Bangladesh and Global Studies chapter 5: Bangladesh and Citizens of Bangladesh
বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের নাগরিক
- Bangladesh and Global Studies
- Textbook pages 34-42
- 1 source
- 16,214 characters of context
Textbook (verbatim transcription): Bangladesh and Citizens of Bangladesh
Verbatim transcription of the printed NCTB textbook pages.
Contents13ShowHide
- বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের নাগরিক
- এ অধ্যায় শেষে আমরা–
- পাঠ-১ : রাষ্ট্রের ধারণা
- পাঠ-২: রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ
- পাঠ-৩ : নাগরিক ও নাগরিকত্বের ধারণা
- নাগরিক ও বিদেশি
- পাঠ-৪ : নাগরিকত্ব লাভের নিয়ম
- জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব লাভ
- অনুমোদনসূত্রে নাগরিকত্ব লাভ
- দ্বৈত-নাগরিকত্ব
- পাঠ-৫ : দেশের উন্নয়নে নাগরিকের ভূমিকা
- অনুশীলনী
- বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
Printed page 34
পঞ্চম অধ্যায়
বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের নাগরিক
প্রাচীন পৃথিবীতে কোনো রাষ্ট্রের অস্তিত্ব ছিল না। ছিল না কোনো নাগরিকত্বের ধারণা। সময়ের পরিবর্তন ও বিভিন্ন ঘটনার মধ্য দিয়ে পাঁচ থেকে ছয় হাজার বছর আগে নদী ও সমুদ্রের তীরে প্রাচীন কিছু নগররাষ্ট্র গড়ে ওঠে। নগররাষ্ট্র ব্যবস্থা থেকে প্রাচীনকালে রাষ্ট্রের ধারণার উৎপত্তি ঘটেছে। ধীরে ধীরে আধুনিক রাষ্ট্রের উদ্ভব হয়েছে। বর্তমান বিশ্বের জনসংখ্যা প্রায় আটশ এগারো কোটি। এ বিপুল জনসংখ্যার সবাই কোনো না কোনো রাষ্ট্রের অধিবাসী বা নাগরিক। যেমন, আমরা সবাই বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের অধিবাসী এবং নাগরিক। রাষ্ট্র বলতে কী বোঝায়, কীভাবে একটি রাষ্ট্র গঠিত হয়, নাগরিক বলতে কী বোঝায়, কীভাবে একটি দেশের নাগরিকত্ব লাভ করা যায়- এ অধ্যায় পাঠে এ সম্পর্কে আমরা জানব।
এ অধ্যায় শেষে আমরা–
- রাষ্ট্রের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব;
- বাংলাদেশ কেন একটি রাষ্ট্র তা ব্যাখ্যা করতে পারব;
- নাগরিক ও নাগরিকতার ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব;
- বাংলাদেশে নাগরিকতা অর্জনের পদ্ধতি বর্ণনা করতে পারব;
- বিভিন্ন দেশের নাগরিকতা অর্জন পদ্ধতির তুলনা করতে পারব;
- দেশের উন্নয়নে নাগরিকের ভূমিকা ব্যাখ্যা করতে পারব;
- দেশের উন্নয়নে নাগরিকের সক্রিয় ভূমিকার গুরুত্ব উপলব্ধি করব।
পাঠ-১ : রাষ্ট্রের ধারণা
রাষ্ট্র হলো এমন একটি সংগঠন যার একটি নির্দিষ্ট ভূখণ্ড, জনসমষ্টি, সরকার ও সার্বভৌম ক্ষমতা আছে। তাহলে বলা যায়, রাষ্ট্র গঠনে চারটি উপাদান রয়েছে। এগুলো হচ্ছে- জনসমষ্টি, ভূখণ্ড, সরকার ও সার্বভৌমত্ব। যে কোনো একটি উপাদানের অভাবে রাষ্ট্র গঠিত হতে পারে না।
Figure
লেবেল: জনসমষ্টি, ভূখণ্ড, রাষ্ট্র, সরকার, সার্বভৌমত্ব বর্ণনা: মাঝখানে একটি হীরকাকৃতি বক্সে "রাষ্ট্র" লেখা। চারপাশে চারটি আয়তক্ষেত্রাকার বক্স থেকে তীর রাষ্ট্রের দিকে যাচ্ছে: ওপরে "জনসমষ্টি", বামে "ভূখণ্ড", ডানে "সরকার" এবং নিচে "সার্বভৌমত্ব"।
১. জনসমষ্টি : রাষ্ট্রের অন্যতম উপাদান হলো জনসমষ্টি। জনগণ হলো রাষ্ট্রের প্রাণ। জনসমষ্টি ছাড়া রাষ্ট্র গঠিত হতে পারে না। তবে রাষ্ট্রের জনসংখ্যা কত হবে তার কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা নেই। রাষ্ট্রের জনসংখ্যা কমও হতে পারে আবার বেশিও হতে পারে। যেমন- চীনের জনসংখ্যা ১৪১ কোটি ৭ লক্ষ ১০ হাজার। অন্যদিকে 'সান ম্যারিনো' নামের একটি ছোটো দেশের জনসংখ্যা ৩৩ হাজার ৮শত ৬০ জন মাত্র।
Printed page 35
২. ভূখণ্ড: রাষ্ট্রের অপরিহার্য উপাদান হলো নির্দিষ্ট ভূখণ্ড। ভূখণ্ড বলতে জল, স্থল ও তার উপরিস্থিত আকাশসীমাকে বোঝায়। তবে ভূখণ্ডের আয়তন কতটুকু হবে তার কোনো নির্দিষ্ট পরিমাণ নেই। অর্থাৎ একটি রাষ্ট্রের ভূখণ্ড আয়তনে অনেক বড়ো হতে পারে। আবার অনেক ছোটোও হতে পারে। যেমন- চীনের আয়তন প্রায় ৯৫,৯৬,৯৬০ বর্গকিলোমিটার। অন্যদিকে সিঙ্গাপুর ও ভ্যাটিকান সিটির আয়তন যথাক্রমে প্রায় ৭১৮ বর্গকিলোমিটার ও ০.৪৪ বর্গকিলোমিটার। সিঙ্গাপুর ও ভ্যাটিকান নগরকেন্দ্রিক রাষ্ট্র।
৩. সরকার: রাষ্ট্র গঠনের আরেকটি অন্যতম উপাদান হলো সরকার। সরকারের মাধ্যমে রাষ্ট্রের সকল কাজ পরিচালিত হয়। রাষ্ট্রের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য সরকার আইন প্রণয়ন করে এবং আইন অনুযায়ী জনগণকে পরিচালনা করে। জনগণ সরকারের সকল বৈধ আদেশ মেনে চলে এবং সরকারের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে।
৪. সার্বভৌমত্ব: রাষ্ট্র গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো সার্বভৌমত্ব। এ ক্ষমতাবলে রাষ্ট্র তার অভ্যন্তরে যে কাউকে যেকোনো নির্দেশ দিতে পারে। তাকে সে আদেশ পালনে বাধ্য করতে পারে। সার্বভৌমত্বের কারণে রাষ্ট্র অন্য কোনো দেশ বা শক্তির নিয়ন্ত্রণ থেকে মুক্ত থাকে।
কাজ : ঢাকা ও লন্ডনকে রাষ্ট্র বলা যাবে কি না সহপাঠীদের সঙ্গে দলগতভাবে আলোচনা করে উপস্থাপন করো।
পাঠ-২: রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ
বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র। ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর মহান মুক্তিযুদ্ধ ও রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। একটি রাষ্ট্র হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার জন্য যেসব উপাদান দরকার তার সবগুলোই বাংলাদেশের রয়েছে। বাংলাদেশ রাষ্ট্রের উপাদানগুলো সম্পর্কে সংক্ষেপে আমরা জেনে নিই।
জনগোষ্ঠী: বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিপুল। বর্তমানে মোট জনসংখ্যা ১৭ কোটি ১০ লক্ষ জন (বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪)। বাংলাদেশের জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক নারী এবং অর্ধেক পুরুষ। জনসংখ্যার একটি বিরাট অংশ শিশু। জনসংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশ বিশ্বের অষ্টম জনবহুল রাষ্ট্র।
Figure: বাংলাদেশের জনগোষ্ঠী
বর্ণনা: বাংলাদেশের মানচিত্রের আকৃতিতে ছোটো ছোটো মানুষের প্রতীক সাজানো হয়েছে; উত্তরাঞ্চলে ও মধ্যাঞ্চলে মানুষের প্রতীক বেশি ঘনভাবে দেখানো হয়েছে।
Printed page 36
ভূখণ্ড: বাংলাদেশের একটি নির্দিষ্ট ভূখণ্ড রয়েছে। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা লাভের মধ্য দিয়ে আমরা এ ভূখণ্ডের সার্বভৌমত্ব অর্জন করেছি। উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয় ও দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর, পূর্বে ভারত ও মিয়ানমার, পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ পর্যন্ত বাংলাদেশের ভূখণ্ড বিস্তৃত। অসংখ্য নদ-নদী, হাওর-বিল, পাহাড়-পর্বত, বনভূমি ও বিস্তৃত সমভূমি নিয়ে এ ভূখণ্ড গঠিত। এর আয়তন ১,৪৭,৫৭০ বর্গকিলোমিটার।
Figure: বাংলাদেশের মানচিত্র
লেবেল: সাংকেতিক চিহ্ন; আন্তর্জাতিক সীমানা; জেলা সীমানা; রাজধানী; বিভাগ শহর; নদী; ভারত (পশ্চিমবঙ্গ); ভারত (আসাম); ভারত (মেঘালয়); ভারত (ত্রিপুরা); মিয়ানমার; বঙ্গোপসাগর; চাঁপাই নবাবগঞ্জ; ঢাকা বর্ণনা: বাংলাদেশের মানচিত্র। ঢাকা ও আশপাশের জেলাগুলো সবচেয়ে গাঢ় রঙে দেখানো হয়েছে, তারপর ক্রমান্বয়ে হালকা রঙের এলাকা। উত্তরে, পূর্বে ও পশ্চিমে ভারতের অংশ এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর চিহ্নিত। উপরের ডানদিকে মানচিত্রের সাংকেতিক চিহ্ন বক্স রয়েছে। অনেক ছোটো জেলার নাম এই পাঠে স্পষ্টভাবে পড়া যায়নি।
Printed page 37
সরকার: বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা মন্ত্রিপরিষদ শাসিত। এর নাম 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার'। এটি একটি গণতান্ত্রিক সরকার। এ সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত। সরকারের সকল নিয়ম-কানুন ও আদেশ-নিষেধ জনগণ মেনে চলে।
সার্বভৌমত্ব: বাংলাদেশ রাষ্ট্র সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী। এ ক্ষমতাবলে রাষ্ট্র দেশের সকল জনগোষ্ঠীকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং অন্য দেশের নিয়ন্ত্রণ মুক্ত থেকে দেশ শাসন করে। এ কারণেই অন্য কোনো দেশ বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে পারে না।
উপরের আলোচনায় আমরা জেনেছি, রাষ্ট্রের সব বৈশিষ্ট্যই বাংলাদেশের রয়েছে। এর রয়েছে বিশাল জনসংখ্যা, সুনির্দিষ্ট ভূখণ্ড, গণতান্ত্রিক সরকার ও সার্বভৌম ক্ষমতা।
কাজ : দলে ভাগ হয়ে বাংলাদেশের জনগোষ্ঠী, ভূখণ্ড ও সরকার সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদন তৈরি করো।
পাঠ-৩ : নাগরিক ও নাগরিকত্বের ধারণা
রাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসকারী অধিবাসীকে বলা হয় নাগরিক। পূর্বে নগরে বসবাসকারীকে নাগরিক বলা হতো। তখন ছোটো ছোটো নগরকে কেন্দ্র করে গঠিত হতো রাষ্ট্র। এ নগররাষ্ট্রের অধিবাসীরাই নাগরিক বলে গণ্য হতেন।
কিন্তু বর্তমানে নাগরিক ও নাগরিকত্বের ধারণাও বদলে গেছে। এখন রাষ্ট্রের সদস্য হিসেবে যে কোনো ব্যক্তিই নাগরিক হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। নাগরিক রাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দা হবে, রাষ্ট্রের প্রতি অনুগত থাকবে, রাষ্ট্রের কল্যাণ চিন্তা করবে এবং রাষ্ট্র প্রদত্ত সকল সামাজিক ও রাজনৈতিক সুবিধা ভোগ করবে। অর্থাৎ, রাষ্ট্রের একজন নাগরিকের একদিকে যেমন রয়েছে সামাজিক ও রাজনৈতিক অধিকার অন্যদিকে তেমনি রয়েছে রাষ্ট্রের প্রতি তার দায়িত্ব ও কর্তব্য।
Figure
লেবেল: নাগরিকের চারটি প্রধান বৈশিষ্ট্য; রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য; রাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দা; রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য; রাষ্ট্র থেকে রাজনৈতিক ও সামাজিক অধিকার লাভ; নাগরিক বর্ণনা: মাঝখানে একটি বৃত্তে "নাগরিক" লেখা। বৃত্ত থেকে চারদিকে চারটি তীর চারটি বক্সের দিকে যাচ্ছে: ওপরে "রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য", বামে "রাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দা", ডানে "রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য" এবং নিচে "রাষ্ট্র থেকে রাজনৈতিক ও সামাজিক অধিকার লাভ"।
Printed page 38
একজন নাগরিক রাষ্ট্রের পরিচয়েই নাগরিকত্ব পায়। বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে আমাদের সকলের নাগরিকত্বের পরিচয় বাংলাদেশি। আমাদের রাষ্ট্র বাংলাদেশ। তাই আমরা বাংলাদেশের নাগরিক।
নাগরিক ও বিদেশি
একটি রাষ্ট্রে নিজ দেশের অধিবাসী ছাড়া ভিন্ন দেশের অনেক লোকও বাস করে। শিক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্য, চাকরি ইত্যাদি নানা কারণে তারা অবস্থান করে। এরা বিদেশি হিসেবে পরিচিত। তবে তারা স্থায়ীভাবে বসবাস করে না। বিদেশিরা যে রাষ্ট্রে বসবাস করে সে রাষ্ট্রের আইন ও নিয়ম-কানুন মেনে চলে এবং নিজ দেশের প্রতি আনুগত্য পোষণ করে। কেবল বসবাসকারী রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে সামাজিক অধিকার ভোগ করে, কিন্তু তারা বিদেশে বসবাসকারী দেশের সরকারের কিংবা রাষ্ট্রের কোনো রাজনৈতিক অধিকার ভোগ করতে পারে না। তাই বিদেশিরা রাষ্ট্রের নাগরিক নয়।
কাজ : নাগরিক ও বিদেশির মধ্যে পার্থক্য চিহ্নিত করো।
পাঠ-৪ : নাগরিকত্ব লাভের নিয়ম
নাগরিকত্ব হলো রাষ্ট্রের অধিবাসী বা ব্যক্তির জাতীয় পরিচয়। রাষ্ট্রকে কেন্দ্র করে ব্যক্তি এ পরিচয় লাভ করে। নাগরিকত্ব লাভের দুটি প্রধান উপায় হলো :
১. জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব লাভ
২. অনুমোদনসূত্রে নাগরিকত্ব লাভ
Figure
লেবেল: নাগরিকত্ব লাভ; জন্মসূত্রে; অনুমোদনসূত্রে বর্ণনা: কেন্দ্রে "নাগরিকত্ব লাভ" লেখা একটি বাক্স থেকে দুটি তির বের হয়ে উপরে "জন্মসূত্রে" এবং নিচে "অনুমোদনসূত্রে" বাক্সে যাচ্ছে।
যারা জন্মসূত্রে রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব লাভ করে তারা জন্মসূত্রে নাগরিক। আর যারা আবেদনের মাধ্যমে কোনো দেশের নাগরিকত্ব লাভ করে তারা অনুমোদনসূত্রে নাগরিক। তবে অনুমোদনসূত্রে যারা নাগরিকত্ব লাভ করে তাদেরকে রাষ্ট্রের আরোপিত কিছু শর্ত পূরণ করতে হয়।
Loading the rest of the chapter…
Textbook content © National Curriculum and Textbook Board (NCTB), Bangladesh. Shown for study.
Trusted resources
Official links checked by the Zntext team. Part of the context pack.