Skip to content

Bangladesh and Global Studies chapter 15: Social Problems of Bangladesh and Remedies

বাংলাদেশের সামাজিক সমস্যা ও প্রতিকার

  • Bangladesh and Global Studies
  • Textbook pages 185-200
  • 1 source
  • 39,771 characters of context

Textbook (verbatim transcription): Social Problems of Bangladesh and Remedies

Verbatim transcription of the printed NCTB textbook pages.

Contents31
  1. বাংলাদেশের সামাজিক সমস্যা ও প্রতিকার
  2. পরিচ্ছেদ ১৫.১: সামাজিক নৈরাজ্য ও মূল্যবোধের অবক্ষয়
  3. সামাজিক নৈরাজ্যের ধারণা
  4. সামাজিক মূল্যবোধ অবক্ষয়ের ধারণা
  5. সামাজিক নৈরাজ্য ও মূল্যবোধ অবক্ষয়ের প্রভাব
  6. সামাজিক নৈরাজ্য প্রতিরোধে গৃহীত পদক্ষেপ
  7. পরিচ্ছেদ ১৫.২ : নারীর প্রতি সহিংসতা
  8. নারীর প্রতি সহিংসতার ধারণা
  9. নারীর প্রতি সহিংসতার প্রকৃতি
  10. নারীর প্রতি সহিংসতার কারণ
  11. নারীর প্রতি সহিংসতার প্রভাব
  12. নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে আইনি প্রতিকার
  13. নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে সমাজের করণীয়
  14. শিশুশ্রম
  15. শিশুশ্রম প্রতিরোধে বাংলাদেশের আইন ও বাংলাদেশ অনুসমর্থিত আন্তর্জাতিক সনদসমূহ
  16. কিশোর অপরাধ
  17. মাতৃকল্যাণ
  18. পরিচ্ছেদ ১৫.৩: সড়ক দুর্ঘটনা
  19. সড়ক দুর্ঘটনা পরিস্থিতি
  20. সড়ক দুর্ঘটনার কারণ
  21. সড়ক দুর্ঘটনার প্রভাব
  22. সড়ক দুর্ঘটনামুক্ত রাখার উপায় এবং দুর্ঘটনা হ্রাসের পদক্ষেপ
  23. নিরাপদ চলাচলের জন্য করণীয়–
  24. পরিচ্ছেদ ১৫.৪ : দুর্নীতি
  25. দুর্নীতির ধারণা
  26. দুর্নীতির কারণ
  27. দুর্নীতির প্রভাব ও প্রতিরোধ
  28. নমুনা প্রশ্ন
  29. বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
  30. সৃজনশীল প্রশ্ন
  31. সংক্ষিপ্ত-উত্তর প্রশ্ন

Printed page 185

পঞ্চদশ অধ্যায়

বাংলাদেশের সামাজিক সমস্যা ও প্রতিকার

সমাজ ও সামাজিক সমস্যা ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। সমাজ সৃষ্টির লগ্ন থেকেই সামাজিক সমস্যা ছিল, এখনও রয়েছে। শুধু সমস্যার প্রকৃতি ও ধরনের পার্থক্য ঘটেছে। সামাজিক সমস্যা হলো সমাজের এমন একটা অস্বাভাবিক অবস্থা যা অধিকাংশ লোককে প্রভাবিত করে এবং এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য সকলকে একযোগে কাজ করতে হয়। আমরা পূর্ববর্তী অধ্যায়ে সামাজিক পরিবর্তন সম্পর্কে জেনেছি। সামাজিক পরিবর্তনের সাথে সামাজিক সমস্যা সৃষ্টির গভীর সম্পর্ক রয়েছে। অপরিকল্পিত সামাজিক পরিবর্তনের ফলে বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানের কার্যকারিতা কিংবা ভূমিকা পালনের ব্যর্থতাই সামাজিক সমস্যার সৃষ্টি করে। সমাজভেদে সামাজিক সমস্যার রূপ পরিবর্তিত হয়। বাংলাদেশে বহু সামাজিক সমস্যা রয়েছে। এ অধ্যায়ে আমরা সামাজিক নৈরাজ্য, মূল্যবোধের অবক্ষয়, নারীর প্রতি সহিংসতা, সড়ক দুর্ঘটনা এবং দুর্নীতি সম্পর্কে অবহিত হব।

এ অধ্যায় শেষে আমরা–

  • সামাজিক সমস্যার ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • সামাজিক নৈরাজ্য ও সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয়ের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • বাংলাদেশে সামাজিক নৈরাজ্য ও সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয়ের কারণ ও প্রভাব ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • সামাজিক নৈরাজ্য ও সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয় প্রতিরোধের পদক্ষেপ চিহ্নিত করতে পারব;
  • ‘নারীর প্রতি সহিংসতা’– ধারণাটি ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • বাংলাদেশে নারীর প্রতি সহিংসতার ধরন ও কারণ ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • বাংলাদেশে নারীর প্রতি সহিংসতার প্রভাব বিশ্লেষণ করতে পারব;
  • নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে কর্মসূচি প্রণয়ন করতে পারব;
  • বাংলাদেশে নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার উপায় নির্দেশ করতে পারব;
  • শিশুশ্রম ও কিশোর অপরাধের ধারণা, ধরন ও আইনি প্রতিকার ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • মাতৃকল্যাণ ধারণা ও মাতৃত্বকালীন সুবিধা ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • সড়ক দুর্ঘটনার কারণ ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনার পরিস্থিতি বর্ণনা করতে পারব;
  • সড়ক দুর্ঘটনার প্রভাব ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • দুর্ঘটনা মুক্ত বা নিরাপদ সড়ক করার উপায় এবং দুর্ঘটনা হ্রাসের পদক্ষেপ ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • দুর্নীতির ধারণা, কারণ ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধের পদক্ষেপ ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • নারীর প্রতি শ্রদ্ধাশীল হব এবং নারী নির্যাতন প্রতিরোধের উপায় নির্দেশ করতে পারবো;
  • দুর্নীতি প্রতিরোধ ও দুর্ঘটনা বিষয়ে সচেতন হব;
  • ধর্মীয় আদর্শে জীবন গঠনের উপায় নির্দেশ করতে পারবো।

Printed page 186

পরিচ্ছেদ ১৫.১: সামাজিক নৈরাজ্য ও মূল্যবোধের অবক্ষয়

সাধারণভাবে সমাজের জন্য ক্ষতিকর ও অসুবিধাজনক অবস্থা বা পরিস্থিতিকেই সামাজিক সমস্যা বলে। সামাজিক সমস্যা সাময়িক সময়ের জন্য সৃষ্টি হয় না। এটি কমবেশি স্থায়ী হয় এবং এর সমাধানের লক্ষ্যে যৌথ উদ্যোগের প্রয়োজন অনুভূত হয়। সুতরাং সামাজিক সমস্যা হলো সমাজ জীবনের এমন এক অবস্থা, যা সমাজবাসীর বৃহৎ অংশকে প্রভাবিত করে, যা অবাঞ্ছিত এবং এর প্রতিকার ও প্রতিরোধের জন্য সমাজবাসী ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা চালাতে উদ্যোগী হয়।

সামাজিক বৈষম্য এবং বিশৃঙ্খলা হতে সামাজিক সমস্যার সৃষ্টি হয়। সমাজের প্রচলিত আচার-আচরণ, রীতি-নীতি, প্রথা প্রভৃতি নিয়ন্ত্রণের ব্যতিক্রমই সামাজিক বিশৃঙ্খলা। সামাজিক বিশৃঙ্খলা তখনই দেখা দিবে যখন ব্যক্তির উপর সামাজিক রীতিনীতির প্রভাব হ্রাস পাবে। সামাজিক রীতিনীতি যখন ব্যক্তির আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হয় তখন মানুষের নৈতিক অবনতি শুরু হয়। নৈতিক অবনতি ব্যাপক আকার ধারণ করলে সামাজিক প্রতিষ্ঠানের ভাঙন শুরু হয়। সামাজিক প্রতিষ্ঠানের ভাঙনের ফলে সামাজিক বিশৃঙ্খলা ও নৈরাজ্য দেখা দেয়।

সামাজিক বিশৃঙ্খলা ও নৈরাজ্যের উল্লেখযোগ্য লক্ষণ হলো– অপরাধ, কিশোর অপরাধ, মাদকাসক্তি, অপহরণ, আত্মহত্যা, নারীনির্যাতন, বিবাহ বিচ্ছেদ, আইনশৃঙ্খলার অবনতি, ঘুষ, ছিনতাই, সন্ত্রাস, রাহাজানি, চাঁদাবাজি, স্বজনপ্রীতি, যৌন আচরণ, যৌনব্যাধির প্রাদুর্ভাব, স্বেচ্ছাচার, শিশুশ্রম, শিশুদের প্রতি অবহেলা, হত্যা প্রভৃতি।

সামাজিক নৈরাজ্যের ধারণা

সামাজিক বিশৃঙ্খলার চরম রূপ হচ্ছে সামাজিক নৈরাজ্য। রাষ্ট্রের শাসনযন্ত্র যখন আর কাজ করে না এবং শাসনযন্ত্র ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না তখন সমাজে নৈরাজ্য দেখা দেয়। উদাহরণস্বরূপ ঘুষ, নারী নির্যাতন, অপহরণ, যৌন হয়রানি ইত্যাদির কথা উল্লেখ করা যায়।

সামাজিক মূল্যবোধ অবক্ষয়ের ধারণা

যেকোনো সমাজের রীতিনীতি, মনোভাব এবং সমাজের অন্যান্য অনুমোদিত আচার-আচরণের সমন্বয়ে মূল্যবোধের সৃষ্টি হয়। বস্তুত যেসব ধ্যানধারণা, বিশ্বাস, লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য, সংকল্প মানুষের আচার-আচরণ এবং কার্যাবলিকে পরোক্ষভাবে নিয়ন্ত্রণ করে সেগুলোর সমষ্টিই হলো মূল্যবোধ। বড়দের প্রতি শ্রদ্ধা দেখানো, অতিথির প্রতি সম্মান প্রদর্শন, ছোটদের প্রতি স্নেহ, মায়া-মমতা প্রভৃতি সামাজিক মূল্যবোধের উদাহরণ। এসব মূল্যবোধের অবনতিই সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয়। এর ফলে সৃষ্টি হয় সামাজিক অসঙ্গতি।

সামাজিক নৈরাজ্য ও মূল্যবোধ অবক্ষয়ের প্রভাব

সমাজ জীবনে আর্থসামাজিক ক্ষেত্রে নৈরাজ্য ও মূল্যবোধ অবক্ষয়ের প্রভাব সুদূরপ্রসারী। সমাজে মূল্যবোধের অবক্ষয় ও নৈরাজ্যপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে মানুষের অধিকারের বঞ্চনা বেড়ে যায়। ঘুষ, দুর্নীতিতে গোটা সমাজ অচল হয়ে পড়ে। অপরাধীদের দৌরাত্ম্য বেড়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে বেশিরভাগ অপরাধী শাস্তি পায় না। সমাজ জীবনে ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। দেশের সকল সেবা খাতের মান নিম্নগামী হয়। সমাজে বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা বেড়ে যায়।

কাজ

দলগত : সমাজে মূল্যবোধের কয়েকটি অবক্ষয় চিহ্নিত কর এবং এর প্রতিরোধ পদক্ষেপ লেখো। একক : সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয় ও সামাজিক নৈরাজ্যের পার্থক্য উদাহরণের মাধ্যমে দেখাও।

Printed page 187

সামাজিক নৈরাজ্য প্রতিরোধে গৃহীত পদক্ষেপ

সামাজিক নৈরাজ্য ও মূল্যবোধের অবক্ষয় রোধে যেসব পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে–

  • ব্যাপক সামাজিক আন্দোলন ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণ;
  • আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা আনয়ন;
  • দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি রোধে কর্মক্ষেত্রে জবাবদিহিতা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণ;
  • ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আনয়ন;
  • সমাজের হিংসাত্মক কার্যক্রম রোধে সচেতনতা সৃষ্টি;
  • আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা প্রভৃতি;
  • ধর্মীয় মূল্যবোধ, ধর্মীয় শিক্ষা ও নৈতিক শিক্ষার প্রসার।

পরিচ্ছেদ ১৫.২ : নারীর প্রতি সহিংসতা

নারীর প্রতি সহিংসতার ধারণা

পুরুষ বা নারী কর্তৃক যেকোনো বয়সের নারীর প্রতি শুধু নারী হওয়ার কারণে যে সহিংস আচরণ করা হয় তাই নারীর প্রতি সহিংসতা। কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তি সমষ্টি নানা অজুহাতে নারীর আর্থ-সামাজিক, প্রান্তিকতার সুযোগ নিয়ে নারীর প্রতি সহিংসতা ঘটিয়ে থাকে। নারীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে শারীরিক বা মানসিকভাবে এই নির্যাতন চালানো হয়। এ সহিংস আচরণ বাড়ি-ঘর, রাস্তা-ঘাট, স্কুল-কলেজ, কর্মক্ষেত্র, হাট-বাজার থেকে শুরু করে যেকোনো স্থানে ঘটতে পারে।

নারীর প্রতি সহিংসতার প্রকৃতি

বাংলাদেশে নারীর প্রতি সহিংসতা নারীর স্বাধীনতা এবং ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে প্রধান প্রতিবন্ধক। নারীর প্রতি সহিংসতার নানা প্রকৃতি রয়েছে। নারীরা বাড়িতে শারীরিক ও মানসিক যেসব নির্যাতনের শিকার হয় তাকে বলে পারিবারিক সহিংসতা। সাধারণত স্বামী, শাশুড়ি, ননদ এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্য দ্বারা নারী এ ধরনের নির্যাতনের শিকার হয়। এসব সহিংসতার মধ্যে রয়েছে, খোঁটা দেওয়া, প্রহার, যৌতুক সম্পর্কিত নির্যাতন, শিক্ষা ও সম্পত্তির অধিকারের বঞ্চনা, অত্যধিক কাজের বোঝা চাপানো, কন্যা শিশুকে মারধর, নিপীড়ন প্রভৃতি।

যৌন হয়রানি, নির্যাতন ও ধর্ষণ, মনগড়া ফতোয়া, এসিড নিক্ষেপ, নারী ও শিশুপাচার প্রভৃতি হলো বর্বর, নির্মম সহিংসতা।

যৌন হয়রানি : সাম্প্রতিক সময়ে যৌন হয়রানি বাংলাদেশের অন্যতম সামাজিক সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এটি নৈতিকতার চরম অবক্ষয়, একটি সামাজিক বিপর্যয়। নারীরা বিভিন্নভাবে যৌন হয়রানির শিকার হচ্ছে। বর্তমানে কিশোরী, তরুণী এমনকি বিবাহিত নারীও জঘন্য যৌন হয়রানির শিকার হচ্ছে।

Printed page 188

যৌন হয়রানি মানে পুরুষ কর্তৃক নারীদের কর্মক্ষেত্রে, বাড়িতে, পাবলিক পরিসরে নারী-শিশুর প্রতি অনাকাঙ্ক্ষিত স্পর্শ। যৌন হয়রানিকে ইভটিজিংও (Eve-Teasing) বলা হয়। ইভটিজিং (Eve-Teasing) শব্দটি যৌন হয়রানির ইংরেজি প্রতিশব্দ। ইভটিজিং (Eve-Teasing) হচ্ছে লোকসমাগমপূর্ণ স্থানে পুরুষ কর্তৃক নারীদের নিগ্রহ বা উত্ত্যক্ত করা। গৃহঅভ্যন্তরে, কর্মক্ষেত্রে অথবা যাতায়াতের পথে, কখনোবা নিরিবিলি স্থানে অসৎ উদ্দেশ্যে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের জন্য পুরুষ কর্তৃক নারীরা যৌন হয়রানির শিকার হয়। অনেক সময় শিশুরাও যৌন হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছে।

ফতোয়া : গ্রামীণ এলাকায় মনগড়া ফতোয়ার মাধ্যমে নারীর প্রতি সহিংসতার ঘটনা ঘটানো হয়। কখনো কখনো গ্রামের প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গ মনগড়া আইনের মাধ্যমে বিচারকার্য পরিচালনা করে। এসব দেশের প্রচলিত আইনের পরিপন্থী।

অ্যাসিড নিক্ষেপ : অ্যাসিড নিক্ষেপ নারীর প্রতি একটি ভয়াবহ সহিংসতা। বর্তমানে বাংলাদেশে অ্যাসিড নিক্ষেপের ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। সাধারণত নারীদের উপরই অ্যাসিড নিক্ষেপের ঘটনা অধিক ঘটে থাকে। প্রেম ও অনৈতিক প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ, পারিবারিক কলহসহ নানা কারণে অ্যাসিড নিক্ষেপের মতো জঘন্য ঘটনা ঘটে।

নারী ও শিশু পাচার : নারী ও শিশুরা পাচার হয়ে নানাভাবে সহিংসতার শিকার হয়। দক্ষিণ এশিয়ায় নারী ও শিশুপাচারের পরিস্থিতি ভয়াবহ। প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকেও প্রচুর নারী ও শিশুপাচার হয়ে যায়। এদের বলপূর্বক বিভিন্ন অবমাননাকর এবং অমানবিক কাজ, যেমন- দেহব্যবসায়, উটের জকি ইত্যাদিতে ব্যবহার করা হয়। অনেক সময় এসব পাচারকৃত নারী ও শিশুদের অঙ্গপ্রত্যঙ্গও বিক্রি করা হয়।

Loading the rest of the chapter…

Textbook content © National Curriculum and Textbook Board (NCTB), Bangladesh. Shown for study.

Trusted resources

Official links checked by the Zntext team. Part of the context pack.