Skip to content

Biology chapter 6: Transport in Organisms

জীবে পরিবহণ

  • Biology
  • Textbook pages 125-159
  • 1 source
  • 64,472 characters of context

Textbook (verbatim transcription): Transport in Organisms

Verbatim transcription of the printed NCTB textbook pages.

Contents32
  1. ষষ্ঠ অধ্যায়
  2. ৬.১ উদ্ভিদ ও পানির সম্পর্ক
  3. (a) ইমবাইবিশন (Imbibition)
  4. (b) ব্যাপন (Diffusion)
  5. (c) অভিস্রবণ (Osmosis)
  6. ৬.২ পানি ও খনিজ লবণ শোষণ
  7. (a) পানি শোষণ
  8. (b) খনিজ লবণ শোষণ
  9. ৬.২.১ উদ্ভিদে পরিবহণ
  10. পানি ও খনিজ পদার্থের পরিবহণ (Translocation of water and minarals)
  11. ৬.২.২ সালোকসংশ্লেষণে উৎপাদিত পদার্থের পরিবহণ
  12. ৬.২.৩ প্রস্বেদন (Transpiration)
  13. ৬.৩ মানবদেহে রক্ত সংবহন (Blood Circulation in human body)
  14. ৬.৩.১ রক্ত (Blood)
  15. রক্তের কাজ
  16. ৬.৩.২ ব্লাড গ্রুপ বা রক্তের গ্রুপ
  17. রক্তদান ও সামাজিক দায়বদ্ধতা
  18. ৬.৪ হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ
  19. ৬.৪.১ হৃৎপিণ্ডের গঠন
  20. ৬.৪.২ হৃৎপিণ্ডের মধ্যে রক্ত সঞ্চালন পদ্ধতি
  21. ৬.৪.৩ রক্তবাহিকা (Blood Vessel)
  22. (c) কৈশিক জালিকা (Capillaries)
  23. ৬.৪.৮ রক্তচাপ (Blood Pressure)
  24. উচ্চ রক্তচাপ (High blood pressure or hypertension)
  25. ৬.৪.৫ কোলেস্টেরল (Cholesterol)
  26. ৬.৪.৬ অস্থিমজ্জা ও রক্তের অস্বাভাবিক অবস্থা: লিউকেমিয়া (Leukemia)
  27. ৬.৫ রক্ত সংবহনতন্ত্রের কয়েকটি রোগ ও প্রতিকার
  28. হৃৎপিণ্ডকে সুস্থ রাখার উপায়
  29. নমুনা প্রশ্ন
  30. বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  31. সৃজনশীল প্রশ্ন
  32. সংক্ষিপ্ত-উত্তর প্রশ্ন

Printed page 125

ষষ্ঠ অধ্যায়

জীবে পরিবহণ

পরিবহণ জীবদেহের একটি অতিপ্রয়োজনীয় ব্যবস্থা, যা সবসময়ই ঘটে চলেছে। উদ্ভিদে পানি ও খনিজ পরিবহণ যেমন গুরুত্বপূর্ণ, খাদ্য চলাচলও তেমনি গুরুত্বপূর্ণ। মাটি থেকে গ্রহণ করা পানি আর খনিজ লবণ মূল থেকে পাতায় পৌঁছানো যেমন গুরুত্বপূর্ণ, পাতায় প্রস্তুত করা খাদ্য উদ্ভিদের বিভিন্ন অঙ্গে পরিবহণও ঠিক তেমনি সমান প্রয়োজনীয়। মানবদেহে পরিবহণ প্রক্রিয়া উদ্ভিদের মতো নয় কিন্তু উভয়েই পদার্থবিজ্ঞানের একই নিয়ম অনুসরণ করে।

উদ্ভিদ আর মানবদেহের পরিবহণ পদ্ধতি এ অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়।

Printed page 126

এ অধ্যায় শেষে আমরা—

  • উদ্ভিদে পরিবহনের ধারণা ও প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • উদ্ভিদ ও পানির সম্পর্ক ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • উদ্ভিদে পানি ও খনিজ পদার্থ শোষণ প্রক্রিয়া এবং এর প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • সালোকসংশ্লেষণের ফলে উৎপাদিত পদার্থের পরিবহন বর্ণনা করতে পারব;
  • উদ্ভিদে পানি ও খনিজ পদার্থ পরিবহন এবং এর প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • প্রস্বেদনের ধারণা ও তাৎপর্য ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • প্রস্বেদনের হার নিয়ন্ত্রণে প্রভাবকের ভূমিকা বিশ্লেষণ করতে পারব;
  • প্রস্বেদন একটি অতিপ্রয়োজনীয় অমঞ্জাল তা মূল্যায়ন করতে পারব;
  • উদ্ভিদে প্রস্বেদনের পরীক্ষা করতে পারব;
  • মানবদেহে সংবহনের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • রক্ত উপাদানের কাজ ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • বিভিন্ন গ্রুপের রক্তের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • রক্ত গ্রুপ বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে রক্ত নির্বাচন করতে পারব;
  • রক্তদানের নিয়মাবলি এবং এর সামাজিক দায়বদ্ধতা বর্ণনা করতে পারব;
  • মানবদেহে রক্ত সঞ্চালন কার্যক্রম বর্ণনা করতে পারব;
  • হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ বর্ণনা করতে পারব;
  • হৃৎপিণ্ড গঠনগতভাবে যে এর কার্যক্রমের সাথে অভিযোজিত তা বিশ্লেষণ করতে পারব;
  • রক্ত সঞ্চালনে রক্তচাপের ভূমিকা বিশ্লেষণ করতে পারব;
  • আদর্শ রক্তচাপ ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • কোলেস্টেরলের প্রকারভেদ, সীমা, উপকারিতা ও স্বাস্থ্যঝুঁকি বর্ণনা করতে পারব;
  • রক্ত সঞ্চালনে কোলেস্টেরলের ভূমিকা বিশ্লেষণ করতে পারব;
  • রক্তে অস্বাভাবিকতার কারণ ও ফলাফল ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • হৃৎপিণ্ড সম্পর্কিত রোগের লক্ষণ, কারণ, প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিশ্লেষণ করতে পারব;
  • হৃৎপিণ্ডকে সুস্থ রাখার উপায় বিশ্লেষণ করতে পারব;
  • বিশ্রামরত অবস্থায় এবং শরীরচর্চার পর রক্তচাপ ও পালস রেট পরিমাপ করতে এবং দুই অবস্থানে পরিমাপকৃত রক্তচাপ ও পালস রেট বিশ্লেষণ করতে পারব;
  • সঠিকভাবে রক্তচাপ ও পালস রেট পরিমাপ করতে পারব;
  • হৃৎপিণ্ডকে সুস্থ রাখার জন্য নিজে সচেতন হব এবং অন্যকে সচেতন করতে পারব।

Printed page 127

৬.১ উদ্ভিদ ও পানির সম্পর্ক

পানির অপর নাম জীবন। পানি ছাড়া জীব বাঁচতে পারে না। আমরা জানি, প্রোটোপ্লাজম জীবদেহের ভৌত ভিত্তি, এই প্রোটোপ্লাজমের শতকরা 90 ভাগই পানি। এ কারণেই পানিকে ফ্লুইড অফ লাইফ বলা হয়ে থাকে। পানির পরিমাণ কমে গেলে প্রোটোপ্লাজম সংকুচিত হয়ে অকার্যকর পর্যন্ত হতে পারে। তাছাড়া উদ্ভিদের দেহে যত বিপাকীয় বিক্রিয়া চলে, পানির অভাব হলে সেগুলো বন্ধ হয়ে যাবে। উদ্ভিদদেহে পানির প্রয়োজনীয় দিকগুলোর মধ্য উল্লেখযোগ্য হলো:

(a) প্রোটোপ্লাজম সজীব রাখতে পানির বিকল্প নেই। একটি সংকুচিত প্রোটোপ্লাজমযুক্ত কোষকে বাঁচাতে চাইলে দেরি না করে পানি সরবরাহের ব্যবস্থা করতে হবে।

(b) প্রস্বেদন ও সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া চালু রাখতে পরিমাণ মতো পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা দরকার। এজন্যই শুষ্ক মৌসুমে বড় বড় উদ্ভিদেও পানি সেচ দিতে হয়।

(c) পানি একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্রাবক। বিপাকীয় অনেক বিক্রিয়ায় পানির গুরুত্ব অপরিসীম।

(d) উদ্ভিদের কোষ বৃদ্ধি ও চলনে পানির ভূমিকা রয়েছে।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে উদ্ভিদ জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় পানি কোথায় এবং কীভাবে পায়? উদ্ভিদ প্রধানত মূলের মাধ্যমে মাটি থেকে পানি শোষণ করে। উদ্ভিদে 3টি প্রক্রিয়া সম্মিলিতভাবে শোষণ কাজ সম্পাদন করে। প্রক্রিয়া তিনটি হলো ইমবাইবিশন, ব্যাপন এবং অভিস্রবণ।

(a) ইমবাইবিশন (Imbibition)

এক খণ্ড শুকনা কাঠের এক প্রান্ত পানিতে ডুবালে ঐ কাঠের খণ্ডটি কিছু পানি টেনে নেবে। আমরা জানি, কলয়েড জাতীয় শুকনা বা আধা শুকনা পদার্থ তরল পদার্থ শুষে নেয়, এজন্যই কাঠের খণ্ডটি পানি টেনে নিয়েছে। এ প্রক্রিয়াকে ইমবাইবিশন বলে। সেলুলোজ, স্টার্চ, জিলাটিন— এগুলো হাইড্রোফিলিক (পানিপ্রিয়) পদার্থ। এরা তরল পদার্থের সংস্পর্শে এলে তা শুষে নেয়, আবার তরল পদার্থের অভাবে সংকুচিত হয়ে যায়। কোষপ্রাচীর ও প্রোটোপ্লাজম কলয়েডধর্মী হওয়ায় ইমবাইবিশন প্রক্রিয়ায় পানি শোষণ করে স্ফীত হয়ে ওঠে। পানি শোষণের এটি একটি অন্যতম প্রক্রিয়া।

(b) ব্যাপন (Diffusion)

ঘরের এক কোণে কিছু সুগন্ধি ঢেলে দিলে তার সুগন্ধ সারা ঘরে ছড়িয়ে যায়। কারণ এর ক্ষুদ্র কণা বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। এক গ্লাস পানিতে কিছু চিনি ছেড়ে দিলে কিছুক্ষণের মধ্যেই গ্লাসের পানি মিষ্টি হয়ে যায়। এক্ষেত্রে চিনির অণু পানিতে ছড়িয়ে পুরো পানিকে মিষ্টি স্বাদযুক্ত করে তোলে। এই প্রক্রিয়াকে ব্যাপন বলে। এটি একটি ভৌত প্রক্রিয়া (Physical process)। যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোনো দ্রব্যের অণু বেশি ঘনত্বের এলাকা থেকে কম ঘনত্বের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে, তাকে ব্যাপন প্রক্রিয়া বলে। একই তাপমাত্রা ও বায়ুমণ্ডলীয় চাপে কোনো পদার্থের বেশি ঘনত্ববিশিষ্ট দ্রবণ থেকে কম ঘনত্বের দ্রবণের দিকে দ্রাবকের ব্যাপিত হওয়ার প্রচ্ছন্ন ক্ষমতাকে ব্যাপন চাপ বলে। একই বায়ু চাপে কোনো একটি দ্রব

Printed page 128

ও দ্রাবকের ব্যাপন চাপের পার্থক্যকে ব্যাপন চাপ ঘাটতি (Diffusion pressure deficit) বলে। পাতার মেসোফিল টিস্যুতে এই ব্যাপন চাপ ঘাটতির ফলে পানির ঘাটতি আছে, এমন কোষ পাশের কোষ থেকে পানি টেনে নেয়। এক কথায় উদ্ভিদের পানি শোষণে ব্যাপনের গুরুত্ব অপরিসীম।

একক কাজ

কাজ : ব্যাপন প্রক্রিয়ার পরীক্ষণ।

উপকরণ : একটি ছোট বাটি এবং আতর বা যেকোনো সুগন্ধি।

পদ্ধতি : ব্যাপন প্রক্রিয়াটি প্রমাণ করতে আতর বা সুগন্ধি বাটিতে ঢেলে পরবর্তী অবস্থা বর্ণনা করো।

(c) অভিস্রবণ (Osmosis)

তোমরা নিশ্চয়ই খেয়াল করেছ যে তোমার মা যখন পানিতে কিশমিশ ভিজিয়ে রাখেন, তার কিছুক্ষণ পর চুপসে থাকা কিশমিশগুলো ফুলে টসটসে হয়ে ওঠে। ঐ টসটসে কিশমিশ যদি আবার ঘন চিনির দ্রবণে ভিজিয়ে রাখ, তাহলে দেখবে সেগুলো আবার চুপসে গেছে। কেন এমন হলো তা কি তোমরা ধারণা করতে পার? এটি একটি অতি প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া। এ প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ মাটি থেকে পানি গ্রহণ করে। এ প্রক্রিয়াটি জীবন্ত কোষ ছাড়াও কৃত্রিমভাবে ল্যাবরেটরিতেও ঘটানো যায়। যদি দুটি ভিন্ন ঘনত্বের দ্রবণ, যাদের দ্রব এবং দ্রাবক একই, একটি বৈষম্যভেদ্য পর্দা (Selectively permeable membrane) দিয়ে আলাদা করা হয়, তাহলে কিছুক্ষণের মধ্যেই দুটি দ্রবণের ঘনত্ব সমান হয়ে যাবে। একই দ্রব এবং দ্রাবকযুক্ত দুটি ভিন্ন ঘনত্বের দ্রবণ একটি বৈষম্যভেদ্য পর্দা দিয়ে আলাদা করা হলে, দ্রাবক তার নিম্ন ঘনত্বের দ্রবণ থেকে উচ্চ ঘনত্বের দ্রবণের দিকে প্রবাহিত হয়। দ্রাবকের বৈষম্যভেদ্য পর্দা ভেদ করে তার নিম্ন ঘনত্বের দ্রবণ থেকে উচ্চ ঘনত্বের দ্রবণের দিকে প্রবাহিত হওয়াকে অভিস্রবণ প্রক্রিয়া বলা হয়। অভিস্রবণ প্রকৃতপক্ষে দ্রাবকের ব্যাপন, কেননা এক্ষেত্রে যেদিকে দ্রাবকের পরিমাণ আনুপাতিকভাবে বেশি (অর্থাৎ কম ঘনত্বের দ্রবণ), সেদিক থেকে দ্রাবক প্রবাহিত হয় সেইদিকে যেদিকে দ্রাবকের পরিমাণ আনুপাতিকভাবে কম (অর্থাৎ বেশি ঘনত্বের দ্রবণ)। অন্যভাবে বলা যায়, অভিস্রবণ হলো দ্রাবকের উচ্চ ঘনত্বের থেকে দ্রাবকের নিম্ন ঘনত্বের দিকে দ্রাবকের প্রবাহ, যেহেতু দ্রবের পক্ষে বৈষম্যভেদ্য পর্দা অতিক্রম করা সম্ভব নয়।

একক কাজ

কাজ : কোষ থেকে কোষে অভিস্রবণের পরীক্ষণ।

উপকরণ : একখণ্ড আলু, ব্লেড, পেট্রিডিস, পানি, চিনি।

পদ্ধতি : আলু দিয়ে অসমোস্কোপ বানাও। চিনির শরবত ঢেলে অভিস্রবণের প্রমাণ দাও।

Printed page 129

৬.২ পানি ও খনিজ লবণ শোষণ

উদ্ভিদে পানি শোষণ ও খনিজ লবণ শোষণ ভিন্ন ভিন্ন প্রক্রিয়ায় হয়। আলোচনার সুবিধার জন্য আমরা পানি শোষণ বিষয়টি সম্পর্কে আগে জানব।

(a) পানি শোষণ

সাধারণভাবে উদ্ভিদ তার মূলরোমের মাধ্যমে মাটির কৈশিক পানি (capillary water) শোষণ করে। প্রস্বেদনের ফলে পাতার কোষে ব্যাপন চাপ ঘাটতির সৃষ্টি হয়, এর ফলে পাশের কোষ থেকে পানি এই কোষের দিকে ধাবিত হয়। একইভাবে ঐ দ্বিতীয় কোষটিতে আবার ব্যাপন চাপ ঘাটতি সৃষ্টি হয় এবং তার পাশের বা নিচের কোষ থেকে পানি টেনে নেয়। এভাবে ব্যাপন চাপ ঘাটতি ক্রমশ মূলরোম পর্যন্ত

Figure: চিত্র ৬.০১: পানি শোষণ ও পরিবহণ

লেবেল: সিমপ্লাস্টিক পথ, অ্যাপোপ্লাস্টিক পথ, এন্ডোডার্মাল কোষ, মূলরোম, কোষঝিল্লি, জাইলেম বাহিকা, সিমপ্লাস্টিক, এপিডার্মিস, এন্ডোডার্মিস, পরিবহনতন্ত্র, ১, ২, ৩, ৪, ৫ বর্ণনা: একটি মূলের অগ্রভাগের প্রস্থচ্ছেদ এবং তার মূলরোম দেখানো হয়েছে। নীল রেখা দিয়ে পানির পথ নির্দেশ করা হয়েছে; এটি মূলরোম থেকে কর্টেক্সের মধ্য দিয়ে এন্ডোডার্মিসের কোষ পার হয়ে জাইলেম বাহিকায় পৌঁছায়। উপরের অংশে বড় করে এন্ডোডার্মাল কোষের সিমপ্লাস্টিক ও অ্যাপোপ্লাস্টিক পথ দেখানো হয়েছে।

বিস্তৃত হয় এবং একটি চোষক শক্তির সৃষ্টি হয়। এ চোষক শক্তির টানে মাটির কৈশিক পানি মূলরোমে ঢুকে পড়ে। মাটি থেকে মূলরোমে অভিস্রবণ ও ব্যাপন প্রক্রিয়ায় এ পানি প্রবেশ করে। এভাবে মূলরোম থেকে পানি মূলের কর্টেক্সে (Cortex) প্রবেশ করে। এ কাজটিকে কোষ থেকে কোষান্তরে অভিস্রবণ (cell to cell osmosis) পদ্ধতি বলে। একইভাবে পানি অন্তঃত্বক ও পরিচক্র হয়ে পরিবহণ কলাগুচ্ছে (Vascular bundles) পৌঁছে যায়। পানি একবার পরিবহণ কলায় পৌঁছে গেলে তা জাইলেম কলার মাধ্যমে উপরের দিকে এবং পাশের দিকে প্রবাহিত হতে থাকে। এভাবে পানি বিভিন্ন শাখা-প্রশাখা হয়ে

Printed page 130

উদ্ভিদের পাতায় পৌঁছে যায়। এ কাজে যে দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া কাজ করে সেগুলো হলো, অভিস্রবণ ও প্রস্বেদন।

Loading the rest of the chapter…

Textbook content © National Curriculum and Textbook Board (NCTB), Bangladesh. Shown for study.

Trusted resources

Official links checked by the Zntext team. Part of the context pack.