Skip to content

Science chapter 2: Water for Life

জীবনের জন্য পানি

  • Science
  • Textbook pages 33-56
  • 1 source
  • 47,253 characters of context

Textbook (verbatim transcription): Water for Life

Verbatim transcription of the printed NCTB textbook pages.

Contents51
  1. জীবনের জন্য পানি
  2. ২.১.১ পানির ধর্ম
  3. ২.১.২ পানির উৎস
  4. ২.১.৩ জলজ উদ্ভিদের জন্য পানির প্রয়োজনীয়তা
  5. ২.১.৪ জলজ প্রাণীর জন্য পানির প্রয়োজনীয়তা
  6. ২.২ পানির মানদণ্ড
  7. ঘোলার পরিমাণ
  8. তেজস্ক্রিয় পদার্থের উপস্থিতি
  9. ময়লা-আবর্জনা
  10. দ্রবীভূত অক্সিজেন
  11. তাপমাত্রা
  12. pH
  13. লবণাক্ততা
  14. ২.৩ পানির পুনরাবর্তন ও পরিবেশ সংরক্ষণে পানির ভূমিকা
  15. পানির পুনরাবর্তন
  16. পরিবেশ সংরক্ষণে পানির ভূমিকা
  17. ২.৪ পানি বিশুদ্ধকরণ
  18. পরিস্রাবণ
  19. ক্লোরিনেশন
  20. ফুটন
  21. পাতন
  22. ২.৫ বাংলাদেশের পানির উৎস দূষণের কারণ
  23. ২.৫.১ উদ্ভিদ, প্রাণী এবং মানুষের উপর পানিদূষণের প্রভাব
  24. ২.৬ বৈশ্বিক উষ্ণতা
  25. ২.৬.১ মিঠা পানিতে বৈশ্বিক উষ্ণতার প্রভাব
  26. সমুদ্রের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি
  27. লবণাক্ততা
  28. বৃষ্টিপাত
  29. ২.৬.২ বাংলাদেশে বৈশ্বিক উষ্ণতার প্রভাব
  30. ২.৭ বাংলাদেশে পানিদূষণ প্রতিরোধের কৌশল এবং নাগরিকের দায়িত্ব
  31. জলাভূমি রক্ষা
  32. বৃষ্টির পানি নিয়ন্ত্রণ
  33. জনসচেতনতা বৃদ্ধি
  34. শিল্পকারখানার বর্জ্যপানির দূষণ প্রতিরোধ
  35. কৃষিজমি থেকে মাটির ক্ষয়জনিত দূষণ প্রতিরোধ
  36. উন্নয়ন কার্যক্রমে পানির ভূমিকা
  37. ২.৮ বাংলাদেশে পানির উৎসে হুমকি
  38. বন্যা ও মাটির ক্ষয়জনিত কারণে সৃষ্ট হুমকি
  39. নদী দখল
  40. নদীতে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ
  41. অপরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা
  42. পানির গতিপথ পরিবর্তন
  43. পানি একটি মৌলিক অধিকার
  44. পানির উৎস সংরক্ষণ ও উন্নয়ন
  45. ২.৯ পানিপ্রবাহের সর্বজনীনতা এবং আন্তর্জাতিক নিয়মনীতি
  46. রামসার কনভেনশন
  47. আন্তর্জাতিক নদী কনভেনশন (International Water Course Convention)
  48. নমুনা প্রশ্ন
  49. বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  50. সৃজনশীল প্রশ্ন
  51. সংক্ষিপ্ত-উত্তর প্রশ্ন

Printed page 33

দ্বিতীয় অধ্যায়

জীবনের জন্য পানি

পানির আরেক নাম জীবন। শুধু জীবন ধারণের জন্য নয়, দেশের উন্নয়নের জন্যও আমাদের পানির দরকার। নানা উৎস থেকে আমরা পানি পাই। নানা কারণে আমাদের অতি প্রয়োজনীয় এই পানির উৎস হুমকির মুখে পড়ছে। এই অধ্যায়ে আমরা এই হুমকিগুলোর কথা জানব এবং কেমন করে তার মোকাবিলা করতে পারব, সেই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করব।

Printed page 34

এই অধ্যায় শেষে আমরা -

  • পানির ধর্ম বর্ণনা করতে পারব ;
  • পানির গঠন ব্যাখ্যা করতে পারব ;
  • পানির বিভিন্ন উৎস বর্ণনা করতে পারব ;
  • জলজ উদ্ভিদ ও জলজ প্রাণীর জন্য পানির প্রয়োজনীয়তা এবং পানির মানদণ্ড ব্যাখ্যা করতে পারব ;
  • পরিবেশ সংরক্ষণে পানির পুনরাবর্তন ধাপসমূহে পানির ভূমিকা বিশ্লেষণ করতে পারব ;
  • মানসম্মত পানির প্রয়োজনীয়তা বর্ণনা করতে পারব ;
  • পানি বিশুদ্ধকরণ প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করতে পারব ;
  • বাংলাদেশে পানির উৎসে দূষণের কারণ ব্যাখ্যা করতে পারব ;
  • পানিদূষণের প্রভাব বিশ্লেষণ করতে পারব ;
  • বাংলাদেশের মিঠা পানিতে বৈশ্বিক উষ্ণতার প্রভাব বিশ্লেষণ করতে পারব ;
  • পানিদূষণ প্রতিরোধের কৌশল ও নাগরিকের দায়িত্ব বর্ণনা করতে পারব ;
  • উন্নয়ন কার্যক্রমে পানির ভূমিকা বিশ্লেষণ করতে পারব ;
  • বাংলাদেশে পানির উৎসে হুমকির প্রভাব বিশ্লেষণ করতে পারব ;
  • পানির উৎস সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা এবং কৌশল বর্ণনা করতে পারব ;
  • ‘পানি প্রাপ্তি সকল নাগরিকের মৌলিক অধিকার’– ব্যাখ্যা করতে পারব ;
  • পানিপ্রবাহের সর্বজনীনতা এবং আন্তর্জাতিক নিয়মনীতি বর্ণনা করতে পারব ;
  • বিশুদ্ধ পানির ব্যবহার এবং সুস্থ জীবনযাপনে এর প্রভাব বিষয়ে অনুসন্ধানমূলক কাজ পরিচালনা করতে পারব ;
  • পানির সংকটের (গৃহস্থালি/কৃষি/শিল্পে ব্যবহার) কারণ অনুসন্ধান করতে পারব ;
  • পানি ব্যবহার ও পানির সংরক্ষণে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে পোস্টার অঙ্কন করতে পারব ;
  • পানির উৎসে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ, দূষণ রোধ বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টি করব ;
  • ‘পানি নাগরিকের মৌলিক মানবিক অধিকার’ বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করব ;
  • পানির অপচয়রোধ এবং কার্যকর ব্যবহারে সচেতন হব।

Printed page 35

২.১ পানি

পৃথিবীতে যত ধরনের তরল পদার্থ পাওয়া যায়, পানি তার মাঝে সবচেয়ে সহজলভ্য। মানুষের শরীরের শতকরা ৬০-৭৫ ভাগই হচ্ছে পানি। মাছ, মাংস কিংবা শাকসবজিতে শতকরা ৬০-৯০ ভাগ পানি থাকে। পৃথিবীপৃষ্ঠের শতকরা ৭৫ ভাগই হচ্ছে পানি। আমাদের বেঁচে থাকার জন্য পানি অপরিহার্য, তাই পানির আরেক নাম হচ্ছে জীবন। তাহলে পানির কিছু গুরুত্বপূর্ণ ধর্ম সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

২.১.১ পানির ধর্ম

গলনাঙ্ক ও ফুটনাঙ্ক

তোমাদের কি মনে আছে, পানির গলনাঙ্ক আর ফুটনাঙ্ক কত? পানি যখন কঠিন অবস্থায় থাকে সেটিকে আমরা বলি বরফ। যে তাপমাত্রায় বরফ গলে যায়, সেটিই হচ্ছে বরফের গলনাঙ্ক। বরফের গলনাঙ্ক ০∘০^\circ সেলসিয়াস। অন্যদিকে বায়ুমণ্ডলীয় চাপে যে তাপমাত্রায় তরল পদার্থ বাষ্পে পরিণত হয়, তাকে বলে ফুটনাঙ্ক। পানির ফুটনাঙ্ক ৯৯.৯৮∘৯৯.৯৮^\circ সেলসিয়াস যেটা ১০০∘১০০^\circ সেলসিয়াসের খুবই কাছাকাছি। তাই সাধারণভাবে আমরা পানির ফুটনাঙ্ক ১০০∘১০০^\circ সেলসিয়াস বলে থাকি।

বিশুদ্ধ পানি স্বাদহীন, গন্ধহীন আর বর্ণহীন। তোমরা কি জানো পানির ঘনত্ব কত? পানির ঘনত্ব তাপমাত্রার ওপর নির্ভর করে। ৪∘৪^\circ সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি আর সেটি হচ্ছে ১১ গ্রাম/সি.সি বা ১০০০১০০০ কেজি/মিটার কিউব। অর্থাৎ ১১ সি.সি. পানির ভর হলো ১১ গ্রাম বা ১১ কিউবিক মিটার পানির ভর হলো ১০০০১০০০ কেজি।

বিদ্যুৎ বা তড়িৎ পরিবাহিতা

বিশুদ্ধ পানিতে বিদ্যুৎ বা তড়িৎ পরিবাহিত হয় না, তবে এতে লবণ কিংবা এসিডের মতো তড়িৎ বিশ্লেষ্য পদার্থ দ্রবীভূত থাকলে তড়িৎ পরিবাহিত হয়। পানির একটি বিশেষ ধর্ম হলো, এটি বেশির ভাগ অজৈব যৌগ আর অনেক জৈব যৌগকে দ্রবীভূত করতে পারে। এজন্য পানিকে সর্বজনীন দ্রাবকও বলা হয়। পানি একটি উভধর্মী পদার্থ অর্থাৎ কখনো এসিড, কখনো ক্ষার হিসেবে কাজ করে। সাধারণত এসিডের উপস্থিতিতে পানি ক্ষার হিসেবে আর ক্ষারের উপস্থিতিতে এসিড হিসেবে কাজ করে। তবে বিশুদ্ধ পানি পুরোপুরি নিরপেক্ষ অর্থাৎ এর pH\text{pH} হলো ৭৭, যেটি সম্পর্কে আমরা সপ্তম অধ্যায়ে বিস্তারিত জানব।

পানির গঠন

তোমাদের মনে কি প্রশ্ন জেগেছে যে আমাদের জীবনের জন্য অপরিহার্য এই পানি কী দিয়ে তৈরি? পানি দুইটি হাইড্রোজেন পরমাণু আর একটি অক্সিজেন পরমাণু (চিত্র ২.০১) দিয়ে গঠিত। তাই আমরা রসায়ন পড়ার সময় পানিকে H2O\text{H}_2\text{O} লিখি অর্থাৎ এটিই হলো পানির সংকেত।

Printed page 36

Figure: চিত্র ২.০১: একটি অক্সিজেন ও দুইটি হাইড্রোজেনের পরমাণু দিয়ে একটি পানির অণু গঠিত হয়

লেবেল: H, H, + O, H, H, O, পানি, O, H, H

বর্ণনা: বাম দিকে দুইটি H পরমাণু এবং একটি O পরমাণুর সমন্বয় এবং তীর চিহ্ন দিয়ে ডানে দুইটি H ও একটি O যুক্ত গঠন দেখানো হয়েছে। ডান দিকে একটি পানির অণুর গোলক-দণ্ড মডেল: মাঝখানে একটি বড় O গোলক এবং তার দুই পাশে দুইটি ছোট H গোলক দণ্ড দিয়ে যুক্ত।

আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে এখন আমরা জানি যে, আমরা যে পানি দেখি সেখানে অনেক পানির অণু একসাথে ক্লাস্টার (Cluster) হিসেবে থাকে।

২.১.২ পানির উৎস

তোমরা কি বলতে পারবে, আমাদের অতি দরকারি এই পানি আমরা কোন উৎস থেকে পাই? পানির সবচেয়ে বড় উৎস হচ্ছে সাগর, মহাসাগর বা সমুদ্র। পৃথিবীতে যত পানি আছে, তার প্রায় শতকরা ৯০ ভাগেরই উৎস হচ্ছে সমুদ্র। সমুদ্রের পানিতে প্রচুর লবণ থাকে, এজন্য সমুদ্রের পানিকে লোনা পানিও (Marine water) বলে। লবণের কারণে সমুদ্রের পানি পানের অনুপযোগী, এমনকি বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অন্য কাজেও সমুদ্রের পানি ব্যবহার করা যায় না।

পানির আরেকটি বড় উৎস হলো হিমবাহ তুষার স্রোত, যেখানে পানি মূলত বরফ আকারে থাকে। এই উৎসে প্রায় শতকরা ২ ভাগের মতো পানি আছে। উল্লেখ্য যে বরফ আকারে থাকায় এই পানিও কিন্তু অন্য কাজে ব্যবহারের উপযোগী নয়। ব্যবহার উপযোগী পানির উৎস হলো নদ-নদী, খাল-বিল, হ্রদ, পুকুর কিংবা ভূগর্ভস্থ পানি। ভূগর্ভস্থ পানি আমরা নলকূপের মাধ্যমে তুলে আনি। পাহাড়ের উপর জমে থাকা বরফ বা তুষার গলেও ঝরনা সৃষ্টি করতে পারে। লক্ষণীয় ব্যাপার হলো, পৃথিবীতে ব্যবহারের উপযোগী পানি মাত্র শতকরা ১ ভাগ।

বাংলাদেশে মিঠা পানির উৎস

আমরা আমাদের বাসায় রান্না থেকে শুরু করে কাপড় ধোয়া, গোসল কিংবা খাওয়ার পানি কোথা থেকে পাই? মাঠে ফসল ফলাতে কখনো কখনো (যেমন– ইরি ধানের জন্য) প্রচুর পরিমাণে পানির দরকার হয়। এ পানিই বা আমরা কোথা থেকে পাই? আমাদের দেশে ঝরনা তেমন একটা না থাকায় মিঠা পানির মূল উৎস হচ্ছে নদ-নদী, খাল-বিল, পুকুর, হ্রদ এবং ভূগর্ভের পানি। তবে ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ বিশেষ করে আর্সেনিক থাকায় বাংলাদেশের বিস্তৃত এলাকার ভূগর্ভের পানি পানের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। তাই ঐ সকল এলাকার মানুষ বৃষ্টির পানি সংগ্রহ করার পর পরিশোধন করে সেটি পান করতে বাধ্য হয়েছে।

Printed page 37

২.১.৩ জলজ উদ্ভিদের জন্য পানির প্রয়োজনীয়তা

তোমরা কচুরিপানা, ক্ষুদিপানা, ওড়িপানা, সিংগারা, টোপাপানা, শাপলা, পদ্ম, শ্যাওলা, হাইড্রিলা, কলমি, হেলেঞ্চা, কেশরদাম ইত্যাদি নানা রকম জলজ উদ্ভিদের নাম শুনেছ এবং তাদের অনেকগুলো নিজের চোখেও দেখেছ। এরা কোথায় জন্মে জানো? এদের বেশির ভাগই পানিতে জন্মে (চিত্র ২.০২) এবং কিছু কিছু আছে (যেমন- কলমি, হেলেঞ্চা, কেশরদাম) যারা পানিতে আর মাটিতে দু জায়গাতেই জন্মে। অর্থাৎ পানি না থাকলে বেশির ভাগ জলজ উদ্ভিদ জন্মাতই না। কিছু কিছু হয়তো জন্মাত কিন্তু বাঁচতে পারত না কিংবা বেঁচে থাকলেও বেড়ে উঠতে পারত না। তখন কী হতো?

তখন পরিবেশের মারাত্মক বিপর্যয় ঘটত। তার কারণ, এই জলজ উদ্ভিদগুলো একদিকে যেমন সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে অক্সিজেন তৈরি করে পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেনের মাত্রা ঠিক রাখে, অন্যদিকে এদের অনেকগুলো বিশেষ করে শ্যাওলাজাতীয় জলজ উদ্ভিদগুলো জলজ প্রাণীদের খাদ্যভান্ডার হিসেবে কাজ করে। এসব জলজ উদ্ভিদ না থাকলে মাছসহ অনেক জলজ প্রাণী বাঁচতেই পারত না, যেটি পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকির কারণ হতো। তোমরা জানো যে, উদ্ভিদগুলো সাধারণত মূলের মাধ্যমে পানি আর অন্যান্য প্রয়োজনীয় উপাদান সংগ্রহ করে। কিন্তু জলজ উদ্ভিদগুলো সারা দেহের মাধ্যমেই পানিসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় উপাদান বিশেষ করে খনিজ লবণ সংগ্রহ করে থাকে। তাই এদের পুরো দেহ পানির সংস্পর্শে না এলে এদের বেড়ে ওঠাই হতো না।

Figure: চিত্র ২.০২: ক্ষুদিপানা, টোপাপানা এবং কচুরিপানা হচ্ছে জলজ উদ্ভিদের উদাহরণ

বর্ণনা: তিনটি জলজ উদ্ভিদ পানির ওপর দেখানো হয়েছে; বাঁ দিকে ছোট ক্ষুদিপানা, মাঝখানে টোপাপানা এবং ডান দিকে ফুলসহ কচুরিপানা। প্রতিটির নিচে পানির ভেতর ঝুলে থাকা শিকড় দেখা যাচ্ছে।

আরেকটি লক্ষণীয় ব্যাপার হচ্ছে জলজ উদ্ভিদের কান্ড আর অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গ খুব নরম হয়, যেটা পানির স্রোত আর জলজ প্রাণীর চলাচলের সঙ্গে মানানসই। পানি ছাড়া শুকনো মাটিতে এদের জন্ম হলে এরা ভেঙে পড়ত এবং বেড়ে উঠতে পারত না, এমনকি বাঁচতেও পারত না। আসলে, পরিবেশের সঙ্গে লড়াইয়ে টিকে থাকতে গিয়ে লক্ষ কোটি বছরের প্রাকৃতিক নির্বাচনের দ্বারা এসব উদ্ভিদ উল্লিখিত বৈশিষ্ট্য অর্জন করেছে।

তোমরা কি জানো, জলজ উদ্ভিদ কীভাবে বংশবিস্তার করে? জলজ উদ্ভিদগুলো সাধারণত অজ্ঞাজ উপায়ে বংশবিস্তার করে। পানি না থাকলে এই বংশবিস্তার বাধাগ্রস্ত হতো। তাই আমরা বলতে পারি, আমাদের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য জলজ উদ্ভিদগুলোর জন্ম খুবই জরুরি এবং তাদের বেড়ে ওঠার জন্য পানির ভূমিকা খুব গুরুত্বপূর্ণ।

Printed page 38

Loading the rest of the chapter…

Textbook content © National Curriculum and Textbook Board (NCTB), Bangladesh. Shown for study.

Trusted resources

Official links checked by the Zntext team. Part of the context pack.