘরবাড়ি আসবাবপত্র তৈরি উদ্ভিদের কাঠ ব্যবহার করা হয়।

প্রাণীর ওপর মানুষের নির্ভরশীলতা

আমাদের প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় যে মাছ, মাংস, দুধ, ডিম থাকে সেগুলো আমরা প্রাণী থেকে পাই। আমাদের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র, যেমন– পোশাক, ব্যাগ, জুতা, চিরুনি ইত্যাদি প্রাণীর চামড়া, পশম ও হাড় থেকে তৈরি হয়। প্রাণীর হাড়ের গুঁড়ো থেকে সার তৈরি হয়। এই সার মানুষ ফসল ফলাতে ব্যবহার করে। এছাড়াও আমরা বাড়িতে গরু, ছাগল, হাঁস, মুরগি ইত্যাদি লালনপালন করি। এগুলো থেকে আমরা যেমন খাদ্য পাই তেমনি অর্থনৈতিকভাবেও লাভবান হই।

Figure: উদ্ভিদ ও প্রাণী থেকে প্রাপ্ত সামগ্রী

বর্ণনা: উদ্ভিদ ও প্রাণী থেকে প্রাপ্ত বিভিন্ন উপকরণের দৃশ্য। একটি গাছ, কাঠের ঘর, কাঠের টেবিল ও চেয়ার, ওষুধের শিশি, বিভিন্ন ধরনের খাবার (ভাত, মাংস, শাকসবজি, ফল) এবং পোশাক দেখানো হয়েছে।

মানুষের ওপর উদ্ভিদ ও প্রাণীর নির্ভরশীলতা

মানুষ প্রাণী ও উদ্ভিদের ওপর নানাভাবে নির্ভরশীল। আবার প্রাণী ও উদ্ভিদ অনেক ক্ষেত্রে মানুষের ওপর নির্ভরশীল। যেমন– মানুষ যখন পশুপালন করে তখন প্রাণীর খাদ্য সরবরাহ করে। বংশবৃদ্ধি ও নিরাপত্তার জন্য আশ্রয়ের ব্যবস্থা করে। সুস্থতার জন্য উন্নত পরিবেশ ও চিকিৎসা নিশ্চিত করে।

মানুষ চাষাবাদের মাধ্যমে উদ্ভিদের ফসল ও বংশবৃদ্ধির জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করে। সার ব্যবহার করে উদ্ভিদের পুষ্টি সরবরাহ করে। রোগ, আগাছা ও প্রতিকূল আবহাওয়া থেকে রক্ষা করে। বনায়নের মাধ্যমে সংখ্যাবৃদ্ধি ও উদ্ভিদ প্রজাতির টিকে থাকা নিশ্চিত করে।

Loading the rest of the chapter…

Textbook content © National Curriculum and Textbook Board (NCTB), Bangladesh. Shown for study.

Trusted resources

Official links checked by the Zntext team. Part of the context pack.