১.১ অনুধাবন পরীক্ষা
অনুচ্ছেদটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
১. দিনের বেলা সোনার থালার মতো সূর্য তার কিরণ ছড়ায় চারপাশে। এমন সময়ে সচরাচর আকাশ নীল থাকে। কখনো সাদা বা কালো মেঘে ঢেকে যায়। ভোরে বা সন্ধ্যায় আকাশের কোনো কোনো অংশে নামে রঙের বন্যা। কখনোবা সারা আকাশ ভেসে যায় লাল আলোয়। রাতের আকাশ সচরাচর কালো হয়, কিন্তু সেই কালো চাঁদোয়ার গায়ে জ্বলতে থাকে রুপালি চাঁদ আর অসংখ্য ঝকঝকে তারা ও গ্রহ।
ক. দিনের বেলা আকাশের রং কেমন থাকে?
খ. রাতের বেলা আকাশে চাঁদ ও তারা দেখা যায় কেন?
গ. দিন ও রাতে আকাশে রঙের যে পার্থক্য দেখা যায় তা লেখ।
ঘ. তোমার দেখা আকাশের সঙ্গে অনুচ্ছেদের আকাশের মিল কোথায়?
ঙ. খালি চোখে দেখা আকাশ আর অনুচ্ছেদে বর্ণিত আকাশ কি একই? ব্যাখ্যা করো।
অনুচ্ছেদটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
২. কলকাতার এক নোংরা বস্তিতে মাদার তেরেসা প্রথম স্কুল খুললেন। বেঞ্চ-টেবিল কিছু নেই, মাটিতে দাগ কেটে শিশুদের শেখাতে লাগলেন বর্ণমালা। অসুস্থদের সেবার জন্য খুললেন চিকিৎসাকেন্দ্র। ধীরে-ধীরে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন অনেক মানুষ। মাদার তেরেসার কাজের পরিধি ক্রমাগত বেড়ে চলল। তাঁর সঙ্গে যোগ দিলেন আরও অনেকে। তাঁদের নিয়ে তিনি গড়লেন মানবসেবার সংঘ 'মিশনারিজ অভ চ্যারিটি'।
ক. মাদার তেরেসার গঠিত সংঘটির নাম কী?
খ. মাদার তেরেসাকে কেন মানুষ সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিল?
গ. মাদার তেরেসা কীভাবে মানবসেবায় এগিয়ে আসলেন? সংক্ষেপে বুঝিয়ে দাও।
ঘ. 'মানবসেবার জন্য অর্থের দরকার নাই, দরকার সদিচ্ছা'– উক্তিটি বুঝিয়ে দাও।
ঙ. মাদার তেরেসার এই কাজ কী নামে অভিহিত করা যায়?