Bangla Grammar and Composition chapter 6: Word Formation
৬. শব্দ গঠন
- Bangla Grammar and Composition
- Textbook pages 43-57
- 1 source
- 21,024 characters of context
Textbook (verbatim transcription): Word Formation
Verbatim transcription of the printed NCTB textbook pages.
Contents12ShowHide
Printed page 43
৬. শব্দ গঠন
শব্দ
এক বা একাধিক ধ্বনির সমন্বয়ে তৈরি অর্থবোধক ও উচ্চারণযোগ্য এককে বলা হয় শব্দ। অর্থাৎ ধ্বনির অর্থপূর্ণ মিলন ঘটলে তাকে শব্দ বলে। যেমন : ক্+অ+ল্+অ+ম্ ধ্বনি। এ ধ্বনি পাঁচটির মিলিত রূপ হলো 'কলম'। 'কলম' এমন একটি বস্তুকে বোঝাচ্ছে, যা দিয়ে লেখা যায়। 'কলম'– 'ক', 'ল', 'ম' ধ্বনিসমষ্টির মিলিত রূপ, যা অর্থপূর্ণ। সুতরাং 'কলম' একটি শব্দ ।
শব্দের গঠন
গঠনগত দিক থেকে দুটি শ্রেণিতে বিভক্ত : ক. মৌলিক শব্দ ও খ. সাধিত শব্দ।
ক. মৌলিক শব্দ : যেসব শব্দ বিশ্লেষণ করা যায় না বা ভেঙে আলাদা করা যায় না, সেগুলোকে মৌলিক শব্দ বলে। যেমন :
আম, বই, কলম ইত্যাদি।
মৌলিক শব্দ গঠনের প্রথম উপায় বর্ণের সঙ্গে বর্ণ যোগ। যেমন :
আ + ম = আম
ব + ই = বই
ক + ল + ম = কলম ইত্যাদি।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে 'কার' এবং ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে 'ফলা' বলা হয়। সরল বর্ণের সঙ্গে 'কার' বা 'ফলা' যোগ করে শব্দ গঠন করা যায়। নিচে 'কার' ও 'ফলা' যোগে শব্দ গঠনের উদাহরণ প্রদত্ত হলো :
'কার' যোগ করে
ক্ + অ = ক, ল্ + আ = লা দুটোর মিলনে ক + লা = কলা।
উপর্যুক্ত উদাহরণে ক্-এর সঙ্গে 'অ' যুক্ত হয়ে প্রথমে 'ক' হয়েছে এবং ল্-এর সঙ্গে 'আ' যুক্ত হয়ে 'লা' হয়েছে। 'ক' ও 'লা' মিলিত হয়ে 'কলা' শব্দটি গঠিত হয়েছে।
Printed page 44
উল্লেখ্য, অ-এর কোনো সংক্ষিপ্ত রূপ নেই। অ-ব্যঞ্জনের সঙ্গে অন্তর্লীন হয়ে যায়। যেমন : ক্ + অ = ক, খ্ + অ = খ।
'ফলা' যোগ করে
| ফলা | যোগ | ফল | উদাহরণ |
|---|---|---|---|
| য-ফলা (্য) | ক্ + য | = ক্য। | উদাহরণ : বাক্য, ঐক্য, আদিক্য। |
| র-ফলা (্র) | ক্ + র | = ক্র। | উদাহরণ : চক্র, বক্র। |
| ম-ফলা (্ম) | ত্ + ম | = ত্ম। | উদাহরণ : আত্ম। |
| ম-ফলা (্ম) | দ্ + ম | = দ্ম। | উদাহরণ : পদ্ম। |
| ম-ফলা (্ম) | হ্ + ম | = ক্ষ। | উদাহরণ : ব্রাহ্মণ। |
| ব-ফলা (্ব) | স্ + ব | = স্ব। | উদাহরণ : নিঃস্ব। |
| ব-ফলা (্ব) | শ্ + ব | = শ্ব। | উদাহরণ : অশ্ব, বিশ্ব। |
র-এর আরেকটি সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে রেফ [র্]। রেফ বর্ণের শীর্ষে যুক্ত হয়। যেমন : র্ক। উদাহরণ : অর্ক, তর্ক, সতর্ক।
খ. সাধিত শব্দ : যেসব শব্দকে বিশ্লেষণ করলে আলাদা অর্থবোধক শব্দ পাওয়া যায়, সেগুলোকে সাধিত শব্দ বলে। যেমন : বিদ্যালয়, হিমালয়।
সাধারণত কোনো মৌলিক বা ভিত্তি শব্দের সঙ্গে বিভিন্ন ব্যাকরণিক উপাদান যুক্ত হয়ে সাধিত শব্দ গঠিত হয়। শব্দের অর্থ-বৈচিত্র্যের জন্য নানাভাবে শব্দের রূপ-রূপান্তর সাধন করা হয়। বিভিন্ন অর্থে ব্যবহারোপযোগী করে কোনো শব্দ বা শব্দাংশের সঙ্গে অন্য শব্দ বা শব্দাংশের মিলনে নতুন নতুন শব্দ গঠিত হয়ে থাকে।
শব্দগঠন : শব্দগঠন বলতে সাধারণভাবে আমরা শব্দ সৃষ্টির প্রক্রিয়া বুঝে থাকি। নতুন শব্দ সৃষ্টির এই প্রক্রিয়াকে শব্দগঠন বলে। যে কোনো ভাষার শব্দগঠন প্রক্রিয়া দুইটি।
১। প্রত্যয়ের সাহায্যে শব্দগঠন ও
২। সমাসের সাহায্যে শব্দগঠন
উপসর্গ শব্দগঠনের প্রক্রিয়া নয়, উপাদান মাত্র। কারণ উপসর্গযুক্ত সকল শব্দই সমাস-সাধিত শব্দ; হয় অব্যয়ীভাব সমাস, না হয় প্রাদি সমাস। কাজেই উপসর্গযোগে শব্দগঠন প্রকারান্তরে শব্দগঠনের প্রক্রিয়া আলোচনা করা অবান্তর।
সন্ধি শব্দগঠনের প্রক্রিয়া নয়। কেননা সন্ধিবদ্ধ শব্দ মাত্রই হয় প্রত্যয়-সাধিত শব্দ, নয় সমাস-সাধিত শব্দ। প্রত্যয় ও সমাসের সাহায্যে শব্দ গঠনকালে সন্ধি হলো পাশাপাশি অবস্থিত ধ্বনি-সংযোগের নিয়ম। এ প্রসঙ্গে প্রত্যয়-সন্ধির সূত্রাবলি স্মরণযোগ্য।
Printed page 45
পদ পরিবর্তন প্রত্যয়ের সাহায্যেই সম্পন্ন হয়ে থাকে। তাই পদ পরিবর্তন শব্দগঠনের কোনো প্রক্রিয়া নয়। প্রকৃতি-প্রত্যয়ই শব্দগঠনের প্রক্রিয়া।
বিভক্তির সাহায্যে শব্দগঠিত হয় না। বিভক্তিযোগে শব্দ ও ধাতু পদবাচ্য হয়। তাই বিভক্তিযোগে শব্দগঠন আলোচনা করা নিরর্থক।
এখন শব্দগঠন প্রক্রিয়া দুইটি আলোচনা করা হলো :
১. প্রত্যয়যোগে শব্দ গঠন : শব্দ বা ধাতুর পরে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়। যেমন :
মিঠা + আই = মিঠাই
কুসুম + ইত = কুসুমিত
√চল্ + অন্ত = চলন্ত
√কৃ + তব্য = কর্তব্য
বিমান + ইক = বৈমানিক
মনু + অ = মানব
২. সমাসের সাহায্যে শব্দ গঠন : পরস্পর সম্পর্কযুক্ত দুই বা ততোধিক পদের একপদে পরিণত হওয়ার মাধ্যমে নতুন শব্দ গঠিত হয়। যেমন :
মাতা ও পিতা = মাতা-পিতা
সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন
দিন দিন = প্রতিদিন
বিষাদ রূপ সিন্ধু = বিষাদসিন্ধু
বাংলা ভাষায় শব্দ গঠনের নিয়ম জানা থাকলে কোন শব্দ ব্যাকরণগত কোন শ্রেণিতে পড়ে, সে সম্পর্কে ধারণা লাভ করা যায় এবং বহুল প্রচলিত শব্দের বদলে নতুন নতুন শব্দ গঠন করে ভাব প্রকাশের ক্ষেত্রে বৈচিত্র্য সৃষ্টি করা যায়। সর্বোপরি ভাষাকে শুদ্ধভাবে বলতে, পড়তে, লিখতে এবং ভাষার শব্দভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করতে শব্দের গঠন সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা থাকা প্রয়োজন।
উপসর্গযোগে শব্দ গঠন
বাংলা ভাষায় এমন কতকগুলো অব্যয়সূচক শব্দাংশ আছে, যেগুলো কখনোই স্বাধীন পদ হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হতে পারে না। বস্তুত, যেসব অব্যয়-শব্দ ধাতু বা নাম শব্দের পূর্বে বসে শব্দগুলোর অর্থের সংকোচন, সম্প্রসারণ বা অন্য কোনো পরিবর্তন সাধন করে, ঐ সব অব্যয় শব্দই উপসর্গ নামে পরিচিত।
উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা যায় : যেমন 'ভাত' একটি শব্দ। এর পূর্বে 'প্র' অব্যয়টি যুক্ত হলে হয় 'প্রভাত', যার অর্থ 'প্রত্যূষ' বা 'প্রাতঃকাল'। 'নাম' শব্দের পূর্বে 'প্র' যোগ করলে হয় 'প্রণাম', যার অর্থ 'অভিবাদন' বা 'নমস্কার'। 'গতি' শব্দের পূর্বে 'প্র' যোগ করলে হয় 'প্রগতি', যার অর্থ 'সামাজিক অগ্রগতি' বা 'সমৃদ্ধি'। এখানে একই উপসর্গ একাধিক অর্থদ্যোতনার সৃষ্টি করেছে। আবার উপসর্গভেদে শব্দের অর্থ সম্পূর্ণ বদলে যেতে পারে। যেমন : 'নাম' শব্দের পূর্বে 'সু' উপসর্গ যুক্ত হলে হয় 'সুনাম'। 'বদ' উপসর্গ যুক্ত
Printed page 46
হলে হয় 'বদনাম'। লক্ষণীয় যে 'সুনাম' ও 'বদনাম' —এ শব্দ দুটোর অর্থ সম্পূর্ণ আলাদা। এভাবে বিভিন্ন শব্দ বা ধাতুর পূর্বে বিভিন্ন অব্যয়সূচক শব্দাংশ যুক্ত হয়ে নতুন নতুন শব্দ তৈরি করে।
সংজ্ঞা : যেসব অব্যয়সূচক শব্দাংশ ধাতু বা শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠনপূর্বক অর্থের সম্প্রসারণ, সংকোচন বা পরিবর্তন সাধন করে, সেগুলোকে উপসর্গ বলে।
প্রামাণ্য সংজ্ঞা
শব্দ বা ধাতুর আদিতে যা যোগ হয় তাকে বলে উপসর্গ। — ডক্টর রামেশ্বর শ'
নিচে 'নাম' মূল শব্দের সঙ্গে বিভিন্ন উপসর্গযোগে শব্দ গঠনের একটি লেখচিত্র প্রদত্ত হলো :
Figure
লেবেল: উপসর্গ, (নাম) মূলশব্দ, উপসর্গযোগে গঠিত শব্দ, প্র, পরি, সু, বদ, নাম, প্রণাম, পরিণাম, সুনাম, বদনাম
বর্ণনা: বাম দিকে চারটি উপসর্গ (প্র, পরি, সু, বদ) বাক্সে লেখা; প্রতিটি রেখা দ্বারা মাঝখানের 'নাম' বাক্সের সঙ্গে যুক্ত। 'নাম' বাক্সের ওপরে একটি নিচমুখী তীর। ডান দিকে চারটি ফলাফল বাক্স (প্রণাম, পরিণাম, সুনাম, বদনাম) তীরচিহ্ন দ্বারা 'নাম' বাক্সের সঙ্গে যুক্ত।
উপসর্গের কার্যাবলি : উপসর্গ একধরনের উপসৃষ্টি। উপসর্গযোগে শব্দের যে ধরনের পরিবর্তন ঘটে, তা প্রধানত নিম্নরূপ :
১. নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি হয়
২. শব্দের অর্থের পূর্ণতা সাধিত হয়
৩. শব্দের অর্থের সম্প্রসারণ ঘটে
৪. শব্দের অর্থের সংকোচন ঘটে এবং
৫. শব্দের অর্থের পরিবর্তন সাধিত হয়।
উপসর্গের অর্থদ্যোতকতা
উপসর্গের নিজস্ব কোনো অর্থ নেই কিন্তু এরা অর্থের দ্যোতক। উপসর্গ অন্য শব্দ বা ধাতুর পূর্বে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি বা শব্দের অর্থের সম্প্রসারণ, সংকোচন বা পরিবর্তন ঘটাতে পারে। যেমন :
হা + ভাত = হাভাত (নতুন শব্দ)
পরি + পূর্ণ = পরিপূর্ণ (অর্থের সম্প্রসারণ)
অ + ভাব = অভাব (অর্থের সংকোচন)
উপ + কথা = উপকথা ( অর্থের পরিবর্তন)
কিন্তু 'হা', 'পরি', 'অ', 'উপ' –এগুলোর আলাদা কোনো অর্থ নেই। **শব্দ বা ধাতুর সঙ্গে যুক্ত না হলে উপসর্গ
Printed page 47
কোনো অর্থ প্রকাশ করতে পারে না। অর্থাৎ উপসর্গ স্বাধীনভাবে ব্যবহৃত হয়ে অর্থদ্যোতনা সৃষ্টি করতে অক্ষম। কিন্তু যখনই এরা ধাতু বা শব্দের পূর্বে বসে, তখনই এদের অর্থদ্যোতকতা শক্তি সৃষ্টি হয়। যেমন : 'হার' শব্দটির পূর্বে বিভিন্ন উপসর্গযোগে অনেকগুলো অর্থদ্যোতক শব্দ গঠিত হতে পারে :
Figure
লেবেল: উপসর্গ: আ, অনা, প্র, পরি, উপ, বি; মূল শব্দ: হার; উপসর্গযোগে গঠিত শব্দ: আহার (ভোজন), অনাহার (উপবাস), প্রহার (নিগ্রহ), পরিহার (বর্জন), উপহার (উপঢৌকন), বিহার (ভ্রমণ)
বর্ণনা: বাম দিকে ছয়টি উপসর্গ (আ, অনা, প্র, পরি, উপ, বি) বাক্সে লেখা; প্রতিটি রেখা দ্বারা মাঝখানের 'হার' বাক্সের সঙ্গে যুক্ত। 'হার' বাক্সের ওপরে একটি নিচমুখী তীর। ডান দিকে ছয়টি ফলাফল বাক্স (আহার (ভোজন), অনাহার (উপবাস), প্রহার (নিগ্রহ), পরিহার (বর্জন), উপহার (উপঢৌকন), বিহার (ভ্রমণ)) তীরচিহ্ন দ্বারা 'হার' বাক্সের সঙ্গে যুক্ত।
উপরের লেখচিত্রে আ, অনা, প্র, পরি, উপ, বি উপসর্গগুলোর স্বাধীন কোনো অর্থ নেই। কিন্তু এ উপসর্গগুলো 'হার' শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে অর্থবোধক একাধিক শব্দ তৈরি করেছে। সুতরাং বলা যায় উপসর্গের স্বাধীন কোনো অর্থ নেই কিন্তু অর্থদ্যোতকতা আছে।
উপসর্গের প্রয়োজনীয়তা
বাংলা ভাষায় উপসর্গ খুবই গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। উপসর্গ শব্দ বা ধাতুর পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের সংকোচন, সম্প্রসারণ বা পরিবর্তন ঘটায়। উপসর্গ নতুন শব্দ সৃষ্টি করে ভাষার শব্দভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করে। বস্তুত শব্দ গঠন ও অর্থের দিক থেকে বৈচিত্র্য সৃষ্টি করাই উপসর্গের কাজ। উপসর্গ অর্থহীন হলেও এদের সার্থক প্রয়োগে ভাষার অভ্যন্তরীণ শক্তি ও ঐশ্বর্য বৃদ্ধি পায়।
উপসর্গযোগে শব্দ গঠন :
| উপসর্গ | উদাহরণ |
|---|---|
| অ | অকাজ, অচিন, অজানা, অখুশি, অচেনা, অমিল, অকাল, অবেলা, অনড়। |
| অঘা | অঘাচণ্ডী, অঘারাম। |
| অজ | অজপাড়াগাঁ, অজমূর্খ, অজপুকুর। |
| অনা | অনাবৃষ্টি, অনাদর, অনাদায়, অনাসৃষ্টি, অনাচার, অনামুখো, অনাদর, অনাদায়। |
| আ | আকাঁড়া, আধোয়া, আলুনি, আমাপা, আঘাটা, আকাট, আকাল, আকাঠা। |
| আড় | আড়চোখে, আড়নয়নে, আড়পাগলা, আড়ক্ষ্যাপ্যা, আড়কোলা, আড়গড়া । |
Printed page 48
| আন | আনকোরা, আনচান, আনমনা । |
| আব | আবছায়া, আবডাল । |
| ইতি | ইতিকথা, ইতিহাস । |
| উন (উনা) | উনপাঁজুরে, উনিশ, উনবর্ষা । |
| কদ্ | কদবেল, কদর্য, কদাকার । |
| কু | কুঅভ্যাস, কুকথা, কুসঙ্গ, কুনজর, কুকাম, কুযশ । |
| নি | নিখুঁত, নিখোঁজ, নিখরচা, নিভাঁজ, নিরেট, নিলাজ, নিটোল, নিরেট । |
| পাতি | পাতিকাক, পাতিহাঁস, পাতিলেবু । |
| বি | বিভুঁই, বিফল, বিপথ, বিদেশ, বিজোড় । |
| ভর | ভরপুর, ভরপেট, ভরদুপুর, ভরসন্ধ্যা, ভরদিন, ভরসাঁঝ । |
| রাম | রামছাগল, রামদা । |
| স | সঠিক, সরব, সলাজ, সটান, সজোর, সখেদ, সজ্ঞান । |
| সা | সাজোয়ান, সাজিরা । |
| সু | সুখবর, সুদিন, সুনজর, সুনাম, সুডৌল । |
| হা | হাপিত্যেশ, হাভাতে, হাঘরে, হাহুতাশ । |
| প্র | প্রকাশ, প্রভাত, প্রচলন, প্রগতি, প্রহার, প্রতাপ, প্রভাব, প্রচেষ্টা, প্রবেশ, প্রচার, প্রশাখা, প্রদান । |
| পরা | পরামর্শ, পরাধীন, পরাক্রম, পরাকাষ্ঠা, পরায়ণ, পরাজয়, পরাভব । |
| অপ | অপমান, অপকার, অপচয়, অপবাদ, অপকর্ম, অপব্যয়, অপযশ, অপব্যাখ্যা, অপসারণ, অপমৃত্যু । |
| সম্ | সমাদর, সমাগত, সম্মুখ, সম্পূর্ণ, সংবাদ, সংযম, সম্মান, সমধিক । |
| নি | নিথর, নিবাস, নিগম, নিচয়, নিবৃত্তি, নিবারণ, নিদাঘ, নিগূঢ়, নিষ্কলুষ, নিষ্কাম । |
| অনু | অনুতাপ, অনুগ্রহ, অনুগামী, অনুজ, অনুচর, অনুবাদ, অনুরূপ, অনুকরণ, অনুসরণ, অনুক্ষণ । |
| অব | অবকাশ, অবসর, অবজ্ঞা, অবমাননা, অবগত, অবগাহন, অবরোধ, অবতরণ, অবরোহণ । |
| নির্ | নিরক্ষর, নির্জীব, নিরহংকার, নির্ধারণ, নির্দেশ, নির্ণয়, নির্ভয়, নির্গত, নির্বাসন, নিরীক্ষণ, নিরঙ্কুশ । |
Printed page 49
| দুর্ | দুর্ভাগ্য, দুর্দশা, দুর্নাম, দুর্লভ, দুর্গম, দুর্জয়, দুর্ঘটনা, দুর্দিন, দুর্নীতি, দুর্বল, দুর্যোগ । |
| বি | বিজয়, বিপক্ষ, বিজ্ঞান, বিশুদ্ধ, বিশুষ্ক, বিবর্ণ, বিশৃঙ্খল, বিফল, বিচরণ, বিক্ষেপ, বিকার, বিপর্যয় । |
| অধি | অধিকার, অধিপতি, অধিবাসী, অধিকর্তা, অধিবেশন, অধিবর্ষ, অধিনায়ক, অধিকর্তা, অধিষ্ঠান । |
| সু | সুকণ্ঠ, সুকৃতি, সুনীল, সুগম, সুলভ, সুকঠিন, সুধীর, সুচতুর, সুরম্য, সুনিপুণ, সুদূর, সুচরিত্র । |
| উৎ | উৎসব, উৎক্ষিপ্ত, উদগ্রীব, উত্তোলন, উত্তপ্ত, উৎফুল্ল, উৎসুক, উৎপাদন, উচ্চারণ, উদ্দেশ্য । |
| পরি | পরিপক্ব, পরিপূর্ণ, পরিমাণ, পরিশেষ, পরিসীমা, পরিশ্রম, পরিতাপ, পরিচালক, পরিদর্শন । |
| প্রতি | প্রতিদান, প্রতিকার, প্রতিক্রিয়া, প্রতিবাদ, প্রতিবেশী, প্রতীক্ষা, প্রতিমূর্তি, প্রতিধ্বনি, প্রতিদিন । |
| অভি | অভিব্যক্তি, অভিজ্ঞ, অভিভূত, অভিধান, অভিনয়, অভিযান, অভিসার, অভিমুখ, অভিবাদন । |
| অতি | অতিকায়, অত্যাচার (অতি + আচার), অতিশয়, অতিক্রম, অতিরিক্ত, অত্যন্ত (অতি + অন্ত) । |
| অপি | অপিনিহিত, অপিনিহিতি, অপিধান । |
| উপ | উপকার, উপকূল, উপকণ্ঠ, উপদ্বীপ, উপবন, উপগ্রহ, উপসাগর, উপনেতা, উপনয়ন (পৈতা) । |
| আ | আকণ্ঠ, আমরণ, আসমুদ্র, আরক্ত, আভাস, আদান, আগমন, আগ্রহ, আহার, আরক্ত । |
বাক্যে উপসর্গযুক্ত শব্দের প্রয়োগ
| অ | : লোকটি আমার অচেনা। |
| অঘা | : অঘারাম বলেই সে এমন কাণ্ড করে বসেছে। |
| অজ | : অজপাড়াগাঁয়ে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে হবে। |
| অনা | : অনাবৃষ্টিতে এ বছর ফসলের বিস্তর ক্ষতি হয়েছে। |
| আ | : আধোয়া প্লেটে খাবার খেতে নেই। |
| আড় | : মিতা রিতার দিকে আড়চোখে তাকিয়ে আছে। |
| আন | : সন্তানের জন্য মায়ের মন সব সময়ই আনচান করে। |
| আব | : আড়ালে আবডালে কারো সমালোচনা করতে নেই। |
| ইতি | : ইতিহাস থেকে সকলেরই শিক্ষা নেওয়া উচিত। |
| উন/উনা | : ‘উনাভাতে দুনা বল ।’ |
| কদ্ | : কদবেলে প্রচুর ভিটামিন আছে। |
Printed page 50
| কু | : কুসঙ্গ কুফল বয়ে আনে। |
| নি | : মেয়েটির সূচিকর্ম খুবই নিখুঁত। |
| পাতি | : ঝিলের জলে পাতিহাঁস ভেসে বেড়াচ্ছে। |
| বি | : সাধনা কখনো বিফলে যায় না। |
| ভর | : এখন ভরদুপুর, একটু পরে বের হও। |
| রাম | : রামছাগলের বাচ্চাটা তিড়িং-বিড়িং করে লাফাচ্ছে। |
| স | : সঠিক উত্তরে টিক চিহ্ন দাও। |
| সা | : লড়াইয়ে জিততে হলে সাজোয়ান লোকই প্রয়োজন। |
| সু | : সৎকর্ম সুনাম বয়ে আনে। |
| হা | : হাভাতে ছেলেটার জন্য মায়ের কত হাপিত্যেশ। |
Loading the rest of the chapter…
Textbook content © National Curriculum and Textbook Board (NCTB), Bangladesh. Shown for study.
Trusted resources
Official links checked by the Zntext team. Part of the context pack.