Skip to content

Chemistry chapter 7: Chemical Reactions

রাসায়নিক বিক্রিয়া

  • Chemistry
  • Textbook pages 142-167
  • 1 source
  • 45,736 characters of context

Textbook (verbatim transcription): Chemical Reactions

Verbatim transcription of the printed NCTB textbook pages.

Contents25
  1. (Chemical Reactions)
  2. ৭.১ পদার্থের পরিবর্তন (Changes of Matter)
  3. ৭.১.১ ভৌত পরিবর্তন
  4. ৭.১.২ রাসায়নিক পরিবর্তন
  5. ৭.২ রাসায়নিক বিক্রিয়ার শ্রেণিবিভাগ (Classification of Chemical Reactions)
  6. ৭.২.১ রাসায়নিক বিক্রিয়ার দিক
  7. ৭.২.২ রাসায়নিক বিক্রিয়ায় তাপের পরিবর্তন
  8. তাপোৎপাদী বিক্রিয়া (Exothermic Reactions)
  9. তাপহারী বিক্রিয়া বা তাপশোষী বিক্রিয়া (Endothermic Reactions)
  10. ৭.২.৩ ইলেকট্রন স্থানান্তর
  11. রেডক্স (Redox) বিক্রিয়া
  12. জারণ-বিজারণ একটি যুগপৎ ক্রিয়া
  13. নন-রেডক্স (Non Redox) বিক্রিয়া
  14. ৭.৩ বিশেষ ধরনের রাসায়নিক বিক্রিয়া
  15. (Special Types of Chemical Reactions)
  16. ৭.৪ বাস্তব ক্ষেত্রে সংঘটিত কয়েকটি রাসায়নিক বিক্রিয়ার উদাহরণ (Examples of a Few Real Life Chemical Reactions)
  17. ৭.৪.১ বাস্তব ক্ষেত্রে সংঘটিত রাসায়নিক বিক্রিয়া
  18. ৭.৪.২ বাস্তব ক্ষেত্রে সংঘটিত কতিপয় ক্ষতিকর বিক্রিয়া রোধ করার উপায়
  19. ৭.৫ বিক্রিয়ার গতিবেগ বা বিক্রিয়ার হার (Rate of Reaction)
  20. ৭.৫.১ লা-শাতেলিয়ার নীতি (Le Chatelier’s Principle)
  21. লা-শাতেলিয়ার নীতির ব্যাখ্যা
  22. সাম্যাবস্থার উপর তাপের প্রভাব
  23. সাম্যাবস্থার উপর চাপের প্রভাব
  24. সাম্যাবস্থার উপর ঘনমাত্রার প্রভাব
  25. নমুনা প্রশ্ন

Printed page 142

সপ্তম অধ্যায়

রাসায়নিক বিক্রিয়া

(Chemical Reactions)

আমরা জানি, পদার্থের প্রকৃতি, ধর্ম এবং তাদের পরিবর্তন রসায়ন পাঠের মূল বিষয়। আমাদের চারপাশে বিভিন্ন পদার্থ প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে। ভিন্ন অবস্থায় পরিণত হওয়াকে ভৌত পরিবর্তন এবং সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী নতুন পদার্থে পরিণত হওয়াকে রাসায়নিক পরিবর্তন বলে। এই পরিবর্তনগুলো ঘটে নানা ধরনের ভৌত পরিবর্তন ও রাসায়নিক বিক্রিয়ার কারণে। এই অধ্যায়ে রাসায়নিক বিক্রিয়ার প্রকারভেদ, রাসায়নিক বিক্রিয়ার হার ইত্যাদি বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

Printed page 143

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা

  • ভৌত পরিবর্তন ও রাসায়নিক বিক্রিয়ার পার্থক্য করতে পারব।
  • পদার্থের পরিবর্তনকে বিশ্লেষণ করে রাসায়নিক বিক্রিয়া শনাক্ত করতে পারব।
  • রাসায়নিক বিক্রিয়ার শ্রেণিবিভাগ, রেডক্স/নন-রেডক্স, একমুখী, উভমুখী, তাপ উৎপাদী, তাপহারী বিক্রিয়ার সংজ্ঞা দিতে পারব এবং বিক্রিয়ার বিভিন্ন প্রকার শনাক্ত করতে পারব।
  • রাসায়নিক বিক্রিয়ায় উৎপন্ন পদার্থের পরিমাণকে লা-শাতেলিয়ারের নীতির আলোকে ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • পরিবর্তন বিশ্লেষণ করে জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ার প্রকার শনাক্ত করতে পারব।
  • বাস্তবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংঘটিত বিক্রিয়া ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • বাস্তব ক্ষেত্রে সংঘটিত ক্ষতিকর বিক্রিয়াসমূহ নিয়ন্ত্রণ বা রোধের উপায় নির্ধারণ করতে পারব। (লোহার তৈরি জিনিসের মরিচা পড়া রোধের যথার্থ উপায় নির্ধারণ করতে পারব।)
  • রাসায়নিক বিক্রিয়ার হার ব্যাখ্যা ও সংশ্লিষ্ট হারের তুলনা করতে পারব।
  • বিভিন্ন পদার্থ ব্যবহার করে বিক্রিয়ার গতিবেগ বা হার পরীক্ষা ও তুলনা করতে পারব।
  • দৈনন্দিন কাজে ধাতব বস্তু ব্যবহারে সচেতনতা প্রদর্শন করতে পারব।
  • পরীক্ষার সাহায্যে বিক্রিয়ার হারের ভিন্নতা প্রদর্শন করতে পারব।
  • অম্ল-ক্ষার প্রশমন বিক্রিয়া এবং অধঃক্ষেপণ বিক্রিয়া প্রদর্শন করতে পারব।

Printed page 144

৭.১ পদার্থের পরিবর্তন (Changes of Matter)

আমরা সব সময় আমাদের চারপাশের নানা পদার্থ তাপ, চাপ কিংবা একে অন্যের সংস্পর্শে এসে পরিবর্তিত হতে দেখি। পদার্থের দুই ধরনের পরিবর্তন হয়—কখনো হয় ভৌত পরিবর্তন, কখনো বা রাসায়নিক পরিবর্তন।

৭.১.১ ভৌত পরিবর্তন

প্রতিটি রাসায়নিক পদার্থ এক বা একাধিক মৌল দিয়ে গঠিত। যদি কোনো পদার্থের অভ্যন্তরীণ রাসায়নিক গঠনের কোনো পরিবর্তন না ঘটে শুধু বাহ্যিক অবস্থার পরিবর্তন ঘটে তাকে ভৌত পরিবর্তন (Physical Change) বলে। যেমন—এক খণ্ড কঠিন বরফকে কক্ষ তাপমাত্রায় রেখে দিলে তা পরিবেশ থেকে তাপ গ্রহণ করে আস্তে আস্তে গলে তরল পানিতে পরিণত হয়। আবার, তরল পানিকে তাপ প্রদান করে 100∘C100^\circ\text{C} এ উন্নীত করলে সেটি জলীয় বাষ্পে পরিণত হয়। এখানে কঠিন বরফ, পানি এবং জলীয় বাষ্প এ তিনটি পদার্থের আণবিক সংকেত H2O\mathrm{H_2O}। অর্থাৎ তরল পানি, কঠিন বরফ এবং গ্যাসীয় জলীয় বাষ্প তিনটিরই প্রতিটি অণুতে দুটি করে হাইড্রোজেন ও একটি করে অক্সিজেন পরমাণু থাকে। কাজেই তিনটি পদার্থ একই। শুধু এদের ভৌত অবস্থার পরিবর্তন ঘটেছে—বরফ কঠিন, পানি তরল এবং জলীয় বাষ্প গ্যাসীয়। এ ধরনের পরিবর্তনকে আমরা ভৌত পরিবর্তন বলব।

Figure

লেবেল: বরফ (কঠিন), পানি (তরল), গ্যাস, +তাপ, ঠান্ডা (-তাপ), +তাপ, ঠান্ডা (-তাপ) বর্ণনা: তিনটি অবস্থার পদার্থ বাম থেকে ডানে সাজানো: বরফ (কঠিন), পানি (তরল), গ্যাস। বরফ ও পানির মধ্যে এবং পানি ও গ্যাসের মধ্যে দুই মুখী তির চিহ্ন; উপরের তিরে "+তাপ" এবং নিচের তিরে "ঠান্ডা (-তাপ)" লেখা।

৭.১.২ রাসায়নিক পরিবর্তন

কখনো কখনো দেখা যায় যেকোনো পদার্থের বাহ্যিক তাপমাত্রা ও চাপের পরিবর্তন করলে কিংবা অন্য পদার্থের সংস্পর্শে আনলে তা পরিবর্তিত হয়ে সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী নতুন পদার্থে পরিণত হয়। এ ধরনের পরিবর্তনকে রাসায়নিক পরিবর্তন (Chemical Change) বলে। অর্থাৎ যে পরিবর্তনের ফলে সম্পূর্ণ ভিন্ন ধর্মবিশিষ্ট নতুন পদার্থে পরিণত হয় তাকে রাসায়নিক পরিবর্তন বলে। রাসায়নিক পরিবর্তনে নতুন যে পদার্থ উৎপন্ন হয় তার অণুতে অবস্থিত মৌলগুলো পূর্বের পদার্থ থেকেই আসে। পূর্বের অণুর মধ্যে বন্ধনসমূহের ভাঙনের মাধ্যমে বিচ্ছিন্ন আয়ন বা পরমাণুর সৃষ্টি হয়। পরবর্তীকালে আয়ন বা পরমাণুগুলোর মধ্যে নতুন বন্ধন গঠিত হয়ে নতুন অণুর সৃষ্টি হয়। অর্থাৎ এক কথায় পুরোনো বন্ধনের ভাঙন এবং নতুন বন্ধনের গঠনই মূলত রাসায়নিক বিক্রিয়া বা রাসায়নিক পরিবর্তন। রান্নার কাজে আমরা যে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করি সে গ্যাসের প্রধান উপাদান হলো মিথেন (CH4\mathrm{CH_4})। মিথেন গ্যাসকে অক্সিজেনে পোড়ালে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস, জলীয় বাষ্প এবং তাপ শক্তি উৎপন্ন হয়। এ ধরনের পরিবর্তনই রাসায়নিক পরিবর্তন।

Printed page 145

CH4(g)+O2(g)⟶CO2(g)+H2O(l)\mathrm{CH_4(g)} + \mathrm{O_2(g)} \longrightarrow \mathrm{CO_2(g)} + \mathrm{H_2O(l)}

একইভাবে, ক্যালসিয়াম কার্বনেট হাইড্রোক্লোরিক এসিডের সাথে বিক্রিয়া করে ক্যালসিয়াম ক্লোরাইড, কার্বন ডাই-অক্সাইড ও পানি উৎপন্ন করে। এটিও রাসায়নিক পরিবর্তন।

CaCO3(s)+2HCl(aq)⟶CaCl2(aq)+CO2(g)+H2O(l)\mathrm{CaCO_3(s)} + 2\mathrm{HCl(aq)} \longrightarrow \mathrm{CaCl_2(aq)} + \mathrm{CO_2(g)} + \mathrm{H_2O(l)}

৭.২ রাসায়নিক বিক্রিয়ার শ্রেণিবিভাগ (Classification of Chemical Reactions)

রাসায়নিক বিক্রিয়াকে নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর উপর ভিত্তি করে শ্রেণিবিভাগ করা যায়:

৭.২.১ রাসায়নিক বিক্রিয়ার দিক

বিক্রিয়ার দিকের উপর ভিত্তি করে রাসায়নিক বিক্রিয়াকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। একমুখী বিক্রিয়া ও উভমুখী বিক্রিয়া।

একমুখী বিক্রিয়া (Irreversible Reactions)

যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় বিক্রিয়ক পদার্থগুলো উৎপাদে পরিণত হয়, কিন্তু উৎপাদ পদার্থগুলো পুনরায় বিক্রিয়কে পরিণত হয় না তাকে একমুখী বিক্রিয়া বলা হয়। যেমন: তুমি যদি ক্যালসিয়াম কার্বনেটকে একটি খোলা পাত্রে নিয়ে তাপ দাও তাহলে দেখবে ক্যালসিয়াম কার্বনেট ভেঙে গিয়ে কঠিন চুন ও গ্যাসীয় কার্বন ডাই-অক্সাইডে পরিণত হবে। গ্যাসীয় কার্বন ডাই-অক্সাইড বিক্রিয়া পাত্র থেকে অপসারিত হয় এ অবস্থায় কঠিন চুন পুনরায় ক্যালসিয়াম কার্বনেটে পরিণত হয় না। সুতরাং এটি একটি একমুখী বিক্রিয়া। একমুখী বিক্রিয়ার সমীকরণে বিক্রিয়ক ও উৎপাদের মধ্যে একটি ডানমুখী তির চিহ্ন ( →\rightarrow ) ব্যবহার করা হয়।

CaCO3(s)→তাপCaO(s)+CO2(g)\mathrm{CaCO_3(s)} \xrightarrow{\text{তাপ}} \mathrm{CaO(s)} + \mathrm{CO_2(g)}

উভমুখী বিক্রিয়া (Reversible Reactions)

যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় বিক্রিয়ক পদার্থ বিক্রিয়া করে উৎপাদে পরিণত হয় আবার উৎপাদ পদার্থগুলো বিক্রিয়া করে পুনরায় বিক্রিয়ক পদার্থে পরিণত হয়। এই ধরনের রাসায়নিক বিক্রিয়াকে উভমুখী বিক্রিয়া বলে। উভমুখী বিক্রিয়ায় বিক্রিয়ক হতে উৎপাদ হওয়ার বিক্রিয়াকে সম্মুখমুখী বিক্রিয়া এবং উৎপাদ

Printed page 146

হতে বিক্রিয়াকে পরিণত হওয়ার বিক্রিয়াকে পশ্চাৎমুখী বা বিপরীতমুখী বিক্রিয়া বলা হয়। উভমুখী বিক্রিয়ায় বিক্রিয়ক ও উৎপাদের মধ্যে বিপরীতমুখী দুটি অর্ধ তির চিহ্ন (⇌\rightleftharpoons) ব্যবহার করে সমীকরণ উপস্থাপন করা হয়। যেমন: হাইড্রোক্লোরিক এসিডের উপস্থিতিতে ইথানল ও ইথানয়িক এসিড পরস্পরের সাথে বিক্রিয়া করে ইথাইল ইথানয়েট এস্টার ও পানি উৎপন্ন করে। অপরদিকে, উৎপন্ন ইথাইল ইথানয়েট এস্টার ও পানি পরস্পরের সাথে বিক্রিয়া করে ইথানল ও ইথানয়িক এসিড উৎপন্ন করে। একে নিম্নরূপে দেখানো যায়:

C2H5OH+CH3COOH⇌HClCH3COOC2H5+H2O\mathrm{C_2H_5OH + CH_3COOH \overset{HCl}{\rightleftharpoons} CH_3COOC_2H_5 + H_2O}

ইথানল, ইথানয়িক এসিড, ইথাইল ইথানয়েট এস্টার, পানি

হাইড্রোজেন এবং আয়োডিন বিক্রিয়া করে হাইড্রোজেন আয়োডাইড উৎপাদ উৎপন্ন করে। আবার, উৎপাদ হাইড্রোজেন আয়োডাইড ভেঙে পুনরায় হাইড্রোজেন ও আয়োডিনে পরিণত হয়। কাজেই এ বিক্রিয়াটিও উভমুখী:

H2+I2⇌2HI\mathrm{H_2 + I_2 \rightleftharpoons 2HI}

আসলে উপর্যুক্ত শর্তে সব বিক্রিয়াই উভমুখী, তবে কিছু বিক্রিয়ার বেলায় সম্মুখমুখী বিক্রিয়ার তুলনায় বিপরীতমুখী বিক্রিয়ার পরিমাণ এত কম থাকে যে বিক্রিয়াকে একমুখী মনে হয়।

৭.২.২ রাসায়নিক বিক্রিয়ায় তাপের পরিবর্তন

ইতঃপূর্বে তোমরা জেনেছ যে, তাপীয় পরিবর্তনের মাধ্যমে রাসায়নিক বিক্রিয়া সংঘটিত হয়। তাপের শোষণ এবং তাপ উৎপন্ন হওয়ার উপর ভিত্তি করে রাসায়নিক বিক্রিয়াকে দুইভাগে ভাগ করা যায় যথা: তাপোৎপাদী বিক্রিয়া এবং তাপহারী বিক্রিয়া।

তাপোৎপাদী বিক্রিয়া (Exothermic Reactions)

যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় তাপ উৎপন্ন হয় তাকে তাপোৎপাদী বিক্রিয়া বলে। যেমন: হেবার প্রণালিতে 11 মোল নাইট্রোজেন ও 33 মোল হাইড্রোজেন হতে 22 মোল অ্যামোনিয়া উৎপাদনের সময় 9292 কিলোজুল তাপ উৎপন্ন হয়। বিক্রিয়াটি নিম্নরূপ:

N2 (g)+3H2 (g)⇌Fe2NH3 (g)+92 kJ\mathrm{N_2\ (g) + 3H_2\ (g) \overset{Fe}{\rightleftharpoons} 2NH_3\ (g) + 92\ kJ}

নাইট্রোজেন, হাইড্রোজেন, অ্যামোনিয়া, তাপ; 200-250 atm, 450°C-550°C

Printed page 147

এখানে Fe\mathrm{Fe} চূর্ণ প্রভাবক হিসেবে কাজ করে। সমতাকৃত সমীকরণ অনুযায়ী একটি রাসায়নিক বিক্রিয়া সংঘটিত হতে তাপের যে পরিবর্তন হয় তাকে বিক্রিয়ার তাপ বলে। বিক্রিয়ার তাপকে ΔH\Delta H দ্বারা প্রকাশ করা হয়। বিক্রিয়ায় তাপ উৎপাদন হলে ΔH\Delta H এর মান ঋণাত্মক হয়। কাজেই আমরা আগের বিক্রিয়াকে এভাবে লিখতে পারি:

N2 (g)+3H2 (g)⇌Fe2NH3 (g);ΔH=−92 kJ\mathrm{N_2\ (g) + 3H_2\ (g) \overset{Fe}{\rightleftharpoons} 2NH_3\ (g)} ; \Delta H = -92\ \text{kJ}

নাইট্রোজেন, হাইড্রোজেন, অ্যামোনিয়া, তাপ; 200-250 atm, 450°C-550°C

Loading the rest of the chapter…

Textbook content © National Curriculum and Textbook Board (NCTB), Bangladesh. Shown for study.

Trusted resources

Official links checked by the Zntext team. Part of the context pack.