Bangla Grammar and Composition chapter 4: Sandhi
৪. সন্ধি
- Bangla Grammar and Composition
- Textbook pages 18-26
- 1 source
- 11,073 characters of context
Textbook (verbatim transcription): Sandhi
Verbatim transcription of the printed NCTB textbook pages.
Contents9ShowHide
Printed page 18
৪. সন্ধি
নিচের বাক্যটি লক্ষ কর—
গ্রাম-বাংলায় এখন চাষিদের ঘরে ঘরে নবান্ন।
উপরের বাক্যের 'নবান্ন' শব্দটি মনোযোগ দিয়ে লক্ষ করলে দেখা যাবে যে পাশাপাশি অবস্থিত 'নব' এবং 'অন্ন' এ দুটি শব্দ দ্রুত উচ্চারণের ফলে তৈরি হয়েছে 'নবান্ন' শব্দটি। এক্ষেত্রে 'নব' শব্দের শেষে নিহিত 'অ' ধ্বনি এবং 'অন্ন' শব্দের প্রথমে অবস্থিত 'অ' ধ্বনি উভয়ে মিলে 'আ' ধ্বনি হয়েছে। যেমন :
নব + অন্ন = নবান্ন। (অ + অ = আ)
লক্ষণীয় যে আমরা যখন কথা বলি, তখন অনেক ক্ষেত্রে দ্রুত উচ্চারণের ফলে পাশাপাশি অবস্থিত দুটি শব্দের ধ্বনি মিলে এক হয়ে যায় কিংবা একটি ধ্বনির প্রভাবে অন্য ধ্বনি বদলে যায় বা লোপ পায়। দ্রুত উচ্চারণের ফলে পাশাপাশি অবস্থিত ধ্বনির এই মিলন, পরিবর্তন বা বিলোপই সন্ধি নামে পরিচিত।
বস্তুত, 'সন্ধি' শব্দের অর্থ মিলন। এটি ধ্বনি পরিবর্তনের একটি বিশেষ প্রক্রিয়া—ধ্বনির সঙ্গে ধ্বনির মিলনজাত প্রক্রিয়া।
সন্ধি বা ধ্বনির মিলন নানাভাবে হতে পারে। যেমন :
১. দুটি ধ্বনির আংশিক বা পূর্ণ মিলন। যেমন : শত + অধিক = শতাধিক [অ + অ = আ]
২. পূর্বধ্বনি বা পরধ্বনি লোপ। যেমন : নিঃ + চয় = নিশ্চয় [ঃ + চ = শ]
সংজ্ঞা : পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ধ্বনির মিলনকে সন্ধি বলে।
অথবা, পরস্পর সন্নিহিত দুটি ধ্বনির মিলন, পরিবর্তন বা বিলুপ্তিকে সন্ধি বলে।
— ডক্টর মুহম্মদ এনামুল হকের মতে, একাধিক ধ্বনির মিলন, লোপ বা পরিবর্তনের নাম সন্ধি।
সন্ধির প্রয়োজনীয়তা
পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ধ্বনি দ্রুত উচ্চারণের সময় সন্ধির ফলে উচ্চারণে স্বাচ্ছন্দ্য আসে এবং উচ্চারণ সহজতর হয়। সন্ধি ভাষাকে সংক্ষিপ্ত করে। যেমন : 'নব' 'অন্ন' উচ্চারণে যে সময় প্রয়োজন— 'নবান্ন' উচ্চারণে তার চেয়ে কম সময় লাগে। এ ছাড়া 'নব' 'অন্ন' বলতে যে ধরনের উচ্চারণ-শ্রম প্রয়োজন, 'নবান্ন' তার চেয়ে সহজে উচ্চারিত হয়। কেবল তা-ই নয়— আলাদাভাবে 'নব' 'অন্ন' উচ্চারণের চেয়ে একসঙ্গে 'নবান্ন' উচ্চারণ অনেক বেশি শ্রুতিমধুর। অর্থাৎ সন্ধি ভাষার ধ্বনিগত মাধুর্যও সম্পাদন করে। সন্ধির ফলে নতুন নতুন শব্দও তৈরি হয়। শুদ্ধ বানান লিখতেও সন্ধি সহায়তা করে। সুতরাং উল্লিখিত দিকগুলো বিবেচনায় বাংলা ভাষায় সন্ধির প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।
সন্ধির প্রকারভেদ
Printed page 19
১. স্বরসন্ধি : স্বরধ্বনির সঙ্গে স্বরধ্বনির মিলনে যে সন্ধি হয়, তাকে স্বরসন্ধি বলে। যেমন :
নব + অন্ন = নবান্ন অ + অ = আ
হিম + আলয় = হিমালয় অ + আ = আ
২. ব্যঞ্জনসন্ধি : স্বরধ্বনির সঙ্গে ব্যঞ্জনধ্বনির, ব্যঞ্জনধ্বনির সঙ্গে স্বরধ্বনির কিংবা ব্যঞ্জনধ্বনির সঙ্গে ব্যঞ্জনধ্বনির মিলনে যে সন্ধি হয়, তাকে ব্যঞ্জনসন্ধি বলে। যেমন :
উৎ + চারণ = উচ্চারণ (ত্ + চ = চ্চ)
সৎ + জন = সজ্জন (ত্ + জ = জ্জ)
বিসর্গসন্ধি : বিসর্গসন্ধি বলে ব্যঞ্জনসন্ধির একটি প্রকারভেদ আছে। বিসর্গ (ঃ) হচ্ছে 'র' এবং 'স'-এর সংক্ষিপ্ত রূপ। বিসর্গের সঙ্গে স্বরধ্বনি বা ব্যঞ্জনধ্বনির মিলনকে বিসর্গসন্ধি বলে। যেমন :
আবিঃ + কার = আবিষ্কার [ঃ + ক = ষ্ক]
কখনো কখনো বিসর্গসন্ধিকে ভিন্ন একটি শ্রেণিতে ফেলে সন্ধিকে তিন প্রকার বলা হয়। যেহেতু 'ঃ' (বিসর্গ) ব্যঞ্জনধ্বনির অন্তর্গত, সেহেতু বিসর্গসন্ধি ব্যঞ্জনসন্ধিরই অন্তর্ভুক্ত।
ব্যঞ্জনে-স্বরে সন্ধি
নিয়ম-১ : বর্গের প্রথম ব্যঞ্জনের (ক / চ / ট / ত / প) পরে স্বরধ্বনি থাকলে বর্গের প্রথম ব্যঞ্জনস্থলে তৃতীয় ব্যঞ্জন (গ / জ / ড / দ / ব ) হয়। যেমন :
ক্ + স্বরধ্বনি = গ্ + স্বরধ্বনি : দিক্ + অন্ত = দিগন্ত। [ক্ + অ = গ]
বাক্ + অর্থ = বাগর্থ।
প্রাক্ + উক্ত = প্রাগুক্ত। [ক্ + উ = গু]
বাক্ + ঈশ = বাগীশ। [ক্ + ঈ = গী]
চ্ + স্বরধ্বনি = জ্ + স্বরধ্বনি : ণিচ্ + অন্ত = ণিজন্ত।
অচ্ + অন্তা = অজন্তা।
Printed page 20
ট্ + স্বরধ্বনি = ড্ (ড়) + স্বরধ্বনি : ষট্ + আনন = ষড়ানন।
ষট্ + ঋতু = ষড়ঋতু।
ত্ + স্বরধ্বনি = দ্ + স্বরধ্বনি : তৎ + অন্ত = তদন্ত।
কৃৎ + অন্ত = কৃদন্ত।
সৎ + ইচ্ছা = সদিচ্ছা।
প্ + স্বরধ্বনি = ব্ + স্বরধ্বনি : সুপ্ + অন্ত = সুবন্ত।
স্বরে-ব্যঞ্জনে সন্ধি
নিয়ম-২ : স্বরধ্বনির পরে ছ থাকলে ছ স্থানে চ্ছ হয়। যেমন :
অ + ছ = অচ্ছ এক + ছত্র = একচ্ছত্র। স্ব + ছন্দ = স্বচ্ছন্দ।
অঙ্গ+ছেদ = অঙ্গচ্ছেদ। প্র + ছদ = প্রচ্ছদ।
মুখ + ছবি = মুখচ্ছবি। বৃক্ষ+ছায়া = বৃক্ষচ্ছায়া।
আ + ছ = আচ্ছ আ + ছন্ন = আচ্ছন্ন। কথা + ছলে = কথাচ্ছলে।
আ + ছাদন = আচ্ছাদন। পরীক্ষা + ছলে = পরীক্ষাচ্ছলে।
ই + ছ = ইচ্ছ পরি + ছদ = পরিচ্ছদ। প্রতি + ছবি = প্রতিচ্ছবি।
পরি + ছন্ন = পরিচ্ছন্ন।
ব্যঞ্জনে-ব্যঞ্জনে সন্ধি
নিয়ম-৩ : ত্ [ৎ] কিংবা দ্-এর পরে চ কিংবা ছ থাকলে ত্ বা দ্ স্থানে চ হয়। যেমন :
ত্ + চ = চ্চ উৎ + চারণ = উচ্চারণ। চলৎ + চিত্র = চলচ্চিত্র।
দ্ + চ = চ্চ বিপদ্ + চিন্তা = বিপচ্চিন্তা। তদ্ + চিত্র = তচ্চিত্র।
ত্ + ছ = চ্ছ উৎ + ছেদ = উচ্ছেদ। চলৎ + ছবি = চলচ্ছবি।
দ্ + ছ = চ্ছ তদ্ + ছবি = তচ্ছবি। উদ্ + ছেদ = উচ্ছেদ।
Printed page 21
নিয়ম-৪ : ত্ [ৎ] কিংবা দ্ -এর পরে জ কিংবা ঝ থাকলে সন্ধিতে দুয়ে মিলে জ্জ বা জ্ঝ হয়। যেমন :
ত্ + জ = জ্জ উৎ + জীবন = উজ্জীবন। উৎ + জ্বল = উজ্জ্বল।
সৎ + জন = সজ্জন। তৎ + জন্য = তজ্জন্য।
অনুরূপ : উজ্জীবিত, যাবজ্জীবন, কজ্জল, জগজ্জীবন।
দ্ + জ = জ্জ বিপদ্ + জনক = বিপজ্জনক।
তদ্ + জাতীয় = তজ্জাতীয়।
ত্ + ঝ = জ্ঝ কুৎ + ঝটিকা = কুজ্ঝটিকা।
নিয়ম-৫ : ত্ [ৎ] কিংবা দ্ -এর পরে ড কিংবা ঢ থাকলে ত্ বা দ্ স্থানে ড হয়। যেমন :
ত্ + ড = ড্ড উৎ + ডীন = উড্ডীন। উৎ + ডীয়মান = উড্ডীয়মান।
দ্ + ঢ = ড্ঢ এতদ্ + ঢক্কা = এতড্ঢক্কা।
ত্ + শ = চ্ছ উৎ + শ্বাস = উচ্ছ্বাস। উৎ + শৃঙ্খল = উচ্ছৃঙ্খল। উৎ + শল = উচ্ছল
নিয়ম-১০ : ত্ [ৎ] কিংবা দ্ -এর পরে হ থাকলে ত্ ও দ্ স্থানে দ হয় এবং হ্ স্থানে ধ হয় এবং দুয়ে মিলে দ্ধ (দ্ + ধ) হয়। যেমন :
ত্ + হ = দ্ + ধ = দ্ধ উৎ + হার = উদ্ধার। উৎ + হত = উদ্ধত উৎ + হৃত = উদ্ধৃত।
দ্ + হ = দ্ধ তদ্ + হিত = তদ্ধিত। পদ্ + হতি = পদ্ধতি।
নিয়ম-১১ : ন্ কিংবা ম্ পরে থাকলে বর্গের প্রথম ধ্বনি সন্ধিতে পঞ্চম ধ্বনিতে পরিণত হয়। যেমন :
ক্ > ঙ্ দিক্ + নির্ণয় = দিঙ্নির্ণয়। বাক্ + ময় = বাঙ্ময়।
ট্ > ণ্ ষট্ + মাস = ষণ্মাস।
ত্ > ন্ উৎ + নয়ন = উন্নয়ন। চিৎ + ময় = চিন্ময়। মৃৎ + ময় = মৃন্ময়।
নিয়ম–১২ : আগে ম্ এবং পরে ক / খ / গ / ঘ –এর যেকোনোটি থাকলে সন্ধিতে ম্ স্থানে অনুস্বার (ং) বা উয়ো (ঙ) হয়। যেমন :
ম্ + ক = ং ক্ /ঙ্ ক
অলম্ + কার = অলংকার/ অলঙ্কার। অহম্ + কার = অহংকার/অহঙ্কার।
সম্ + কলন = সংকলন/ সঙ্কলন। সম্ + কীর্ণ = সংকীর্ণ /সঙ্কীর্ণ।
ম্ + গ = ংগ /ঙ্গ সম্ + গত = সংগত/ সঙ্গত। সম্ + গীত = সংগীত/ সঙ্গীত।
ম্ + ঘ = ংঘ/ জ্ঘ সম্ + ঘ = সংঘ / সজ্ঘ। সম্ + ঘাত = সংঘাত /সজ্ঘাত।
Printed page 22
নিয়ম–১৩ : আগে ম্ এবং পরে চ থেকে ম পর্যন্ত বর্গীয় ধ্বনির যেকোনোটি থাকলে পূর্বপদের ম্ স্থানে পরবর্তী বর্গীয় ধ্বনির পঞ্চম ধ্বনি হয়। যেমন :
ম্ + চ = ঞ্চ
সম্ + চয় = সঞ্চয়।
কিম্ + চিৎ = কিঞ্চিৎ।
ম্ + ত = ন্ত
সম্ + তাপ = সন্তাপ।
সম্ + ত্রাস = সন্ত্রাস।
গম্ + তব্য = গন্তব্য।
কিম্ + তু = কিন্তু।
ম্ + দ = ন্দ
সম্ + দর্শন = সন্দর্শন।
ম্ + ধ = ন্ধ
সম্ + ধান = সন্ধান।
সম্ + ধি = সন্ধি।
ম্ + ন = ন্ন
সম্ + নিহিত = সন্নিহিত।
সম্ + নিবেশ = সন্নিবেশ।
কিম্ + নর = কিন্নর।
সম্ + ন্যাস = সন্ন্যাস।
ম্ + প = ম্প
সম্ + পদ = সম্পদ।
সম্ + প্রীতি = সম্প্রীতি
সম্ + প্রতি = সম্প্রতি।
সম্ + পূর্ণ = সম্পূর্ণ।
সম্ + পূরক = সম্পূরক।
ম্ + ব = ম্ব
সম্ + বল = সম্বল।
সম্ + বোধন = সম্বোধন।
জ্ঞাতব্য : কখনো কখনো ম্ -এর পরে ব্ থাকলে ম্ স্থানে ং হয়। যেমন :
ম্ + ব = ং
সম্ + বাদ = সংবাদ।
সম্ + বিৎ = সংবিৎ।
সম্ + বরণ = সংবরণ।
সম্ + বিধান = সংবিধান।
সম্ + বর্ধনা = সংবর্ধনা।
কিম্ + বা = কিংবা।
নিয়ম-১৪ : আগে ম্ এবং পরে অন্তঃস্থ ব্যঞ্জন (য/র/ল/ব) কিংবা উষ্মধ্বনির (শ / স /হ) যেকোনোটি থাকলে পূর্বপদের ম্ স্থানে ং (অনুস্বার) হয়। যেমন :
ম্ + য = ংয
সম্ + যত = সংযত।
সম্ + যুক্ত = সংযুক্ত।
ম্ + র = ংর
সম্ + রক্ষণ = সংরক্ষণ।
সম্ + রক্ষিত = সংরক্ষিত।
ম্ + ল = ংল
সম্ + লাপ = সংলাপ।
সম্ + লগ্ন = সংলগ্ন।
ম্ + ব = ংব
সম্ + বরণ = সংবরণ।
সম্ + বর্ধনা = সংবর্ধনা।
সম্ + বাদ = সংবাদ।
সম্ + বিধান = সংবিধান।
ম্ + শ = ংশ
সম্ + শয় = সংশয়।
সম্ + শ্লেষ = সংশ্লেষ।
সম্ + শোধন = সংশোধন।
সম্ + শ্লিষ্ট = সংশ্লিষ্ট।
ম্ + স = ংস
সম্ + সার = সংসার।
সর্বম্ + সহা = সর্বংসহা।
ম্ + হ = ংহ
সম্ + হত = সংহত।
সম্ + হার = সংহার।
সম্ + হতি = সংহতি।
সম্ + হিতা = সংহিতা।
Printed page 23
নিয়ম–১৫ : চ বর্গের ধ্বনির পরে ন্ থাকলে সন্ধিতে ন্-এর স্থলে ঞ হয়। যেমন :
চ্ + ন = চ্ঞ
যাচ্ + না = যাচ্ঞা।
জ্ + ন = জ্ঞ
রাজ্ + নী = রাজ্ঞী।
নিয়ম-১৬ : ষ্ –এর পরে ত্ কিংবা থ্ থাকলে ত-এর স্থলে ট্ এবং থ-এর স্থলে ঠ্ হয়। যেমন :
ষ্ + ত = ত্ > ট
নশ্ + ত = নষ্ট
বৃষ্ + তি = বৃষ্টি।
সৃজ্ + তি = সৃষ্টি।
কৃষ্ + তি = কৃষ্টি।
ষ্ + থ = থ্ > ঠ
ষষ্ + থ = ষষ্ঠ।
নিয়ম-১৭ : ম্-এর পরে কৃ ধাতু নিষ্পন্ন 'কৃত', 'কার', 'করণ', 'কৃতি' ইত্যাদি শব্দ থাকলে ম্ স্থানে ং হয়, এবং স্ ধ্বনির আগম হয়। যেমন :
ম্ + কৃত = ং + স্ সম্ + কৃত = সংস্কৃত।
ম্ + কার = ং + স্ সম্ + কার = সংস্কার।
ম্ + করণ = ং + স্ সম্ + করণ = সংস্করণ।
ম্ + কৃতি = ং + স সম্ + কৃতি = সংস্কৃতি।
নিয়ম-১৮ : উষ্মবর্ণ (শ স হ) পরে থাকলে পূর্বপদের শেষে অবস্থিত ন্ ধ্বনি ং-এ পরিবর্তিত হয়। যেমনঃ
ন্ + স = ং + স হিন্ + সা = হিংসা। দন্ + শন = দংশন।
সিন্ + হ = সিংহ।
Printed page 24
Loading the rest of the chapter…
Textbook content © National Curriculum and Textbook Board (NCTB), Bangladesh. Shown for study.
Trusted resources
Official links checked by the Zntext team. Part of the context pack.