Islamic Studies chapter 5: Ideal Life Stories
আদর্শ জীবনচরিত
- Islamic Studies
- Textbook pages 98-112
- 1 source
- 28,622 characters of context
Textbook (verbatim transcription): Ideal Life Stories
Verbatim transcription of the printed NCTB textbook pages.
Contents41ShowHide
- আদর্শ জীবনচরিত
- পাঠ ১
- মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর জীবনাদর্শ
- আরবের অবস্থা
- জন্ম ও পরিচয়
- মহানবির চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য ও পাদ্রি বুহাইরার ভবিষ্যদ্বাণী
- শান্তি প্রতিষ্ঠায় মহানবি (স.)
- নবুয়তপ্রাপ্তি ও আরবের লোকদের প্রতিক্রিয়া
- পাঠ ২
- হযরত আবু বকর (রা.)-এর জীবনাদর্শ
- পরিচয়
- ইসলাম গ্রহণ
- চরিত্র ও গুণাবলি
- ইসলাম প্রচার
- মদিনায় হিজরত
- খলিফা নির্বাচন
- ওফাত
- পাঠ ৩
- হযরত উমর ফারুক (রা.)-এর জীবনাদর্শ
- পরিচয়
- ইসলাম গ্রহণ
- খলিফা নির্বাচন
- শাসনব্যবস্থা
- চারিত্রিক গুণাবলি
- শাহাদতবরণ
- পাঠ ৪
- হযরত খাদিজা (রা.)-এর জীবনাদর্শ
- পরিচয়
- হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর সঙ্গে পরিচয় ও বিবাহ
- সন্তান-সন্ততি
- ইসলাম গ্রহণ
- চারিত্রিক গুণাবলি
- শ্রেষ্ঠত্ব
- পাঠ ৫
- জন্ম ও পরিচয়
- শৈশবকাল
- অবদান
- পাঠ ৬
- অনুশীলনী
- সৃজনশীল প্রশ্ন
- সংক্ষিপ্ত–উত্তর প্রশ্ন
Printed page 98
পঞ্চম অধ্যায়
আদর্শ জীবনচরিত
আদর্শ জীবন বলতে বোঝায় যে জীবন অনুসরণ করলে জীবন সুন্দর ও সুগঠিত হয়। পৃথিবীতে এমন অনেক মহৎ ব্যক্তির আবির্ভাব ঘটেছে যাঁদের জীবনচরিত অন্যের জন্য আদর্শ। সুতরাং বাস্তব জীবনে এসব মনীষীর সমাজসেবামূলক কাজ, অসাম্প্রদায়িক দৃষ্টিভঙ্গি, আত্মত্যাগ, ক্ষমা, পরমতসহিষ্ণুতা ও দেশপ্রেমসহ অন্যান্য গুণ অনুসরণ ও অনুকরণ করলে সুন্দর সুশৃঙ্খল ও সফল জীবন লাভ করা যায়।
এ অধ্যায় শেষে আমরা—
- আদর্শ জীবনচরিতের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব;
- মহানবি (স.)-এর পরিচয়, সততা, বিশ্বস্ততা, সমাজসেবা, শান্তি প্রতিষ্ঠা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও তাঁর অন্যান্য চারিত্রিক গুণাবলি বর্ণনা করতে পারব;
- পরিচয়সহ হযরত আবু বকর (রা.)-এর দানশীলতা, ত্যাগ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় তাঁর অবদান বর্ণনা করতে পারব;
- সাম্য, গণতান্ত্রিক চেতনাবোধ, দেশপ্রেম ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় হযরত উমর ফারুক (রা.)-এর অবদান উল্লেখ করতে পারব;
- হযরত খাদিজা (রা.)-এর পরিচয়, দানশীলতা, সহমর্মিতাসহ তাঁর চারিত্রিক মাধুর্য ও শ্রেষ্ঠত্ব বর্ণনা করতে পারব;
- হযরত ইমাম আবু হানিফা (র.)-এর পরিচয়, ফিকাহশাস্ত্রে তাঁর অবদান বর্ণনা করতে পারব;
- হযরত আব্দুল কাদির জিলানী (র.)-এর পরিচয়, মানবপ্রেমসহ তাঁর চরিত্রের মহৎ গুণাবলি ব্যাখ্যা করতে পারব।
পাঠ ১
মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর জীবনাদর্শ
আরবের অবস্থা
হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর জন্মের সময় আরবের সামাজিক অবস্থা ছিল ভয়াবহ ও জঘন্য। আরবের লোকেরা ছিল নানা পাপে লিপ্ত। মারামারি, কাটাকাটি, ঝগড়া-বিবাদ, চুরি, ডাকাতি, হত্যা, লুণ্ঠন, দুর্নীতি ও অরাজকতা করে তাদের জীবন চলত। তারা এক আল্লাহর পরিবর্তে বিভিন্ন দেব-দেবীর পূজা করত। সমগ্র আরবদেশ বর্বরতা ও প্রকৃতি পূজায় নিমজ্জিত ছিল। কাব্যচর্চা, গান ও বাগ্মীতায় অগ্রসর থাকলেও নৈতিক চরিত্রে আরব সমাজ পিছিয়ে পড়েছিল। হাটে-বাজারে পণ্যের মতো মানুষ বেচাকেনা হতো। এদের জীবন-মৃত্যু মনিবের খেয়ালখুশির উপর নির্ভর করত। মনিবরা এদের প্রতি অমানুষিক নির্যাতন চালাত। ব্যতিক্রম ছাড়া সাধারণভাবে নারীদের অবস্থা ছিল খুবই করুণ। নারীদের কোনো সামাজিক মর্যাদা বা অধিকার ছিল না। এমনকি সে সময় জীবন্ত মেয়ে শিশুদের গর্তে ফেলে মাটি চাপা দেওয়া হতো। এরূপ অবস্থায় আল্লাহ তায়ালা মানুষকে সঠিক পথে পরিচালনা করার জন্য হযরত মুহাম্মদ (স.)-কে পাঠান। তাঁর আগেও পৃথিবীতে আরও অনেক নবি-রাসুল এসেছেন। আমাদের নবি হলেন সর্বশেষ নবি। সকল নবির সেরা নবি, বিশ্বনবি।
Printed page 99
জন্ম ও পরিচয়
হযরত মুহাম্মদ (স.) আমাদের প্রিয় নবি। তিনি ৫৭০ খ্রিষ্টাব্দের ২০শে এপ্রিল রবিউল আউয়াল মাসের ১২ তারিখ সোমবার মক্কায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম আব্দুল্লাহ এবং মাতার নাম আমিনা। তিনি মাতৃগর্ভে থাকতেই তাঁর পিতা আব্দুল্লাহ মৃত্যুবরণ করেন। জন্মগ্রহণের পর তাঁর নাম রাখা হয় মুহাম্মদ ও আহমাদ।
মহানবির চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য ও পাদ্রি বুহাইরার ভবিষ্যদ্বাণী
আরবদের বনু সা'দ গোত্রের মেয়ে ধাত্রী হালিমার উপর শিশু মুহাম্মদের লালনপালনের দায়িত্ব পড়ে। তিনি পাঁচ বছর বয়স পর্যন্ত তাঁকে নিজের সন্তানের মতো স্নেহ-মমতায় লালনপালন করেন। এরপর মুহাম্মদ (স.) মা আমিনার কোলে ফিরে আসেন। তিনি মা আমিনার সীমাহীন আদরযত্নে বড় হতে লাগলেন। কিন্তু তাঁর কপালে এ আদরও বেশিদিন জুটল না। তাঁর মাও মৃত্যুবরণ করেন। তখন তাঁর বয়স ছিল মাত্র ছয় বছর। অল্প বয়সেই তিনি পিতামাতা উভয়কে হারিয়ে ইয়াতিম হয়ে যান। বিশ্বের বুকে তিনি তখন একা, নিঃসঙ্গ ও অসহায় বালক। উম্মে আয়মান নামক একজন পরিচারিকা তাঁকে দাদা আব্দুল মুত্তালিবের হাতে তুলে দেন। দাদা অত্যন্ত আদরযত্নে তাঁকে লালনপালন করতে থাকেন। তাঁর বয়স যখন আট বছর তখন দাদাও তাঁকে ছেড়ে পরলোকগমন করেন। এবার তিনি চাচা আবু তালিবের হাতে বড় হতে থাকেন। চাচার সংসারে ছিল অভাব-অনটন। তিনি চাচার ব্যবসায়িক কাজে সহযোগিতা করতেন ও মেষ চরাতেন। চারিত্রিক সকল ভালো গুণ তাঁর মধ্যে পরিলক্ষিত হয়। তিনি অহংকার, অপব্যয়, অর্থহীন ও অনৈতিক কথা থেকে নিজেকে মুক্ত রাখতেন এবং তিনি অন্যের দোষ খোঁজা ও কাউকে লজ্জা দেওয়া থেকেও বিরত থাকতেন। সর্বদা মানুষের সাথে হাসিখুশি কথা বলতেন। অন্যের ব্যথায় ব্যথিত হতেন। মানবতার কল্যাণে নিজের সম্পদ অকাতরে ব্যয় করতেন। তিনি ছিলেন সত্যবাদী। তাঁকে আপন-পর সকলেই আল-আমিন (বিশ্বাসী) উপাধিতে ভূষিত করেন। এক কথায় তিনি পৃথিবীর সকল প্রাণী ও জীবজন্তুর উপকারী বন্ধু ছিলেন।
হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর বয়স যখন ১২ বছর ২ মাস ১০ দিন তখন চাচা আবু তালিবের সাথে ব্যবসার উদ্দেশ্যে সিরিয়া রওয়ানা হলেন। তিনি বসরায় পৌঁছলে বুহাইরা (জারজিস) নামক একজন খ্রিষ্টান পাদ্রির সাথে দেখা হয়। তিনি মুহাম্মদ (স.)-কে চিনতে পেরে বলেন, ইনিই শেষ জামানার নবি ও সর্বশ্রেষ্ঠ রাসুল। পাদ্রি আবু তালিবকে বলেন, ওকে মক্কায় ফেরত পাঠিয়ে দেন, ইহুদিরা তাঁর ক্ষতি করতে পারে। এ পরামর্শ অনুযায়ী চাচা আবু তালিব কয়েকজন ভৃত্যের সঙ্গে প্রিয় ভাতিজাকে মক্কায় পাঠিয়ে দেন।
শান্তি প্রতিষ্ঠায় মহানবি (স.)
ওকাজ মেলায় জুয়া খেলাকে কেন্দ্র করে ফিজার যুদ্ধ শুরু হয়। তা একটানা পাঁচ বছর চলতে থাকে। এতে অনেক লোকের প্রাণহানি ঘটে। মহানবি (স.) এসব হানাহানি ও রক্তারক্তি অবস্থা দেখে ব্যথিত হলেন। কীভাবে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা যায়, তা নিয়ে চিন্তা করতে লাগলেন। অবশেষে তিনি শান্তিকামী কয়েকজন যুবককে নিয়ে 'হিলফুল ফুযুল' নামে একটি শান্তিসংঘ গঠন করেন। এর মাধ্যমে তিনি তৎকালীন আরবের চলমান হিংসা-বিদ্বেষ, মারামারি ও হানাহানি বন্ধ করতে আপ্রাণ চেষ্টা করেন। তাঁর এ প্রচেষ্টার ফলে সমাজে কিছুটা শান্তি ফিরে আসে। সকল মানুষের মধ্যে পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব ও গোত্রে গোত্রে সম্প্রীতি সৃষ্টি হয় এবং তাঁর সুখ্যাতি চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে আপন-পর সকলেই তাঁকে আল-আমিন (বিশ্বাসী) উপাধিতে ভূষিত করেন।
Printed page 100
কুরাইশগণ বহুদিনের পুরাতন কাবা ঘর সংস্কারের কাজ হাতে নিল। কাবা ঘর সংস্কারের কাজ সমাপ্ত হলো। কিন্তু পবিত্র হাজরে আসওয়াদ (কালো পাথর) স্থাপন করা নিয়ে তাঁদের মধ্যে ঝগড়ার সৃষ্টি হলো। এ ঝগড়া বিভিন্ন গোত্রে ছড়িয়ে পড়ল। প্রত্যেকেই এ পাথর স্থাপনের মতো মহৎ কাজের অংশীদার হতে চাইল। কেউ ছাড় দিতে রাজি হলো না। তাই গোত্রসমূহের মধ্যে যুদ্ধের প্রস্তুতি শুরু হলো। অবশেষে সিদ্ধান্ত হলো আগামী দিন সকালবেলা সবার আগে যিনি কাবা ঘরে প্রবেশ করবেন তিনিই এ বিবাদ মীমাংসা করবেন। তিনি যা সিদ্ধান্ত দেবেন সকলেই তা মেনে নেবে। সকালবেলা দেখা গেল হযরত মুহাম্মদ (স.) সবার আগে কাবা ঘরে প্রবেশ করেছেন। এটা দেখে সকলেই আনন্দ প্রকাশ করল এবং বলে উঠল, 'আল-আমিন এসেছেন, সঠিক সিদ্ধান্ত হবে।' হযরত মুহাম্মদ (স.) একখানা চাদর বিছিয়ে নিজ হাতে পাথরটি চাদরের মাঝখানে রাখলেন। তারপর সকল গোত্রের সরদারকে ডেকে চাদর ধরতে বললেন। তারা সকলে মিলে চাদরটি বহন করে যথাস্থানে নিয়ে গেল, হযরত মুহাম্মদ (স.) নিজ হাতে পাথরখানা কাবার দেয়ালে বসিয়ে দিলেন। ফলে জাতি একটি ভয়াবহ যুদ্ধ হতে বেঁচে গেল এবং সকলে পাথরটি বহনের সম্মান পেয়ে খুশি হলেন।
নবুয়তপ্রাপ্তি ও আরবের লোকদের প্রতিক্রিয়া
হযরত মুহাম্মদ (স.) শৈশবকাল হতেই মানুষের মুক্তি ও শান্তির কথা ভাবতেন। যুবক বয়সে তাঁর এ ভাবনা আরও গভীর হতে থাকে। হযরত খাদিজা (রা.)-এর সাথে বিবাহের পর তিনি সাধনা ও ধ্যান আরও বাড়িয়ে দেন। তিনি মক্কার অদূরে হেরা গুহায় গভীর ধ্যানে মগ্ন থাকতেন। তিনি সর্বদা চিন্তা করতেন, কীভাবে মানবজাতিকে মূর্তিপূজা, অগ্নিপূজা ও শিরক হতে মুক্ত করবেন ও এক আল্লাহর পথে নিয়ে আসবেন। এভাবে তিনি হেরা গুহায় প্রায় ১৫ বছর ধ্যানমগ্ন থাকেন। মাঝে মাঝে বাড়ি আসতেন, আবার হেরা গুহায় গিয়ে ধ্যানে মগ্ন হতেন। অবশেষে ৪০ বছর বয়সে ৬১০ খ্রিষ্টাব্দে পবিত্র রমযান মাসের ২৭ তারিখ তিনি নবুয়ত লাভ করেন।
নবুয়ত লাভের পর তিনি লোকদের এক আল্লাহর প্রতি দাওয়াত দেন। মক্কার কাফিররা তাতে বাধা দেয়। তাই তিনি গোপনে ইসলামের পথে দাওয়াতের কাজ চালিয়ে যান। আরবের প্রভাবশালী মহল সবসময় তাঁর কাজের বিরোধিতা করতে থাকে। তারা হযরত মুহাম্মদ (স.) ও তাঁর অনুসারিদের নানাভাবে নির্যাতন করতে থাকে। হযরত মুহাম্মদ (স.) অত্যন্ত ধৈর্যসহকারে তাদের অত্যাচার সহ্য করেন এবং নীরবে এক আল্লাহর আনুগত্য ও ইবাদতের প্রতি মানুষকে আহবান করতে থাকেন। হযরত মুহাম্মদ (স.) আরব সমাজের কুসংস্কার দূর করে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা করেন।
Printed page 101
পাঠ ২
হযরত আবু বকর (রা.)-এর জীবনাদর্শ
পরিচয়
হযরত আবু বকর (রা.) ছিলেন ইসলামের প্রথম খলিফা। তিনি মক্কার প্রসিদ্ধ কুরাইশ বংশের তায়িম গোত্রে ৫৭৩ খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাল্য নাম আব্দুল্লাহ, উপাধি সিদ্দিক ও আতিক। পিতার নাম উসমান, ডাকনাম আবু কুহাফা এবং মাতার নাম সালমা, ডাকনাম উম্মুল খায়ের। তাঁরা হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর হাতে ইসলাম গ্রহণ করেন। হযরত আবু বকর (রা.) ছিলেন বয়সের দিক থেকে হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর চেয়ে তিন বছরের ছোট। মহানবি (স.)-এর প্রায় সমবয়সী হওয়ায় হযরত আবু বকর (রা.)-এর সাথে তাঁর গভীর বন্ধুত্ব ছিল। তিনি উম্মুল মুমিনিন হযরত আয়েশা (রা.)-এর পিতা ও হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর শ্বশুর।
ইসলাম গ্রহণ
পুরুষদের মধ্যে সর্বপ্রথম ইসলাম গ্রহণ করেন হযরত আবু বকর (রা.)। তিনি রাসুল (স.)-কে খুব বিশ্বাস করতেন। একদা তিনি ব্যবসার উদ্দেশ্যে ইয়ামেনে গমন করেন। মক্কায় ফিরে শুনলেন হযরত মুহাম্মদ (স.) নবি দাবি করছেন এবং ইসলাম ধর্ম প্রচার করছেন। তিনি রাসুল (স.)-এর দরবারে হাজির হয়ে কালিমায়ে শাহাদাত পাঠ করে ইসলাম গ্রহণ করেন।
Loading the rest of the chapter…
Textbook content © National Curriculum and Textbook Board (NCTB), Bangladesh. Shown for study.
Trusted resources
Official links checked by the Zntext team. Part of the context pack.