Skip to content

Science chapter 1: Classification of Animal Kingdom

প্রাণিজগতের শ্রেণিবিন্যাস

  • Science
  • Textbook pages 1-12
  • 2 sources
  • 67,261 characters of context

পৃথিবীতে অসংখ্য বিচিত্র ছোট-বড় প্রাণী বাস করে — আণুবীক্ষণিক অ্যামিবা থেকে বিশাল আকারের তিমি পর্যন্ত। এই বিশাল প্রাণিজগৎ সম্পর্কে সহজে ও সুশৃঙ্খলভাবে জানার জন্য প্রাণীদের মিল, অমিল ও সম্পর্কের ভিত্তিতে ধাপে ধাপে সাজানো হয় — এটাই শ্রেণিবিন্যাস।

Study sheet: Classification of Animal Kingdom

Structured notes written from the textbook, with page references.

Contents28
  1. এক নজরে
  2. শিখনফল
  3. মূল আলোচনা
  4. পাঠ ১: প্রাণিজগতের শ্রেণিবিন্যাস (Classification of Animal Kingdom) (পৃষ্ঠা 1–2)
  5. পাঠ ২–৫: অমেরুদণ্ডী প্রাণীর শ্রেণিবিন্যাস (পৃষ্ঠা 2–3)
  6. ১. পর্ব: পরিফেরা (Porifera) (পৃষ্ঠা 3)
  7. ২. পর্ব: নিডারিয়া (Cnidaria) (পৃষ্ঠা 3–4)
  8. ৩. পর্ব: প্লাটিহেলমিনথেস (Platyhelminthes) (পৃষ্ঠা 4)
  9. ৪. পর্ব: নেমাটোডা (Nematoda) (পৃষ্ঠা 4–5)
  10. ৫. পর্ব: অ্যানেলিডা (Annelida) (পৃষ্ঠা 5)
  11. ৬. পর্ব: আর্থ্রোপোডা (Arthropoda) (পৃষ্ঠা 5)
  12. ৭. পর্ব: মলাস্কা (Mollusca) (পৃষ্ঠা 6)
  13. ৮. পর্ব: একাইনোডারমাটা (Echinodermata) (পৃষ্ঠা 6)
  14. পাঠ ৬–৮: মেরুদণ্ডী প্রাণীর শ্রেণিবিন্যাস — ৯. পর্ব: কর্ডাটা (Chordata) (পৃষ্ঠা 6–7)
  15. পাঠ ৯: শ্রেণিবিন্যাসের প্রয়োজনীয়তা (পৃষ্ঠা 9)
  16. নতুন শব্দ (পৃষ্ঠা 10)
  17. এ অধ্যায় শেষে যা শিখলাম (পৃষ্ঠা 10)
  18. চিত্র
  19. গুরুত্বপূর্ণ পরিভাষা
  20. অনুশীলনী
  21. বহুনির্বাচনি প্রশ্ন (পৃষ্ঠা 10–11)
  22. সৃজনশীল প্রশ্ন (পৃষ্ঠা 12)
  23. সংক্ষিপ্ত-উত্তর প্রশ্ন (পৃষ্ঠা 12)
  24. নিজে করো (পৃষ্ঠা 12)
  25. অতিরিক্ত অনুশীলন
  26. অতিরিক্ত বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  27. অতিরিক্ত সৃজনশীল প্রশ্ন
  28. দ্রুত ঝালাই

প্রথম অধ্যায় — প্রাণিজগতের শ্রেণিবিন্যাস

এক নজরে

পৃথিবীতে অসংখ্য বিচিত্র ছোট-বড় প্রাণী বাস করে — আণুবীক্ষণিক অ্যামিবা থেকে বিশাল আকারের তিমি পর্যন্ত। এই বিশাল প্রাণিজগৎ সম্পর্কে সহজে ও সুশৃঙ্খলভাবে জানার জন্য প্রাণীদের মিল, অমিল ও সম্পর্কের ভিত্তিতে ধাপে ধাপে সাজানো হয় — এটাই শ্রেণিবিন্যাস।

এ অধ্যায়ে আছে —

  • শ্রেণিবিন্যাসের ধারণা, শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যা (Taxonomy), প্রজাতি ও দ্বিপদ নামকরণ;
  • অ্যানিম্যালিয়া জগতের ৯টি মেজর পর্ব — এর প্রথম ৮টি অমেরুদণ্ডী (পরিফেরা, নিডারিয়া, প্লাটিহেলমিনথেস, নেমাটোডা, অ্যানেলিডা, আর্থ্রোপোডা, মলাস্কা, একাইনোডারমাটা) এবং শেষটি কর্ডাটা (মেরুদণ্ডী);
  • কর্ডাটার ৩টি উপপর্ব (ইউরোকর্ডাটা, সেফালোকর্ডাটা, ভার্টিব্রাটা) এবং ভার্টিব্রাটার ৭টি শ্রেণি (সাইক্লোস্টোমাটা, কনড্রিকথিস, অসটিকথিস, উভচর, সরীসৃপ, পক্ষিকুল, স্তন্যপায়ী);
  • শ্রেণিবিন্যাসের ৭টি ধাপ ও শ্রেণিবিন্যাসের প্রয়োজনীয়তা।

পাঠবিন্যাস: পাঠ ১ (শ্রেণিবিন্যাস), পাঠ ২–৫ (অমেরুদণ্ডী প্রাণীর শ্রেণিবিন্যাস), পাঠ ৬–৮ (মেরুদণ্ডী প্রাণীর শ্রেণিবিন্যাস), পাঠ ৯ (শ্রেণিবিন্যাসের প্রয়োজনীয়তা)।

শিখনফল

(পৃষ্ঠা 1 — "এ অধ্যায় শেষে আমরা–", হুবহু)

  • অমেরুদণ্ডী প্রাণীর শ্রেণিবিন্যাস করতে পারব;
  • মেরুদণ্ডী প্রাণীর শ্রেণিবিন্যাস করতে পারব;
  • জীবজগতের শ্রেণিবিন্যাসের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে পারব।

মূল আলোচনা

পাঠ ১: প্রাণিজগতের শ্রেণিবিন্যাস (Classification of Animal Kingdom) (পৃষ্ঠা 1–2)

ভূমিকার মূল কথা। পৃথিবীতে অসংখ্য বিচিত্র ছোট-বড় প্রাণী বাস করে; এদের মধ্যে রয়েছে নানারকম মিল ও অমিল। প্রাণীর বিভিন্নতা নির্ভর করে পরিবেশের বৈচিত্র্যের উপর — ভিন্ন ভিন্ন পরিবেশ ও বাসস্থানে প্রাণিবৈচিত্র্য ভিন্ন রকম হয়। বিশাল এই প্রাণিজগৎ সম্পর্কে জানা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য; সহজে ও সুশৃঙ্খলভাবে জানার জন্য এর বিন্যস্তকরণ প্রয়োজন।

আমাদের চারপাশের প্রাণীদের —

  • দেহের আকৃতি, গঠন ও অন্যান্য জৈবিক কাজকর্মের প্রকৃতি ভিন্ন;
  • কোনোটির মেরুদণ্ড আছে, কোনোটির মেরুদণ্ড নেই;
  • কোনোটি মাটিতে, কোনোটি পানিতে, কোনোটি গাছে বাস করে;
  • খাদ্যও বিভিন্ন প্রকারের;
  • এরা বিভিন্ন অঙ্গ (সিলিয়া, পা, উপাঙ্গ ইত্যাদি) দিয়ে চলাফেরা করে, আবার কোনোটির চলনশক্তি নেই।

সংখ্যা। আজ পর্যন্ত প্রায় ১৩ লক্ষ প্রজাতির প্রাণী আবিষ্কৃত হয়েছে এবং প্রতিনিয়ত এদের সংখ্যা বেড়েই চলেছে।

শ্রেণিবিন্যাস — বিন্যস্ত করার পদ্ধতিকে শ্রেণিবিন্যাস বলে। বইয়ের সংজ্ঞা: প্রাণিদেহে বিদ্যমান বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য ও বিভিন্ন প্রাণীর মধ্যে মিল, অমিল ও সম্পর্কের উপর ভিত্তি করে শ্রেণিবিন্যাস করা হয়; এদের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী বিভিন্ন স্তর বা ধাপে সাজানো হয়। জীবজগৎকে ধাপে ধাপে বিন্যস্ত করার এই পদ্ধতিকে শ্রেণিবিন্যাস বলে।

শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যা (Taxonomy) — প্রয়োজনের তাগিদে বর্তমানে জীববিজ্ঞানের একটি স্বতন্ত্র শাখা গড়ে উঠেছে; এর নাম শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যা।

প্রজাতি (Species) — শ্রেণিবিন্যাসের সবচেয়ে নিচের ধাপ বা একক। যেমন— মানুষ, কুনোব্যাঙ, কবুতর ইত্যাদি এক একটি প্রজাতি। কোনো প্রাণীর শ্রেণিবিন্যাস করতে হলে সেই প্রাণীকে বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী ধাপে ধাপে সাজাতে হয় এবং এই সকল ধাপের প্রত্যেকটিকে যথাযথভাবে বিন্যস্ত করতে হয়।

শ্রেণিবিন্যাসের ইতিহাস। অ্যারিস্টটল, জন রে ও ক্যারোলাস লিনিয়াসের নাম উল্লেখযোগ্য। প্রকৃতিবিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াসকে শ্রেণিবিন্যাসের জনক বলা হয়। তিনিই সর্বপ্রথম প্রজাতির বৈশিষ্ট্য চিহ্নিত করেন এবং দ্বিপদ বা দুই অংশ বিশিষ্ট নামকরণ প্রথা প্রবর্তন করেন।

দ্বিপদ নামকরণ (বৈজ্ঞানিক নামকরণ) — একটি জীবের বৈজ্ঞানিক নাম দুই অংশ বা দুই পদবিশিষ্ট হয়। প্রথম অংশটি গণের নাম এবং দ্বিতীয় অংশটি প্রজাতির নাম। এই নামকরণকে দ্বিপদ নামকরণ বা বৈজ্ঞানিক নামকরণ বলে। যেমন— মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম Homo sapiens। বৈজ্ঞানিক নাম ল্যাটিন অথবা ইংরেজি ভাষায় লিখতে হয়।

ছক (শিক্ষার্থীর কাজ, পৃষ্ঠা 2) — নিজের খাতায় নিচের ছকটি এঁকে পূরণ করতে হবে:

প্রাণীর নামবাসস্থানগঠনউপকারিতাঅপকারিতা
বানর
কেঁচো
ঝিনুক
পাখি
মাছ

পাঠ ২–৫: অমেরুদণ্ডী প্রাণীর শ্রেণিবিন্যাস (পৃষ্ঠা 2–3)

  • আধুনিক শ্রেণিবিন্যাসে সকল প্রাণী অ্যানিম্যালিয়া (Animalia) জগতের (kingdom) অন্তর্ভুক্ত।
  • এই শ্রেণিবিন্যাসে পূর্বের প্রোটোজোয়া পর্বটি প্রোটিস্টা (Protista) জগতে একটি আলাদা উপজগৎ (Subkingdom) হিসেবে স্থান পেয়েছে।
  • অ্যানিম্যালিয়া জগতে প্রাণীদের মোট ৩৩টি পর্ব রয়েছে। এর মধ্যে প্রজাতির সংখ্যাধিক্যের ভিত্তিতে নয়টি পর্বকে মেজর পর্ব বলা হয়; বাকিগুলো নন-মেজর পর্ব।
  • এই নয়টি পর্বের প্রথম আটটি পর্বের প্রাণীরা অমেরুদণ্ডী এবং শেষ পর্বের প্রাণীরা মেরুদণ্ডী।

একনজরে অ্যানিম্যালিয়া জগতের মেজর পর্বগুলোর শ্রেণিবিন্যাস (পৃষ্ঠা 3-এর প্রবাহচিত্র):

জগৎপর্বউপপর্বশ্রেণি
অ্যানিম্যালিয়া১. পরিফেরা
২. নিডারিয়া
৩. প্লাটিহেলমিনথেস
৪. নেমাটোডা
৫. অ্যানেলিডা
৬. আর্থ্রোপোডা
৭. মলাস্কা
৮. একাইনোডারমাটা
৯. কর্ডাটাইউরোকর্ডাটা
সেফালোকর্ডাটা
ভার্টিব্রাটাসাইক্লোস্টোমাটা, কনড্রিকথিস, অসটিকথিস, উভচর, সরীসৃপ, পক্ষিকুল, স্তন্যপায়ী

১. পর্ব: পরিফেরা (Porifera) (পৃষ্ঠা 3)

স্বভাব ও বাসস্থান। Porus শব্দের অর্থ ছিদ্র এবং ferre শব্দের অর্থ বহন করা — এই শব্দ দুটি থেকেই পরিফেরা শব্দটি এসেছে। পরিফেরা পর্বের প্রাণীরা সাধারণভাবে স্পঞ্জ নামে পরিচিত। পৃথিবীর সর্বত্রই এদের পাওয়া যায়। এদের অধিকাংশ প্রজাতি সামুদ্রিক; তবে কিছু কিছু প্রাণী স্বাদু পানিতে বাস করে। এরা সাধারণত দলবদ্ধ হয়ে বসবাস করে।

সাধারণ বৈশিষ্ট্য

  • সরলতম বহুকোষী প্রাণী। বহুকোষী হলেও এরা টিস্যু গঠন করে না।
  • দেহপ্রাচীর অসংখ্য ছিদ্রযুক্ত। এই ছিদ্রপথে পানির সাথে অক্সিজেন ও খাদ্যবস্তু প্রবেশ করে।
  • কোনো পৃথক সুগঠিত কলা, অঙ্গ ও তন্ত্র থাকে না।

উদাহরণ: Spongilla, Scypha

২. পর্ব: নিডারিয়া (Cnidaria) (পৃষ্ঠা 3–4)

Cnidocyte নামক বিশেষ বৈশিষ্ট্যপূর্ণ কোষের নাম থেকেই এই পর্বের নামকরণ করা হয়েছে। এই পর্ব ইতঃপূর্বে সিলেন্টেরাটা নামে পরিচিত ছিল।

স্বভাব ও বাসস্থান। পৃথিবীর প্রায় সকল অঞ্চলে এই পর্বের প্রাণী দেখা যায়। এদের অধিকাংশ প্রজাতি সামুদ্রিক; তবে অনেক প্রজাতি খাল, বিল, নদী, হ্রদ, ঝরনা ইত্যাদিতে দেখা যায়। এই পর্বের প্রাণীগুলো বিচিত্র বর্ণ ও আকার-আকৃতির হয়। এদের কিছু প্রজাতি এককভাবে আবার কিছু প্রজাতি দলবদ্ধভাবে কলোনি গঠন করে বাস করে। এরা সাধারণত পানিতে ভাসমান কাঠ, পাতা বা অন্য কোনো কিছুর সঙ্গে দেহকে আটকে রেখে বা মুক্তভাবে সাঁতার কাটে।

সাধারণ বৈশিষ্ট্য

  • দেহ দুটি ভ্রূণীয় কোষস্তর দ্বারা গঠিত। দেহের বাইরের দিকের স্তরটি এক্টোডার্ম এবং ভিতরের স্তরটি এন্ডোডার্ম।
  • দেহ গহ্বরকে সিলেন্টেরন বলে। এটা একাধারে পরিপাক ও সংবহনে অংশ নেয়।
  • এক্টোডার্মে নিডোসাইট নামক বিশেষ বৈশিষ্ট্যপূর্ণ কোষ থাকে। এই কোষগুলো শিকার ধরা, আত্মরক্ষা, চলন ইত্যাদি কাজে অংশ নেয়।

উদাহরণ: Hydra, Obelia

৩. পর্ব: প্লাটিহেলমিনথেস (Platyhelminthes) (পৃষ্ঠা 4)

স্বভাব ও বাসস্থান। Platy শব্দের অর্থ চ্যাপ্টা এবং helminthes শব্দের অর্থ কৃমি — এই শব্দ দুটি থেকে প্লাটিহেলমিনথেস শব্দটি এসেছে। এই পর্বের প্রাণীদের জীবনযাত্রা বেশ বৈচিত্র্যময়। এই পর্বের বহু প্রজাতি বহিঃপরজীবী বা অন্তঃপরজীবী হিসেবে অন্য জীবদেহের বাইরে বা ভিতরে বসবাস করে। তবে কিছু প্রজাতি মুক্তজীবী হিসেবে স্বাদু পানিতে, আবার কিছু প্রজাতি লবণাক্ত পানিতে বাস করে। এই পর্বের কোনো কোনো প্রাণী ভেজা ও স্যাঁতসেঁতে মাটিতে বাস করে। যকৃৎ কৃমি, ফিতা কৃমি এই পর্বের অন্তর্গত।

সাধারণ বৈশিষ্ট্য

  • দেহ চ্যাপ্টা, উভলিঙ্গ।
  • বহিঃপরজীবী বা অন্তঃপরজীবী।
  • দেহ পুরু কিউটিকল দ্বারা আবৃত।
  • দেহে চোষক ও আংটা থাকে।
  • দেহে শিখা অঙ্গ নামে বিশেষ অঙ্গ থাকে, এগুলো রেচন অঙ্গ হিসেবে কাজ করে।
  • পৌষ্টিকতন্ত্র অসম্পূর্ণ বা অনুপস্থিত।

উদাহরণ: Fasciola (যকৃৎ কৃমি), Taenia (ফিতা কৃমি)

৪. পর্ব: নেমাটোডা (Nematoda) (পৃষ্ঠা 4–5)

অনেকে একে নেমাথেলমিনথেস বলে।

স্বভাব ও বাসস্থান। Nema শব্দের অর্থ সুতা; এই শব্দটি থেকে এই পর্বের নামকরণ করা হয়েছে। এই পর্বের অনেক প্রাণী অন্তঃপরজীবী হিসেবে প্রাণীর অন্ত্র ও রক্তে বসবাস করে। এসব পরজীবী বিভিন্ন প্রাণী ও মানবদেহে বাস করে নানারকম ক্ষতি সাধন করে। তবে অনেক প্রাণীই মুক্তজীবী, যারা পানি ও মাটিতে বাস করে। গোল কৃমি, ফাইলেরিয়া কৃমি, চোখের কৃমি এই পর্বের অন্তর্গত।

সাধারণ বৈশিষ্ট্য

  • দেহ নলাকার ও পুরু ত্বক দ্বারা আবৃত।
  • পৌষ্টিকনালি সম্পূর্ণ, মুখ ও পায়ু ছিদ্র উপস্থিত।
  • শ্বসনতন্ত্র ও সংবহনতন্ত্র অনুপস্থিত।
  • সাধারণত একলিঙ্গ।
  • দেহ গহ্বর অনাবৃত ও প্রকৃত সিলোম নেই।

উদাহরণ: Ascaris (গোল কৃমি), Loa Loa (চোখের কৃমি)

৫. পর্ব: অ্যানেলিডা (Annelida) (পৃষ্ঠা 5)

স্বভাব ও বাসস্থান। Annulus শব্দের অর্থ আংটি; এই শব্দটি থেকে এই পর্বের নামকরণ করা হয়েছে। পৃথিবীর প্রায় সকল নাতিশীতোষ্ণ ও উষ্ণমণ্ডলীয় অঞ্চলে এই পর্বের প্রাণীদের পাওয়া যায়। এদের বহু প্রজাতি স্বাদু পানিতে এবং কিছু প্রজাতি অগভীর সমুদ্রে বাস করে। এই পর্বের বহু প্রাণী স্যাঁতসেঁতে মাটিতে বসবাস করে। কিছু প্রজাতি পাথর ও মাটিতে গর্ত খুঁড়ে বসবাস করে।

সাধারণ বৈশিষ্ট্য

  • দেহ নলাকার ও খণ্ডায়িত।
  • নেফ্রিডিয়া নামক রেচন অঙ্গ থাকে।
  • প্রতিটি খণ্ডে সিটা থাকে (জোঁকে থাকে না)। সিটা চলাচলে সহায়তা করে।

উদাহরণ: কেঁচো, জোঁক

Loading the rest of the chapter…

Textbook content © National Curriculum and Textbook Board (NCTB), Bangladesh. Shown for study.

Trusted resources

Official links checked by the Zntext team. Part of the context pack.