Islamic Studies chapter 3: Ibadat
ইবাদত (الْعِبَادَةُ)
- Islamic Studies
- Textbook pages 97-124
- 1 source
- 51,820 characters of context
Textbook (verbatim transcription): Ibadat
Verbatim transcription of the printed NCTB textbook pages.
Contents51ShowHide
- পাঠ ১
- ইবাদতের গুরুত্ব ও তাৎপর্য
- হাক্কুল্লাহ ও হাক্কুল ইবাদ
- পাঠ ২
- সালাত (الصَّلٰوةُ)
- ধর্মীয় গুরুত্ব
- সামাজিক গুরুত্ব
- পাঠ ৩
- সাওম (الصَّوْمُ)
- পরিচয়
- সাওমের নৈতিক শিক্ষা
- সাওমের সামাজিক শিক্ষা
- সাওমের ধর্মীয় গুরুত্ব
- সাওমের সামাজিক গুরুত্ব
- পাঠ ৪
- যাকাত (الزَّكَاةُ)
- পরিচয়
- যাকাতের গুরুত্ব
- সামাজিক গুরুত্ব
- নৈতিক গুরুত্ব
- অর্থনৈতিক গুরুত্ব
- ধর্মীয় গুরুত্ব
- যাকাত অসহায় ও দরিদ্রের অধিকার
- পাঠ ৫
- হজ (الْحَجّ)
- পরিচয়
- হজের ফরজ ও ওয়াজিব সমূহ
- হজের ধর্মীয় গুরুত্ব
- সামাজিক গুরুত্ব
- হজের শিক্ষা ও তাৎপর্য
- পাঠ ৬
- মালিক-শ্রমিক সম্পর্ক (عَلَاقَةُ الْمَالِكِ بِالْعَامِلِ)
- পাঠ ৭
- ইলম (জ্ঞান) (الْعِلْمُ)
- ইসলামে ইলমের গুরুত্ব
- ইলম-এর প্রকারভেদ
- পাঠ ৮
- শিক্ষার্থীর বৈশিষ্ট্য (صِفَاتُ الْمُتَعَلِّمِ)
- পাঠ ৯
- শিক্ষকের গুণাবলি (صِفَاتُ الْمُعَلِّمِ)
- পাঠ ১০
- ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্ক (عَلَاقَةُ الطَّالِبِ بِالْمُعَلِّمِ)
- শিক্ষা
- নৈতিকতা
- নৈতিকতার গুরুত্ব
- পরিচিতি
- জিহাদের প্রকারভেদ
- জিহাদের গুরুত্ব
- পাঠ ১৩
- জিহাদ ও সন্ত্রাসবাদ (الْجِهَادُ وَالإِرْهَابُ)
- নমুনা প্রশ্ন
Printed page 97
তৃতীয় অধ্যায়
ইবাদত (الْعِبَادَةُ)
মানুষ সৃষ্টির একমাত্র উদ্দেশ্য হলো মহান আল্লাহর ইবাদত করা। দৈনন্দিন জীবনে মানুষ মহান আল্লাহর আদেশ যেমন- সালাত, সাওম, হজ, যাকাত পালন করা এবং নিষেধ যেমন- শিরক করা, মাতাপিতার অবাধ্য হওয়া, সুদ, ঘুষ, বেপর্দা, বেহায়াপনা ইত্যাদি পরিহার করে চলাকে ইবাদত বলে। তেমনি নবি-রাসুলের দেখানো পথ অনুযায়ী একে অপরের সাথে উত্তম আচার ব্যবহার করাও ইবাদত। মূলত ইবাদতের মাধ্যমে মহান আল্লাহর আনুগত্য ও দাসত্ব প্রকাশ করা হয়। এর মধ্যে মানুষের কল্যাণ নিহিত রয়েছে।
এ অধ্যায় শেষে আমরা –
- হাক্কুল্লাহ (আল্লাহর হক) ও হাক্কুল ইবাদ (বান্দার হক)-এর ধারণা লাভ করব এবং এগুলো আদায়ের পদ্ধতি বর্ণনা করতে পারব;
- হাক্কুল্লাহ (আল্লাহর হক) ও হাক্কুল ইবাদ (বান্দার হক) চিহ্নিত করে বাস্তব জীবনে এর যথাযথ প্রয়োগ করতে পারব;
- সালাতের পরিচয় ও গুরুত্ব বর্ণনা করতে পারব;
- সাওমের (রোযার) গুরুত্ব ও শিক্ষা বর্ণনা করতে পারব;
- যাকাতের ভূমিকা ও গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব;
- হজের ধারণা ও নিয়মাবলি বর্ণনা করতে পারব;
- ভ্রাতৃত্ববোধ, শৃঙ্খলাবোধ ও নৈতিকতা অর্জনে হজের শিক্ষা বর্ণনা করতে পারব;
- অসহায় ও দরিদ্রের অধিকার বর্ণনা করতে পারব;
- মালিক-শ্রমিক সম্পর্ক ব্যাখ্যা করতে পারব;
- ইলম (জ্ঞান)-এর ধারণা, প্রকারভেদ ও গুরুত্ব বর্ণনা করতে পারব;
- শিক্ষার্থীর বৈশিষ্ট্য ও শিক্ষকের গুণাবলি বর্ণনা করতে পারব;
- ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্ক এবং শিক্ষা ও নৈতিকতার ধারণা বর্ণনা করতে পারব;
- জিহাদের ধারণা, প্রকারভেদ ও গুরুত্ব বর্ণনা করতে পারব;
- জিহাদ ও সন্ত্রাসবাদের পার্থক্য ব্যাখ্যা করতে পারব এবং সন্ত্রাসবাদের কুফল বর্ণনা করতে পারব;
- জিহাদ ও সন্ত্রাসবাদের পার্থক্য অনুধাবন করে সন্ত্রাসমুক্ত মানবতাবাদী জীবনযাপনে সচেষ্ট হতে পারব;
- মৌলিক ইবাদতগুলো পালনের মাধ্যমে নৈতিক ও মানবিক জীবন গঠনে অগ্রসর হতে পারব ।
পাঠ ১
ইবাদত (الْعِبَادَةُ)
ইবাদত (الْعِبَادَةُ) আরবি শব্দ। এর অর্থ হলো চূড়ান্তভাবে দীনতা-হীনতা ও বিনয় প্রকাশ করা এবং নমনীয় হওয়া। আর ইসলামি পরিভাষায়, দৈনন্দিন জীবনের সকল কাজ-কর্মে আল্লাহ তায়ালার বিধি-বিধান
Printed page 98
মেনে চলাকে ইবাদত বলা হয়। আল্লাহ তায়ালা আমাদের সৃষ্টি করে এ পৃথিবীতে সহজভাবে জীবনযাপন করার জন্য অসংখ্য নিয়ামত দান করেছেন।
আমরা মহান আল্লাহর বান্দা। তার ওপর বিশ্বাস স্থাপন করা আমাদের অবশ্য কর্তব্য। আল্লাহ তায়ালা আমাদের সৃষ্টির উদ্দেশ্য সম্পর্কে কুরআন মাজিদে বলেছেন—
وَمَا خَلَقْتُ الْجِنَّ وَالْاِنْسَ اِلَّا لِيَعْبُدُوْنِ ○
অর্থ : আর আমি জিন ও মানবজাতিকে শুধু আমার ইবাদতের জন্য সৃষ্টি করেছি (সূরা আয-যারিয়াত, আয়াত ৫৬)।
আমরা পৃথিবীতে যত ইবাদতই করি না কেন, সকল ইবাদতের মূল উদ্দেশ্যই হলো মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা। আর এ ইবাদত একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর জন্য না হলে আল্লাহ তা কবুল করবেন না। আল্লাহ তায়ালা বলেন, “তারা তো আদিষ্ট হয়েছিল আল্লাহর আনুগত্যে বিশুদ্ধ চিত্ত হয়ে একনিষ্ঠভাবে তার ইবাদত করতে।” (সূরা আল-বাইয়্যিনা, আয়াত : ৫)
কীভাবে ইবাদত করলে ও জীবনযাপন করলে আল্লাহ তায়ালা সন্তুষ্ট হবেন, তা শেখানোর জন্য নবি-রাসুলগণ প্রেরিত হয়েছিলেন। আল্লাহ তায়ালা তাঁদের অনুসরণ করতে পবিত্র কুরআনে নির্দেশ দিয়েছেন। মহান আল্লাহ বলেন, “(হে নবি!) আপনি বলুন, তোমরা আল্লাহ ও রাসুলের আনুগত্য কর, যদি তারা মুখ ফিরিয়ে নেয় তবে জেনে রাখুন, আল্লাহ তো কাফিরদের পছন্দ করেন না।” (সূরা আলে-ইমরান, আয়াত ৩২)
উক্ত আয়াত থেকে আমরা বুঝলাম আল্লাহ ও তার রাসুল কর্তৃক নির্দেশিত পথ ও মত অনুসরণ করার নাম ইবাদত। সুতরাং তাঁদের নির্দেশিত কাজগুলো যথাযথভাবে সম্পাদন করতে পারলে আমরা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করতে সক্ষম হব।
ইবাদতের গুরুত্ব ও তাৎপর্য
আল্লাহ তায়ালার সৃষ্টি মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীর মধ্যে পার্থক্য হলো বিবেক-বুদ্ধি ও জ্ঞানের। যদি মানুষ সে বিবেক-বুদ্ধি ও জ্ঞান দিয়ে আল্লাহর ইবাদত করতে না পারে তাহলে সে চতুষ্পদ জন্তু কিংবা তার চেয়েও অধম হয়ে যায়। আল্লাহ তায়ালা বলেন, “তাদের হৃদয় আছে কিন্তু তা দ্বারা তারা উপলব্ধি করে না। তাদের চক্ষু আছে তা দ্বারা দেখে না, তাদের কর্ণ আছে তা দ্বারা শুনে না; এরা পশুর ন্যায়। বরং অধিক নিকৃষ্ট (পশু হতে); তারা হলো অচেতন।” (সূরা আল-আরাফ, আয়াত ১৭৯)। অতএব ইবাদত বলতে শুধু উপাসনাকেই বুঝায় না। বরং আল্লাহর খলিফা (প্রতিনিধি) হিসেবে সকল কার্য আল্লাহর বিধানমতো করাই হলো ইবাদত। আল্লাহ তায়ালা বলেন—
فَاِذَا قُضِيَتِ الصَّلٰوةُ فَانْتَشِرُوْا فِى الْاَرْضِ وَابْتَغُوْا مِنْ فَضْلِ اللّٰهِ وَاذْكُرُوا اللّٰهَ كَثِيْرًا لَّعَلَّكُمْ تُفْلِحُوْنَ ○
অর্থ : সালাত আদায় করার পর তোমরা জমিনে ছড়িয়ে পড়বে। আল্লাহর অনুগ্রহ সন্ধানে ব্যাপৃত হবে এবং আল্লাহকে বেশি বেশি স্মরণ করবে। যাতে তোমরা সফলকাম হও (সূরা আল-জুমু'আ, আয়াত ১০)।
Printed page 99
এ আয়াতের মর্ম থেকে বোঝা যায় যে, আল্লাহ তায়ালার আদিষ্ট কাজগুলো পরিপূর্ণভাবে আদায় করে ব্যবসা-বাণিজ্য, চাকরি ও কৃষিকাজ করা এবং বৈধ পন্থায় সম্পদ উপার্জন ও দুনিয়ার অন্যান্য সকল ভালো কাজ করা ইবাদত। এমনিভাবে মহান আল্লাহ ও তার রাসুলের প্রতি ভালোবাসা, তার রহমতের আশা, শাস্তির ভয়, ইখলাস, সবর, শোকর, তাওয়াক্কুল ইত্যাদি সব কাজই ইবাদতের মধ্যে শামিল।
আমরা আল্লাহ ও তার রাসুল (স.)-এর প্রদর্শিত পন্থা যথাযথভাবে অনুসরণ করলে পরকালে আল্লাহ তায়ালা আমাদের পুরস্কৃত করবেন। ফলে দুনিয়া ও আখিরাতে আমরা শান্তি পাব।
হাক্কুল্লাহ ও হাক্কুল ইবাদ
ইবাদত প্রধানত দুই প্রকার : (ক) হাক্কুল্লাহ ও (খ) হাক্কুল ইবাদ।
(ক) হাক্কুল্লাহ (আল্লাহর হক)
আল্লাহর সাথে সম্পৃক্ত অধিকার বা কর্তব্যকে হাক্কুল্লাহ (حَقُّ اللهِ) বলে। আমরা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করার জন্য অনেক ধরনের ইবাদত (কাজ) করি। সেগুলোর মধ্যে কিছু ইবাদত শুধু আল্লাহ তায়ালার জন্য নির্দিষ্ট, এগুলো হলো হাক্কুল্লাহ, যেমন- সালাত (নামায) কায়েম করা, সাওম (রোযা) পালন ও হজ করা ইত্যাদি। এসব কাজ করার পূর্বে প্রত্যেক মানুষকে অন্তর থেকে যা বিশ্বাস করতে হবে তা হলো- আল্লাহ আছেন, তিনি এক ও অদ্বিতীয়, তার কোনো শরিক (অংশীদার) নেই, তিনিই সবকিছুর স্রষ্টা। তার আদেশেই পৃথিবীর সবকিছু আবার ধ্বংস হবে। আমাদের জীবন-মৃত্যু সবই তার হাতে। পৃথিবীর সবকিছুই তার জ্ঞানের আওতাভুক্ত। তার হাতেই সকল সৃষ্টির রিজিক। আমরা তারই ইবাদতকারী। তিনি ব্যতীত উপাসনার উপযুক্ত আর কেউ নেই। এ সবকিছু মনে প্রাণে বিশ্বাস করা ও স্বীকার করাই হলো বান্দার ওপর আল্লাহর হক।
আল্লাহ তায়ালার হক আদায় করতে হলে আমাদের অবশ্যই নিম্নোক্ত কাজগুলো করতে হবে :
১. সামগ্রিক জীবনে মহান আল্লাহর সার্বভৌমত্ব ও কর্তৃত্ব স্বীকার করা। ২. আল্লাহর দেওয়া সকল আদেশ-নিষেধ মেনে চলা। ৩. সর্বাবস্থায় নিজেকে আল্লাহর নিকট সমর্পণ এবং তার অনুগ্রহ কামনা করা।
আমাদের ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক জীবনে মহান আল্লাহর বিধানগুলো মেনে চলব; তাতে তিনি আমাদের উপর সন্তুষ্ট হবেন। ফলে আমরা পরকালে তার থেকে পুরস্কার পাব।
(খ) হাক্কুল ইবাদ (বান্দার হক)
মানুষ সামাজিক জীব। সমাজবদ্ধ হয়েই মানুষকে বসবাস করতে হয়। আমরা পিতা-মাতা, ভাই-বোন, আত্মীয়-স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশীদের নিয়ে সামাজিকভাবে একসাথে বসবাস করি। একজনের দুঃখে অন্যজন সাড়া দেই। আপদে-বিপদে একে-অপরকে সাহায্য সহযোগিতা করি। পরস্পরের প্রতি এ সহানুভূতি ও দায়িত্বই হাক্কুল ইবাদ (حَقُّ الْعِبَادِ) (বান্দার হক বা অধিকার)। কুরআন ও হাদিসের মাধ্যমে জানা যায় যে, ইসলামে বান্দার হক তথা মানবাধিকারের প্রতি অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
Printed page 100
মানবাধিকার সম্পর্কে অসংখ্য আয়াত ও হাদিস রয়েছে। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, নিশ্চয় তোমার ওপর তোমার প্রতিপালকের, তোমার শরীরের, তোমার স্ত্রী ও সন্তান-সন্ততির হক রয়েছে। অন্যত্র রাসুলুল্লাহ (স.) আরও বলেছেন, “এক মুসলিমের ওপর অপর মুসলিমের ছয়টি অধিকার রয়েছে। যেমন- সালামের জবাব দেওয়া, রোগীকে দেখতে যাওয়া, জানাযায় অংশগ্রহণ করা, দাওয়াত কবুল করা, মজলুমকে সাহায্য করা ও হাঁচির জবাব দেওয়া” (বুখারি ও মুসলিম)।
মানুষের প্রতি মানুষের হক বা অধিকারকে আটটি ভাগে ভাগ করা যায়, যেমন : (১) নিকটাত্মীয়ের হক, (২) দূরাত্মীয়ের হক, (৩) প্রতিবেশীর হক, (৪) দেশবাসীর হক, (৫) শাসক-শাসিতের হক, (৬) সাধারণ মুসলমানের হক, (৭) অভাবী লোকের হক এবং (৮) অমুসলিমের হক।
আমরা আল্লাহর হক পালন করার সাথে সাথে মানুষের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে সচেষ্ট হব।
কাজ : শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে মহান আল্লাহর হক ও বান্দার হক সম্পর্কিত তিনটি করে উদাহরণ তৈরি করবে।
পাঠ ২
সালাত (الصَّلٰوةُ)
পরিচয়
সালাত আরবি শব্দ। এর ফার্সি প্রতিশব্দ হলো নামায। এর অর্থ দোয়া, ক্ষমা প্রার্থনা করা ও রহমত (দয়া) কামনা করা। যেহেতু সালাতের মাধ্যমে বান্দা প্রভুর নিকট দোয়া করে, দয়া ও ক্ষমা প্রার্থনা করে থাকে তাই একে সালাত বলা হয়। ইসলাম যে পাঁচটি রুকনের (স্তম্ভের) ওপর প্রতিষ্ঠিত-তার দ্বিতীয়টি হলো সালাত। এ সম্পর্কে মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স.) বলেছেন–
بُنِيَ الْاِسْلَامُ عَلٰى خَمْسٍ شَهَادَةِ اَنْ لَّا اِلٰهَ اِلَّا اللّٰهُ وَاَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهٗ وَرَسُوْلُهٗ وَاِقَامِ الصَّلٰوةِ وَاِيْتَاۤءِ الزَّكٰوةِ وَالْحَجِّ وَصَوْمِ رَمَضَانَ-
অর্থ : ইসলাম পাঁচটি ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত। এ সাক্ষ্য দেওয়া যে, আল্লাহ ব্যতীত আর কোনো মাবুদ নেই, মুহাম্মদ (স.) তার বান্দা ও রাসুল এবং সালাত কায়েম করা, যাকাত প্রদান করা, হজ করা এবং রমযানের রোযা রাখা (বুখারি ও মুসলিম)।
কিয়ামতের দিন আল্লাহ সর্বপ্রথম সালাতের হিসাব নেবেন। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন–
اَوَّلُ مَا يُحَاسَبُ بِهِ الْعَبْدُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ الصَّلٰوةُ-
অর্থ : কিয়ামতের দিন বান্দার কাছ থেকে সর্বপ্রথম সালাতের হিসাব নেওয়া হবে (তিরমিযি)।
মহান আল্লাহ মুমিনের ওপর দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ফরজ (আবশ্যক) করেছেন। তা হলো-ফজর, যোহর, আসর, মাগরিব ও এশা। সালাত একজন মুমিনকে (বিশ্বাসী) মন্দ ও গর্হিত কাজ থেকে বিরত রাখে। আল্লাহ
Printed page 101
তায়ালা বলেন-
اِنَّ الصَّلٰوةَ تَنْهٰى عَنِ الْفَحْشَاۤءِ وَالْمُنْكَرِ ۙ
অর্থ : নিশ্চয়ই সালাত মানুষকে অশ্লীল ও খারাপ কাজ থেকে বিরত রাখে (সূরা আল-'আনকাবুত, আয়াত ৪৫)।
শরিয়ত অনুমোদিত কারণ ব্যতীত কখনোই সালাত ত্যাগ করা যাবে না ।
Loading the rest of the chapter…
Textbook content © National Curriculum and Textbook Board (NCTB), Bangladesh. Shown for study.
Trusted resources
Official links checked by the Zntext team. Part of the context pack.