Skip to content

Bangladesh and Global Studies chapter 9: United Nations and Bangladesh

জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ

  • Bangladesh and Global Studies
  • Textbook pages 107-116
  • 1 source
  • 22,927 characters of context

Textbook (verbatim transcription): United Nations and Bangladesh

Verbatim transcription of the printed NCTB textbook pages.

Contents15

Printed page 107

নবম অধ্যায়

জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ

মানবাধিকার ছাড়া কোনো মানুষ পূর্ণাঙ্গভাবে বিকশিত হতে পারে না। মানবাধিকার হলো প্রত্যেক মানুষের বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় কিছু সুযোগ-সুবিধার অধিকার। আমাদের পৃথিবীতে দুটি বড়ো বড়ো যুদ্ধ হয়েছে। এ সকল যুদ্ধের বিভীষিকা ও ধ্বংসযজ্ঞ দেখে বিশ্বের নেতৃস্থানীয় দেশগুলো একজোট হয়ে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘ গঠন করে। বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠাসহ নারী ও শিশুর অবস্থান উন্নয়নে জাতিসংঘ অনেক ভূমিকা রেখে চলেছে। জাতিসংঘ মানবাধিকার এবং বিশ্বশান্তি রক্ষার জন্য বিভিন্ন দেশে প্রয়োজনে শান্তিরক্ষী বাহিনী প্রেরণ করে। এ অধ্যায়ে আমরা জাতিসংঘ এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের ভূমিকা সম্পর্কে জানব।

এ অধ্যায় শেষে আমরা–

  • জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমি বর্ণনা করতে পারব;
  • জাতিসংঘের গঠন কাঠামো ব্যাখ্যা করতে পারবো;
  • বাংলাদেশে জাতিসংঘের ভূমিকা ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য দূরীকরণে জাতিসংঘের ভূমিকা ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী বাহিনীর ভূমিকা মূল্যায়ন করতে পারব;
  • বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘের কার্যক্রমের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হব;
  • টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনে অংশীদারিত্বের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনে চ্যালেঞ্জসমূহ চিহ্নিত করতে পারব।

জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমি

যুদ্ধ কখনওঁ জাতিসমূহের সংকট নিরসনের কার্যকর পথ হতে পারে না। যুদ্ধ ডেকে আনে ভয়ঙ্কর ধ্বংসলীলা এবং মানবজাতির জন্য অবর্ণনীয় দুর্ভোগ ও অশান্তি। বিশ শতকে পৃথিবীর ইতিহাসে জুড়ে দুটি বিশ্বযুদ্ধ হয়ে ছিলো। বিশ শতকে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ (১৯১৪-১৯১৮) এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ (১৯৩৯-১৯৪৫) সংঘটিত হয়। মূলত জাতিগত দ্বন্দ্ব নিরসনে মধ্যস্থতাকারী শান্তিকামী মানুষ যুদ্ধের ভয়াবহতা দেখে চুপ করে থাকেনি। এরই পরিপ্রেক্ষিতে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরে ১৯২০ সালের ১০ জানুয়ারি বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে 'লীগ অব নেশনস' সৃষ্টি হয়েছিল। তবে এর সাংগঠনিক দুর্বলতা ও অন্যান্য কারণে বিশ্বশান্তি রক্ষা সম্ভব হয়নি। ১৯৩৯ সালে পুনরায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসলীলা পৃথিবীকে গ্রাস করে। সাত কোটির বেশি মানুষ নিহত ও কোটি কোটি মানুষ আহত হয়। অনেকে গৃহহারা হয় ও পঙ্গুত্ব বরণ করে। প্রতিটি দেশ হারায় তাদের কর্মক্ষম যুবসম্প্রদায়কে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা বিশ্ব বিবেককে ভীষণভাবে নাড়া দেয় ও আতঙ্কিত করে তোলে। এ প্রেক্ষাপটে মার্কিন প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট ও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিলসহ তৎকালীন বিশ্ব নেতৃবৃন্দ শান্তি ও নিরাপত্তা বিধানের জন্য আর একটি নতুন আন্তর্জাতিক সংস্থা গঠনের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেন। এরপর ১৯৪৩ সালে তেহরানে ও মস্কোতে সমসাময়িক বিশ্বের ৪টি প্রধান শক্তির একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সম্মেলনে ব্রিটেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও ফ্রান্সের প্রতিনিধিবৃন্দ সম্মিলিত জাতিসংঘ

Printed page 108

গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। অবশেষে ১৯৪৫ সালের ২৪শে অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ আত্মপ্রকাশ করে। এজন্য প্রতি বছর ২৪শে অক্টোবরকে জাতিসংঘ দিবস হিসেবে পালন করা হয়। বিশ্বের স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহ জাতিসংঘের সদস্য। ৫০টি সদস্যরাষ্ট্র নিয়ে, জাতিসংঘের যাত্রা শুরু হয়। বর্তমানে (২০২৪ খ্রি:) এর সংখ্যা ১৯৩।

জাতিসংঘের গঠন কাঠামো

পাঁচটি প্রধান অঙ্গ এবং একটি সেক্রেটারিয়েট নিয়ে জাতিসংঘ গঠিত। পাঁচটি অঙ্গ হচ্ছে: সাধারণ পরিষদ, নিরাপত্তা পরিষদ, অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ, অছি (তত্ত্বাবধায়ক) পরিষদ এবং আন্তর্জাতিক বিচারালয় বা আদালত। জাতিসংঘের সকল সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে সাধারণ পরিষদ গঠিত। সাধারণ পরিষদকে 'বিতর্ক সভা' বলেও অভিহিত করা যায়। নিরাপত্তা পরিষদ হচ্ছে জাতিসংঘের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকরী পরিষদ। ৫টি স্থায়ী ও ১০টি অস্থায়ী মোট ১৫টি সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে এটি গঠিত। ৫টি স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র হচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, গ্রেট ব্রিটেন, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন। এদের প্রত্যেকের 'ভেটো' প্রদান বা কোনো প্রস্তাব নাকচ করে দেওয়ার ক্ষমতা আছে। অস্থায়ী সদস্য রাষ্ট্রসমূহ দুই বছরের জন্য আঞ্চলিক ভিত্তিতে নির্বাচিত হয়। অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের কাজ হচ্ছে অর্থনৈতিক ও সামাজিক সহযোগিতার মাধ্যমে বিশ্বের উন্নয়ন ও অগ্রগতি সাধন করা। স্বাধীনতাপ্রাপ্ত নয়- এরূপ বিশেষ এলাকার তত্ত্বাবধানের জন্য অছি পরিষদ গঠিত। এই পরিষদের কার্যক্রম ১৯৮৪ সাল থেকে স্থগিত আছে। আন্তর্জাতিক বিবাদ মীমাংসা হচ্ছে আন্তর্জাতিক বিচারালয়ের কাজ নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে এর কার্যালয় অবস্থিত। আন্তর্জাতিক আদালতে ১৫জন বিচারক দায়িত্ব পালন করেন। সেক্রেটারিয়েট হচ্ছে জাতিসংঘের প্রশাসনিক বিভাগ। সেক্রেটারি জেনারেল বা মহাসচিব প্রধান নির্বাহী। আমেরিকার নিউইয়র্ক শহরে জাতিসংঘের সদর দপ্তর অবস্থিত।

কাজ

দলগত : জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমি বর্ণনা করো।

জাতিসংঘের সদস্যপদ

জাতিসংঘ চার্টার বা সনদের নিয়মকানুন মেনে চলতে আগ্রহী বিশ্বের যেকোনো শান্তিকামী স্বাধীন দেশ জাতিসংঘের সদস্য হতে পারে। বর্তমানে বিশ্বের ১৯৩টি দেশ জাতিসংঘের সদস্য। বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়। দক্ষিণ সুদান জাতিসংঘের ১৯৩তম সদস্যরাষ্ট্র।

জাতিসংঘের উদ্দেশ্য

জাতিসংঘ সনদে সুস্পষ্টভাবে বিশ্বশান্তি ও সহযোগিতা বিধানের লক্ষ্যে জাতিসংঘের উদ্দেশ্য লিপিবদ্ধ আছে।

উদ্দেশ্যসমূহ নিম্নরূপ :

১. শান্তিভঙ্গের হুমকি, আক্রমণাত্মক প্রবণতা ও কার্যকলাপ দূর করে বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা;

২. সকল মানুষের সমান অধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মাধ্যমে বিভিন্ন জাতির মধ্যে সহযোগিতা, বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপন ও জোরদার করা;

৩. অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সকল জাতির মধ্যে সহযোগিতা গড়ে তোলা;

৪. জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলের স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকারের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধাবোধ গড়ে তোলা;

৫. আন্তর্জাতিক আইনের সাহায্যে আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান নিশ্চিত করা;

৬. প্রত্যেক জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের স্বীকৃতি ও তা সমুন্নত রাখা, এবং

৭. উদ্দেশ্যসমূহ বাস্তবায়নের জন্য জাতিসংঘের কার্যধারা অনুসরণ করা।

৮. ওপরের উদ্দেশ্যগুলো বাস্তবায়নে জাতিসমূহের প্রচেষ্টায় সমন্বয় সাধনের কেন্দ্র হিসেবে কার্য পরিচালনা করে।

বাংলাদেশে জাতিসংঘের ভূমিকা ও কার্যক্রম

বাংলাদেশে জাতিসংঘের সবকটি অঙ্গ সংস্থার মিশন আছে। জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য বাংলাদেশ সবসময়ই এর বিশেষ নজর পেয়ে থাকে। জাতিসংঘের সবকটি অঙ্গ সংস্থা শুরু থেকেই বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা পরিবর্তনের জন্য কাজ করছে।

Printed page 109

এ বিশ্ব সংস্থাটির চারজন মহাসচিব বাংলাদেশে এসেছেন। জাতিসংঘে বাংলাদেশের আর্থিক অবদান কম হলেও বাংলাদেশের সৈন্যরা প্রাণ উৎসর্গ করে শান্তিরক্ষা মিশন পরিচালনায় কার্যকরী ভূমিকা রাখছে। বাংলাদেশ জাতিসংঘের সর্বোচ্চ শান্তি সেনা প্রেরণকারী দেশ। ১৯৮৮ সালে ইরাক ও নামিবিয়া শান্তি মিশনে যোগদানের মাধ্যমে বাংলাদেশ জাতিসংঘের শান্তি মিশন শুরু করে। ছাড়া জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করার পর থেকে বাংলাদেশ এই বিশ্ব সংস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়। ১৯৭৯–৮০ এ সময়ের জন্য নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্যপদে বাংলাদেশের নির্বাচন তার এ ভূমিকার স্বীকৃতি এবং বিশ্ব সম্প্রদায়ের আস্থার স্বাক্ষরবাহী। ১৯৮৪ সাল থেকে জাতিসংঘের কার্যপ্রণালিতে বাংলা ভাষার ব্যবহার আমাদের জন্য খুবই গৌরবের। ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন। তাঁর এই সভাপতি নির্বাচিত হওয়া বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের বিশেষ ভূমিকার কথাই স্মরণ করিয়ে দেয়। বিবাদের শান্তিপূর্ণ মীমাংসায় জাতিসংঘ ঘোষিত নীতি অনুসরণ করে বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে গঙ্গার পানিবণ্টন বিষয়ক দীর্ঘকালের সমস্যা নিরসনে এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের সংঘাতময় পরিস্থিতির সুষ্ঠু সমাধানে অগ্রগতি অর্জন করেছে।

বাংলাদেশে জাতিসংঘের নিম্নোক্ত অঙ্গ সংস্থাগুলো কাজ করছে :

জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি বা ইউএনডিপি (UNDP - United Nation Development Programme) বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নে ইউএনডিপি দেশব্যাপী অসংখ্য কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। শিশু মৃত্যুহার হ্রাস, মাতৃস্বাস্থ্য উন্নয়ন, দারিদ্র্য হার হ্রাসকরণ এবং নারীর ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সফলতা অর্জন করেছে। বর্তমানে টেকসই উন্নয়নের ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা (SDG-Sustainable Development Goals) অর্জনের লক্ষ্যে কাজ করছে।

জাতিসংঘ শিশু তহবিল বা ইউনিসেফ (UNICEF - United Nations Children's Fund) দেশের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মৌলিক অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে বিশেষত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য ইউনিসেফ কাজ করছে।

জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা (UNESCO - United Nations Educational, Scientific and Cultural Organization) বাংলাদেশের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি উন্নয়নের লক্ষ্যে সংস্থাটি কাজ করছে।

জাতিসংঘের খাদ্য এবং কৃষি সংস্থা বা এফএও (FAO - Food and Agriculture Organization) বাংলাদেশের বিশাল জনগোষ্ঠীর খাদ্য নিশ্চিত করার জন্য জাতিসংঘের খাদ্য এবং কৃষি সংস্থা কাজ করছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচও (WHO - World Health Organization) স্বাস্থ্যক্ষেত্রে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বাংলাদেশে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে। ২০১৪ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বাংলাদেশকে পোলিওমুক্ত হিসেবে ঘোষণা করে।

কাজ

দলগত : জাতিসংঘের ভূমিকায় বাংলাদেশ কীভাবে লাভবান হয়েছে? বিবরণ দাও।

উদ্বাস্তুবিষয়ক জাতিসংঘ হাইকমিশনারের কার্যালয় বা ইউএনএইচসিআর (UNHCR - United Nations High Commissioner for Refugees) সংস্থাটি দুনিয়ার সকল রাষ্ট্রের শরণার্থী সমস্যা নিয়ে কাজ করে বাংলাদেশ-মিয়ানমার ইস্যুতে এই কার্যালয় মধ্যস্থতা করছে। মিয়ানমারের রাখাইন থেকে বাংলাদেশে আসা বিশাল শরণার্থীদের বাংলাদেশে আশ্রয় এবং তাদের নিজ দেশে প্রত্যাবর্তন নিয়ে কাজ করছে। তাছাড়া বাংলাদেশে বিহারী জনগোষ্ঠীর আবাসনসহ অন্যান্য ইস্যুতে এই সংস্থা ব্যাপক অবদান রেখেছে।

জাতিসংঘ নারী উন্নয়ন তহবিল বা ইউনিফেম (UNIFEM - United Nations Development Fund for Women) বাংলাদেশে নারীদের উন্নয়নে এ সংস্থাটি বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি পালন করছে। নারীদের বিভিন্ন ধরনের অধিকার আদায়ে ভূমিকা রাখছে এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সাথে তাদের সংশ্লিষ্ট করছে। নারীদের নিরাপদ শ্রম অভিবাসনসহ বিভিন্ন ইস্যুতেও এ সংস্থা কাজ করে যাচ্ছে।

জাতিসংঘের জনসংখ্যা কার্যক্রম তহবিল (UNFPA - United Nations Population Fund) সংস্থাটি বাংলাদেশের জনসংখ্যা পরিস্থিতি উন্নয়নে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়নে জাতিসংঘের কার্যাবলি খুবই প্রশংসনীয়।

Printed page 110

Loading the rest of the chapter…

Textbook content © National Curriculum and Textbook Board (NCTB), Bangladesh. Shown for study.

Trusted resources

Official links checked by the Zntext team. Part of the context pack.