Skip to content

Bangladesh and Global Studies chapter 4: Economy of Bangladesh

বাংলাদেশের অর্থনীতি

  • Bangladesh and Global Studies
  • Textbook pages 35-44
  • 1 source
  • 22,679 characters of context

Textbook (verbatim transcription): Economy of Bangladesh

Verbatim transcription of the printed NCTB textbook pages.

Contents24
  1. পাঠ- ১ : বাংলাদেশের গ্রাম ও শহরের অনানুষ্ঠানিক অর্থনৈতিক কার্যাবলি
  2. গ্রামাঞ্চলের অনানুষ্ঠানিক অর্থনৈতিক কার্যাবলী
  3. শহরাঞ্চলের অনানুষ্ঠানিক অর্থনৈতিক কার্যাবলী
  4. অর্থনীতিতে অনানুষ্ঠানিক খাতের অবদান
  5. পাঠ- ২ : বাংলাদেশের শিল্প
  6. বৃহৎ শিল্প
  7. মাঝারি শিল্প
  8. ক্ষুদ্র শিল্প
  9. কুটিরশিল্প
  10. বাংলাদেশের অর্থনীতিতে শিল্পের অবদান
  11. বাংলাদেশে শিল্পের সম্ভাবনা
  12. পাঠ- ৩ : বাংলাদেশের আমদানি ও রপ্তানি
  13. বাংলাদেশের আমদানি পণ্যসামগ্রী
  14. বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যসামগ্রী
  15. আমদানি ও রপ্তানির গুরুত্ব
  16. পাঠ- ৪ : কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প
  17. ক. প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প
  18. খ. বাংলাদেশে কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প
  19. সনাতন পদ্ধতির প্রক্রিয়াজাতকরণের সমস্যা
  20. আধুনিক পদ্ধতির সুবিধা
  21. প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের সমস্যা
  22. বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  23. সৃজনশীল প্রশ্ন
  24. সংক্ষিপ্ত-উত্তর প্রশ্ন

Printed page 35

চতুর্থ অধ্যায়

বাংলাদেশের অর্থনীতি

বাংলাদেশ একটি কৃষিপ্রধান দেশ। এদেশের অধিকাংশ মানুষ গ্রামে বাস করে। আর কৃষিই তাদের জীবিকার প্রধান উৎস। তবে শহরাঞ্চলের বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে শিল্প ও বাণিজ্যের ভূমিকাও আমাদের অর্থনীতিতে ক্রমে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। একটি আধুনিক রাষ্ট্রে কৃষি, শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য কোনো খাতের গুরুত্ব অন্য খাত থেকে কম নয়। দেশকে উন্নত করতে হলে আমাদের জাতীয় অর্থনীতিকে সবল ও গতিশীল করে তুলতে হবে। তার জন্য কৃষি, শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য সকল ক্ষেত্রে আমাদের উন্নতি করতে হবে। বর্তমান প্রতিযোগিতাপূর্ণ বিশ্বে এর কোনো বিকল্প নেই।

এ অধ্যায় শেষে আমরা–

১। অনানুষ্ঠানিক অর্থনৈতিক কার্যাবলির বিবরণ দিতে পারব;

২। বাংলাদেশের গ্রামের অনানুষ্ঠানিক অর্থনৈতিক কাজের ব্যাখ্যা করতে পারব;

৩। শহরের অনানুষ্ঠানিক কাজের চিত্র তুলে ধরতে পারব;

৪। জাতীয় অর্থনীতিতে অনানুষ্ঠানিক কাজের অবদান ব্যাখ্যা করতে পারব;

৫। বাংলাদেশের শিল্পের প্রকারভেদ সম্পর্কে বিবরণ দিতে পারব;

৬। অর্থনীতির বিকাশে শিল্পের অবদান নির্ণয় করতে পারব;

৭। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে শিল্পের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা সম্পর্কে ধারণা বর্ণনা করতে পারব;

৮। বাংলাদেশের প্রধান প্রধান আমদানি ও রপ্তানি পণ্যের বিবরণ দিতে পারব;

৯। আমদানি ও রপ্তানির গুরুত্ব উপলব্ধি করতে পারব;

১০। প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প ব্যাখ্যা করতে পারব;

১১। বাংলাদেশের কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণের বর্ণনা দিতে পারব;

১২। কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণের সমস্যা ও করণীয় ব্যাখ্যা করতে পারব।

পাঠ- ১ : বাংলাদেশের গ্রাম ও শহরের অনানুষ্ঠানিক অর্থনৈতিক কার্যাবলি

অর্থনৈতিক মূল্য রয়েছে এমন যেকোনো কাজ, সেবা বা বিনিময়কে অর্থনৈতিক কার্যক্রম বলা হয়। আর যেকোনো দেশের অর্থনৈতিক কার্যক্রমকে অনানুষ্ঠানিক ও আনুষ্ঠানিক এই দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যেসব কাজের জন্য পূর্ব মজুরি নির্ধারিত নয়, করের আওতায় আনাও কঠিন এবং যেসব অর্থনৈতিক কার্যক্রম

Printed page 36

সরকার কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত নয়, সংক্ষেপে অনানুষ্ঠানিক কার্যক্রম বলতে সেগুলোকেই বোঝায়। যেমন: নিজের জমি, দোকান বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কাজ, গৃহস্থালি কর্ম, হকারি, দিনমজুরি প্রভৃতি। অনুন্নত বা উন্নয়নশীল দেশের বেশির ভাগ অর্থনৈতিক কার্যক্রম এই অনানুষ্ঠানিক খাতের মাধ্যমেই হয়ে থাকে। অতীতকাল থেকে চলে আসছে বলে অনেকে এসব কাজকে অর্থনীতির প্রথাগত খাতও বলে থাকেন।

গ্রামাঞ্চলের অনানুষ্ঠানিক অর্থনৈতিক কার্যাবলী

বিশ্বের অন্য যেকোনো উন্নয়নশীল দেশের মতো বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও অনানুষ্ঠানিক খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। গ্রামের একজন চাষি ও তার পরিবারের সদস্যরা সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত জমিতে কাজ করেন। নিজেদের জমিতে কাজ করার জন্য তারা কোনো মজুরি পান না বা নেন না। কিন্তু তাদের সে কাজ বা পরিশ্রমের ফলে কেবল তাদের পরিবারই নয়, সমাজ ও রাষ্ট্রও উপকৃত হচ্ছে। দেশের মোট খাদ্য চাহিদার বড়ো অংশটা তারাই উৎপাদন করছে। এভাবে আমাদের কৃষকরা জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। কামার-কুমারের কাজ, গ্রামের কুটির শিল্প, দোকান ও অন্যান্য ছোটখাটো ব্যবসাও অনানুষ্ঠানিক অর্থনৈতিক কাজের অন্তর্ভুক্ত। আমাদের অর্থনীতিকে সচল রাখতে এসব কাজও মূল্যবান ভূমিকা পালন করছে। সাম্প্রতিককালে কৃষিসহ গ্রামীণ অর্থনীতিতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার লক্ষ করা গেলেও প্রথাগত বা অনানুষ্ঠানিক খাতটি এখনও প্রধান ভূমিকায় রয়েছে। জাতীয় অর্থনীতির দিক থেকে বিবেচনা করলেও এই খাতটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক ভূমিকা পালন করছে।

Figure

লেবেল: কৃষিকাজ বর্ণনা: মাথায় বোঝা নিয়ে এক ব্যক্তি এবং কয়েকজন মানুষ মাঠে কাজ করছে; পাশে গাছপালা ও কিছু গবাদি পশু আঁকা আছে।

Figure

লেবেল: হকার বর্ণনা: কাঁধে বাঁক নিয়ে এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে আছে; বাঁকের দুই প্রান্তে ঝুড়িতে সবজি ও হাঁস-মুরগি রাখা আছে।

Figure

লেবেল: গৃহস্থালি কাজ বর্ণনা: একটি ঘরের ভেতর এক নারী মেঝেতে বসে কাজ করছেন; পাশে একটি শিশু দাঁড়িয়ে আছে এবং জানালা দিয়ে আলো আসছে।

শহরাঞ্চলের অনানুষ্ঠানিক অর্থনৈতিক কার্যাবলী

বাংলাদেশের শহরগুলোতে উচ্চবিত্ত, মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্ত ও বিত্তহীন সকল শ্রেণির মানুষই বাস করে। বিত্তহীনদের মধ্যে অনেকে আবার ভাসমান বা অস্থায়ী। অর্থাৎ তাদের নিজস্ব বা স্থায়ী বাসাবাড়ি নেই। তারা বস্তি, ফুটপাত, পার্ক, রেলস্টেশন ইত্যাদি স্থানে বাস করে। উচ্চবিত্ত ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির লোকেরা সাধারণত আনুষ্ঠানিক অর্থনৈতিক কাজ যেমন সরকারি ও বেসরকারি চাকরি, ব্যবসা-বাণিজ্য ইত্যাদিতে নিয়োজিত। নিম্নবিত্ত ও বিত্তহীনরা ছোটোখাটো দোকান, ফুটপাতে হকারি, ফেরিওয়ালা, রিকশা বা ঠেলাগাড়ি চালক, মুটে, মিস্ত্রি, জোগালি, কিংবা বাসাবাড়ির কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে। এগুলোকে শহর অঞ্চলের অনানুষ্ঠানিক অর্থনৈতিক কাজ বলে গণ্য করা হয়।

Printed page 37

অর্থনীতিতে অনানুষ্ঠানিক খাতের অবদান

গ্রামপ্রধান বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে বসবাসকারী অধিকাংশ মানুষ নিজস্ব উদ্যোগে ও শ্রমে ধান-পাট, রবিশস্য, শাকসবজি ও ফলমূল উৎপাদন, মাছ ধরা, গরু-ছাগল ও হাঁস-মুরগি পালন, কুটিরশিল্প, হাটবাজারে পণ্য বিক্রি করার মাধ্যমে তাদের জীবিকার সংস্থান করছে। শুধু তাই নয়, তারা দেশের অর্থনৈতিক জীবনকে সচল রাখার ক্ষেত্রেও প্রধান ভূমিকা পালন করছে। একইভাবে শহরাঞ্চলে বসবাসকারী স্বল্প ও মাঝারি এমন কি উচ্চ আয়ের অনেক মানুষও অনানুষ্ঠানিক খাতের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নিজেদের নিয়োজিত রেখেছে। এভাবে প্রথম থেকেই বাংলাদেশের অর্থনীতি অনানুষ্ঠানিক খাতের উপর বেশি নির্ভরশীল। সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে আনুষ্ঠানিক খাতের ভূমিকা বৃদ্ধি ও তা জোরদার হওয়ার পরও আমাদের অর্থনীতিতে প্রথাগত বা অনানুষ্ঠানিক খাতের গুরুত্ব কমেনি।

কাজ-১ : তোমার এলাকার যেকোনো একটি অনানুষ্ঠানিক অর্থনৈতিক কাজের বিবরণ দাও। জাতীয় অর্থনীতিতে তা কীভাবে অবদান রাখে ব্যাখ্যা করো।

পাঠ- ২ : বাংলাদেশের শিল্প

বাংলাদেশ একটি কৃষিপ্রধান দেশ হলেও ব্রিটিশ আমল থেকেই এখানে কিছু কিছু শিল্প বা কলকারখানা গড়ে উঠতে থাকে। তার মধ্যে পাট, সুতা ও কাপড়ের কলই ছিল প্রধান। পাকিস্তান সৃষ্টির পর পূর্ববাংলার নারায়ণগঞ্জে প্রতিষ্ঠিত হয় পৃথিবীর সর্ববৃহৎ পাটকল আদমজি জুট মিলস। পাকিস্তান আমলে শিল্প বা কলকারখানা প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে এ অঞ্চলটি শাসকদের বৈষম্য বা বঞ্চনার শিকার হয়। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে নতুন নতুন শিল্পকারখানা গড়ে উঠতে শুরু করে। এক সময় আমাদের দেশের পাটশিল্পই ছিল প্রধান, সেই সঙ্গে ছিল চা, চিনি, সিমেন্ট, সার, চামড়া, রেল ও ইঞ্জিনিয়ারিং কারখানা। বর্তমানে তৈরি পোশাক ও ঔষধ শিল্পেও বাংলাদেশ বিরাট সাফল্য অর্জন করেছে। মূলধন, উৎপাদনের পরিমাণ, কর্মী বা শ্রমিকের সংখ্যা ইত্যাদি বিচারে শিল্প প্রতিষ্ঠানকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়।

Figure: তৈরি পোশাক কারখানা

বর্ণনা: একটি বড়ো তৈরি পোশাক কারখানার ভেতরে সারি সারি সেলাই মেশিনে নারী শ্রমিকেরা কাপড় সেলাই করছেন; মেশিনের ওপর সুতার রিল রাখা আছে।

Printed page 38

বৃহৎ শিল্প

জাতীয় শিল্পনীতি ২০১৬ অনুযায়ী, ম্যানুফ্যাকচারিংয়ের ক্ষেত্রে বৃহৎ শিল্প বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝায় যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতীত স্থায়ী সম্পদের মূল্য ৫০ কোটি টাকার অধিক কিংবা তৈরি পোশাক/শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠান ব্যতীত যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ৩০০ জনের অধিক শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে। পাট, বস্ত্র, চিনি, সিমেন্ট, সার, রেল, ইঞ্জিনিয়ারিং, বিদ্যুৎ প্রভৃতি বৃহৎ শিল্প। এসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে প্রচুর মূলধন, দক্ষ শ্রমিক ও কারিগর, প্রকৌশলী, বিশেষজ্ঞ ও অভিজ্ঞ ব্যবস্থাপকের প্রয়োজন হয়। এসব শিল্পের উৎপাদন ক্ষমতাও অনেক বেশি। কোন কোন শিল্পের ক্ষেত্রে দেশের চাহিদা মিটিয়েও উৎপাদিত সামগ্রীর একটা অংশ বিদেশে রপ্তানি হয়। জাতীয় অর্থনীতিতে এ ধরনের বৃহৎ শিল্পের গুরুত্ব অপরিসীম। দেশের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড হিসেবে কাজ করছে এই শিল্পগুলো।

Figure: বৃহৎ শিল্প কারখানা

বর্ণনা: একটি বৃহৎ শিল্প কারখানার সারি সারি উঁচু চোঙাকৃতি স্তম্ভ এবং জটিল ইস্পাতের কাঠামো ও পাইপলাইন দেখা যাচ্ছে।

মাঝারি শিল্প

মাঝারি শিল্প বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝায় যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতীত স্থায়ী সম্পদের মূল্য ১৫ কোটি টাকার অধিক এবং অনধিক ৫০ কোটি টাকা কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ১২১-৩০০ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে। যেমন- হাল্কা ইঞ্জিনিয়ারিং, সিল্ক, সিরামিক, কোল্ডস্টোরেজ বা হিমাগার প্রভৃতি। দেশের চাহিদা পূরণ ও অনেক লোকের কর্মসংস্থানের মাধ্যমে এ ধরনের শিল্প জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

ক্ষুদ্র শিল্প

ক্ষুদ্র শিল্প বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝায় যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতীত স্থায়ী সম্পদের মূল্য ৭৫ লক্ষ টাকা থেকে ১৫ কোটি টাকা কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ৩১-১২০ জন শ্রমিক কাজ করে। চাল কল, ছোটো ছোট জুতা বা প্লাস্টিক কারখানা, খাদ্য প্রক্রিয়াজাত শিল্প এর উদাহরণ।

কুটিরশিল্প

এই শিল্পে উৎপাদন ও বিপণনের কাজটি প্রধানত মালিক নিজে বা তার পরিবারের সদস্যরাই করে থাকেন। আমাদের দেশে তাঁতবস্ত্র, মাটির তৈরি জিনিসপত্র, বাঁশ, বেত ও কাঠের কাজ, শাড়ি বা মিষ্টির প্যাকেট, আগরবাতি ইত্যাদি কুটিরশিল্পের কয়েকটি উদাহরণ। বাংলাদেশের মতো বৃহৎ জনসংখ্যার ও শিল্পে অনগ্রসর একটি দেশে অসংখ্য মানুষের কর্মসংস্থান ও স্বনির্ভরতা অর্জনের সুযোগ করে দিয়ে কুটিরশিল্প জাতীয় অর্থনীতিতে মূল্যবান অবদান রাখছে।

Figure: কুটিরশিল্প

বর্ণনা: একটি তাঁতের কাজ চলছে; একজন ব্যক্তির হাত সুতা ধরে আছে এবং তাঁতের উপর একাধিক সুতা টানটান করে ধরা আছে।

Printed page 39

Loading the rest of the chapter…

Textbook content © National Curriculum and Textbook Board (NCTB), Bangladesh. Shown for study.

Trusted resources

Official links checked by the Zntext team. Part of the context pack.