Skip to content

Bangla Grammar and Composition chapter 14: Essay Writing

৬. প্রবন্ধ রচনা

  • Bangla Grammar and Composition
  • Textbook pages 84-104
  • 1 source
  • 40,880 characters of context

Textbook (verbatim transcription): Essay Writing

Verbatim transcription of the printed NCTB textbook pages.

Contents85
  1. প্রবন্ধ রচনার কৌশল
  2. প্রবন্ধ রচনায় দক্ষতা অর্জনের উপায়
  3. ৬.১ আমাদের বিদ্যালয়
  4. ভূমিকা
  5. প্রতিষ্ঠা
  6. অবস্থান
  7. বিদ্যালয়ের পরিবেশ
  8. শিক্ষার্থী
  9. শিক্ষক
  10. লেখাপড়ার পদ্ধতি
  11. গবেষণাগার
  12. পাঠ্যক্রম-অতিরিক্ত বিষয়ের চর্চা
  13. অনুষ্ঠানাদি
  14. খেলাধুলা
  15. পরীক্ষার ফল
  16. নিজস্ব বৈশিষ্ট্য
  17. উপসংহার
  18. ৬.২ আমার প্রিয় খেলা
  19. ভূমিকা
  20. ক্রিকেটের জন্ম
  21. প্রকারভেদ
  22. উপকরণ
  23. মাঠের আকৃতি
  24. নিয়ম-কানুন
  25. ক্রিকেট খেলার আনন্দ
  26. উপকারিতা
  27. সতর্কতা
  28. উপসংহার
  29. ৬.৩ জাতীয় ফুল শাপলা
  30. সূচনা
  31. প্রাপ্তিস্থান
  32. জাতীয় জীবনে ব্যবহার
  33. প্রকারভেদ
  34. পরিচয়
  35. সৌন্দর্য
  36. উপকারিতা
  37. উপসংহার
  38. ৬.৪ বর্ষাকাল
  39. ৬.৫ জাতীয় ফল কাঁঠাল
  40. সূচনা
  41. আকার-আকৃতি
  42. প্রাপ্তিস্থান
  43. ব্যবহার্য অংশ
  44. চাষপদ্ধতি
  45. উপসংহার
  46. ৬.৬ আমার দেখা নদী
  47. ৬.৭ জাতীয় বৃক্ষ আমগাছ
  48. ভূমিকা
  49. পরিচয়
  50. আমগাছের চাষ
  51. উপকারিতা
  52. আম গবেষণা কেন্দ্র
  53. উপসংহার
  54. ৬.৮ সত্যবাদিতা
  55. ৬.৯ বাংলাদেশের জাতীয় পশু বাঘ
  56. ভূমিকা
  57. আকৃতি
  58. স্বভাব
  59. উপসংহার
  60. ৬.১০ আমাদের গ্রাম
  61. ভূমিকা
  62. নাম ও অবস্থান
  63. লোকসংখ্যা
  64. পোশাক-পরিচ্ছদ
  65. পেশা
  66. ঘরবাড়ি
  67. উৎপন্ন দ্রব্য
  68. শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
  69. বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান
  70. হাটবাজার ও দোকানপাট
  71. যোগাযোগ ব্যবস্থা
  72. প্রাকৃতিক সৌন্দর্য
  73. সামাজিক অবস্থা
  74. উপসংহার
  75. ৬.১১ জাতীয় পাখি দোয়েল
  76. ভূমিকা
  77. আকৃতি
  78. খাদ্য ও বাসস্থান
  79. প্রকৃতি
  80. বিশেষত্ব
  81. কেন জাতীয় পাখি
  82. উপসংহার
  83. ৬.১২ আমার পড়া একটি বইয়ের গল্প
  84. নমুনা প্রশ্ন
  85. সমাপ্ত

Printed page 84

৬. প্রবন্ধ রচনা

প্রবন্ধ হলো প্রকৃষ্টরূপে বন্ধনযুক্ত রচনা। বিস্তারিত বলতে গেলে নির্দিষ্ট বিষয়বস্তুকে অবলম্বন করে মেধা ও কল্পনাশক্তিকে কাজে লাগিয়ে একজন লেখকের চিন্তার ধারাবাহিক গদ্য উপস্থাপনাকে প্রবন্ধ বলে। অন্যান্য রচনা যেমন— কবিতা, গল্প, উপন্যাস, নাটক ইত্যাদির সঙ্গে প্রবন্ধ লেখার রীতি ও কৌশলের পার্থক্য রয়েছে। কবির একান্ত অনুভূতিই কবিতায় প্রকাশ পায়। গল্প হলো মানবজীবনের নির্বাচিত ঘটনার আখ্যান বা কাহিনি। উপন্যাসের পরিসর বড়। সেখানে লেখক গল্পকারের তুলনায় বেশি স্বাধীন। উপন্যাসে সমগ্র জীবন ফুটে ওঠে। নাটকে কেবলই থাকে সংলাপ। বিবরণ বা বর্ণনার সেখানে তেমন স্থান নেই। কিন্তু প্রবন্ধকে হতে হয় যুক্তি ও তথ্যনির্ভর। কাদের জন্য প্রবন্ধ লেখা হচ্ছে সেটা মনে রাখতে হয়। কোন বিষয়ে প্রবন্ধ লেখা হচ্ছে তাও গুরুত্বপূর্ণ। প্রবন্ধ রচয়িতার মেধা, জ্ঞান, প্রকাশক্ষমতা প্রবন্ধের গুণগত মান বাড়িয়ে দেয়। প্রবন্ধের ভাষা স্থির করা হয় প্রবন্ধের বিষয় অনুসারে। বিজ্ঞানের কোনো বিষয়ে প্রবন্ধ লিখতে গেলে তাতে বিজ্ঞানের পরিভাষা ব্যবহার করতে হবে। সকল বয়সের পাঠকের জন্য একই ভাষায় প্রবন্ধ লেখা যায় না। শিশুরা যে ভাষা বুঝবে, তাদের জন্য প্রবন্ধ সেভাবে লিখতে হবে। বিষয় অনুসারে প্রবন্ধের শ্রেণিবিভাগ করা হয়। বিজ্ঞানের বিষয়কে আশ্রয় করে রচিত প্রবন্ধকে আমরা বলি বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ। সমাজের সমস্যা, সংকট, অবস্থা যেসব প্রবন্ধের মূল বিষয়, সেগুলোকে বলা হয় সামাজিক প্রবন্ধ। সাহিত্যকর্মের গুণাগুণ বিশ্লেষণ করে যেসব প্রবন্ধ রচিত হয়, সেগুলোকে বলে সমালোচনামূলক প্রবন্ধ। লেখকের অনুভূতিই যখন প্রবন্ধের আকারে তুলে ধরা হয়, তখন তাকে বলে অনুভূতিনির্ভর প্রবন্ধ। এ ছাড়াও প্রবন্ধের আরও শ্রেণি নির্দেশ করা যায়।

প্রবন্ধ রচনার কৌশল

প্রবন্ধের প্রধানত তিনটি অংশ থাকে– (ক) ভূমিকা (খ) মূল অংশ (গ) উপসংহার।

ক) ভূমিকা: যে বিষয়ে প্রবন্ধ লেখা হয় সে বিষয়ে শুরুতেই সংক্ষেপে প্রথম অনুচ্ছেদে একটি ধারণা দেওয়া হয়। এটিই হলো ভূমিকা। এ অংশ হতে হবে বিষয় অনুযায়ী, আকর্ষণীয় ও সংক্ষিপ্ত।

খ) মূল অংশ: প্রবন্ধের মধ্যভাগ হলো মূল অংশ। এখানে প্রবন্ধের মূল বক্তব্য পরিবেশিত হয়। বিষয় অনুসারে এ অংশ বিভিন্ন অনুচ্ছেদে বিভক্ত হতে পারে। প্রতিটি অনুচ্ছেদ যেন মূল প্রবন্ধের সঙ্গে সম্পর্কিত হয়, সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে। এ অংশে কোনো উদ্ধৃতি ব্যবহার করা হলে তা যাতে কোনোভাবেই বিকৃত না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে অর্থাৎ মূল রচনায়, যেভাবে আছে সেভাবেই তা ব্যবহার করতে হবে।

গ) উপসংহার: অল্প কথায় সমাপ্তিসূচক ভাব প্রকাশ করাই উপসংহার। ব্যক্তিগত মত ও সমস্যা সমাধানের প্রত্যাশা এ অংশে প্রকাশ করা যেতে পারে।

প্রবন্ধ রচনায় দক্ষতা অর্জনের উপায়

প্রবন্ধ রচনায় দক্ষতা অর্জনএকদিনে হয় না। কিন্তু তা সাধ্যের অতীত কোনো বিষয়ও নয়। এজন্য করণীয় হলো–
১. প্রথমে প্রবন্ধের বিষয়বস্তু সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা লাভ করা।
২. দক্ষতা অর্জনের জন্য প্রবন্ধ পড়া। পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত প্রবন্ধ, সংবাদ, প্রতিবেদন, ভাষণ ইত্যাদি নিয়মিত পাঠ করলে নানা প্রসঙ্গে বিষয়গত ধারণা লাভ করা যায়।

Printed page 85

৩. প্রবন্ধের বক্তব্য তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তুলে ধরতে হবে।
৪. প্রবন্ধ রচনার ভাষা হবে সহজ ও সরল।
৫. প্রবন্ধে কোনো অপ্রয়োজনীয় বিষয় থাকবে না এবং একই কথার পুনরাবৃত্তি ঘটানো যাবে না।
৬. প্রবন্ধে উদ্ধৃতি, উক্তি বা প্রবাদ-প্রবচন ব্যবহার করা যাবে, কিন্তু এসবের ব্যবহার যেন অতিরিক্ত পর্যায়ে না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
৭. প্রবন্ধ যাতে অতিরিক্ত দীর্ঘ না হয় সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে।

৬.১ আমাদের বিদ্যালয়

ভূমিকা

শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড। আর শিক্ষালাভের জন্য চাই আদর্শ বিদ্যাপীঠ। এক সময় শিক্ষা ছিল আশ্রমকেন্দ্রিক। শিক্ষার্থী সেই সময় আশ্রমে থেকেই গুরুর কাছ থেকে শিক্ষা লাভ করত। আদর্শ বিদ্যালয় এক-একটি আশ্রমবিশেষ। এমনই একটি আশ্রম আমার বিদ্যালয়। এ বিদ্যালয়ের নাম স্বপ্নিল উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়।

প্রতিষ্ঠা

স্বপ্নিল উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ১৯৬৮ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত। তৃতীয় থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত এ বিদ্যালয়ে পাঠদান করা হয়। বিদ্যালয়টি ঢাকা বোর্ডের শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ হিসেবে বেশ কয়েকবার স্বীকৃতি লাভ করেছে।

Figure: আমাদের বিদ্যালয়

অবস্থান

ঢাকা মহানগরীর কেন্দ্রবিন্দুতে, জাতীয় সংসদ ভবনের পশ্চিম পাশে মনোরম পরিবেশে আমাদের বিদ্যালয় অবস্থিত। এর উত্তর পাশে একটি ব্যস্ত রাস্তা। বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়ার জন্য ভালো ব্যবস্থা রয়েছে। মহানগরীর যেকোনো এলাকা থেকে বিদ্যালয়ে সহজেই আসা যায়।

বিদ্যালয়ের পরিবেশ

বিদ্যালয়ে বিভিন্ন ধরনের গাছ রয়েছে। বিশাল প্রাঙ্গণে দুটি দীর্ঘকায় চারতলা ভবন। তৃতীয় থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত তিনটি করে শাখা এবং একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে সাতটি করে শাখা রয়েছে। প্রতি শাখার জন্যই রয়েছে আলাদা ও পরিপাটি শ্রেণিকক্ষ। অধ্যক্ষ ও দুজন উপাধ্যক্ষের নিজস্ব মনোরম কক্ষ রয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন অংশে বিভক্ত একটি বড় অফিসরুম আছে। নব্বই জন শিক্ষকের জন্য রয়েছে তিনটি সুন্দর কক্ষ। একটি বড় পাঠাগার আছে। সেখানে বিভিন্ন ধরনের বই রয়েছে। বিদ্যালয় ভবনের সামনে আছে বিশাল মাঠ।

Printed page 86

শিক্ষার্থী

আমাদের বিদ্যালয়ে প্রতিটি শ্রেণিতে তিনটি করে শাখা। প্রতি শাখায় পঞ্চান্ন জন করে শিক্ষার্থী। তৃতীয় থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত মোট শিক্ষার্থী সংখ্যা তেরোশ পঞ্চাশ এবং কলেজ শাখার শিক্ষার্থী সংখ্যা এক হাজার চারশ। সকালে সব শিক্ষার্থী যখন জাতীয় সংগীত পরিবেশনের জন্য একসঙ্গে দাঁড়াই, তখন মনে হয় এ যেন শিক্ষার্থীদের এক বিশাল মিলনমেলা।

শিক্ষক

আমাদের অধ্যক্ষ একজন ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষ। আমাদের দুজন উপাধ্যক্ষ আছেন। প্রিয় শিক্ষকবৃন্দ আমাদেরকে সন্তানের মতো স্নেহ করেন এবং আলোকিত মানুষ হবার শিক্ষা দেন। আমরা তাঁদের গভীরভাবে শ্রদ্ধা করি।

লেখাপড়ার পদ্ধতি

সপ্তাহে ছয় দিন আমাদের বিদ্যালয় খোলা থাকে। শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন। প্রতিদিন আমাদের ছয়টি ক্লাস হয়। প্রতি সপ্তাহে রবি, মঙ্গল ও বৃহস্পতিবার, আগের সপ্তাহে পড়ানো হয়েছে এমন সব বিষয়ে পরীক্ষা দিতে হয়। এ ছাড়াও বছরে তিনটি পরীক্ষা হয়। সাপ্তাহিক টেস্টের ৪০% এবং ত্রৈমাসিক, ষাণ্মাসিক ও বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে চূড়ান্ত ফলাফল তৈরি করা হয়। পরীক্ষার কারণে আমাদের পড়ালেখার টেবিল থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার উপায় থাকে না।

গবেষণাগার

বিজ্ঞানের বিষয়গুলোর ব্যবহারিক ক্লাসের জন্য পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, গণিত, জীববিজ্ঞান গবেষণাগার এবং কম্পিউটার ল্যাব রয়েছে।

পাঠ্যক্রম-অতিরিক্ত বিষয়ের চর্চা

আমাদের বিদ্যালয়ে নানারকম ক্লাব আছে। যেমন– নাট্যদল, সাংস্কৃতিক সংগঠন, বিতর্ক ক্লাব, দাবা ক্লাব, সায়েন্স ক্লাব, সংগীতদল, পাঠচক্র ও শরীরচর্চা ক্লাব।

অনুষ্ঠানাদি

ক্লাবগুলো সারা বছর বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের আয়োজন করে থাকে। এসব অনুষ্ঠানে দেশ-বিদেশের বিখ্যাত ব্যক্তিবর্গ আসেন। তাঁদের সঙ্গে পরিচিত হবার সুযোগ যেমন আমরা পাই, তেমনি তাঁদের কাছ থেকে নতুন নতুন তথ্যও জানতে পারি।

খেলাধুলা

আমাদের বিদ্যালয়ের খেলার মাঠটি অনেক বড়। মাঠে নিয়মিত খেলাধুলা হয়। প্রতিদিন বিকেলে মৌসুম অনুযায়ী ফুটবল, ক্রিকেট, ভলিবল, বাস্কেটবল, হ্যান্ডবল ও ব্যাডমিন্টন খেলা হয়। আমাদের বিদ্যালয়ে ফুটবল, ক্রিকেট ও বাস্কেটবল টিম আছে। বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে আমরা অনেক পুরস্কার অর্জন করেছি।

Printed page 87

পরীক্ষার ফল

প্রতিবছরই আমাদের বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় ভালো ফল অর্জন করে। পিএসসি, জেএসসি, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফল সবার দৃষ্টি কাড়ে। মাধ্যমিক ও উচ্চ-মাধ্যমিক পরীক্ষায় আমাদের বিদ্যালয় প্রতিবছরই সেরা দশে থাকে।

নিজস্ব বৈশিষ্ট্য

পরীক্ষার ভালো ফলাফল এবং ক্লাবের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের জন্য শিক্ষাঙ্গনে আমাদের বিদ্যালয়ের সুনাম রয়েছে। আমাদের বিদ্যালয়ের শিক্ষাপদ্ধতি ও নিয়ম-শৃঙ্খলা অন্য সব প্রতিষ্ঠান থেকে আলাদা ও উন্নত।

উপসংহার

একটি আদর্শ বিদ্যালয় বলতে যা বোঝায়, আমাদের বিদ্যালয় তা-ই। মনোরম পরিবেশ, জ্ঞানী-গুণী শিক্ষক আর সেরা ফলাফলের জন্য আমাদের বিদ্যালয় অতুলনীয়। এ প্রতিষ্ঠানের একজন শিক্ষার্থী হতে পেরে আমি নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করি। আমাদের বিদ্যালয় সব সময় দেশের সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হোক– এ আমার প্রত্যাশা।

Printed page 88

৬.২ আমার প্রিয় খেলা

ভূমিকা

বর্তমান বিশ্বের জনপ্রিয় ও অভিজাত খেলা ক্রিকেট। ক্রিকেটকে খেলার রাজাও বলা হয়। রেকর্ড ভাঙা এবং রেকর্ড গড়ার খেলা ক্রিকেট। ক্রিকেট নিয়ে সমগ্র বিশ্বে এখন উত্তেজনা। ক্রিকেটের জনপ্রিয়তা প্রতিদিন বাড়ছে। সে কারণে আমার প্রিয় খেলা ক্রিকেট।

Figure: ক্রিকেট খেলার একটি দৃশ্য

ক্রিকেটের জন্ম

কবে প্রথম ক্রিকেট খেলা শুরু হয়, তা সুনির্দিষ্টভাবে জানা যায় না। তবে মনে করা হয়, ত্রয়োদশ শতক থেকে ইংল্যান্ডে প্রথম ক্রিকেট খেলা শুরু হয়। হ্যাম্পসায়ারের অন্তর্গত হ্যাম্পারডন নামক স্থানে প্রথম ক্রিকেট দল গড়ে ওঠে। পরে তা সমগ্র ব্রিটেন এবং সকল ব্রিটিশ উপনিবেশে ছড়িয়ে পড়ে। ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড, জিম্বাবুয়ে, আয়ারল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, ভারত, বাংলাদেশসহ অনেক দেশে ক্রিকেট খেলা জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।

প্রকারভেদ

ক্রিকেট খেলা দু-ধরনের। একটি হলো ওয়ান ডে ম্যাচ বা এক দিনের খেলা, অন্যটি টেস্ট ম্যাচ বা পাঁচ দিনের খেলা। এখন আবার শুরু হয়েছে টি-টুয়েন্টি ম্যাচ। বিশ্বে বিখ্যাত টেস্ট মর্যাদা প্রাপ্ত দেশগুলো হলো ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ভারত, পাকিস্তান, দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা, নিউজিল্যান্ড, জিম্বাবুয়ে ও বাংলাদেশ।

Loading the rest of the chapter…

Textbook content © National Curriculum and Textbook Board (NCTB), Bangladesh. Shown for study.

Trusted resources

Official links checked by the Zntext team. Part of the context pack.