Skip to content

Bangladesh and Global Studies chapter 1: Liberation Struggle and Mass Movement of Bangladesh

বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রাম ও গণআন্দোলন

  • Bangladesh and Global Studies
  • Textbook pages 1-16
  • 1 source
  • 35,307 characters of context

Textbook (verbatim transcription): Liberation Struggle and Mass Movement of Bangladesh

Verbatim transcription of the printed NCTB textbook pages.

Contents27
  1. পাঠ ১ : রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
  2. ভাষা আন্দোলনের তাৎপর্য
  3. পাঠ ২ : যুক্তফ্রন্ট
  4. যুক্তফ্রন্ট গঠন ও ২১ দফা কর্মসূচি
  5. নির্বাচনের ফলাফল
  6. মুসলিম লীগের পরাজয় ও যুক্তফ্রন্টের বিজয়ের কারণ
  7. বাঙালির অর্জন
  8. পাঠ- ৩ : ছয় দফা আন্দোলন
  9. ছয় দফা কর্মসূচি
  10. ছয় দফা দাবির প্রতিক্রিয়া
  11. পাঠ ৪ : ঐতিহাসিক আগরতলা মামলা
  12. এগার দফা আন্দোলন
  13. পাঠ ৫ : উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
  14. পাঠ- ৬ : ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচন
  15. নির্বাচনের গুরুত্ব
  16. পাঠ- ৭ ও ৮ : পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে বৈষম্য
  17. রাজনৈতিক বৈষম্য
  18. প্রশাসনিক বৈষম্য
  19. সামরিক ক্ষেত্রে বৈষম্য
  20. অর্থনৈতিক বৈষম্য
  21. সাংস্কৃতিক বৈষম্য
  22. বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া
  23. পাঠ- ৯ : বাংলাদেশে গণআন্দোলন ও চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থান
  24. অনুশীলনী
  25. বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  26. সৃজনশীল প্রশ্ন
  27. সংক্ষিপ্ত-উত্তর প্রশ্ন

Printed page 1

প্রথম অধ্যায়

বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রাম ও গণআন্দোলন

১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তান নামের দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে পাকিস্তান ছিল পশ্চিম ও পূর্ব এই দুই ভাগে বিভক্ত, যা একে অপরের থেকে বহুদূরে অবস্থিত ছিল। পূর্ব পাকিস্তান ছিল মূলত বাঙালি মুসলমান ও হিন্দুদের আবাস। পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বাঙালিরা শোষণ, অত্যাচার ও বৈষম্যের শিকার হয়। এর বিরুদ্ধে তাঁরা ধারাবাহিকভাবে সংগ্রাম ও আন্দোলন শুরু করে। এর মধ্যে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন, সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলন, শিক্ষা আন্দোলন অন্যতম। এছাড়া ১৯৬৬ সালের ৬ দফা আন্দোলন, ঐতিহাসিক আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা, সাংস্কৃতিক স্বাধিকার আন্দোলন, ১১ দফা আন্দোলন, উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান এবং ১৯৭০ সালের নির্বাচন বাঙালির জাতীয় জাগরণের ক্ষেত্রে ব্যাপক ভূমিকা রাখে। এসব আন্দোলন ও ঘটনার মধ্য দিয়েই বাঙালির স্বাধিকার চেতনা বেগবান হয়েছে, স্বাধীন বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষায় উদ্বুদ্ধ হয়েছে মানুষ। ফলে ১৯৭১ সালে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়। এই রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে। এ অধ্যায়ে বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রাম ও গণআন্দোলনের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা বর্ণনা করা হলো।

এ অধ্যায় শেষে আমরা–

১. রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের কারণ ও ঘটনাপ্রবাহ বর্ণনা করতে পারব; ২. ভাষা আন্দোলনের তাৎপর্য বিশ্লেষণ করতে পারব; ৩. যুক্তফ্রন্টের মাধ্যমে বাঙালির অর্জনসমূহ বর্ণনা করতে পারব; ৪. ছয় দফা আন্দোলন সম্পর্কে বর্ণনা করতে পারব; ৫. ঐতিহাসিক আগরতলা মামলার বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে পারব; ৬. উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের ঘটনা ও গুরুত্ব বর্ণনা করতে পারব; ৭. ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বাঙালির নিরঙ্কুশ বিজয় সম্পর্কে ব্যাখ্যা করতে পারব; ৮. পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে যে বৈষম্য ছিল তা ব্যাখ্যা করতে পারব; ৯. নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থানের ঘটনাবলি বর্ণনা করতে পারব; ১০. চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘটনাবলি বর্ণনা করতে পারব।

পাঠ ১ : রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন

১৯৪৭ সালে পাকিস্তানের স্বাধীনতা লাভের পর রাষ্ট্রের নীতি, আদর্শ নিয়ে বিভ্রান্তি দেখা দেয়। এ অবস্থাকে বলা যায় সংহতির বা একাত্মতার সংকট। হিন্দু ও মুসলিম দুটি পৃথক জাতি, এই দাবি ছিল পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পক্ষে প্রধান যুক্তি। দ্বিজাতি তত্ত্বের প্রধান প্রবক্তা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ নিজে পাকিস্তানের স্বাধীনতার কয়েকদিন

Figure: কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার

Printed page 2

পরেই গণপরিষদে বললেন, 'মুসলিম-হিন্দু-খ্রিষ্টান-বৌদ্ধ কিংবা পাঞ্জাবি-বাঙালি-সিন্ধি-পাখতুন পরিচয় ভুলে সকলকেই এখন এক পাকিস্তানি হতে হবে।' কিন্তু সেই পাকিস্তানের ঐক্যসূত্র তৈরি করতে গিয়ে পাকিস্তানের নেতারা ইসলাম ও উর্দুভাষার উপর জোর দেন আর অন্যান্য ধর্ম ও ভাষা-সংস্কৃতির বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। এমনকি বাংলাভাষার সমৃদ্ধ সাহিত্য, রবীন্দ্রনাথ-মাইকেল-বঙ্কিমের মতো গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যিকদের প্রতি তৎকালীন পাকিস্তান সরকার বৈরী অবস্থান গ্রহণ করে।

বহু ভাষাবিদ পণ্ডিত ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহসহ এদেশের অগ্রণী বুদ্ধিজীবী ও সাহিত্যিকরা বাংলাভাষা, বাংলা সাহিত্য, বাঙালি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষায় এগিয়ে আসেন। এ সময়ে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ একটি ভাষণে বলেছিলেন– 'আমরা হিন্দু বা মুসলিম যেমন সত্য, তার চেয়ে বেশি সত্য আমরা বাঙালি। এটি কোনো আদর্শের কথা নয়, এটি একটি বাস্তব কথা। প্রকৃতি নিজের হাতে আমাদের চেহারায় ও ভাষায় বাঙালিত্বের এমন ছাপ দিয়েছেন যে, তা মালা-তিলক-টিকিতে কিংবা টুপি-লুঙ্গি-দাড়িতে ঢাকবার জো-টি নেই'।

পাকিস্তান স্বাধীন হওয়ার পর রাষ্ট্রভাষা কী হবে? এ প্রশ্ন দেখা দিলে পূর্ব পাকিস্তানের সচেতন ও শিক্ষিত জনগণ তাদের মায়ের ভাষা বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করার দাবি করে। কিন্তু তৎকালীন পাকিস্তান সরকার উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়।

১৯৪৮ সালের মার্চ মাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলে ছাত্র-শিক্ষকদের সমাবেশে পাকিস্তানের প্রথম গভর্নর জেনারেল মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ঘোষণা করেন, 'পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হবে উর্দু'। উপস্থিত ছাত্র-ছাত্রীরা 'না না না'– ধ্বনিতে এর প্রতিবাদ জানায়। দেশের শিক্ষাবিদ-সাহিত্যিক ও বুদ্ধিজীবী এবং অধিকাংশ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ বাংলা ভাষাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার পক্ষে অবস্থান নেন। পাকিস্তান গণপরিষদে বাঙালি সদস্য একাত্তরের শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত রাষ্ট্রভাষা বাংলার পক্ষে প্রস্তাব উত্থাপন করেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান এ প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করেন। মুসলিম লীগের অনেক বাঙালি সদস্যও এই বিরোধিতায় যোগ দিয়েছিলেন। অথচ বাংলা পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হওয়া ছিল যুক্তিযুক্ত। পাকিস্তানের তৎকালীন মোট জনসংখ্যা ছিল ৬ কোটি ৯০ লক্ষ। এর মধ্যে ৪ কোটি ৪০ লক্ষ বাঙালি। বাকি আড়াই কোটি মানুষের সবার মাতৃভাষাও উর্দু ছিল না।

দেশের সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর ভাষাকে সংখ্যাগুরু বাঙালির উপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠী। বাঙালিরা কেবল বাংলা ভাষাকেই পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার দাবি করেনি, তারা উর্দুর পাশাপাশি রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলা ভাষার স্বীকৃতি চেয়েছিল।

মাতৃভাষার অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে এদেশে অনেক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে ১৯৪৭ সালের ২রা সেপ্টেম্বর 'তমদ্দুন মজলিস' নামক একটি সাংস্কৃতিক সংগঠন গঠিত হয়। ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু' এ সংগঠন প্রকাশ করে। রাজনীতিবিদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের সমন্বয়ে সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। ভাষা আন্দোলনে তরুণদের মধ্যে সক্রিয় ছিলেন কাজী গোলাম মাহবুব, শওকত আলী, গাজীউল হক, মোহাম্মদ তোয়াহা, শেখ মুজিবর রহমান, অলি আহাদ, আবদুল মতিন প্রমুখ।

Printed page 3

১৯৪৮ সালের ১১ই মার্চ ভাষার দাবিতে সমগ্র দেশে ধর্মঘট ডাকা হলে শেখ মুজিবুর রহমান, অলি আহাদ, কাজী গোলাম মাহবুবসহ অধিকাংশ নেতা গ্রেফতার হন। পুলিশের দমন-পীড়নে বহু ছাত্র-ছাত্রী আহত হয়। এতেও ভাষার জন্য আন্দোলন কিন্তু বন্ধ হয়নি। এই ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধর্মঘট পালন করা হয়। আন্দোলনের পথ ধরে ১৯৫২ সালে ঢাকায় প্রাদেশিক-পরিষদের অধিবেশন বসলে ছাত্রেরা গণপরিষদ ঘেরাও করে রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। দিনটি ছিল ২১শে ফেব্রুয়ারি।

পূর্ব-পাকিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী নুরুল আমিনের নেতৃত্বে মুসলিম লীগ সরকার ছাত্রদের বাধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। সরকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে। অর্থাৎ চারজনের বেশি একজোট হয়ে রাস্তায় মিছিল করতে পারবে না। কিন্তু সংগ্রামী ছাত্রেরা তা মানেনি। তারা মাতৃভাষার মর্যাদা ও অধিকার রক্ষায় আপসহীন সাহসী ভূমিকা নিতে প্রস্তুত হয়। ২০শে ফেব্রুয়ারি রাতে সভা করে ছাত্রেরা ১৪৪ ধারা ভেঙে মিছিল বের করার সিদ্ধান্ত নেয়।

সেদিন আন্দোলনকারীদের ঠেকাতে পুলিশ অস্ত্র হাতে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। প্রথমে তারা লাঠিচার্জ করল ও কাঁদানে গ্যাস ছুঁড়লো। তাতেও দমাতে পারল না বিক্ষোভকারীদের। মিছিলে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন আবদুল মতিন ও গাজীউল হক। এবার গুলি চালাল পুলিশ। গুলিতে শহিদ হলেন রফিক উদ্দিন, আব্দুল জব্বার এবং আবুল বরকত। আহতের সংখ্যা ছিল অনেক। তাঁদের ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়। এদের মধ্যে আবদুস সালাম চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। ২২শে ফেব্রুয়ারি ছাত্র-জনতার মিছিলে শফিউর রহমানসহ নয় বছরের কিশোর ওলিউল্লাহও পুলিশের গুলিতে শহিদ হয়েছিল। এছাড়া নাম না জানা আরও অনেকে ২১শে ও ২২শে ফেব্রুয়ারিতে নিহত হয়েছিল। তাঁরা সবাই ভাষাশহিদ।

Figure: ভাষা আন্দোলনে শহিদেরা

লেবেল: শহিদ রফিক, শহিদ জব্বার, শহিদ বরকত, শহিদ সালাম, শহিদ শফিউর বর্ণনা: পাঁচজন শহিদের প্রতিকৃতি ছবি; ওপরের সারিতে তিনটি (রফিক, জব্বার, বরকত) এবং নিচের সারিতে দুটি (সালাম, শফিউর), প্রতিটির নিচে নাম লেখা।

যেখানে পুলিশের গুলিতে তাঁরা শহিদ হয়েছিলেন সেই স্থানে ২৩শে ফেব্রুয়ারি ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা তৈরি করে একটি শহিদ মিনার। ১৯৬৩ সালে এই অস্থায়ী মিনারটির স্থলে বড়ো করে শহিদ মিনার তৈরি করা হয়। এটিই ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনে গড়া কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার।

Printed page 4

ভাষা আন্দোলনের তাৎপর্য

বাঙালি বুকের রক্ত দিয়ে মাতৃভাষার সম্মান রক্ষা করতে পেরেছিল। শেষ পর্যন্ত পূর্ববাংলার আইনসভা বাংলা ভাষাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার পক্ষে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের প্রথম সংবিধানে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলা ভাষাকে স্বীকৃতিদানের মাধ্যমে ভাষা আন্দোলনের সমাপ্তি ঘটে। অবশেষে বাঙালি জাতির বিজয় অর্জিত হয়। বাংলা এবং উর্দু দুই ভাষাই পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা লাভ করে।

সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের মাধ্যমে মাতৃভাষার স্বীকৃতির ন্যায্য দাবি আদায়ে সফল হয়ে বাঙালির মনে জাতীয় চেতনা জোরদার হয়। বাংলা ভাষা, বাংলা সাহিত্য এবং বাঙালির হাজার বছরের সংস্কৃতি নিয়ে গর্ব করার সাথে সাথে আত্মবিশ্বাস ফিরে পায় বাঙালিরা।

ভাষার জন্য বাঙালির এই মহান আন্দোলনকে শ্রদ্ধা জানায় বিশ্ববাসী। ১৯৯৯ সালে আমাদের ভাষা আন্দোলন আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করে। ১৯৯৯ সালের ১৭ই নভেম্বর ইউনেস্কো ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। তাই এখন প্রতি বছর ২১শে ফেব্রুয়ারি দিনটিতে পৃথিবীর সকল জাতি নিজ নিজ মাতৃভাষাকে বিশেষ সম্মান জানিয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করে। সেই সাথে স্মরণ করে ভাষার জন্য বাঙালির আত্মত্যাগের কথা।

কাজ- ১ : ভাষা আন্দোলনে শহিদদের ছবিসহ পরিচিতি লেখো।

Loading the rest of the chapter…

Textbook content © National Curriculum and Textbook Board (NCTB), Bangladesh. Shown for study.

Trusted resources

Official links checked by the Zntext team. Part of the context pack.