Skip to content

Chemistry chapter 3: Structure of Matter

পদার্থের গঠন (Structure of Matter)

  • Chemistry
  • Textbook pages 35-58
  • 1 source
  • 42,503 characters of context

Textbook (verbatim transcription): Structure of Matter

Verbatim transcription of the printed NCTB textbook pages.

Contents32
  1. পদার্থের গঠন (Structure of Matter)
  2. ৩.১ মৌলিক ও যৌগিক পদার্থ (Elements and Compounds)
  3. মৌলিক পদার্থ
  4. যৌগিক পদার্থ
  5. ৩.২ পরমাণু ও অণু (Atoms and Molecules)
  6. ৩.৩ মৌলের প্রতীক (Symbols of Elements)
  7. ৩.৪ সংকেত (Formula)
  8. ৩.৫ পরমাণুর সাংগঠনিক কণা (The fundamental particles of an atom)
  9. ৩.৫.১ পারমাণবিক সংখ্যা (Atomic Number)
  10. ৩.৫.২ ভরসংখ্যা (Mass Number)
  11. ৩.৬ পরমাণুর মডেল (Atomic Model)
  12. ৩.৬.১ রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেল
  13. ৩.৬.২ বোর পরমাণু মডেল
  14. বোরের পরমাণু মডেলের সাফল্য
  15. বোরের পরমাণু মডেলের সীমাবদ্ধতা
  16. ৩.৭ পরমাণুর শক্তিস্তরে ইলেকট্রন বিন্যাস
  17. ৩.৭.১ উপশক্তিস্তরের ধারণা
  18. ৩.৭.২ পরমাণুতে ইলেকট্রন বিন্যাসের নীতি
  19. ৩.৭.৩ ইলেকট্রন বিন্যাসের সাধারণ নিয়মের কিছু ব্যতিক্রম
  20. ৩.৮ আইসোটপ (Isotopes)
  21. ৩.৯ পারমাণবিক ভর বা আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর
  22. ৩.৯.১ আইসোটোপের শতকরা হার থেকে মৌলের গড় আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর
  23. ৩.৯.২ আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর থেকে আপেক্ষিক আণবিক ভর নির্ণয়
  24. ৩.১০ তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ও তাদের ব্যবহার
  25. ৩.১০.১ চিকিৎসাক্ষেত্রে
  26. ৩.১০.২ কৃষিক্ষেত্রে
  27. ৩.১০.৩ বিদ্যুৎ উৎপাদনে
  28. ৩.১০.৪ তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের ক্ষতিকর প্রভাব
  29. নমুনা প্রশ্ন
  30. বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  31. সৃজনশীল প্রশ্ন
  32. সংক্ষিপ্ত-উত্তর প্রশ্ন

Printed page 35

তৃতীয় অধ্যায়

পদার্থের গঠন (Structure of Matter)

Figure: হাইড্রোজেন পরমাণুর বিভিন্ন শক্তিস্তরে ইলেকট্রনের বিন্যাস

বর্ণনা: একটি লাল গোলক কেন্দ্রে রয়েছে; তার চারপাশে বিভিন্ন উপবৃত্তাকার কক্ষপথে ছোট ছোট রঙিন গোলক (ইলেকট্রন) ঘুরছে।

কৌতূহলী মানুষের স্বাভাবিক চিন্তা হলো, আমাদের চারপাশের জিনিসগুলো কী দিয়ে তৈরি? আমাদের শরীরই বা কী দিয়ে তৈরি? হ্যাঁ, আমাদের মতো প্রাচীন দার্শনিকেরাও এ নিয়ে বহু চিন্তাভাবনা করেছেন। প্রাচীন গ্রিক দার্শনিকেরা ভাবতেন মাটি, পানি, বায়ু এবং আগুন ইত্যাদি মৌলিক পদার্থ আর অন্য সকল বস্তু এদের মিশ্রণে তৈরি।

গ্রিসের দার্শনিক ডেমোক্রিটাস প্রথম বলেছিলেন, প্রত্যেক পদার্থের একক আছে যা অতি ক্ষুদ্র আর অবিভাজ্য। তিনি এর নাম দেন এটম। কোনো বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা দিয়ে এটি প্রমাণ করা সম্ভব হয়নি এবং সে সময়ের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞানী এরিস্টটল এর বিরোধিতা করেছিলেন। তাই এটি কোনো গ্রহণযোগ্যতা পায়নি। প্রায় 2500 বছর পর 1803 সালে ব্রিটিশ বিজ্ঞানী জন ডাল্টন বিভিন্ন পরীক্ষায় প্রাপ্ত ফলাফলের উপর ভিত্তি করে ডেমোক্রিটাসের ধারণাপ্রসূত পরমাণু সম্পর্কে একটি মতবাদ দেন। এই মতবাদ অনুসারে প্রতিটি পদার্থ অজস্র ক্ষুদ্র এবং অবিভাজ্য কণার সমন্বয়ে গঠিত। তিনি দার্শনিক ডেমোক্রিটাসের সম্মানে এ একক ক্ষুদ্র কণার নাম দেন Atom, যার অর্থ পরমাণু। পরে

Printed page 36

প্রমাণিত হয় যে, পরমাণু অবিভাজ্য নয়। এদের ভাঙলে পরমাণুর চেয়েও ক্ষুদ্র কণিকা ইলেকট্রন, প্রোটন, নিউট্রন ইত্যাদি পাওয়া যায়। অর্থাৎ পরমাণু কতকগুলো ক্ষুদ্রতর কণার সমন্বয়ে গঠিত। পরমাণুর গঠন সম্পর্কিত বিভিন্ন মডেল, পরমাণুর সাংগঠনিক কণাসমূহ, পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাস ইত্যাদি এ অধ্যায়ে আলোচনা করা হবে।

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা

  • মৌলের ইংরেজি ও ল্যাটিন নাম থেকে তাদের প্রতীক লিখতে পারব।
  • মৌলিক ও স্থায়ী কণিকাগুলোর বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করতে পারব।
  • পারমাণবিক সংখ্যা, ভর সংখ্যা, আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর থেকে আপেক্ষিক আণবিক ভর হিসাব করতে পারব।
  • পরমাণুর ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যা হিসাব করতে পারব।
  • আইসোটোপের ব্যবহার ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • পরমাণুর গঠন সম্পর্কে রাদারফোর্ড ও বোর পরমাণু মডেলের বর্ণনা করতে পারব।
  • রাদারফোর্ড ও বোর পরমাণু মডেলের মধ্যে কোনটি বেশি গ্রহণযোগ্য তা ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • পরমাণুর বিভিন্ন কক্ষপথে এবং কক্ষপথের বিভিন্ন উপস্তরে পরমাণুর ইলেকট্রনসমূহকে বিন্যাস করতে পারব।

Printed page 37

৩.১ মৌলিক ও যৌগিক পদার্থ (Elements and Compounds)

মৌলিক পদার্থ

সোনা, রুপা বা লোহা ইত্যাদি বিশুদ্ধ পদার্থকে তুমি যতই ভাঙ না কেন সেখানে তাদের ক্ষুদ্রতর কণা ছাড়া আর কিছু পাবে না। যে পদার্থকে ভাঙলে সেই পদার্থ ছাড়া অন্য কোনো পদার্থ পাওয়া যায় না তাকে মৌলিক পদার্থ বা মৌল বলে। এরকম আরও কিছু মৌলের উদাহরণ হলো নাইট্রোজেন, ফসফরাস, কার্বন, অক্সিজেন, হিলিয়াম, ক্যালসিয়াম, আর্গন, ম্যাগনেসিয়াম, সালফার ইত্যাদি। এ পর্যন্ত 118টি মৌল আবিষ্কৃত হয়েছে। এগুলোর মধ্যে 98টি মৌল প্রকৃতিতে পাওয়া যায়। বাকি মৌলগুলো গবেষণাগারে তৈরি করা হয়েছে। এগুলোকে কৃত্রিম মৌল বলে। তুমি কি জানো মানব শরীরে মোট 26 ধরনের ভিন্ন ভিন্ন মৌল আছে?

যৌগিক পদার্থ

ইতিমধ্যে তোমরা জেনেছ যে, মৌলিক পদার্থকে ভাঙলে শুধু ঐ পদার্থই পাওয়া যাবে। কিন্তু পানিকে যদি ভাঙা হয় (অর্থাৎ রাসায়নিকভাবে বিশ্লেষণ করা যায়) তবে কিন্তু দুটি ভিন্ন মৌল হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন পাওয়া যাবে। আবার, লেখার চককে যদি ভাঙা যায় তাহলে সেখানে ক্যালসিয়াম, কার্বন ও অক্সিজেন এ তিনটি মৌল পাওয়া যাবে। যে সকল পদার্থকে ভাঙলে দুই বা দুইয়ের অধিক মৌল পাওয়া যায় তাদেরকে যৌগ বা যৌগিক পদার্থ বলে। যৌগের মধ্যে মৌলসমূহের সংখ্যার অনুপাত সব সময় একই থাকে। যেমন- যেখান থেকেই পানির নমুনা সংগ্রহ করা হোক না কেন রাসায়নিকভাবে বিশ্লেষণ করা হলে সব সময় দুই ভাগ হাইড্রোজেন এবং এক ভাগ অক্সিজেন পাওয়া যাবে অর্থাৎ পানিতে হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের পরমাণুর সংখ্যার অনুপাত 2:12:1। যৌগের ধর্ম কিন্তু মৌলসমূহের ধর্ম থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। যেমন- সাধারণ তাপমাত্রায় হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন গ্যাসীয় কিন্তু এদের থেকে উৎপন্ন যৌগ পানি সাধারণ তাপমাত্রায় তরল।

৩.২ পরমাণু ও অণু (Atoms and Molecules)

পরমাণু হলো মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা যার মধ্যে মৌলের গুণাগুণ বর্তমান থাকে। যেমন- নাইট্রোজেনের পরমাণুতে নাইট্রোজেনের ধর্ম বিদ্যমান আর অক্সিজেনের পরমাণুতে অক্সিজেনের ধর্ম বিদ্যমান থাকে।

দুই বা দুইয়ের অধিক সংখ্যক পরমাণু পরস্পরের সাথে রাসায়নিক বন্ধনের মাধ্যমে যুক্ত থাকলে তাকে অণু বলে। রাসায়নিক বন্ধন সম্পর্কে তোমরা পঞ্চম অধ্যায়ে বিস্তারিত জানবে। দুটি অক্সিজেন পরমাণু (O) পরস্পরের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সিজেন অণু (O2\mathrm{O}_2) গঠিত হয়। আবার, একটি কার্বন পরমাণু (C) দুটি

Printed page 38

অক্সিজেন পরমাণুর (O) সাথে যুক্ত হয়ে একটি কার্বন ডাই-অক্সাইড অণু (CO2\mathrm{CO}_2) গঠিত হয়। একই মৌলের একাধিক পরমাণু পরস্পরের সাথে যুক্ত হলে তাকে মৌলের অণু বলে। যেমন—O2\mathrm{O}_2। ভিন্ন ভিন্ন মৌলের পরমাণু পরস্পর যুক্ত হলে তাকে যৌগের অণু বলে। যেমন—CO2\mathrm{CO}_2।

৩.৩ মৌলের প্রতীক (Symbols of Elements)

কোনো মৌলের ইংরেজি বা ল্যাটিন নামের সংক্ষিপ্ত রূপকে প্রতীক বলে। প্রত্যেকটি মৌলকে সংক্ষেপে প্রকাশ করতে তাদের আলাদা আলাদা প্রতীক ব্যবহার করা হয়। মৌলের প্রতীক লিখতে কিছু নিয়ম অনুসরণ করতে হয়।

টেবিল ৩.০১: মৌলের নামকরণ

মৌলইংরেজি নামপ্রতীক
হাইড্রোজেনHydrogenH
অক্সিজেনOxygenO
নাইট্রোজেনNitrogenN

(a) প্রথমত মৌলের ইংরেজি নামের প্রথম অক্ষর দিয়ে প্রতীক লেখা হয় এবং তা ইংরেজি বর্ণমালার বড় হাতের অক্ষর দিয়ে প্রকাশ করা হয়। যেমন- হাইড্রোজেন (Hydrogen) এর প্রতীক (H), কার্বন (Carbon) এর প্রতীক (C), অক্সিজেনের প্রতীক (O) ইত্যাদি।

(b) যদি দুই বা দুইয়ের অধিক মৌলের ইংরেজি নামের প্রথম অক্ষর একই হয় তবে একটি মৌলকে নামের প্রথম অক্ষর (ইংরেজি বর্ণমালার বড় হাতের) দিয়ে প্রকাশ করা হয়। অন্যগুলোর ক্ষেত্রে প্রতীকটি দুই অক্ষরে লেখা হয়। নামের প্রথম অক্ষরটি ইংরেজি বর্ণমালার বড় হাতের অক্ষর এবং নামের অন্য একটি অক্ষর ছোট হাতের অক্ষর দিয়ে লেখা হয়। যেমন-

টেবিল ৩.০২: মৌলের নামকরণ (প্রথম অক্ষর এক)

মৌলইংরেজি নামপ্রতীক
কার্বনCarbonC
ক্লোরিনChlorineCl
ক্যালসিয়ামCalciumCa
মৌলইংরেজি নামপ্রতীক
কোবাল্টCobaltCo
ক্যাডমিয়ামCadmiumCd
ক্রোমিয়ামChromiumCr

(c) কিছু মৌলের প্রতীক তাদের ল্যাটিন নাম থেকে নেওয়া হয়েছে। যেমন-

টেবিল ৩.০৩: মৌলের নামকরণ (ল্যাটিন নাম)

মৌলল্যাটিন নামপ্রতীক
সোডিয়ামNatriumNa
কপারCuprumCu
পটাশিয়ামKaliumK
সিলভারArgentumAg
টিনStannumSn
এন্টিমনিStibiumSb
মৌলল্যাটিন নামপ্রতীক
গোল্ডAurumAu
লেডPlumbumPb
টাংস্টেনWolframW
আয়রনFerrumFe
মারকারিHydrurgyrumHg

Printed page 39

একক কাজ

কাজ: চতুর্থ অধ্যায়ের পর্যায় সারণি থেকে কিছু মৌলের নাম ও প্রতীক সংগ্রহ করে তোমার রসায়ন শিক্ষককে দেখাও।

৩.৪ সংকেত (Formula)

হাইড্রোজেনের একটি অণুকে প্রকাশ করতে H2\mathrm{H_2} ব্যবহার করা হয়। যার অর্থ হলো একটি হাইড্রোজেনের অণুতে দুটি হাইড্রোজেনের পরমাণু (H) আছে। আবার, পানির একটি অণুকে প্রকাশ করতে H2O\mathrm{H_2O} ব্যবহার করা হয়। এর অর্থ হচ্ছে পানির একটি অণুতে দুটি হাইড্রোজেন (H) এবং একটি অক্সিজেন পরমাণু (O) থাকে। পাশের তালিকায় সাধারণ কয়েকটি অণুর সংকেত দেখানো হলো।

টেবিল ৩.০৪: অণুর সংকেত

অণুর নামসংকেত
নাইট্রোজেনN2\mathrm{N_2}
অ্যামোনিয়াNH3\mathrm{NH_3}
ক্লোরিনCl2\mathrm{Cl_2}
সালফিউরিক এসিডH2SO4\mathrm{H_2SO_4}
হাইড্রোক্লোরিক এসিডHCl\mathrm{HCl}

৩.৫ পরমাণুর সাংগঠনিক কণা (The fundamental particles of an atom)

একমাত্র হাইড্রোজেন ছাড়া সকল পদার্থের পরমাণু তিনটি কণা দিয়ে তৈরি। সেগুলো হচ্ছে ইলেকট্রন, প্রোটন এবং নিউট্রন। এই কণাগুলোকে পরমাণুর সাংগঠনিক (fundmental) বা মৌলিক কণা বলে। পরমাণুর কেন্দ্রে বা নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন থাকে এবং ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসকে ঘিরে ঘুরতে থাকে।

ইলেকট্রন: ইলেকট্রন হলো পরমাণুর একটি মৌলিক কণিকা যার আধান বা চার্জ ঋণাত্মক (নেগেটিভ)। এ আধানের পরিমাণ −1.60×10−19-1.60 \times 10^{-19} কুলম্ব। একে ee প্রতীক দিয়ে প্রকাশ করা হয়। একটি ইলেকট্রনের ভর 9.11×10−28 g9.11 \times 10^{-28}\ \mathrm{g}। ইলেকট্রনের আপেক্ষিক আধান −1-1 ধরা হয় এবং এর ভর প্রোটন ও নিউট্রনের ভরের তুলনায় 1840 গুণ কম। তাই এর আপেক্ষিক ভরকে শূন্য ধরা হয়।

Printed page 40

প্রোটন: প্রোটন হলো পরমাণুর অপর একটি মৌলিক কণিকা যার চার্জ বা আধান ধনাত্মক (পজেটিভ)। এ আধানের পরিমাণ +1.60×10−19+1.60 \times 10^{-19} কুলম্ব। একে pp প্রতীক দিয়ে প্রকাশ করা হয়। একটি প্রোটনের ভর 1.67×10−24 g1.67 \times 10^{-24}\ \mathrm{g}। প্রোটনের আপেক্ষিক আধান +1+1 এবং আপেক্ষিক ভর 11 ধরা হয়।

নিউট্রন: নিউট্রন হলো পরমাণুর আরেকটি মৌলিক কণিকা যার কোনো আধান বা চার্জ নেই। হাইড্রোজেন ছাড়া সকল মৌলের পরমাণুতেই নিউট্রন রয়েছে। একে nn প্রতীক দিয়ে প্রকাশ করা হয়। এর ভর প্রোটনের ভরের চেয়ে সামান্য বেশি। নিউট্রনের আপেক্ষিক আধান 00 আর আপেক্ষিক ভর 11 ধরা হয়।

পরমাণুর সাংগঠনিক বা মৌলিক কণাসমূহের বৈশিষ্ট্যমূলক ধর্মাবলি নিচের তালিকায় উপস্থাপন করা হলো।

টেবিল ৩.০৫: মৌলিক কণিকা

মৌলিক কণিকার নামপ্রতীকপ্রকৃত আধান বা চার্জপ্রকৃত ভরআপেক্ষিক আধানআপেক্ষিক ভর
ইলেকট্রনee−1.60×10−19-1.60 \times 10^{-19} কুলম্ব।9.11×10−28 g9.11 \times 10^{-28}\ \mathrm{g}−1-100
প্রোটনpp+1.60×10−19+1.60 \times 10^{-19} কুলম্ব।1.67×10−24 g1.67 \times 10^{-24}\ \mathrm{g}+1+111
নিউট্রনnn001.67×10−24 g1.67 \times 10^{-24}\ \mathrm{g}0011

Loading the rest of the chapter…

Textbook content © National Curriculum and Textbook Board (NCTB), Bangladesh. Shown for study.

Trusted resources

Official links checked by the Zntext team. Part of the context pack.