Skip to content

Primary Science chapter 12: Technology in Our Life

আমাদের জীবনে প্রযুক্তি

  • Primary Science
  • Textbook pages 118-128
  • 1 source
  • 18,403 characters of context

Textbook (verbatim transcription): Technology in Our Life

Verbatim transcription of the printed NCTB textbook pages.

Contents15
  1. ১. ক্রমবিকাশমান প্রযুক্তির উন্নয়ন
  2. দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত প্রযুক্তির ক্রমবিকাশকে কীভাবে চিহ্নিত করব?
  3. সারসংক্ষেপ
  4. ক্রমবিকাশমান প্রযুক্তি সম্পর্কে আরও কিছু জানি
  5. ২. ক্রমবিকাশমান প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহার
  6. কীভাবে আমরা বিভিন্ন ধরনের ক্রমবিকাশমান প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহার করতে পারি?
  7. সারসংক্ষেপ
  8. ক্রমবিকাশমান প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহার সম্পর্কে আরও কিছু জানি
  9. ৩. কম্পিউটার পরিচিতি
  10. কম্পিউটারে কী কী অংশ আছে?
  11. কম্পিউটারের বিভিন্ন অংশ সম্পর্কে আরও কিছু জানি
  12. ৪. কম্পিউটারের বিভিন্ন অংশের কাজ
  13. কম্পিউটারের বিভিন্ন অংশের কাজ কী কী?
  14. সারসংক্ষেপ
  15. কম্পিউটারের বিভিন্ন অংশের কাজ সম্পর্কে আরও কিছু জানি

Printed page 118

অধ্যায় ১২

আমাদের জীবনে প্রযুক্তি

দৈনন্দিন জীবনে সকল ক্ষেত্রেই প্রযুক্তির ব্যবহার রয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশে এমন কোনো জায়গা খুঁজে পাওয়া যাবে না, যেখানে প্রযুক্তির ছোঁয়া লাগেনি। এ অধ্যায়ে প্রযুক্তি কীভাবে ক্রমান্বয়ে বিকশিত হচ্ছে তা আমরা জানব।

১. ক্রমবিকাশমান প্রযুক্তির উন্নয়ন

আদিযুগে মানুষ পায়ে হেঁটে বা ঘোড়ায় চড়ে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাতায়াত করত। মূলত চাকা আবিষ্কারের পর থেকে ধীরে ধীরে যাতায়াত ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন এসেছে। যেমন– গরুর গাড়ি, ঠেলাগাড়ি থেকে শুরু করে রিকশা, বাস, রেলগাড়ি, মেট্রোরেল ইত্যাদির ব্যবহার স্থলপথে দেখতে পাই। এছাড়াও আধুনিক যুগের চমকপ্রদ আবিষ্কার হচ্ছে চালকবিহীন গাড়ি, উড়ন্ত গাড়ি ইত্যাদি। এভাবে যোগাযোগ, শিক্ষা, চিকিৎসা, কৃষি, খেলাধুলা ও বিনোদনেও প্রযুক্তির ক্রমবিকাশমান উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রয়েছে।

দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত প্রযুক্তির ক্রমবিকাশকে কীভাবে চিহ্নিত করব?

কাজ: জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত ক্রমবিকাশমান প্রযুক্তির তালিকা তৈরি

যা করতে হবে:

১. নিচে দেখানো ছকের মতো করে খাতায় একটি ছক তৈরি করি।

Figure

লেবেল: শিক্ষায়, চিকিৎসায়, যাতায়াতে, কৃষিতে বর্ণনা: চারটি কলামের প্রবাহচিত্র। প্রতিটি কলামের শীর্ষে যথাক্রমে 'শিক্ষায়', 'চিকিৎসায়', 'যাতায়াতে' এবং 'কৃষিতে' লেখা বাক্স রয়েছে এবং প্রতিটির নিচে তিনটি করে খালি বাক্স নিম্নমুখী তীরচিহ্ন দিয়ে পরস্পর যুক্ত।

২. ক্ষেত্র অনুযায়ী প্রযুক্তির ক্রমবিকাশের তালিকা তৈরি করি। প্রথমে পুরাতন প্রযুক্তি দিয়ে শুরু করি এবং নতুন প্রযুক্তি দিয়ে শেষ করি।

Printed page 119

সারসংক্ষেপ

আমরা যোগাযোগ, শিক্ষা, কৃষি এবং চিকিৎসায় বিভিন্ন ধরনের প্রযুক্তির ক্রমবিকাশ সম্পর্কে জেনেছি। নানাভাবে এসব প্রযুক্তি ব্যবহার করছি। প্রযুক্তির কল্যাণে আমরা আরামদায়ক ও সুন্দর জীবনযাপন করতে পারি। প্রকৃতপক্ষে প্রযুক্তি আমাদের জীবনমানের ব্যাপক পরিবর্তন ঘটিয়েছে।

ক্রমবিকাশমান প্রযুক্তি সম্পর্কে আরও কিছু জানি

যোগাযোগে প্রযুক্তির ক্রমবিকাশ

প্রযুক্তির সবচেয়ে দ্রুত উন্নয়ন হয়েছে যোগাযোগে। এক সময় কবুতর দিয়ে চিঠিপত্র বিনিময় করা হতো। তারপর ডাক ব্যবস্থার প্রথম দিকে ঘোড়া দিয়ে চিঠি ও দলিল পরিবহন করা হতো। আধুনিক কালে টেলিগ্রাফ, ফ্যাক্স ও টেলিফোন ইত্যাদি যোগাযোগ ক্ষেত্রে বিপ্লব বয়ে আনে। এখন বিভিন্ন অত্যাধুনিক প্রযুক্তি যেমন– মোবাইল, ইমেইল, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম (ফেসবুক, মেসেঞ্জার, ইনস্টাগ্রাম, ইমো, হোয়াটসঅ্যাপ ইত্যাদি)-এর সাহায্যে যোগাযোগ করা হয়।

Figure

বর্ণনা: যোগাযোগ প্রযুক্তির ক্রমবিকাশ বোঝাতে পাশাপাশি চারটি ছবি: প্রথমটিতে চিঠি বহনকারী উড়ন্ত কবুতর, দ্বিতীয়টিতে একটি ফ্যাক্স মেশিন, তৃতীয়টিতে দুই হাতে স্মার্টফোন ব্যবহারের দৃশ্য এবং চতুর্থটিতে একটি খোলা ল্যাপটপ কম্পিউটার।

শিক্ষায় প্রযুক্তির ক্রমবিকাশ

কলম, কাগজ ও মুদ্রণযন্ত্র উদ্ভাবন থেকে শুরু করে প্রতিদিনই শিক্ষায় প্রযুক্তির নতুন নতুন উদ্ভাবন যুক্ত হচ্ছে। ক্রমবিকাশ চলে আসছে। যেমন– হোয়াইট বোর্ড, ক্যামেরা, কম্পিউটার, ইন্টারনেট, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর, রোবটিক্স ও স্মার্ট বোর্ড ইত্যাদি। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে না গিয়ে ঘরে বসেও অনলাইনে কাঙ্ক্ষিত জ্ঞান লাভ করা সম্ভব। এটি সম্ভব হয়েছে প্রযুক্তির উন্নয়নের ফলে।

Figure

বর্ণনা: শিক্ষায় প্রযুক্তির ক্রমবিকাশ সম্পর্কিত তিনটি ছবি: প্রথমটিতে মুদ্রণযন্ত্র পরিচালনাকারী একজন ব্যক্তি, দ্বিতীয়টিতে মাল্টিমিডিয়া ও ডিজিটাল প্রযুক্তিনির্ভর শ্রেণিকক্ষের দৃশ্য এবং তৃতীয়টিতে বই হাতে লাইব্রেরির সামনে একটি রোবট।

চিকিৎসায় প্রযুক্তির ক্রমবিকাশ

থার্মোমিটার, স্টেথোস্কোপ থেকে শুরু করে এক্স-রে, আল্ট্রাসনোগ্রাম, ইসিজি, এমআরআই ও সিটিস্ক্যানের মতো প্রযুক্তি চিকিৎসায় ব্যবহার হয়ে আসছে। প্রযুক্তির উন্নয়নে বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ সূক্ষ্ম ও নিখুঁত অস্ত্রোপচার রোবটের মাধ্যমে হচ্ছে। উন্নত বিশ্বে ডাক্তারদের আধুনিক মানের প্রশিক্ষণ প্রদানে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ব্যবহৃত হচ্ছে। রক্ত, ওষুধ, ইঞ্জেকশন, ভ্যাকসিন এবং রক্তের বিভিন্ন পরীক্ষার নমুনার মতো

Printed page 120

জরুরি স্বাস্থ্য সেবা দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছে দিচ্ছে ড্রোন। অর্থাৎ চিকিৎসায় প্রযুক্তির উন্নয়ন আমাদের স্বাস্থ্য সেবাকে করেছে সমৃদ্ধ।

Figure

বর্ণনা: চিকিৎসা প্রযুক্তির তিনটি ছবি: প্রথমটিতে বুকের এক্স-রে ফিল্ম, দ্বিতীয়টিতে সিটি স্ক্যান বা এমআরআই মেশিনে রোগীর পরীক্ষা এবং তৃতীয়টিতে জরুরি চিকিৎসা সামগ্রী বহনকারী একটি ড্রোন।

কৃষিতে প্রযুক্তির ক্রমবিকাশ

লাঙল দিয়ে চাষ করা, কাস্তে দিয়ে ফসল কাটা, ট্রাক্টর দিয়ে জমি চাষ করা, সেচপাম্প দিয়ে জমিতে পানি দেয়া, প্যাডেল থ্রেসার দিয়ে ফসল মাড়াই করার কৃষিযন্ত্র উদ্ভাবন হয়েছে। ফসল উৎপাদন থেকে শুরু করে সংগ্রহ ও সংরক্ষণে কৃষিতে প্রযুক্তি উন্নয়ন লক্ষণীয়। প্রযুক্তির উন্নয়নের ফলে এখন রোবট ব্যবহার করে চারা রোপণ, ফসল সংগ্রহ করা সম্ভব হচ্ছে। ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহার করে মাটি বিশ্লেষণ, কৃষিজমিতে সার, কীটনাশক ছিটানো, শস্য রোপণ ডিজাইন করা সম্ভব হচ্ছে। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে ছাদবাগান, ফসলের রোগ ও পোকামাকড়ের সঠিক তথ্য ও সমাধান সম্পর্কে জানা যায়। জৈব প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিশেষ বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন উদ্ভিদ সৃষ্টি করা যায়। এই প্রযুক্তিগুলো মানুষকে অধিক পুষ্টিসমৃদ্ধ, পোকামাকড় প্রতিরোধী, উচ্চ ফলনশীল উদ্ভিদ উৎপাদনে সহায়তা করছে।

Figure

বর্ণনা: কৃষিতে প্রযুক্তির তিনটি ছবি: প্রথমটিতে মাঠে ট্রাক্টর চালনার দৃশ্য, দ্বিতীয়টিতে জমিতে দাঁড়িয়ে ট্যাবলেটের মাধ্যমে তথ্য পর্যবেক্ষণের দৃশ্য এবং তৃতীয়টিতে রিমোট কন্ট্রোল দিয়ে ড্রোনের সাহায্যে ফসলের খেতে ওষুধ ছিটানোর দৃশ্য।

বিনোদনে প্রযুক্তির ক্রমবিকাশ

এক সময় খেলাধুলার প্রচার ও বিনোদনে মাধ্যম ছিল রেডিয়ো। টেলিভিশন আবিষ্কারের পরে আমরা খেলা বা অনুষ্ঠান দেখার সুযোগ পেয়েছি। স্যাটেলাইট প্রযুক্তির কল্যাণে আজ দূরের সকল খেলা এবং যেকোনো অনুষ্ঠান ঘরে বসে টেলিভিশন, কম্পিউটার ও মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সরাসরি উপভোগ করতে পারছি। মূলত প্রযুক্তির ক্রমবিকাশের কারণেই আমরা এসব সুবিধা ভোগ করছি।

Figure

বর্ণনা: বিনোদন প্রযুক্তির তিনটি ছবি: প্রথমটিতে এন্টেনাসহ একটি অ্যানালগ রেডিয়ো, দ্বিতীয়টিতে ফুটবল খেলা সম্প্রচারিত একটি টেলিভিশন এবং তৃতীয়টিতে মহাকাশে সৌর প্যানেলযুক্ত একটি কৃত্রিম উপগ্রহ।

Printed page 121

২. ক্রমবিকাশমান প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহার

দৈনন্দিন জীবনে আমরা প্রযুক্তির ব্যবহার ছাড়া এক মুহূর্ত চলতে পারি না। বিভিন্ন ধরনের ক্রমবিকাশমান প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহার সম্পর্কে জানা আমাদের অতীব প্রয়োজন।

কীভাবে আমরা বিভিন্ন ধরনের ক্রমবিকাশমান প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহার করতে পারি?

কাজ: ক্রমবিকাশমান প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহারের উপায়।

যা করতে হবে:

১. আমরা যেসব প্রযুক্তি ব্যবহার করি, সেগুলো নিরাপদভাবে ব্যবহার করার উপায়গুলো চিন্তা করি। উপায়গুলো নিচের ধারণাচিত্রে লেখো।

Figure

লেবেল: ক্রমবিকাশমান প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহার বর্ণনা: একটি ধারণাচিত্র। মাঝের আয়তাকার বাক্সে লেখা 'ক্রমবিকাশমান প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহার'। এই কেন্দ্রীয় বাক্সটির চারপাশের আটটি ফাঁকা আয়তাকার বাক্সের সাথে সংযোগ রেখা টানা রয়েছে।

সারসংক্ষেপ

প্রযুক্তির ব্যবহার আমাদের জীবনকে সহজ করলেও এগুলোর যথেচ্ছ ব্যবহার আমাদের জীবনে দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে। তাই প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহার করতে হবে।

ক্রমবিকাশমান প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহার সম্পর্কে আরও কিছু জানি

ক্রমবিকাশমান প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহার আমাদের জানা প্রয়োজন। প্রত্যেকটি প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহারের জন্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের দেওয়া ব্যবহারবিধি ভালোভাবে জানতে হবে।

রোবট

রোবট হলো এমন একটি মেশিন বা যন্ত্র, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারে। যে কাজ সাধারণত মানুষের কাছে কঠিন, সময় ও শ্রম সাপেক্ষ কাজে রোবট ব্যবহার করা হয়। রোবট শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রদানে, বাসা সাজানোর কাজে, সামরিক বাহিনীতে, চিকিৎসার ক্ষেত্রে, কৃষিক্ষেত্রে, কলকারখানায়, অফিস, সংস্কৃতি ও বিনোদনে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

Printed page 122

রোবটের নিরাপদ ব্যবহারে–

  • যে কাজের জন্য রোবটটি তৈরি করা হয়, সে কাজেই যেন ব্যবহার করা হয়।
  • রোবট পরিচালনাকারীকে উপযুক্ত প্রশিক্ষণ নিতে হবে।
  • রোবটের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করতে হবে, যাতে তা সব সময় সচল ও নিরাপদ থাকে।
  • রোবট ব্যবহারের আগে তা পরীক্ষা ও যাচাই করে দেখা উচিত, যেন কোনো ত্রুটি না থাকে।

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (Artificial Intelligence)

আমরা অনলাইনে মোবাইল ফোন ও কম্পিউটারে যে সমস্ত কার্টুন বা ভিডিয়ো বেশি দেখি, পরবর্তী সময়ে আবার সে ডিভাইসগুলো চালু করার সাথে সাথে সে-জাতীয় কার্টুন বা ভিডিয়ো কেন আমার সামনে আসে? চিন্তা করে দেখি। এটা সম্ভব হয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের কারণে। বর্তমানে প্রযুক্তির ক্রমবিকাশের চূড়ান্ত পর্যায় হলো আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) প্রযুক্তি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি আজকাল– কৃষি, শিক্ষা, চিকিৎসা, বিনোদনসহ প্রায় সকল ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। এআই বা Artificial Intelligence-এর নিরাপদ ব্যবহারে–

  • এআই সিস্টেমে সঠিক এবং সত্য তথ্য ব্যবহার করতে হবে।
  • সম্পূর্ণ অনুমতি না থাকলে, কোনো ব্যক্তিগত তথ্য এআই সিস্টেমে ব্যবহার করা উচিত নয়।
  • এআই ব্যবহারকারীকে সঠিকভাবে এটি ব্যবহারের প্রশিক্ষণ নিতে হবে।

ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR–Virtual Reality)

প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয় কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্রেককারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বা কল্পবাস্তবতা বলে। ভার্চুয়াল রিয়েলিটির মাধ্যমে শিক্ষা, চিকিৎসা, যোগাযোগ, প্রশিক্ষণ, বিনোদন ইত্যাদির অবাস্তব ক্ষেত্রকে বাস্তবের ন্যায় ত্রিমাত্রিকভাবে দেখানো যায়। ভার্চুয়াল রিয়েলিটির নিরাপদ ব্যবহারে–

  • ভিআর ডিভাইস ব্যবহারের পূর্বে তার নির্দেশিকা ও সতর্কতা সম্পর্কে জানতে হবে।
  • মানসিক চাপ সৃষ্টি হয় এমন বিষয়বস্তু এড়িয়ে চলতে হবে, প্রয়োজনে বিরতি নিয়ে দেখতে হবে।

Figure

বর্ণনা: ভার্চুয়াল রিয়েলিটির দৃশ্য; চোখে ভিআর হেডসেট পরা একজন তরুণী হাত বাড়িয়ে ভার্চুয়াল পর্দায় ভেসে থাকা ত্রিমাত্রিক সৌরজগৎ স্পর্শ করার অনুভূতি লাভ করছে।

Printed page 123

  • মোশন সিকনেস বা গতি-অসুস্থতা যেমন– মাথাব্যথা বা চোখের ক্লান্তি বোধ হলে ৩০-৬০ মিনিট বিরতি নিতে হবে।
  • চোখে বিশেষ কন্টাক্ট লেন্স বা 3D চশমা পরতে হবে।

অটোমেশন

আমরা বাস্তবে বা ভিডিওতে দেখতে পাই বিদ্যালয়ের পানির ট্যাংকটি ভরার সাথে সাথে মোটরটি বন্ধ হয়ে যায়। আবার পানি শেষ হওয়ার সাথে সাথে মোটরটি চালু হয়। অন্যদিকে হাতের স্পর্শ ছাড়া খাদ্য বা ওষুধ তৈরি হয়। এই যে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ হয় এটিই হলো অটোমেশন। বর্তমান যুগে সকল শিল্পকারখানায় উৎপাদনে অটোমেশন ব্যবহার করা হয়। অটোমেশনের নিরাপদ ব্যবহারে–

  • সিস্টেমটি সঠিকভাবে কার্যকর আছে কি না তা নিয়মিত পরীক্ষা করতে হবে।
  • ব্যবহারকারীকে প্রশিক্ষিত হতে হবে এবং অটোমেশন ব্যবহারে সচেতন হতে হবে।

ড্রোন

ড্রোন হলো এক ধরনের উড়ন্ত রোবট, যা মানুষ দূর থেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। ড্রোন তৈরির প্রধান উদ্দেশ্য হলো মানুষের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ কাজগুলোকে সহজ করা। ড্রোনের নিরাপদ ব্যবহারে–

  • ড্রোন চালানোর জন্য নিরাপত্তা এবং ব্যবহারের বিধিনিষেধ অবশ্যই জানা দরকার।
  • ড্রোন চালানোর সময় এটিকে সর্বদা নজরদারিতে রাখতে হবে।
  • একটি ড্রোনের আশপাশে অন্য কোনো ড্রোন চালানো যাবে না।
  • ড্রোন ব্যবহারকারীকে সঠিকভাবে ড্রোন ব্যবহারের প্রশিক্ষণ নিতে হবে।

প্রত্যেকটা কম্পিউটার বা নেটওয়ার্কেরই নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকে, কেউ যেন সেই নিরাপত্তার দেয়াল ভেঙে ঢুকতে না পারে সেজন্য নিরাপদ ব্যবহার জানা জরুরি।

Loading the rest of the chapter…

Textbook content © National Curriculum and Textbook Board (NCTB), Bangladesh. Shown for study.

Trusted resources

Official links checked by the Zntext team. Part of the context pack.