Bangladesh and Global Studies chapter 2: History of Bangladesh
বাংলাদেশের ইতিহাস
- Bangladesh and Global Studies
- Textbook pages 10-18
- 1 source
- 20,207 characters of context
Textbook (verbatim transcription): History of Bangladesh
Verbatim transcription of the printed NCTB textbook pages.
Contents20ShowHide
- এ অধ্যায় শেষে আমরা–
- পাঠ-১, ২ ও ৩: বাংলাদেশের মানব বসতি ও রাজনৈতিক ইতিহাস
- গুপ্ত যুগ
- শশাঙ্ক
- পাল রাজবংশ
- সেন রাজবংশ
- পাঠ-৪: প্রাচীন বাংলার সমাজ, অর্থনীতি ও ধর্ম
- পাঠ-৫: প্রাচীন বাংলার বিনোদন, স্থাপত্য, ভাস্কর্য ও চিত্রকলা
- ভাস্কর্য ও চিত্রকলা
- পাঠ-৬: প্রাচীন বাংলার ভাষা, সাহিত্য ও শিক্ষা
- ভাষা ও সাহিত্য
- শিক্ষা
- পাঠ-৭: মুসলিম শাসনামলে বাংলা
- পাঠ-৮: ঔপনিবেশিক যুগের বাংলা
- পাঠ-৯: বাংলাদেশ সৃষ্টির পটভূমি ও স্বাধীন বাংলাদেশ
- পাঠ- ১০ : স্বাধীন বাংলাদেশে গণঅভ্যুত্থান
- অনুশীলনী
- বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
- সৃজনশীল প্রশ্ন
- সংক্ষিপ্ত-উত্তর প্রশ্ন
Printed page 10
দ্বিতীয় অধ্যায়
বাংলাদেশের ইতিহাস
১৯৭১ সালে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের জন্ম হলেও বাংলার ইতিহাস অনেক প্রাচীন। প্রাচীন যুগ থেকে হিসেব করলে মৌর্য, শুঙ্গ, কুষাণ, গুপ্ত, পাল ও সেন শাসনের ধারাবাহিকতায় এসেছিল মধ্যযুগ। বখতিয়ার খলজির নদীয়া জয়ের পর বাংলায় প্রতিষ্ঠিত হয় মুসলিম শাসন। এ সময়ে খিলজি, তুঘলক, ইলিয়াসশাহী, হোসেনশাহী, মোগল ও নবাবি বংশের শাসকগণ বাংলা শাসন করেন। ইলিয়াসশাহী ও হোসেনশাহী বংশ বাংলায় গড়ে তোলে শক্তিশালী শাসন কাঠামো। এরপর পলাশী যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের পর বাংলা ও ভারতবর্ষ চলে গিয়েছিল ইংরেজদের অধীনে। তাদের হাত থেকে মুক্তির পর বর্তমান বাংলাদেশের নাম হয়েছিল পূর্ব পাকিস্তান। দীর্ঘ আন্দোলন ও সংগ্রামের পর ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে জয়লাভের মধ্য দিয়ে আমরা পেয়েছি আমাদের এই বাংলাদেশ।
এ অধ্যায় শেষে আমরা–
- বাংলায় মানব বসতির ধারা বর্ণনা করতে পারব;
- রাজনৈতিক ইতিহাসের যুগ বিভাজন করতে পারব;
- প্রাচীন বাংলার আর্থ-সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় জীবন বর্ণনা করতে পারব;
- মধ্যযুগে বাংলার রাজনৈতিক অবস্থা সম্পর্কে বর্ণনা করতে পারব;
- ঔপনিবেশিক যুগে বাংলার রাজনৈতিক জীবন বর্ণনা করতে পারব;
- বাংলাদেশের জন্মকথা, সংস্কৃতি, সভ্যতা, ঐতিহ্য ও মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে জানতে পারব;
- স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলন বর্ণনা করতে পারব।
পাঠ-১, ২ ও ৩: বাংলাদেশের মানব বসতি ও রাজনৈতিক ইতিহাস
প্রাচীনকাল থেকেই বাংলাদেশের এই ভূখণ্ডে মানব বসতির অস্তিত্ব ছিল। সম্প্রতি আবিষ্কৃত প্রত্নিদর্শন থেকে প্রমাণিত হয়েছে এই ভূমির প্রাচীনতা। চট্টগ্রামের রাঙ্গামাটি, সীতাকুণ্ড, কুমিল্লার লালমাই, হবিগঞ্জের চুনারুঘাট, নরসিংদীর উয়ারী-বটেশ্বরে পাওয়া গিয়েছে প্রাগৈতিহাসিক যুগের হাতিয়ার। এর মধ্যে রয়েছে পাথর ও ফসিল, কাঠের হাতকুঠার, বাটালি, তীরের ফলক প্রভৃতি। এই সময়ে মানুষ বনে-বাদাড়ে ঘুরে যাযাবরের মতো জীবনযাপন করেছে।
এরপর বগুড়ার মহাস্থানগড় ও নরসিংদীর উয়ারী-বটেশ্বরে গড়ে উঠেছিল সমৃদ্ধ মানব বসতি। মহাস্থানগড়ে অবস্থিত প্রাচীন নগরটির নাম পুণ্ড্রনগর যা খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতকে গড়ে উঠেছিল। ওদিকে উয়ারী-বটেশ্বর থেকেও পাওয়া গিয়েছে গুরুত্বপূর্ণ মানব বসতির চিহ্ন। সমসাময়িক কালে ভারত উপমহাদেশের ১৬টি মহাজনপদের নাম জানা যায়।
উপমহাদেশের বিভিন্ন জনপদের মৌর্য যুগ-পূর্ব রাজনৈতিক ইতিহাস জানা যায়। তবে বর্তমান বাংলাদেশ অংশের ইতিহাসের প্রাথমিক নিদর্শন হিসেবে প্রাপ্ত শিলালিপিট মৌর্য যুগের বলে মনে করা হয়। অনেকের মতে লিপিটি সম্রাট অশোকের জারিকৃত। এই শিলালিপির বিবরণ থেকে অনুমান করা হয় মৌর্য সম্রাট অশোক পুণ্ড্রনগর শাসন করেছেন। তারপর ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন রাজবংশ বাংলাদেশের বর্তমান ভূখণ্ড শাসন করেছে।
Printed page 11
গুপ্ত যুগ
আমাদের দেশের বিস্তারিত ইতিহাস জানা গিয়েছে গুপ্ত যুগ থেকে। তারা ভারত উপমহাদেশের উত্তর অঞ্চলের শাসক ছিলেন। বাংলাদেশের উত্তরাংশে 'পুণ্ড্রবর্ধন ভুক্তি' নামে একটি প্রদেশ গুপ্তদের শাসনাভুক্ত ছিল। আমাদের মনে রাখতে হবে আজকের বাংলাদেশ প্রাচীনকালে একক কোনো দেশ ছিল না। বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল তখন পুণ্ড্রবর্ধন, বঙ্গ, সমতট, গৌড়, বরেন্দ্র, হরিকেল প্রভৃতি জনপদ নামে পরিচিত ছিল।
শশাঙ্ক
গুপ্ত শাসন পতনের পর কয়েকজন রাজার নাম পাওয়া যায়। 'পরবর্তী গুপ্ত' নামে পরিচিত এই সময়কালের তিনজন বিখ্যাত রাজা ছিলেন গোপচন্দ্র, ধর্মাদিত্য ও সমাচার দেব। তারপর সপ্তম শতকে শশাঙ্ক নামে একজন প্রতাপশালী শাসকের পরিচয় পাওয়া যায়। তিনি গৌড়ের শাসক ছিলেন। তার উপাধি ছিল গৌড়েশ্বর। তার মৃত্যুর পর প্রায় একশ বছর প্রাচীন বাংলায় কোনো স্থায়ী শাসক ছিল না। বিশৃঙ্খল অবস্থায় বাংলার ছোট ছোট রাজ্যগুলো নিজেদের মধ্যে কলহ ও যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছিল।
পাল রাজবংশ
পাল রাজবংশ বাংলায় দীর্ঘদিন শাসন করে। এ বংশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন গোপাল। তিনি 'মাৎস্যন্যায়' তথা অরাজকতা দূর করে গৌড়ের সিংহাসনে বসেছিলেন। গোপালের পর ধর্মপাল, দেবপাল, রামপাল ও মহীপাল ছিলেন এ বংশের বিখ্যাত শাসক ছিলেন। পালবংশ প্রায় ৪০০ বছর বাংলা শাসন করে। তাদের সময়কালে রাজনীতি, অর্থনীতি, স্থাপত্য, চিত্রশিল্প ও শিল্পকলায় সমৃদ্ধ হয়েছিল বাংলা। নওগাঁ জেলার বিখ্যাত পাহাড়পুর মহাবিহার পালযুগের নিদর্শন।
পাল শাসকদের সময়কালে তাদের রাজত্বের বাইরে কুমিল্লা ও বিক্রমপুর অঞ্চলে খড়গ, দেব, চন্দ্র ও বর্ম রাজবংশ স্বাধীনভাবে রাজত্ব করেছিল। সমতট অঞ্চল নামে পরিচিত এই এলাকায় ভ্রমণ করেন চীনের বিখ্যাত পরিব্রাজক হিউয়েন সাঙ। তিনি এখানে ৩০টির মতো বৌদ্ধবিহার দেখতে পেয়েছিলেন। তৎকালীন বিক্রমপুর অঞ্চলের প্রখ্যাত পণ্ডিত ছিলেন অতীশ দীপঙ্কর। তিনি একাদশ শতকে বৌদ্ধ ধর্ম প্রচারের জন্য তিব্বতে গিয়েছিলেন।
সেন রাজবংশ
ভারতের দাক্ষিণাত্যের কর্ণাটক থেকে পালদের সেনাবাহিনীতে চাকরি করার জন্য বাংলায় এসেছিল সেনরা। দুর্বল পাল রাজা মদনপালকে পরাজিত করে বিজয় সেন ক্ষমতা দখল করেন। তারপর রাজা ছিলেন বল্লাল সেন ও লক্ষ্মণ সেন। বিজয় সেন এবং বল্লাল সেন ছিলেন শৈব সম্প্রদায়ের। পরে লক্ষ্মণ সেন হয়ে ওঠেন বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের অনুরাগী। লক্ষ্মণ সেনকে পরাজিত করে তুর্কি সেনাপতি ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার খলজি নদীয়া জয় করেন।
প্রাচীন বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় জীবন প্রভৃতি সম্পর্কে খুব বেশি জানা যায় না। সীমিত সাহিত্য ও প্রত্নতাত্ত্বিক সূত্র থেকে কিছু তথ্য পাওয়া যায় মাত্র। আমরা পরবর্তী পাঠগুলোতে প্রাচীন বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় জীবন সম্পর্কে জানব।
Printed page 12
কাজ- ১: প্রাগৈতিহাসিক যুগের প্রত্নস্থানগুলো ও প্রত্নস্থানে প্রাপ্ত উপকরণগুলোর নামের তালিকা প্রস্তুত করো।
কাজ- ২: বাংলার জনপদগুলোর একটি তালিকা প্রস্তুত করো।
কাজ- ৩: প্রাচীন বাংলার রাজবংশগুলোর তালিকা প্রস্তুত করো।
পাঠ-৪: প্রাচীন বাংলার সমাজ, অর্থনীতি ও ধর্ম
কৃষি: প্রাচীনযুগে বাংলার অর্থনীতি ছিল কৃষিনির্ভর। ধান ছিল প্রধান ফসল। প্রচুর আখও উৎপাদন হতো। আখ থেকে উৎপাদন করা হতো গুড় ও চিনি। এই গুড় ও চিনি বিদেশে রপ্তানির কথা জানা গিয়েছে। তুলা, সরিষা ও পান চাষের জন্যও পরিচিতি ছিল বাংলার। তখন নারিকেল, সুপারি, আম, কাঁঠাল, কলা, ডুমুর প্রভৃতি ফলের কথাও জানা যায়।
কুটিরশিল্প: প্রাচীনযুগ থেকেই বাংলার তাঁতিরা মিহি সুতি ও রেশমি কাপড় বুনতে পারদর্শী ছিল। আমাদের মসলিন কাপড় ছিল পৃথিবী বিখ্যাত, যা রপ্তানি হতো। তখন উন্নতমানের মৃৎপাত্র, ধাতবপাত্র ও অলংকারও নির্মাণ করা হতো। প্রাচীন বাংলার পোড়ামাটি, ধাতু ও পাথরের ভাস্কর্য ছিল প্রশংসনীয়। ছাপাঙ্কিত রৌপ্য মুদ্রা, স্বল্প-মূল্যবান পাথর ও কাচের পুঁতিও তখন তৈরি হতো।
ব্যবসা-বাণিজ্য: কৃষির অতিরিক্ত ফসল এবং শিল্পক্ষেত্রে উৎপাদন বাড়ায় ব্যাবসা-বাণিজ্য বিকাশ লাভ করে। নদীর তীরগুলোতে গড়ে উঠেছিল হাট-বাজার ও গঞ্জ। ব্যবসা-বাণিজ্য নদীপথেই হতো বেশি। উয়ারী-বটেশ্বর ও পুণ্ড্রনগর তথা মহাস্থানগড় ছিল সমৃদ্ধ নদীবন্দর। ভারতবর্ষের বিভিন্ন বন্দর ছাড়াও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও ভূমধ্যসাগর অঞ্চলে প্রেরণ করা হতো তৎকালীন বাংলার পণ্য।
ধর্মমত ও সম্প্রদায়: অনুমান করা হয় পাথর যুগে এ অঞ্চলের মানুষ পৃথিবীর অন্যান্য অঞ্চলের মতো পাহাড়-পর্বত, নদ-নদী, চন্দ্র, সূর্য প্রভৃতির পূজা করত। দীর্ঘসময় বৌদ্ধ শাসকদের পৃষ্ঠপোষকতায় এদেশে বৌদ্ধধর্ম প্রাধান্য লাভ করে। পাল সম্রাটগণ বৌদ্ধ ধর্মের পৃষ্ঠপোষকতা করেন। ধর্মীয় সম্প্রীতি পাল যুগের বৈশিষ্ট্য হিসাবে চিহ্নিত হয়।
কাজ: বাংলাদেশের কুটিরশিল্পের একটি তালিকা প্রস্তুত করো।
পাঠ-৫: প্রাচীন বাংলার বিনোদন, স্থাপত্য, ভাস্কর্য ও চিত্রকলা
বিনোদন: প্রাচীন যুগে বাংলাদেশে বিনোদনের অংশ হিসেবে নাচ, গান, নাটক, মল্লযুদ্ধ ও কুস্তি খেলার প্রচলন ছিল। পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহারে নাটক মঞ্চস্থ হওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়। মন্দিরের সেবাদাসীদের সকলকেই নৃত্য-গীত-বাদ্য পটিয়সী হতে হতো। পোড়ামাটির ফলকে কাঁসর, করতাল, ঢাক, বীণা, বাঁশি, মৃদঙ্গ, মৃৎভাণ্ড প্রভৃতি বাদ্যযন্ত্র দেখা যায়।
স্থাপত্য: প্রাচীনতম নিদর্শন হিসেবে মহাস্থানগড় ও উয়ারী-বটেশ্বর থেকে ইট-নির্মিত স্থাপত্য আবিষ্কার করা সম্ভব হয়েছে। বাংলার মানুষ স্থাপত্যশিল্পে উৎকর্ষ অর্জন করে পাল শাসনামলে। সম্রাট ধর্মপাল একাই ৫০টি বৌদ্ধবিহার নির্মাণ করেছিলেন বলে জনশ্রুতি রয়েছে।
Printed page 13
Figure: সোমপুর মহাবিহার, নওগাঁ (ছবি)
বর্ণনা: সোমপুর মহাবিহারের ধ্বংসাবশেষ দেখানো হয়েছে; একটি উঁচু স্তূপাকার স্থাপনা এবং তার নিচের দিকে আয়তাকার ভিত্তি-কাঠামো ও প্রাঙ্গণের দেয়াল দেখা যাচ্ছে।
Figure: শালবন বিহার, ময়নামতি, কুমিল্লা (ছবি)
বর্ণনা: শালবন বিহারের আকাশ থেকে তোলা দৃশ্য; একটি বর্গাকার প্রাচীর-বেষ্টিত ভিত্তি এবং ভেতরে সারিবদ্ধ কক্ষের বিন্যাস দেখা যাচ্ছে।
ভাস্কর্য ও চিত্রকলা
উয়ারী-বটেশ্বর, মহাস্থানগড়, পাহাড়পুর ও ময়নামতি প্রভৃতি অঞ্চল থেকে আবিষ্কৃত পোড়ামাটি, পাথর ও ধাতব ভাস্কর্য ও মূর্তি প্রাচীন বাংলার শিল্প সম্পর্কে পরিচয় দেয়। গুপ্ত ও পাল যুগের ভাস্কর্যগুলোর শিল্পশৈলী ছিল অনন্য। পাল যুগের দুজন বিখ্যাত ভাস্কর ও চিত্রশিল্পী ছিলেন ধীমানপাল ও বীটপাল। ওদিকে সেনযুগের শ্রেষ্ঠ শিল্পী ছিলেন শূলপাণি। তখনকার বিভিন্ন পাণ্ডুলিপিতে বৌদ্ধ দেব-দেবীকে চিত্রের মাধ্যমে প্রকাশ করা হতো।
কাজ: দলে ভাগ হয়ে বাংলার প্রাচীন স্থাপত্য ও ভাস্কর্যের তালিকা প্রস্তুত করো।
Loading the rest of the chapter…
Textbook content © National Curriculum and Textbook Board (NCTB), Bangladesh. Shown for study.
Trusted resources
Official links checked by the Zntext team. Part of the context pack.