Skip to content

Islamic Studies chapter 3: Quran and Hadis Shiksha

কুরআন ও হাদিস শিক্ষা

  • Islamic Studies
  • Textbook pages 44-77
  • 1 source
  • 52,231 characters of context

Textbook (verbatim transcription): Quran and Hadis Shiksha

Verbatim transcription of the printed NCTB textbook pages.

Contents69
  1. পাঠ ১
  2. আল-কুরআনের পরিচয়
  3. পরিচয়
  4. কুরআন মজিদ অবতরণ
  5. আল-কুরআনের বৈশিষ্ট্য
  6. আল-কুরআনের গুরুত্ব
  7. পাঠ ২
  8. কুরআন তিলাওয়াত (تِلَاوَةُ الْقُرْآنِ)
  9. পরিচয়
  10. কুরআন তিলাওয়াতের গুরুত্ব
  11. কুরআন তিলাওয়াতের ফজিলত
  12. নাযিরা তিলাওয়াত
  13. পাঠ ৩
  14. তাজবিদ (اَلتَّجْوِيْدُ)
  15. তাজবিদের পরিচয়
  16. তাজবিদের গুরুত্ব
  17. পাঠ ৪
  18. মাখরাজ (اَلْمَخْرَجُ)
  19. পরিচয়
  20. মাখরাজের বিস্তারিত বিবরণ
  21. নতুন শব্দ পরিচয়
  22. পাঠ ৫
  23. সূরা আল-ফাতিহা (سُوْرَةُ الْفَاتِحَةِ)
  24. অনুবাদ
  25. ব্যাখ্যা
  26. নৈতিক শিক্ষা
  27. পাঠ ৬
  28. সূরা আন-নাস (سُوْرَةُ النَّاسِ)
  29. অনুবাদ
  30. ব্যাখ্যা
  31. নৈতিক শিক্ষা
  32. পাঠ ৭
  33. সূরা আল-ফালাক (سُوْرَةُ الْفَلَقِ)
  34. অনুবাদ
  35. ব্যাখ্যা
  36. নৈতিক শিক্ষা
  37. পাঠ ৮
  38. সূরা আল-হুমাযাহ (سُوْرَةُ الْهُمَزَةِ)
  39. অনুবাদ
  40. শানে নুযুল
  41. ব্যাখ্যা
  42. নৈতিক শিক্ষা
  43. পাঠ ৯
  44. সূরা আল-আসর (سُوْرَةُ الْعَصْرِ)
  45. শব্দার্থ
  46. অনুবাদ
  47. শানে নুযুল
  48. ব্যাখ্যা
  49. নৈতিক শিক্ষা
  50. পাঠ ১০
  51. অর্থসহ মুনাজাত বিষয়ক তিনটি আয়াত
  52. আয়াত ১
  53. আয়াত ২
  54. আয়াত ৩
  55. পাঠ ১১
  56. আল-হাদিস (الْحَدِيثُ)
  57. হাদিসের গুরুত্ব
  58. পাঠ ১২
  59. অর্থসহ নৈতিক গুণাবলি বিষয়ক দুটি হাদিস
  60. হাদিস ১
  61. শিক্ষা
  62. হাদিস ২
  63. শিক্ষা
  64. পাঠ ১৩
  65. অর্থসহ মুনাজাতমূলক দুটি হাদিস
  66. পাঠ ১৪
  67. নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় হাদিস
  68. অনুশীলনী
  69. বহুনির্বাচনি প্রশ্ন

Printed page 44

তৃতীয় অধ্যায়

কুরআন ও হাদিস শিক্ষা

কুরআন মজিদ হলো মহান আল্লাহর পবিত্র বাণী। আর মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর বাণী, কর্ম ও মৌনসম্মতিকে বলা হয় হাদিস। কুরআন মজিদ ও হাদিস শরিফ হলো ইসলামের প্রধান দুটি উৎস। মহানবি (স.) বলেন, আমি তোমাদের নিকট দুটি জিনিস রেখে যাচ্ছি যা আঁকড়ে ধরলে (মেনে চললে) তোমরা কখনো পথভ্রষ্ট হবে না। এ দুটি হলো আল্লাহর কিতাব (আল-কুরআন) ও তাঁর রাসুলের সুন্নাত (মুসলিম)।

এ অধ্যায় শেষে আমরা—

  • আল-কুরআনের পরিচয় ও গুরুত্ব বর্ণনা করতে পারব;
  • আল-কুরআন তিলাওয়াতের গুরুত্ব ও ফজিলত ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • তাজবিদ-এর গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব ও মাখরাজ আয়ত্ত করে বিশুদ্ধভাবে কুরআন পাঠ করতে সক্ষম হবো;
  • কুরআনের নির্ধারিত পাঁচটি সূরা অর্থসহ মুখস্থ বলতে ও মূল বক্তব্য ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • নির্ধারিত পাঁচটি সূরার পটভূমি (শানে নুযুল) ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • মুনাজাতমূলক (প্রার্থনামূলক) তিনটি আয়াত অর্থসহ বলতে পারব;
  • হাদিসের পরিচয় ও গুরুত্ব এবং নৈতিক গুণাবলি বিষয়ক দুটি হাদিসের অর্থসহ শিক্ষা বর্ণনা করতে পারব;
  • মুনাজাতমূলক দুটি হাদিস অর্থসহ পড়তে, বলতে ও ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • হাদিসের আলোকে নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধের পরিচয় ও গুরুত্ব বর্ণনা করতে পারব ।

পাঠ ১

আল-কুরআনের পরিচয়

পরিচয়

কুরআন মজিদ সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ আসমানি কিতাব। এটি মহান আল্লাহর বাণী। মানবজাতির হিদায়াতের জন্য আল্লাহ তায়ালা শেষ নবি হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর উপর এ কিতাব নাজিল করেন। আল্লাহ তায়ালার পরিচয়, তার গুণাবলি, ইমান ও ইসলামের সকল বিষয় এতে বর্ণনা করা হয়েছে। এতে রয়েছে জ্ঞানবিজ্ঞানের সারকথা। কোন পথে চললে মানুষ সফলতা লাভ করবে তাও এতে বলে দেওয়া হয়েছে।

এটি মহান আল্লাহর পবিত্র বাণী। আজ পর্যন্ত এটি অবিকৃত রয়েছে। কেউ এর একটি নুকতা, অক্ষর, শব্দ বা হরকতও পরিবর্তন করতে পারেনি। আর ভবিষ্যতেও পারবে না। কেননা, এর সংরক্ষক স্বয়ং আল্লাহ তায়ালা।

Printed page 45

কুরআন মজিদ অবতরণ

আল-কুরআন সর্বশেষ নবি ও রাসুল হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর উপর অবতীর্ণ হয়েছে। এটি ‘লাওহি মাহফুয’ বা সংরক্ষিত ফলকে লিপিবদ্ধ রয়েছে।

আমাদের প্রিয় নবি হযরত মুহাম্মদ (স.) আরব দেশের মক্কা নগরে জন্মগ্রহণ করেন। সেখানকার লোকজন ছিল মূর্তিপূজক। তাদের মধ্যে প্রায়ই মারামারি, কাটাকাটি ও কলহ-বিবাদ লেগেই থাকত। মহানবি (স.) এসব পছন্দ করতেন না। তিনি ভাবতেন যে, সকল মানুষের একজনই সৃষ্টিকর্তা রয়েছেন। তাঁর দেখানো পথে চললে সমাজে কোনোরূপ অশান্তি থাকবে না। এজন্য তিনি হেরা গুহায় ধ্যানমগ্ন থাকতেন। চল্লিশ বছর বয়সে তিনি নবুয়তপ্রাপ্ত হন। আল্লাহ তায়ালা ওহির ফেরেশতা হযরত জিবরাইল (আ.)-এর মাধ্যমে তাঁর নিকট আল-কুরআন নাজিল করেন। এ সময় আল-কুরআনের সূরা আল-আলাকের প্রথম পাঁচটি আয়াত নাজিল হয়। পরবর্তীকালে প্রয়োজন অনুসারে কুরআনের নানা আয়াত নাজিল করা হয়। এভাবে মহানবি (স.)-এর ওপর দীর্ঘ ২৩ বছরে পবিত্র কুরআন সম্পূর্ণরূপে নাজিল হয়।

আল-কুরআনের বৈশিষ্ট্য

আল-কুরআন সর্বশেষ আসমানি কিতাব। আল্লাহ তায়ালা সর্বমোট ১০৪ (একশত চার) খানা আসমানি কিতাব নাজিল করেছেন। এগুলোর মধ্যে ১০০ (একশত) খানা ছোট কিতাব। এগুলোকে বলা হয় সহিফা। আর ৪ (চার) খানা বড়ো। এগুলো হলো– তাওরাত, যাবুর, ইনজিল ও কুরআন। আল-কুরআন হলো সর্বশেষ আসমানি গ্রন্থ। এরপর আর কোনো কিতাব আসবে না।

কুরআন মজিদ সর্বশ্রেষ্ঠ গ্রন্থ। এতে দীনের যাবতীয় বিষয় বর্ণনা করা হয়েছে। মানুষের জীবনে যেসব সমস্যার উদ্ভব হয়ে থাকে তার সমাধানের ব্যাপারে এতে নির্দেশনা রয়েছে। পূর্ববর্তী আসমানি কিতাবসমূহের মূল শিক্ষাও এতে বর্ণিত হয়েছে। সুতরাং আল-কুরআন সর্বশ্রেষ্ঠ কিতাব।

আল-কুরআন আল্লাহ তায়ালার বাণী। এর ভাব ও ভাষা অনন্য ও অপূর্ব। এটি মহানবি (স.)-এর সবচেয়ে বড়ো মু'জিযা। কেউই এর ক্ষুদ্রতম সূরার সমতুল্য কিছু রচনা করতেও সক্ষম হয়নি এবং ভবিষ্যতেও হবে না।

আল-কুরআনের গুরুত্ব

আল-কুরআন জ্ঞানসমূহের ভাণ্ডার। এতে রয়েছে আল্লাহ তায়ালার পরিচয়, তার গুণাবলির বর্ণনা, তার ক্ষমতা ও নিয়ামতসমূহের বর্ণনা। আল-কুরআনে মানব সৃষ্টির অবস্থা বর্ণনা করা হয়েছে। সৌরজগৎ, আসমান জমিন, নক্ষত্ররাজি, পাহাড়, পর্বত সবকিছু সম্পর্কেই এতে উল্লেখ করা হয়েছে। পূর্ববর্তী জাতিসমূহের ঘটনা, নবি-রাসুলগণের বিবরণ, পুণ্যবান ও পাপীদের অবস্থা ইত্যাদিও আল-কুরআনে বর্ণনা করা হয়েছে।

আল-কুরআনে নানারকম বিধিবিধান ও আইনকানুন বর্ণিত হয়েছে। এটি সত্য ও মিথ্যার পার্থক্যকারী। কীভাবে চললে মানুষ দুনিয়া ও আখিরাতে শান্তি লাভ করবে এর দিকনির্দেশনাও আল-কুরআনে দেওয়া আছে। আল-কুরআন সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ আসমানি কিতাব। এতে দীনের সকল কিছুর জ্ঞান সন্নিবেশিত আছে। আল-কুরআনের জ্ঞান অর্জন করা আমাদের সকলের একান্ত কর্তব্য। সুতরাং আমরা আল-কুরআন পড়ব এবং এর নানাবিধ জ্ঞান অর্জন করব।

Printed page 46

পাঠ ২

কুরআন তিলাওয়াত (تِلَاوَةُ الْقُرْآنِ)

পরিচয়

তিলাওয়াত আরবি শব্দ। এর অর্থ পাঠ করা, পড়া, আবৃত্তি করা। পবিত্র কুরআন পাঠ করাকে কুরআন তিলাওয়াত বলা হয়।

আল-কুরআন আরবি ভাষায় নাজিল হয়েছে। সুতরাং একে আরবিতেই পড়তে হবে। এজন্য আরবি হরফ বা বর্ণসমূহ চিনে তিলাওয়াত করা শিখতে হবে। এভাবে আরবিতে সুন্দর করে স্পষ্ট উচ্চারণে আল-কুরআন পাঠ করাকে কুরআন তিলাওয়াত বলে।

উল্লেখ্য, কুরআন শব্দটির মূল অর্থ পঠিত। অর্থাৎ যা পাঠ করা হয়েছে। সারা বিশ্বে আল-কুরআনই সবচেয়ে বেশি পাঠ (তিলাওয়াত) করা হয়। এজন্যই একে কুরআন বলা হয়। মুসলমানগণ দৈনিক পাঁচবার সালাতে কুরআন তিলাওয়াত করেন। এছাড়া আমরা অন্য সময়েও কুরআন তিলাওয়াত করে থাকি।

কুরআন তিলাওয়াতের গুরুত্ব

কুরআন মজিদ তিলাওয়াতের গুরুত্ব অনেক। এটি আমাদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ। এতে মানুষের কল্যাণের দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। সুতরাং আমাদের উচিত বেশি বেশি কুরআন তিলাওয়াত করা। কুরআন অধ্যয়ন করলে আমরা আল্লাহ তায়ালার আদেশ-নিষেধ জানতে পারব। বুঝে কুরআন তিলাওয়াত করা উত্তম।

আমাদের প্রিয় নবি (স.) এবং তাঁর সাহাবিগণ প্রতিদিন কুরআন তিলাওয়াত করতেন, কুরআনের শিক্ষা অনুযায়ী আমল করতেন। কুরআন তিলাওয়াত শিক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি। কেননা সালাতে (নামাযে) কুরআন পড়তে হয়। আর কুরআন তিলাওয়াত ছাড়া সালাত শুদ্ধ হয় না। সুতরাং আমরা গুরুত্ব সহকারে শুদ্ধরূপে কুরআন তিলাওয়াত শিখব এবং প্রতিদিন তিলাওয়াত করব।

কুরআন তিলাওয়াতের ফজিলত

কুরআন তিলাওয়াতের ফজিলত (মাহাত্ম্য) অনেক বেশি। কুরআন মজিদ তিলাওয়াত করা হলো নফল ইবাদতের মধ্যে সর্বোত্তম ইবাদত। কুরআন তিলাওয়াত করলে আল্লাহ তায়ালা খুশি হন। যে ঘরে কুরআন পড়া হয় সে ঘরে আল্লাহ পাকের রহমত নাজিল হয়। মহানবি (স.)-এর বর্ণনা অনুযায়ী, পবিত্র কুরআনের প্রতিটি হরফের পরিবর্তে দশটি করে নেকি লেখা হয়। সুতরাং বোঝা গেল যে, কুরআন তিলাওয়াত অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ কাজ। আমরা সবাই বেশি বেশি কুরআন তিলাওয়াত করব।

নাযিরা তিলাওয়াত

আল-কুরআন দেখে দেখে পড়াকে নাযিরা তিলাওয়াত বলে। কুরআন মজিদ দেখে দেখে পড়াও উত্তম ইবাদত। কুরআন মজিদ দেখে দেখে অথবা মুখস্থ যেভাবেই পাঠ করা হোক তাতে পুণ্য রয়েছে। কুরআন পাঠ মনে প্রশান্তি আনে। অন্তরাত্মা পরিশুদ্ধ হয়। কিয়ামতের দিন কুরআন আল্লাহর নিকট তাদের জন্য সুপারিশ করবে যারা পার্থিব জীবনে কুরআন মাজিদ তিলাওয়াত করত।

Printed page 47

পাঠ ৩

তাজবিদ (اَلتَّجْوِيْدُ)

তাজবিদের পরিচয়

তাজবিদ শব্দের অর্থ উত্তম বা সুন্দর করা। আল-কুরআনের আয়াতসমূহকে উত্তমরূপে বা সুন্দর ও শুদ্ধ করে পড়াকে তাজবিদ বলা হয়। অর্থাৎ আল-কুরআনের প্রতিটি হরফকে মাখরাজ ও সিফাত অনুসারে বিশুদ্ধভাবে তিলাওয়াত করাকে তাজবিদ বলে।

আরবি হরফ কোনোটি মোটা করে পড়তে হয়, আবার কোনোটি চিকন করে পড়তে হয়। উচ্চারণের এ বিশেষ অবস্থাকে বলা হয় সিফাত। যেমন: ت (তা) এবং ط (‘ত’) হরফ দুটির উচ্চারণের স্থান একই। কিন্তু এদের সিফাত ভিন্ন। এ দুটো হরফের মধ্যে ط (ত্বয়া)-কে মোটা করে পড়তে হয় এবং ت (তা)-কে চিকন করে পড়তে হয়। আবার মাখরাজ হলো উচ্চারণের স্থান। যেমন: ح (হা) এবং ه (হা) এখানে হরফ দুটিকে ভিন্ন ভিন্ন স্থান থেকে উচ্চারণ করতে হয়। এভাবে মাখরাজ ও সিফাত ঠিক রেখে সুন্দর করে কুরআন তিলাওয়াত করাই তাজবিদ।

তাজবিদের গুরুত্ব

তাজবিদ অনুযায়ী কুরআন পড়া ওয়াজিব বা আবশ্যক। তাজবিদ অনুসারে কুরআন না পড়লে গুনাহ হয়। এতে অনেক সময় আল-কুরআনের অর্থ পরিবর্তন হয়ে যায়। আর অশুদ্ধ তিলাওয়াতের ফলে সালাতও পূর্ণাঙ্গ হয় না। যেমন: সূরা ইখলাসে এসেছে– قُلْ هُوَ اللهُ اَحَدٌ – বলুন (হে নবি)! তিনি আল্লাহ: একক ও অদ্বিতীয়। এখানে قُلْ শব্দের অর্থ বলুন। আর যদি ق (কাফ)-কে ভুল মাখরাজ থেকে উচ্চারণ করে বলা হয় كُلْ তাহলে অর্থ বিকৃত হয়ে যায়। কেননা كُلْ শব্দের অর্থ খাও বা ভক্ষণ কর। ফলে আল-কুরআনের অর্থের বিকৃতি ঘটে। যা কোনোভাবেই জায়েজ নয়। তাজবিদ সহকারে শুদ্ধ ও সুন্দর করে কুরআন তিলাওয়াতের গুরুত্ব উল্লেখ করে আল্লাহ তায়ালা বলেন—

وَرَتِّلِ الْقُرْاٰنَ تَرْتِيْلًاۙ ○

অর্থ : কুরআন আবৃত্তি করো ধীরে ধীরে ও সুস্পষ্টভাবে (সূরা আল-মুযযাম্মিল, আয়াত : ৪)।

তাজবিদ সহকারে কুরআন পড়া আল্লাহ পাকের নির্দেশ। আর শুদ্ধরূপে কুরআন শিক্ষার মাহাত্ম্য অনেক। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন—

خَيْرُكُمْ مَنْ تَعَلَّمَ الْقُرْاٰنَ وَعَلَّمَهٗ

অর্থ : তোমাদের মধ্যে সে ব্যক্তি উত্তম যে নিজে কুরআন শিক্ষা করে এবং অপরকে তা শিক্ষা দেয় (বুখারি)।

সুতরাং আমরা তাজবিদ সহকারে নিয়মিত কুরআন তিলাওয়াত করব।

Printed page 48

Loading the rest of the chapter…

Textbook content © National Curriculum and Textbook Board (NCTB), Bangladesh. Shown for study.

Trusted resources

Official links checked by the Zntext team. Part of the context pack.