Skip to content

Islamic Studies chapter 4: Akhlaq

আখলাক (اَلْأَخْلَاقُ)

  • Islamic Studies
  • Textbook pages 78-97
  • 1 source
  • 31,597 characters of context

Textbook (verbatim transcription): Akhlaq

Verbatim transcription of the printed NCTB textbook pages.

Contents16

Printed page 78

চতুর্থ অধ্যায়

আখলাক (اَلْأَخْلَاقُ)

মহান আল্লাহ মানুষকে পৃথিবীতে সৃষ্টির সেরা হিসেবে পাঠিয়েছেন। মানুষের এই শ্রেষ্ঠত্বের মর্যাদা বজায় রাখতে হলে প্রয়োজন সুন্দর আচার-আচরণ। মানুষের দৈনন্দিন কাজকর্মের মাধ্যমে যেসব আচার-ব্যবহার, চালচলন এবং স্বভাবের প্রকাশ ঘটে সেসবের সমষ্টিই আখলাক। এটি শুধু মানুষের সাথেই সীমাবদ্ধ নয়। বরং জীবজন্তু, পশুপাখি, গাছপালা ও পরিবেশের সাথেও সুন্দর আচরণ প্রয়োজন।

মানুষ সামাজিক জীব। পরিবার এবং সমাজবদ্ধ হয়ে বাস করে। কখনো আখলাক (আচরণ) প্রশংসনীয় হয় আবার কখনো নিন্দনীয় হয়। প্রশংসনীয় আচরণকে আখলাকে হামিদাহ্ বা সচ্চরিত্র বলে। আর নিন্দনীয় আচরণকে আখলাকে যামিমাহ্ বলে।

আখলাকে হামিদাহ্ বা প্রশংসনীয় আচরণগুলো হলো সত্যবাদিতা, পিতামাতার প্রতি উত্তম ব্যবহার, শিক্ষকদের সম্মান করা, আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী, সহপাঠীদের সাথে সদাচরণ, বড়োদের প্রতি শ্রদ্ধা ও ছোটোদের প্রতি স্নেহ ইত্যাদি।

আখলাকে যামিমাহ্ বা নিন্দনীয় আচরণগুলো হলো মিথ্যা কথা বলা, পরনিন্দা করা, আমানতের খিয়ানত করা, গালি দেওয়া, আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা ইত্যাদি। প্রতিটি মানুষের আখলাকে হামিদাহ্ অর্জন ও আখলাকে যামিমাহ্ বর্জন করা উচিত। আমরা আখলাকে হামিদাহ্ অর্জন করব এবং আখলাকে যামিমাহ্ বর্জন করব।

এ অধ্যায় শেষে আমরা—

  • আখলাকের ধারণা বর্ণনা করতে পারব;
  • সদাচরণের ধারণা ও কতিপয় সদাচরণের গুরুত্ব ইসলামের দৃষ্টিতে ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • কতিপয় অসদাচরণের ধারণা, পরিণতি এবং এগুলো পরিহারের উপায় ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • ধূমপান ও মাদকাসক্তির ধারণা ও কুফল বর্ণনা করতে পারব;
  • বাস্তব জীবনে সদাচরণে আগ্রহী হবো, অসদাচরণ থেকে নিজেকে বিরত রাখতে উদ্বুদ্ধ হবো এবং নিকটতম ব্যক্তিদেরও বিরত থাকতে অনুপ্রাণিত করব;
  • ধূমপান ও মাদকাসক্তিজনিত সামাজিক ক্ষতি এবং স্বাস্থ্য ঝুঁকি এড়িয়ে চলতে আগ্রহী হবো।

Printed page 79

পাঠ ১

আখলাকে হামিদাহ্ (اَلْأَخْلَاقُ الْحَمِيدَةُ)

আখলাকে হামিদাহ্ বা প্রশংসনীয় আচরণ মানুষের জীবনে খুবই প্রয়োজন। সুন্দর আচরণের মাধ্যমে মানুষে মানুষে বন্ধুত্ব তৈরি হয়। সুসম্পর্ক ও সৌহার্দ ভাব বজায় থাকে। পারস্পরিক লেনদেন সহজতর হয়। জীবন হয়ে ওঠে মধুময়। তাই সচ্চরিত্রের গুরুত্ব সম্পর্কে মহানবি (স.) বলেন, 'কিয়ামতের দিন দাঁড়িপাল্লায় সবচেয়ে ভারী জিনিস হবে মুমিনের উত্তম চরিত্র' (তিরমিযি)।

মহানবি (স.) আরও বলেছেন, 'তোমাদের মধ্যে ঐ ব্যক্তি আমার নিকট সবচেয়ে প্রিয় যার চরিত্র উত্তম' (বুখারি ও মুসলিম)।

মহান আল্লাহ মানুষকে অসংখ্য নিয়ামত দান করেছেন। এগুলোর মধ্যে সচ্চরিত্র একটি উত্তম নিয়ামত। সচ্চরিত্র শিক্ষার জন্য সর্বোত্তম আদর্শ হচ্ছেন আমাদের প্রিয় নবি হযরত মুহাম্মদ (স.)। পরিপূর্ণ সচ্চরিত্রের প্রতীক ছিলেন তিনি। এ সম্পর্কে আল্লাহ বলেন—

لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِي رَسُولِ اللهِ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ

অর্থ : অবশ্যই তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসুলের জীবনে রয়েছে উত্তম আদর্শ (সূরা আল-আহযাব, আয়াত : ২১)।

মহানবি (স.)-এর চরিত্রের মধ্যে সদাচরণের গুণগুলো পরিপূর্ণভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। এ সম্পর্কে রাসুল (স.) ঘোষণা করেন—

إِنَّمَا بُعِثْتُ لِأُتَمِّمَ مَكَارِمَ الْأَخْلَاقِ

অর্থ : আমি উত্তম চারিত্রিক গুণাবলি পরিপূর্ণ করার উদ্দেশ্যেই প্রেরিত হয়েছি (মুসনাদে আহমাদ)।

আমাদের জন্য মহানবি (স.)-এর সমগ্র জীবনই উত্তম অনুকরণীয় আদর্শ। আমরা মহানবি (স.)-এর জীবন অনুসরণ করে নিজেদের জীবনকে সুন্দর করে গড়ে তুলব।

কাজ : শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে কয়েকটি দলে ভাগ হয়ে ভালো অভ্যাস ও মন্দ অভ্যাসের তালিকা বা চার্ট তৈরি করে শিক্ষককে দেখাবে।

Printed page 80

পাঠ ২

সত্যবাদিতা (اَلصِّدْقُ)

সত্যবাদিতার আরবি প্রতিশব্দ হলো সিদক (صِدْقٌ)। এর অর্থ হলো সততা, সত্যবাদিতা, সত্য কথা বলা, সত্য সাক্ষ্য দেওয়া ইত্যাদি। বাস্তব বা প্রকৃত ঘটনা যথাযথ প্রকাশ করাকে সত্যবাদিতা বলে। যে ব্যক্তির মধ্যে এ মহৎগুণ আছে তাকে বলে সাদিক (صَادِقٌ) বা সত্যবাদী। যে সত্য কথা বলে তাকে সবাই ভালোবাসে ও সম্মান করে। সত্যবাদী দুনিয়াতে যেমন সম্মানের অধিকারী হন তেমনিভাবে আখিরাতেও পরম সুখ লাভ করবেন। আমাদের প্রিয় নবি (স.) বাল্যকাল থেকে সকলের নিকট সত্যবাদী এবং বিশ্বাসী বলে প্রসিদ্ধ ছিলেন। তাই সবাই তাঁকে আল-আমিন বলে ডাকত এবং সম্মান করত। তিনি জীবনে মিথ্যা কথা বলেননি। প্রাণের শত্রুও তাঁকে মিথ্যাবাদী বলতে পারেনি। যে সত্য কথা বলে না তাকে কেউ বিশ্বাস করে না। মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স.) সত্যবাদিতা সম্পর্কে বলেন—

فَإِنَّ الصِّدْقَ طُمَأْنِينَةٌ وَإِنَّ الْكَذِبَ رِيبَةٌ

অর্থ : সত্য হলো প্রশান্তি এবং মিথ্যা হলো সংশয় (তিরমিযি)।

সত্যবাদিতার উপকারিতা সম্পর্কে নবি করিম (স.) আরও বলেন, 'তোমাদের অবশ্যই সত্যবাদী হওয়া উচিত। কেননা সত্যবাদিতা মানুষকে পুণ্যের পথে পরিচালিত করে, আর পুণ্য বেহেশতের পথে পরিচালিত করে।' (বুখারি ও মুসলিম) পবিত্র কুরআনুল করিমে সত্যবাদীকে জান্নাত (বেহেশত) দানের কথা বলা হয়েছে—

هٰذَا يَوْمُ يَنْفَعُ الصّٰدِقِيْنَ صِدْقُهُمْ ۥ لَهُمْ جَنّٰتٌ تَجْرِيْ مِنْ تَحْتِهَا الْاَنْهٰرُ خٰلِدِيْنَ فِيْهَآ اَبَدًا ۙ

অর্থ : এই তো সেদিন—যেদিন সত্যবাদীগণ তাদের সততার জন্য উপকৃত হবে। তাদের জন্য রয়েছে জান্নাত। যার পাদদেশে নদীসমূহ প্রবাহিত, তারা সেখানে চিরস্থায়ী হবে (সূরা আল-মায়িদা, আয়াত : ১১৯)।

বড়পীর হযরত আব্দুল কাদির জিলানি (র.)-এর জীবনে সত্যবাদিতা সম্পর্কে একটি বাস্তব উদাহরণ পাওয়া যায়। তখন তিনি অল্পবয়স্ক বালক। শিক্ষা গ্রহণের জন্য তিনি বাগদাদ রওয়ানা হলেন। গমনের সময় মা তাঁকে সর্বদা সত্য কথা বলার আদেশ করেন। পথিমধ্যে একদল ডাকাত তাদের কাফেলার উপর হামলা করে। ডাকাত দল একে একে কাফেলার সকলকে তল্লাশি চালায়। তল্লাশির সময় বালক আব্দুল কাদিরকে জিজ্ঞাসা করল যে হে বালক, 'তোমার কাছে কিছু আছে কি?' তিনি নির্ভয়ে উত্তর দিলেন, 'চল্লিশটি স্বর্ণমুদ্রা আছে।' তাঁর কথা যাচাইয়ের জন্য ডাকাত সর্দার ধমক দিয়ে বলল, 'কোথায় স্বর্ণমুদ্রা? আমাদের তা দেখাও।' তিনি তার জামার আস্তিনে সেলাই করা অবস্থায় ডাকাতদের তা বের করে দেখালেন। ডাকাতরা তাঁর সততা দেখে অবাক হয়ে বলল, 'এরূপ লুকানো স্বর্ণমুদ্রা আমরা খুঁজে পেতাম না, তুমি কেন বললে?' তিনি বললেন, 'আপনারা জিজ্ঞাসা করায় আমি সত্য কথা বলে দিয়েছি। কারণ আমার মা আমাকে সর্বদা সত্য কথা বলতে বলেছেন।'

Printed page 81

ডাকাতরা বালক আব্দুল কাদিরের সততায় মুগ্ধ হয়ে নিজেদের পাপকর্ম সম্পর্কে অনুশোচনা করল। তারা ডাকাতি ছেড়ে দিয়ে সৎ পথে চলার প্রতিজ্ঞা করল। সত্যবাদিতা এভাবেই মানুষকে মুক্তি ও কল্যাণের পথ দেখায়।

আমাদের প্রতিজ্ঞা : সদা সত্য কথা বলব।

[শিক্ষক শিক্ষার্থীদের এরূপ আরও ছোটো ঘটনা বলে শুনাবে এবং তাদের এরূপ আরও ছোটো ছোটো ঘটনা বলার জন্য উদ্বুদ্ধ করবে ।]

কাজ : যদি বালক আব্দুল কাদির সত্য গোপন করত তাহলে কী ক্ষতি হতে পারত। শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে খাতায় লিখে দেখাবে।

পাঠ ৩

পিতামাতার প্রতি কর্তব্য

সুন্দর পৃথিবীতে পিতামাতা আমাদের সবচেয়ে আপনজন। আমাদের জীবনে তাঁদের অবদান সবচেয়ে বেশি। জন্মের সময় আমরা ছিলাম অসহায়। আমরা নিজেদের প্রয়োজনের কথাও বলতে পারতাম না। পিতামাতা বুক ভরা স্নেহ-মমতা দিয়ে লালনপালন করে আমাদের বড়ো করে তোলেন। অসুখে-বিসুখে দিনরাত কষ্ট করে সেবাযত্ন করেন। সুশিক্ষার ব্যবস্থা করেন। পিতামাতা আমাদের জন্য আল্লাহর সেরা দান। তাঁরা সর্বদা আমাদের কল্যাণ কামনা করেন। পিতামাতার চেয়ে আপনজন পৃথিবীতে আর কেউ নেই। সুতরাং এরূপ কল্যাণকামী পিতামাতার প্রতি আমাদেরও কিছু দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে।

কর্তব্য

পিতামাতার আদেশ-নিষেধ পালন সন্তানের জন্য ওয়াজিব (কর্তব্য)। সেই সাথে পিতামাতার সেবা-যত্ন করাও আমাদের কর্তব্য। এ সম্পর্কে পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেন—

وَقَضٰى رَبُّكَ اَلَّا تَعْبُدُوْٓا اِلَّآ اِيَّاهُ وَبِالْوَالِدَيْنِ اِحْسَانًا ۤ

অর্থ : তোমার প্রতিপালক নির্দেশ দিয়েছেন যে, তোমরা তাকে ছাড়া অন্য কারো ইবাদত করবে না এবং পিতামাতার সাথে সদ্ব্যবহার করবে (সূরা বনি ইসরাইল, আয়াত : ২৩)।

পিতামাতা বৃদ্ধ হলে সন্তান তাঁদেরকে অধিকতর সেবাযত্ন করবে। তাঁদেরকে ধমক দেবে না বা মনে কষ্ট পায় এরূপ কোনো কথা বা কাজ করবে না। তাঁদের সাথে উত্তম ও সম্মানজনক ভাষায় কথা বলবে। এ সম্পর্কে আল্লাহ বলেন—

اِمَّا يَبْلُغَنَّ عِنْدَكَ الْكِبَرَ اَحَدُهُمَآ اَوْ كِلٰهُمَا فَلَا تَقُلْ لَّهُمَآ اُفٍّ وَّلَا تَنْهَرْهُمَا وَقُلْ لَّهُمَا قَوْلًا كَرِيْمًا ۝

অর্থ : যদি পিতামাতার একজন অথবা উভয়ে তোমার নিকট বার্ধক্যে উপনীত হয়, তবে তাঁদের প্রতি তুমি বিরক্তিসূচক শব্দ 'উহ্' উচ্চারণ করো না এবং তাঁদেরকে ধমক দিও না। তাঁদের সাথে সম্মানজনক ভাষায় কথা বলো (সূরা বনি ইসরাইল, আয়াত : ২৩)।

Printed page 82

তাঁদের উদ্দেশ্যে সর্বদা আল্লাহর নিকট আমাদের এই দোয়া করা উচিত—

رَبِّ ارْحَمْهُمَا كَمَا رَبَّيٰنِيْ صَغِيْرًاۭ

অর্থ : হে আমার প্রতিপালক, তুমি আমার পিতামাতার প্রতি তেমনি সদয় হও! যেমনিভাবে তাঁরা আমাকে শৈশবে (আদরযত্নে) লালনপালন করেছেন (সূরা বনি ইসরাইল, আয়াত : ২৪)।

পিতামাতার ভরণপোষণের দায়িত্ব পালন করা সন্তানের উপর কর্তব্য। এ সম্পর্কে মহান আল্লাহ বলেন—

قُلْ مَآ اَنْفَقْتُمْ مِّنْ خَيْرٍ فَلِلْوَالِدَيْنِ وَ الْاَقْرَبِيْنَ

অর্থ : বলুন, যে ধন-সম্পদ তোমরা ব্যয় করবে, তা পিতা-মাতা ও আত্মীয়-স্বজনের জন্য (সূরা আল-বাকারা, আয়াত : ২১৫)।

বার্ধক্য অবস্থায় কিংবা অন্য কোন কারণে পিতামাতা আর্থিকভাবে অসহায় হলে তাদের ভরণ-পোষণ দেওয়া সন্তানের জন্য কর্তব্য। আমাদের দেশে এ বিষয়ে 'পিতামাতার ভরণপোষণ আইন ২০১৩' নামে একটি আইন রয়েছে। এ আইনে পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ নিশ্চিত করা, সন্তানকে পিতা-মাতার সাথে একই স্থানে বসবাস করা, তাদের স্বাস্থ্য সম্পর্কে নিয়মিত খোঁজ খবর রাখা এবং তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা ও পরিচর্যা করা সন্তানের ওপর বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

পিতামাতার প্রতি সদ্ব্যবহার করা আমাদের কর্তব্য। রাসুলুল্লাহ (স.) যুদ্ধে যাওয়ার অনুমতি চাওয়া এক সাহাবিকে বলেন-

فَالْزَمْهَا فَاِنَّ الْجَنَّةَ تَحْتَ رِجْلَيْهَا

অর্থ : তুমি তোমার মায়ের সাথে থাকো। কেননা জান্নাত তার পায়ের নিচে (নাসাঈ)।

মহানবি (স.) আরও বলেছেন, 'পিতার সন্তুষ্টিতে আল্লাহর সন্তুষ্টি, পিতার অসন্তুষ্টিতে আল্লাহর অসন্তুষ্টি' (তিরমিযি)।

পিতামাতার প্রতি যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করলে দুনিয়া ও আখিরাতে সফলতা লাভ করা যায়।

পিতামাতা আমাদের জন্য আল্লাহর শ্রেষ্ঠ নিয়ামত। আমরা তাঁদের সাথে সদ্ব্যবহার করব। তাঁদের অবাধ্য হবো না। তাঁদের জন্য দোয়া করব।

কাজ : শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীরা কয়েকটি দলে ভাগ হয়ে পিতামাতার প্রতি কী কী কর্তব্য রয়েছে তার একটি তালিকা তৈরি করবে।

Printed page 83

Loading the rest of the chapter…

Textbook content © National Curriculum and Textbook Board (NCTB), Bangladesh. Shown for study.

Trusted resources

Official links checked by the Zntext team. Part of the context pack.