Skip to content

Bangla Grammar and Composition chapter 4: Organs of Speech

বাগ্যন্ত্র

  • Bangla Grammar and Composition
  • Textbook pages 9-11
  • 1 source
  • 3,915 characters of context

Textbook (verbatim transcription): Organs of Speech

Verbatim transcription of the printed NCTB textbook pages.

Contents12

Printed page 9

পরিচ্ছেদ ৪

বাগ্যন্ত্র

ধ্বনি উচ্চারণ করতে যেসব প্রত্যঙ্গ কাজে লাগে, সেগুলোকে একত্রে বাগ্যন্ত্র বলে। মানবদেহের উপরিভাগে অবস্থিত ফুসফুস থেকে শুরু করে ঠোঁট পর্যন্ত ধ্বনি উৎপাদনে ব্যবহৃত প্রতিটি প্রত্যঙ্গই বাগ্যন্ত্রের অন্তর্ভুক্ত। বাগ্যন্ত্রের বিভিন্ন অংশ নিচের ছবিতে দেখানো হলো এবং এগুলোর সংক্ষিপ্ত পরিচয় পর্যায়ক্রমে তুলে ধরা হলো।

Figure: চিত্র: বাগ্যন্ত্রের বিভিন্ন প্রত্যঙ্গ

লেবেল: নাসিকা-গহ্বর, দন্তমূল, শক্ত তালু, নাসারন্ধ্র, কোমল তালু, ওষ্ঠ, আলজিভ, দাঁত, গলবিলীয় গহ্বর, জিভ, অধিজিহ্বা, নিচের চোয়াল, স্বরযন্ত্র, মুখ-গহ্বর, খাদ্যনালি, শ্বাসনালি, ফুসফুস
বর্ণনা: মানবদেহের মাথা ও উপরের ধড়ের পার্শ্বচিত্র, যেখানে মুখ, নাক, গলা ও বুকের ভেতরের অংশ দেখানো হয়েছে। প্রতিটি অংশ রেখা টেনে নাম দিয়ে চিহ্নিত। নিচের দিকে শ্বাসনালি ও খাদ্যনালি এবং দুই পাশে ফুসফুস আঁকা।

ফুসফুস

ধ্বনি সৃষ্টিকারী বায়ুপ্রবাহের উৎস ফুসফুস। ফুসফুস শ্বাস গ্রহণ ও ত্যাগ করে। মূলত শ্বাস ত্যাগের মাধ্যমে ধ্বনি উৎপন্ন হয়।

শ্বাসনালি

ফুসফুস থেকে বাতাস শ্বাসনালি হয়ে মুখবিবর ও নাসারন্ধ্র দিয়ে বের হয়ে আসে।

Printed page 10

স্বরযন্ত্র

শ্বাসনালির উপরের অংশে স্বরযন্ত্রের অবস্থান। মেরুদণ্ডের ৪, ৫ ও ৬ নং অস্থির পাশে থাকা এই অংশটি নলের মতো। বাতাস স্বরযন্ত্রের মধ্য দিয়ে বেরিয়ে আসে বলে ধ্বনির সৃষ্টি হয়। অধিজিহ্বা, স্বররন্ধ্র, ধ্বনিদ্বার ইত্যাদি স্বরযন্ত্রের অংশ।

জিভ

মুখগহ্বরের নিচের অংশে জিভের অবস্থান। বাগ্যন্ত্রের মধ্যে জিভ সবচেয়ে সচল ও সক্রিয় প্রত্যঙ্গ। জিভের উচ্চতা অনুযায়ী, সম্মুখ-পশ্চাৎ অবস্থান অনুযায়ী এবং মুখগহ্বরের বিভিন্ন অংশের সঙ্গে জিভের স্পর্শের প্রকৃতি অনুযায়ী ধ্বনির বৈচিত্র্য তৈরি হয়।

আলজিভ

মুখগহ্বরের কোমল তালুর পিছনে ঝুলন্ত মাংসপিণ্ডের নাম আলজিভ। ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে কোমল তালুর সঙ্গে আলজিভ নিচে নেমে এলে বাতাস মুখ দিয়ে পুরোপুরি বের না হয়ে খানিকটা নাক দিয়ে বের হয়। এর ফলে নাসিক্য ধ্বনি তৈরি হয়।

তালু

মুখবিবরের ছাদকে বলা হয় তালু। তালুর দুটি অংশ – কোমল তালু ও শক্ত তালু। অনুনাসিক স্বরধ্বনি উচ্চারণে কোমল তালু নিচে নামে। কোমল তালু ও জিভমূলের স্পর্শে কণ্ঠ্যধ্বনি উচ্চারিত হয়। দন্তমূলের শুরু থেকে কোমল তালু পর্যন্ত বিস্তৃত অংশকে বলা হয় শক্ততালু।

মূর্ধা

শক্ত তালু ও উপরের পাটির দাঁতের মধ্যবর্তী উত্তল অংশকে মূর্ধা বলে। কোনো কোনো ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভ মূর্ধাকে স্পর্শ করে।

দন্তমূল ও দন্ত

দাঁতের গোড়ার নাম দন্তমূল। উপরের পাটির দন্তমূল ও দাঁতের সঙ্গে জিভের স্পর্শে বেশ কিছু ধ্বনি উৎপন্ন হয়।

ওষ্ঠ

বাক্প্রত্যঙ্গের সবচেয়ে বাইরের অংশের নাম ওষ্ঠ বা ঠোঁট। ওষ্ঠের মধ্যকার ফাঁকের কম-বেশির ভিত্তিতে স্বরধ্বনিকে সংবৃত ও বিবৃত এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়। এছাড়া ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণ করতে ওষ্ঠ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

Printed page 11

নাসিকা

মুখগহ্বরের পাশাপাশি নাসিকা বা নাকের ছিদ্র দিয়ে বাতাস বের হয়েও ধ্বনি উৎপন্ন হয়।

অনুশীলনী

সঠিক উত্তরে টিক চিহ্ন (√) দাও।

১. কোনটি বাগ্যন্ত্র?
ক. পাকস্থলী
খ. ফুসফুস
গ. পিত্তকোষ
ঘ. যকৃৎ

২. ফুসফুস থেকে তৈরি বাতাস কীসের মাধ্যমে বের হয়?
ক. নাসারন্ধ্র
খ. মুখবিবর
গ. তালু
ঘ. ক ও খ উভয়ই

৩. বাক্প্রত্যঙ্গের সবচেয়ে বাইরের অংশের নাম –
ক. তালু
খ. মূর্ধা
গ. দন্ত
ঘ. ওষ্ঠ

৪. বাগ্যন্ত্রের মধ্যে সবচেয়ে সচল ও সক্রিয় প্রত্যঙ্গ কোনটি?
ক. দাঁত
খ. মূর্ধা
গ. দন্তমূল
ঘ. জিভ

৫. মুখ-গহ্বরের কোন অংশে তালুর অবস্থান?
ক. সামনে
খ. পিছনে
গ. উপরে
ঘ. নিচে

৬. নাসিক্য ধ্বনি তৈরি হয় কীভাবে?
ক. আলজিভ নিচে নেমে এলে
খ. জিভ তালুতে স্পর্শ করলে
গ. ঠোঁটের ফাঁকা কম-বেশি হলে
ঘ. জিভ মূর্ধায় স্পর্শ করলে

Textbook content © National Curriculum and Textbook Board (NCTB), Bangladesh. Shown for study.

Trusted resources

Official links checked by the Zntext team. Part of the context pack.