শব্দার্থ ও টীকা
বহিপীর – পির কথা বলত ‘বহি’ বা বইয়ের ভাষায়। তাই তার নাম হয়েছে বহিপির। [বর্তমান পাঠে নাটকের নাম হিসেবে লেখকের ব্যবহৃত ‘বহিপীর’ বানান অক্ষুণ্ণ রাখা হয়েছে।]
বজরা – ভ্রমণ-উপযোগী বিলাসবহুল কাঠের নৌকাবিশেষ।
মুরিদ – অনুসারী। পিরের অনুসারী।
লেবাস – পোশাক।
জোয়ান – যুবক। তরুণ।
সওয়াল – প্রশ্ন।
জবান – ভাষা। মুখের কথা।
ঢঙ – রীতি। এখানে বিভিন্ন রীতির ভাষা চালু থাকার বিষয়ে বোঝানো হয়েছে।
গূঢ়তত্ত্ব – গোপন রহস্য।
বরঞ্চ – বরং।
ক্ষিপ্র – দ্রুত।
সটান – সোজাসুজি। টানটান হয়ে।
অন্তঃসারশূন্য – ফাঁপা। সারবস্তু নেই এমন।
সংবিৎ – হুঁশ। এখানে জ্ঞান ফিরে পাওয়া অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
খান্দানি – খানদান বা জাত ভালো যার। অভিজাত।
আলখাল্লা – ঢিলেঢালা জামাবিশেষ।
মকদ্দমা – মামলা।
দাওয়াই – ওষুধ।
মূর্তিবৎ – মূর্তির মতো। স্থির।
সঙ – ভাঁড়। সাধারণভাবে সার্কাসে বিচিত্র ধরনের পোশাক পরে দর্শকের মনোরঞ্জন করে এমন ব্যক্তি।
স্বতঃপ্রবৃত্ত – স্বেচ্ছায়। নিজের ইচ্ছায়।
সমীচীন – যৌক্তিক। যথাযথ।
বিমূঢ় – বিহ্বল। বিস্মিত হওয়া।
তরিকাবিহীন – আইন ও নীতি বহির্ভূত।
রুহানি শক্তি – রুহের শক্তি। আত্মিক ক্ষমতা।