Science chapter 14: Environmental Balance and Our Life
পরিবেশের ভারসাম্য ও আমাদের জীবন
- Science
- Textbook pages 124-132
- 1 source
- 16,490 characters of context
Textbook (verbatim transcription): Environmental Balance and Our Life
Verbatim transcription of the printed NCTB textbook pages.
Contents13ShowHide
- পাঠ - ১ : প্রাকৃতিক পরিবেশ
- পাঠ - ২ : পরিবেশের উপাদান
- পাঠ ৩-৪ : পরিবেশের জড় ও জীব উপাদান
- পরিবেশে উদ্ভিদ ও প্রাণী
- পাঠ ৫-৬ : পরিবেশের ভারসাম্য
- ডাইনোসরের বিলুপ্তির কারণ
- পাঠ ৭-৮ : পরিবেশের উপাদানের আন্তঃসম্পর্ক এবং পারস্পরিক নির্ভরশীলতা
- পাঠ ৯-১০ : পরিবেশের বিভিন্ন উপাদান সংরক্ষণের কৌশল
- এই অধ্যায়ে আমরা যা শিখলাম
- নমুনা প্রশ্ন
- বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
- সৃজনশীল প্রশ্ন
- সংক্ষিপ্ত উত্তর প্রশ্ন
Printed page 124
চতুর্দশ অধ্যায়: পরিবেশের ভারসাম্য ও আমাদের জীবন
তোমরা জান, আমাদের চারপাশের সবকিছু নিয়েই এই পরিবেশ। একটি স্থানের সকল জড় ও জীব নিয়েই সেখানকার পরিবেশ গঠিত হয়। পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন ধরনের পরিবেশ তুমি দেখতে পাবে। পরিবেশের এই বিভিন্নতার কারণে বিভিন্ন অঞ্চলের জীবও বিভিন্ন ধরনের হয়। তোমরা জান জীবের মধ্যে রয়েছে সকল উদ্ভিদ ও প্রাণী। একটি পরিবেশে কোন ধরনের উদ্ভিদ ও প্রাণী বসবাস করবে তা নির্ভর করে সেখানকার পরিবেশের বিভিন্ন উপাদানের উপরে। পরিবেশের বিভিন্ন উপাদান মানুষসহ অন্যান্য সকল জীবকে প্রভাবিত করে।
এই অধ্যায় শেষে আমরা
- প্রাকৃতিক পরিবেশ ব্যাখ্যা করতে পারব।
- পরিবেশের উপাদানসমূহ ব্যাখ্যা করতে পারব।
- পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় পরিবেশের উপাদানসমূহের আন্তঃসম্পর্ক ব্যাখ্যা করতে পারব।
- পরিবেশের উপাদানসমূহের সংরক্ষণের কৌশল ব্যাখ্যা করতে পারব।
পাঠ - ১ : প্রাকৃতিক পরিবেশ
আমাদের চারপাশের পরিবেশ লক্ষ কর। দেখবে পরিবেশের কিছু জিনিস মানুষ তৈরি করেছে। আবার কিছু আছে যা প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট। অর্থাৎ যেগুলো মানুষ তৈরি করতে পারে না। তাহলে কোনটিকে আমরা প্রাকৃতিক পরিবেশ বলব?
প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট বস্তুগুলো নিয়ে যে পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে সেটাই প্রাকৃতিক পরিবেশ। এর মধ্যে জড় বস্তু ও জীব দুটোই রয়েছে যেগুলো মানুষ তৈরি করতে পারে না।
মানুষ তার প্রয়োজনে ঘর-বাড়ি, বাস-ট্রাক, নৌকা, রাস্তাঘাট, সেতু, স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল ইত্যাদি তৈরি করে। এগুলো মানুষের তৈরি পরিবেশ নামে পরিচিত।
তোমরা নিশ্চয়ই লক্ষ করেছ, আমাদের চারপাশের পরিবেশে আরও কিছু বস্তু আছে যা মানুষ তৈরি করতে পারে না। যেমন- চাঁদ, তারা, মাটি, নদী, সমুদ্র, পাহাড়, বনজঙ্গল, মানুষ, পশু-পাখি ইত্যাদি। এগুলো সবই প্রাকৃতিক পরিবেশের উপাদান।
কাজ : তোমার বাড়ি থেকে রওয়ানা হয়ে বিদ্যালয়ে পৌঁছা পর্যন্ত আশেপাশের পরিবেশ পর্যবেক্ষণ কর। মানুষের তৈরি এবং প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট বস্তুগুলো শনাক্ত করে এগুলোর নাম তোমার নোট খাতায় লিখে রাখ। শ্রেণিতে আলোচনা করো।
Printed page 125
Figure: চিত্র ১৪.১ : মানুষের তৈরি পরিবেশ ও প্রাকৃতিক পরিবেশ
বর্ণনা: চিত্রটিতে দুটি অংশের দৃশ্য দেখানো হয়েছে—বামে দালানকোঠা, ট্রাক, রাস্তা, সেতু ও তোরণসংবলিত মানুষের তৈরি পরিবেশ এবং ডানে পাহাড়, গাছপালা ও জলাশয়সংবলিত প্রাকৃতিক পরিবেশ।
পৃথিবীতে বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক পরিবেশ রয়েছে। যেমন : বনজঙ্গলের পরিবেশ, পাহাড়-পর্বতের পরিবেশ, নদীর পরিবেশ ইত্যাদি। তোমার দেখা বা জানা এ ধরনের আর কী কী প্রাকৃতিক পরিবেশ আছে?
পাঠ - ২ : পরিবেশের উপাদান
পরিবেশকে প্রধানত দুটো ভাগে ভাগ করা যায়। একটি হলো পরিবেশের সকল সজীব উপাদান, যা জীব উপাদান নামে পরিচিত। এই জীব উপাদানকে বাদ দিয়ে অবশিষ্ট সকল উপাদান নিয়ে আর একটি পরিবেশ গঠিত। যাকে বলা হয় জড় পরিবেশ বা অজীব পরিবেশ।
Figure: চিত্র ১৪.২ : জড় পরিবেশ ও জীব পরিবেশ
বর্ণনা: চিত্রটিতে দুটি অংশ দেখানো হয়েছে—বামে ঘর, টেবিল, চেয়ার ও আসবাবপত্রসংবলিত জড় পরিবেশ এবং ডানে গাছপালা, বসে থাকা মানুষ ও পশুপাখিসংবলিত জীব পরিবেশ।
কাজ : শিক্ষকের সহায়তায় দল গঠন করো। স্কুলের মাঠে যাও। পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করো। জড় পরিবেশ এবং জীব পরিবেশের উপাদানগুলো শনাক্ত করে নোট খাতায় লেখো। দলে আলোচনা করো। পোস্টার পেপারে ছক তৈরি করো। জড় ও জীব উপাদানগুলোর নাম ছকে লেখো। শ্রেণিতে উপস্থাপন করো।
Printed page 126
জীব পরিবেশের উপাদানগুলোর মধ্যে রয়েছে সকল উদ্ভিদ ও প্রাণী। পরিবেশের প্রাণহীন সব উপাদান নিয়ে জড় পরিবেশ গঠিত। এগুলো অজীব বা জড় উপাদান নামে পরিচিত। জড় পরিবেশের মূল উপাদান হচ্ছে মাটি, পানি এবং বায়ু। কারণ এ উপাদানগুলো ছাড়া কোন জীবই বেঁচে থাকতে পারে না।
পাঠ ৩-৪ : পরিবেশের জড় ও জীব উপাদান
কাজ : নিচে দেওয়া ছকটি খাতায় তুলে নাও। পরিবেশের বিভিন্ন উপাদান কীভাবে তোমার জানা উদ্ভিদ ও প্রাণীর জীবনকে প্রভাবিত করে তা লিখে ছকটি পূরণ করো। শ্রেণিতে আলোচনায় অংশগ্রহণ করো।
ছক
| পরিবেশের উপাদান | উদ্ভিদের কী কাজে লাগে | প্রাণীর কী কাজে লাগে |
|---|---|---|
| মাটি | ||
| পানি | ||
| বায়ু |
মাটি, পানি, বায়ু, আলো, তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, জলবায়ু ইত্যাদি বিভিন্ন অজীব উপাদান বিভিন্নভাবে পরিবেশের প্রতিটি জীবের স্বভাব এবং বিস্তৃতিকে প্রভাবিত করে। এসব উপাদানের প্রাপ্যতার উপর নির্ভর করে, পরিবেশের একটি নির্দিষ্ট স্থানে কোন ধরনের জীব উপাদান থাকবে। সুতরাং বুঝতে পারছ, অজীব বা জড় উপাদান জীবের বেঁচে থাকার জন্য কত গুরুত্বপূর্ণ।
কাজ : পাঠ ১-এ তোমরা তোমাদের স্কুলের আশেপাশের পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করে জীব পরিবেশের যে সকল উদ্ভিদ ও প্রাণী শনাক্ত করেছ সেগুলো কোন ধরনের পরিবেশে জন্মে বা বাস করে তা পর্যবেক্ষণ করো। উদ্ভিদ ও প্রাণীর বসবাসের পরিবেশের পার্থক্য লক্ষ করো। নিচের ছকটি পোস্টার কাগজে বা পুরনো ক্যালেন্ডারের পেছনে তুলে ছকটি পূরণ করো। এবং শ্রেণিতে প্রদর্শন করো।
ছক
| জীবের নাম | কোন ধরনের পরিবেশে জন্মে / আবাসস্থল |
|---|---|
| উদ্ভিদ | |
| প্রাণী |
তোমার আশেপাশের পরিবেশের উদ্ভিদ ও প্রাণী পর্যবেক্ষণ করে তাদের আবাসস্থল সম্পর্কে তোমার ধারণা কী?
পরিবেশে উদ্ভিদ ও প্রাণী
পরিবেশে জীব উপাদানের মধ্যে রয়েছে সকল উদ্ভিদ ও প্রাণী। এ সকল উদ্ভিদ ও প্রাণী কীভাবে বিভিন্ন পরিবেশে বেঁচে থাকে তা কী কখনও ভেবেছ?
Printed page 127
কাজ : শিক্ষকের সহায়তায় দল গঠন করো। পোস্টার কাগজ নাও। দুটো ভিন্ন পরিবেশের (যেমন বনজঙ্গল এবং মরুভূমির পরিবেশ) নাম পোস্টার কাগজে লেখো। তোমরা যে দু’টো পরিবেশের নাম পোস্টার কাগজে উল্লেখ করেছ, সে পরিবেশে কোন কোন উদ্ভিদ ও প্রাণী বাস করে, সেগুলো আর একটি পোস্টার কাগজে নামসহ চিত্র এঁকে কাঁচি দিয়ে কাটো। এসব উদ্ভিদ ও প্রাণী তোমার উল্লিখিত দু’টি পরিবেশের মধ্যে যে পরিবেশে বাস করে সেখানে আঠা দিয়ে লাগাও। শ্রেণিতে বুলেটিন বোর্ড অথবা দেয়ালে প্রদর্শন করো। সব দল ঘুরে ঘুরে দেখবে ও শ্রেণিতে আলোচনা করবে।
পরিবেশের সকল উদ্ভিদ ও প্রাণীদের বেঁচে থাকার জন্য কিছু মৌলিক উপাদান প্রয়োজন। বেঁচে থাকার জন্য উদ্ভিদের প্রয়োজন পানি, বায়ু, খাদ্য ও সূর্যের আলো। শত্রু থেকে এদের আত্মরক্ষাও প্রয়োজন। প্রাণীদের বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজন পানি, বায়ু, খাদ্য, তাপমাত্রা এবং বাসস্থান। প্রাণী বেঁচে থাকার জন্য শত্রু থেকে নিজেদের রক্ষা করে। তোমরা নিশ্চয়ই লক্ষ করেছ, তোমাদের দেখা সকল পরিবেশের উদ্ভিদ ও প্রাণী এক রকমের নয়। পৃথিবীর সকল অঞ্চলে উদ্ভিদ ও প্রাণীর বসবাস। সমতল ভূমি থেকে আরম্ভ করে পাহাড়, মাটির নিচে, বনজঙ্গল, খাল-বিল, পুকুর, নদী, সমুদ্র, মরুভূমি ইত্যাদি সকল স্থানেই বিভিন্ন উদ্ভিদ জন্মে ও প্রাণী বাস করে। জলবায়ু, মাটি, পানি, আলো ও অন্যান্য উপাদানের ভিন্নতার কারণে এ সকল অঞ্চলের উদ্ভিদ ও প্রাণী বৈচিত্র্যও ভিন্ন।
পাঠ ৫-৬ : পরিবেশের ভারসাম্য
পরিবেশে কোনো জীবই এককভাবে বেঁচে থাকতে পারে না। বেঁচে থাকার জন্য জীব বিভিন্নভাবে তার চারপাশের পরিবেশের উপর নির্ভর করে। বেঁচে থাকার জন্য আমরাও পরিবেশের বিভিন্ন উপাদানের উপর নির্ভর করি। ভেবে দেখতো যে সকল উৎস থেকে আমরা আমাদের প্রয়োজনীয় জিনিস পাই তা যদি কোনো কারণে নষ্ট হয় তবে আমাদের জীবনে কী ঘটবে?
তোমরা ডাইনোসরের নাম শুনেছ, যা লক্ষ লক্ষ বছর আগে পৃথিবীতে ছিল। তোমরা কি জান, কেন এই ডাইনোসর আজ আর পৃথিবীতে নেই?
Figure: চিত্র ১৪.৩ : বিভিন্ন প্রজাতির ডাইনোসর
বর্ণনা: চিত্রে তিনটি ভিন্ন প্রজাতির ডাইনোসর দেখানো হয়েছে—একটি দীর্ঘ গ্রীবাযুক্ত ডাইনোসর, সামনে চারপেয়ে ডাইনোসর এবং পেছনে শিং ও শিরস্ত্রাণযুক্ত ট্রাইসেরাটপস সদৃশ ডাইনোসর।
Printed page 128
ডাইনোসরের বিলুপ্তির কারণ
কোনো কোনো বিজ্ঞানীর ধারণা, ডাইনোসর যখন পৃথিবীতে ছিল তখন পৃথিবী অনেক গরম ছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই পৃথিবী অনেক ঠান্ডা হয়ে যায়। ঠান্ডা সইতে না পেরে তারা সবাই মারা যায়। আবার কারো কারো মতে, যখন পৃথিবীতে অন্য প্রাণীদের আবির্ভাব ঘটে, তখন তারা খাদ্য হিসেবে ডাইনোসরের ডিম খাওয়া শুরু করে। ডাইনোসর তাদের ডিম সংরক্ষণে ব্যর্থ হয়। ফলে ধীরে ধীরে তাদের বিলুপ্তি ঘটে। তবে এ সংক্রান্ত গবেষণায় দুটি প্রধান তত্ত্বকে প্রাধান্য দেওয়া হয়ে থাকে: (১) গ্রহাণুর আঘাত এবং (২) আগ্নেয়গিরি উদগীরণ।
(১) ১৯৮০ সালে পদার্থবিদ লুইস আলভারেজ এবং তার দল আবিষ্কার করেন যে, ৬৬ মিলিয়ন বছর আগে পৃথিবীতে ব্যাপক হারে ইরিডিয়াম (একটি মহাজাগতিক মৌল) জমে ছিল, যা একটি গ্রহাণু আঘাতের ইঙ্গিত দেয়। পরবর্তী সময়ে মেক্সিকোতে একটি ১১১ মাইল প্রশস্ত গর্ত আবিষ্কৃত হয়, যেটিকে সেই গ্রহাণুর আঘাতস্থল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। গবেষণা বলছে, এই আঘাত পৃথিবীর জলবায়ুতে আকস্মিক পরিবর্তন এনে খাদ্য শৃঙ্খল ভেঙে দেয়। হঠাৎ সংঘটিত এই পরিবর্তন ডাইনোসরের ব্যাপক বিলুপ্তির কারণ হয়।
(২) অন্য একটি তত্ত্ব অনুযায়ী, আগ্নেয়গিরি উদগীরণই ছিল প্রধান কারণ। এই তত্ত্বে বলা হয়, ডাইনোসররা আগে থেকেই ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হচ্ছিল এবং আগ্নেয়গিরির উদগীরণ একে ত্বরান্বিত করে। আগ্নেয়গিরির গ্যাস ও ছাই পরিবেশে বিষক্রিয়া সৃষ্টি করে এবং দীর্ঘমেয়াদী জলবায়ু পরিবর্তন ঘটায়। ফলে বিরূপ পরিবেশে ডাইনোসরদের টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়ে এবং বিলুপ্ত হয়। আবার অনেক বিজ্ঞানী বলেন, পৃথিবীর পরিবেশে তখন এমন সব পরিবর্তন ঘটে, যার সাথে ডাইনোসররা নিজেদেরকে খাপ খাওয়াতে ব্যর্থ হয়ে বিলুপ্ত হয়ে যায়।
তোমরা নিশ্চয়ই বুঝতে পারছ, প্রাকৃতিকভাবে পরিবেশের পরিবর্তন বা মানুষের কোনো কর্মকাণ্ডের কারণে যদি পরিবেশের পরিবর্তন ঘটে, তখন পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হয়। পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হলে জীব পরিবেশ নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার কারণ কী কী? নিচের কাজটি সম্পন্ন করার মাধ্যমে এর উত্তর খুঁজে বের করো।
কাজ : তোমার এলাকার বা স্কুলের আশেপাশের পরিবেশ পর্যবেক্ষণ (এই পরিবেশ হতে পারে কোনো সমতল ভূমি, কোনো পুকুর বা জলাশয় বা কোনো বনাঞ্চল)। দেখো এখানে কোনো ধরনের পরিবর্তন ঘটেছে কী? পরিবর্তন ঘটার কারণ কী কী? তোমার নোট খাতায় লেখো। এতে মানুষসহ উদ্ভিদ বা কোনো প্রাণীর কি কোনো ক্ষতি হয়েছে? হয়ে থাকলে সেগুলো নোট খাতায় উল্লেখ করে রাখো। শ্রেণিতে পরিবেশের পরিবর্তন সম্পর্কে আলোচনা করো।
বর্তমানে পৃথিবীতে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। বাড়তি মানুষের চাহিদা মেটানোর জন্য বনজঙ্গল কেটে বাড়িঘর, চাষের জমি, স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল, রাস্তাঘাট ইত্যাদি তৈরি করা হচ্ছে। ফলে প্রাকৃতিক পরিবেশ ধ্বংস হচ্ছে। এ ছাড়াও মানুষ বিভিন্নভাবে মাটি, পানি ও বায়ু দূষিত করছে। ফলে অনেক উদ্ভিদ ও প্রাণী হারাচ্ছে তাদের আবাসস্থল। এভাবে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। পরিবেশে সুস্থভাবে বেঁচে থাকতে হলে পরিবেশকে নষ্ট না করে একে সংরক্ষণে সচেষ্ট হতে হবে।
Loading the rest of the chapter…
Textbook content © National Curriculum and Textbook Board (NCTB), Bangladesh. Shown for study.
Trusted resources
Official links checked by the Zntext team. Part of the context pack.