Bangladesh and Global Studies chapter 12: Natural Resources of Bangladesh
বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদ
- Bangladesh and Global Studies
- Textbook pages 126-135
- 1 source
- 19,293 characters of context
Textbook (verbatim transcription): Natural Resources of Bangladesh
Verbatim transcription of the printed NCTB textbook pages.
Contents10ShowHide
- বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদ
- পাঠ-১ : বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রাকৃতিক সম্পদ
- পাঠ-২ : আর্থ-সামাজিক অগ্রগতিতে প্রাকৃতিক সম্পদের ভূমিকা
- পাঠ-৩: বাংলাদেশের জীববৈচিত্র্য
- পাঠ-৪ : বাংলাদেশের প্রধান প্রধান শিল্প
- পাঠ-৫ : বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে শিল্পের অবদান
- নমুনা প্রশ্ন
- বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
- সৃজনশীল প্রশ্ন
- সংক্ষিপ্ত-উত্তর প্রশ্ন
Printed page 126
দ্বাদশ অধ্যায়
বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদ
প্রকৃতির কাছ থেকে পাওয়া সব বস্তুকেই প্রাকৃতিক সম্পদ বলা হয়। মানুষ প্রকৃতি থেকেই এসব সম্পদ আহরণ করে। এর ফলে মানুষের অর্থনৈতিক এবং সামাজিক জীবনের অগ্রগতি ঘটে। প্রাকৃতিক সম্পদ পরিকল্পিতভাবে ব্যবহার করলে দেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব।
এ অধ্যায় শেষে আমরা–
- বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রাকৃতিক সম্পদ যথা–বনজ, জলজ, কৃষিজ, খনিজ, মৎস্য ইত্যাদি সম্পর্কে বর্ণনা করতে পারব;
- বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদের সাথে আর্থ-সামাজিক অগ্রগতির সম্পর্ক বিশ্লেষণ করতে পারব,
- বাংলাদেশের জীববৈচিত্র্যের বর্ণনা করতে পারব;
- বাংলাদেশের প্রধান প্রধান শিল্প যেমন- পাট, বস্ত্র, চিনি, সিমেন্ট, ঔষধ, গার্মেন্টস্, চিংড়ি, চা, চামড়া, তুলা, তামাক ইত্যাদি সম্পর্কে বর্ণনা করতে পারব;
- বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে এসব শিল্পের অবদান ব্যাখ্যা করতে পারব;
- জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক সম্পদের গুরুত্ব উপলব্ধি করে এগুলো সংরক্ষণে ভূমিকা পালন করব।
পাঠ-১ : বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রাকৃতিক সম্পদ
প্রকৃতির মধ্যে নানা মূল্যবান সম্পদ রয়েছে। যেমন-পানি, বায়ু, মাটি, গাছপালা, জীবজন্তু, ফসল, খনিজ দ্রব্য ইত্যাদি। এসব প্রাকৃতিক বস্তুকে মানুষ নিজেদের চাহিদা মতো রূপান্তরিত করে ও কাজে লাগায়।
নিচে আমরা বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদ সম্পর্কে আলোচনা করব :
১. মাটি : মাটি বাংলাদেশের মূল্যবান প্রাকৃতিক সম্পদ। এদেশের সমতল ভূমি খুবই উর্বর। বেশির ভাগ এলাকায় বছরে তিনটি ফসল উৎপন্ন হয়। দেশের ১০ ভাগের এক ভাগ অঞ্চল পাহাড়ি এলাকা। পাহাড়ে প্রচুর প্রাণিজ, বনজ ও খনিজ সম্পদ রয়েছে।
২. নদ-নদী : বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। এদেশে ছোটো-বড়ো অনেক নদী আছে। নদীগুলো মালামাল পরিবহণের সহজ মাধ্যম। নদীর পানিপ্রবাহ থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়। এছাড়া বিপুল পরিমাণ মৎস্যসম্পদ রয়েছে আমাদের নদ-নদীতে।
৩. খনিজসম্পদ : বাংলাদেশের মাটির নিচে রয়েছে নানা রকম মূল্যবান খনিজসম্পদ। এগুলোর মধ্যে কয়লা, গ্যাস, চুনাপাথর, চিনামাটি, সিলিকা বালি উল্লেখযোগ্য।
Printed page 127
৪. বনজসম্পদ : বাংলাদেশে মোট বনভূমির পরিমাণ ২৪,৯৩৮ বর্গকিলোমিটার। দেশের মোট ভূ-ভাগের ১৬ ভাগ হচ্ছে বন। বনে রয়েছে মূল্যবান গাছপালা। এগুলো আমাদের ঘরবাড়ি ও আসবাব তৈরির কাজে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া বনে রয়েছে পাখি ও প্রাণিসম্পদ। প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার জন্য বনের গুরুত্ব অপরিসীম। আমাদের আরও বেশি অর্থাৎ ২৫% বনভূমি থাকা প্রয়োজন।
৫. মৎস্যসম্পদ : বাংলাদেশে অনেক নদ-নদী, খাল-বিল ও দেশের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর রয়েছে। এসব খাল-বিল ও নদ-নদীতে রয়েছে প্রচুর মিঠা পানির মাছ। এছাড়া সামুদ্রিক মাছও আমাদের খাদ্যের চাহিদা পূরণ করছে। মাছ ধরে বহু মানুষ জীবিকা অর্জন করে।
৬. প্রাণিসম্পদ : আমাদের প্রাণিসম্পদের মধ্যে রয়েছে—গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া, হাঁস-মুরগি প্রভৃতি। এগুলো গৃহপালিত প্রাণী। এছাড়াও রয়েছে নানা প্রজাতির প্রচুর পাখি।
৭. সমুদ্রসম্পদ : বাংলাদেশের দক্ষিণ অঞ্চল জুড়ে বঙ্গোপসাগর। সাগর তীরে গড়ে উঠেছে চট্টগ্রাম, মংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দর। সাগরের পানি থেকে আমরা লবণ উৎপন্ন করি। তাছাড়া সাগর থেকে আহরণ করি প্রচুর মাছ।
এগুলোই আমাদের গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ। যদিও জনসংখ্যার তুলনায় কোনো কোনো সম্পদ যথেষ্ট পরিমাণে নেই। তবে সুষ্ঠু পরিকল্পনা প্রণয়ন করে এগুলো ব্যবহার করতে পারলে সীমিত সম্পদ দিয়েই দেশ সমৃদ্ধ হতে পারে।
কাজ : বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদের তালিকা তৈরি করো। এসব সম্পদ আমাদের জীবনকে কীভাবে সমৃদ্ধ করছে সে বিষয়ে একটি প্রতিবেদন লেখো।
পাঠ-২ : আর্থ-সামাজিক অগ্রগতিতে প্রাকৃতিক সম্পদের ভূমিকা
বেঁচে থাকার জন্য মানুষ নানা রকম কাজ করে। এসব মানুষের অর্থনৈতিক কাজ। এই অর্থনৈতিক কাজের ওপর ভিত্তি করেই সমাজ ব্যবস্থা গড়ে ওঠে।
প্রাচীনকালে মানুষ বন থেকে ফলমূল সংগ্রহ করত এবং পশু শিকার করে তার মাংস খেতো। তারপর তারা ফসল ফলাতে শেখে এবং কৃষিভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থা তৈরি করে। খাদ্য ও অন্যান্য পণ্য উৎপাদন, বণ্টন ও ভোগকে কেন্দ্র করেই মানুষের আর্থ-সামাজিক ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে।
প্রাচীনকাল থেকে শুরু করে মধ্যযুগ পর্যন্ত মানুষ যেসব সম্পদ ব্যবহার করেছে তার সবটাই ছিল প্রাকৃতিক। প্রাকৃতিক সম্পদকে রূপান্তর করে মানুষ নিজেদের প্রয়োজনে তা ব্যবহার করেছে। আধুনিককালে মানুষ কয়লা, লোহা, পাথর, স্বর্ণ, রৌপ্য, গ্যাস ইত্যাদি খনিজ পদার্থ উত্তোলন করতে শিখেছে। তারা প্রকৃতির সম্পদকে আরও দক্ষতার সাথে ব্যবহার করছে। এর জন্য তৈরি করছে অনেক আধুনিক যন্ত্র। এভাবেই মানুষ নিজেদের আর্থ-সামাজিক অবস্থাকে দ্রুত উন্নত করেছে আর প্রকৃতিকে করেছে ধ্বংস।
বাংলাদেশের উন্নতিতে প্রাকৃতিক সম্পদের ভূমিকা: বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদ সীমিত। অন্যদিকে সম্পদের তুলনায় দেশের জনসংখ্যা অনেক বেশি। এজন্য যথাযথ পরিকল্পনার মাধ্যমে আমাদের প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহার করতে হবে।
Printed page 128
উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি : আমাদের দেশ কৃষিপ্রধান। এদেশের মাটি খুব উর্বর। এই উর্বর মাটি যথাযথভাবে ব্যবহার করলে কৃষি উৎপাদন অনেক বেড়ে যাবে। অন্যদিকে শিল্পায়নও করতে হবে পরিকল্পিতভাবে। কৃষিকাজে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করলে উৎপাদন বাড়বে এবং নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে গ্রামে। ফলে কাজের জন্য তখন আর গাঁয়ের লোক শহরের দিকে ছুটবে না।
সুষম খাদ্যের অভাব পূরণ: বর্তমানে গবাদি পশু, হাঁস-মুরগি ও মৎস্য এই তিন ধরনের প্রাণিজ সম্পদেরই ব্যবহার বেড়েছে। এর ফলে সুষম খাদ্যের অভাব পূরণ হচ্ছে। অন্যদিকে লাখ লাখ খামার সৃষ্টির ফলে বহু মানুষের কর্মসংস্থান হচ্ছে। তবে অতিরিক্ত পশু-পালনের ফলে প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর চাপ সৃষ্টি হচ্ছে।
সেচ সুবিধা প্রদান: নদী-খাল-বিল হাওরের পানি দিয়ে আমরা কৃষি জমিতে সেচ দিতে পারি। ফলে শুকনো মৌসুমেও কৃষি উৎপাদন অনেক বাড়ানো যায়। তবে দূষণের কারণে পানির এ ব্যবহার আশানুরূপ নাও হতে পারে।
শিল্পের উন্নয়ন ও ব্যবহার প্রসার: দেশের গ্যাস, কয়লা ও চুনাপাথর আমাদের জীবনযাত্রায় কাজে লাগছে। এভাবে প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবহার হচ্ছে এবং শিল্পের প্রসার ঘটছে।
বনজ সম্পদের ভূমিকা: বাড়িঘর নির্মাণ ও আসবাবপত্র তৈরির জন্য আমরা বনজ সম্পদ ব্যবহার করি। আবার প্রকৃতিতে তাপমাত্রা কমানোর জন্য বনজ সম্পদ অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ভূমিকা পালন করে। এজন্য পরিকল্পিতভাবে আমাদের বনজ সম্পদ আরও বাড়াতে হবে। বন ধ্বংস করে এমন উন্নয়ন পরিকল্পনাও কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে হবে।
দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ যথাযথভাবে ব্যবহার করলে দেশের কৃষি-শিল্প যেমন উন্নত হবে তেমনি মানুষের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে।
কাজ : বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদ কীভাবে আমাদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটাবে?
পাঠ-৩: বাংলাদেশের জীববৈচিত্র্য
জীববৈচিত্র্য: প্রকৃতির মধ্যে সব রকমের জীব যে নিয়মে বেঁচে থাকে তাকেই সংক্ষেপে জীববৈচিত্র্য বলা হয়। মানুষ, প্রাণী ও কীট-পতঙ্গসহ জীবজগৎ প্রকৃতির মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখেই বেঁচে থাকে। জলবায়ু ও তাপমাত্রার নানা পরিবর্তনের ফলে জীবজগতের বিভিন্ন প্রাণী ও তরুলতার জন্ম বা মৃত্যু ঘটে। লাখ লাখ বছর আগে পৃথিবীর জলবায়ুতে যেসব প্রাণী বেঁচে ছিল তাপমাত্রা ও জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে তাদের মধ্যে অনেক প্রাণীরই বিলুপ্তি ঘটেছে। প্রকৃতির মধ্যে সব প্রাণীর অস্তিত্ব, বংশবিস্তার ও বিবর্তন ভারসাম্যপূর্ণভাবে ঘটে চলেছে। প্রাণীরা একে অন্যের ওপর নির্ভরশীল। সবুজ গাছপালা বাতাসে যে অক্সিজেন ছড়িয়ে দিচ্ছে তা গ্রহণ করে প্রাণীরা বেঁচে থাকে। আবার প্রাণীদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় নাইট্রোজেন পায় গাছপালা। বনে বিভিন্ন প্রাণী একে অন্যকে শিকার করে বেঁচে থাকে। প্রাণীদের বংশবিস্তার ঘটে একই নিয়মে। ঘূর্ণিঝড়ে সুন্দরবনের প্রাণী ও গাছপালার ক্ষতি হয়, আবার প্রকৃতির নিয়মেই সুন্দরবন গাছপালা ও প্রাণীতে পূর্ণ হয়ে ওঠে। যেকোনো অঞ্চলের জন্য তার জীববৈচিত্র্য রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি।
Printed page 129
বাংলাদেশের জীববৈচিত্র্যের অবস্থা : বাংলাদেশে একসময় প্রচুর বনজঙ্গল, জীবজন্তু ও পশুপাখি ছিল। নিচু জলাভূমিতে ছিল প্রচুর জলচর প্রাণী। দেশের জনসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় জলাভূমি ভরাট করে ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট ও শহর নির্মিত হচ্ছে। জীববৈচিত্র্যের ওপর যার নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে ঘরবাড়ি ও রাস্তাঘাট নির্মাণের ফলে পানিপ্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে। ফলে জলচর প্রাণী ও মাছের বংশবিস্তারে বাধার সৃষ্টি হচ্ছে।
ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট ও শহর-গঞ্জ গড়ে ওঠার ফলে দেশে কৃষিজমির পরিমাণ কমে গেছে। যেখানে সেখানে শিল্প-কারখানা তৈরি হওয়ার ফলে কারখানার রাসায়নিক বর্জ্যে নষ্ট হচ্ছে জমির উর্বরতা। বেশি মানুষের জন্য বেশি খাদ্য উৎপাদনের লক্ষ্যে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার করতে হচ্ছে। এর ফলে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে মাছ, পোকা-মাকড় ও পাখির বংশবিস্তার। তাতেও জীববৈচিত্র্য নষ্ট হচ্ছে।
দেশের জনসংখ্যা বেড়ে যাওয়ার ফলে গাছপালা, প্রাণিসম্পদ ও মৎস্য সম্পদের ওপর চাপ পড়ছে শহরে গ্যাস ও পানি সরবরাহ কমে গেছে। গ্রামাঞ্চলেও গাছপালা কমে যাওয়ায় সেখানেও তাপমাত্রা বেড়ে গেছে। জীববৈচিত্র্য নষ্ট হওয়ার পরিণতি আমাদের জন্য ভয়ঙ্কর হবে। এই বিপদ মোকাবিলায় এখনই আমাদের সচেতন ও সক্রিয় হতে হবে।
জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্য করণীয়সমূহ:
- জনসংখ্যা কমিয়ে আনতে হবে;
- কৃষি জমি নষ্ট করা যাবে না;
- কৃষি উৎপাদনে জীববৈচিত্র্য রক্ষার নীতি অনুসরণ করতে হবে;
- রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের ব্যবহার কমিয়ে আনতে হবে;
- স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ বন্ধ করা যাবে না;
- জলাধার নির্মাণ ও সংরক্ষণ করতে হবে;
- রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহারে নিয়ম মেনে চলতে হবে;
- খনিজসম্পদ ব্যবহারে প্রাকৃতিক নিয়ম মানতে হবে;
- বনজসম্পদ বাড়াতে হবে এবং দেশে আরও বন সৃষ্টি করতে হবে;
- পশু ও মৎস্যসম্পদ রক্ষা ও বৃদ্ধি করতে হবে;
- জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্য সরকারি ও ব্যক্তি পর্যায়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা গ্রহণ করতে হবে;
- মনে রাখতে হবে বাংলাদেশের জীববৈচিত্র্য সর্বোচ্চ হুমকির মুখে রয়েছে।
কাজ : বাংলাদেশে জীববৈচিত্র্যের বাস্তব অবস্থার চিত্র তুলে ধরে একটি প্রতিবেদন তৈরি করো।
Printed page 130
Loading the rest of the chapter…
Textbook content © National Curriculum and Textbook Board (NCTB), Bangladesh. Shown for study.
Trusted resources
Official links checked by the Zntext team. Part of the context pack.