Science chapter 3: All about Heart and Others
হৃদ্যন্ত্রের যত কথা এবং অন্যান্য
- Science
- Textbook pages 57-84
- 1 source
- 47,784 characters of context
Textbook (verbatim transcription): All about Heart and Others
Verbatim transcription of the printed NCTB textbook pages.
Contents39ShowHide
- হৃদ্যন্ত্রের যত কথা এবং অন্যান্য
- ৩.১ রক্ত (Blood)
- রক্তের উপাদান ও এদের কাজ
- ৩.১.১ রক্তরস বা প্লাজমা
- ৩.১.২ রক্তকোষ
- লোহিত রক্তকোষ
- লোহিত কোষের কাজ
- শ্বেত রক্তকোষ বা লিউকোসাইট
- (ক) অ্যাগ্রানুলোসাইট
- (খ) গ্রানুলোসাইট
- অণুচক্রিকা বা থ্রম্বোসাইট
- ৩.১.৩ রক্তের সাধারণ কাজ
- ৩.১.৪ রক্ত উপাদানের অস্বাভাবিক অবস্থা
- ৩.২ রক্তের গ্রুপ
- ৩.২.১ অ্যান্টিজেন এবং অ্যান্টিবডি
- ৩.২.২ Rh ফ্যাক্টর
- ৩.২.৩ রক্তের শ্রেণিবিভাগের গুরুত্ব
- ৩.৩ রক্ত সঞ্চালন
- ৩.৩.১ হৃৎপিণ্ড (Heart)
- ধমনি
- শিরা
- কৈশিক জালিকা
- ৩.৩.২ হৃৎপিণ্ডের কাজ
- হার্ট-বিট
- ৩.৩.৩ হার্ট-বিট বা পালসরেট গণনার পদ্ধতি
- ৩.৪ রক্তচাপ
- ৩.৪.১ উচ্চ রক্তচাপ
- ৩.৪.২ কোলেস্টেরল
- ৩.৫ হৃদ্যন্ত্রকে ভালো রাখার উপায়
- ৩.৬ ডায়াবেটিস, বহুমূত্র বা মধুমেহ রোগ
- ডায়াবেটিস এক ধরনের বিপাকজনিত রোগ।
- কোন ব্যক্তির ডায়াবেটিস হওয়ার আশঙ্কা বেশি
- ডায়াবেটিস রোগের লক্ষণ
- ডায়াবেটিস রোগীর পথ্য
- ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ
- নমুনা প্রশ্ন
- বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
- সৃজনশীল প্রশ্ন
- সংক্ষিপ্ত-উত্তর প্রশ্ন
Printed page 57
তৃতীয় অধ্যায়
হৃদ্যন্ত্রের যত কথা এবং অন্যান্য
মানুষ ও অন্যান্য উচ্চশ্রেণির প্রাণীদের দেহে যেসব তন্ত্র আছে, তার মধ্যে রক্ত সংবহনতন্ত্র উল্লেখযোগ্য। কারণ, এই তন্ত্রের মাধ্যমে দেহের যাবতীয় বিপাকীয় কাজের রসদ সারা শরীরে পরিবাহিত হয়। রক্ত সংবহনতন্ত্র গঠিত হয়েছে রক্ত, হৃৎপিণ্ড ও রক্তবাহিকা বা রক্তনালি নিয়ে। হৃৎপিণ্ড হচ্ছে হৃৎপেশি দিয়ে তৈরি ত্রিকোণাকার ফাঁপা প্রকোষ্ঠযুক্ত পাম্পের মতো একটি অঙ্গ। এর সংকোচন এবং প্রসারণের ফলে সারা দেহে রক্ত সঞ্চালিত হয়। আকার, আকৃতি ও কাজের ভিত্তিতে রক্তবাহিকা তিন রকম- ধমনি, শিরা ও কৈশিক জালিকা। রক্তকে রক্তবাহিকার ভেতর দিয়ে সঞ্চালনের জন্য হৃৎপিণ্ড মানব ও অন্য সকল প্রাণীদেহে পাম্পের মতো কাজ করে। ধমনি দিয়ে অক্সিজেন-সমৃদ্ধ রক্ত হৃৎপিণ্ড থেকে সারা দেহে বাহিত হয়। সাধারণত কার্বন ডাই-অক্সাইড সমৃদ্ধ রক্ত দেহের বিভিন্ন অঙ্গ থেকে শিরার মাধ্যমে হৃৎপিণ্ডে ফিরে আসে। ধমনি ও শিরার সংযোগস্থল জালিকাকারে বিন্যস্ত হয়ে কৈশিক জালিকা গঠন করে। আমরা এ অধ্যায়ে রক্ত এবং রক্ত সঞ্চালনের যাবতীয় বিষয় সম্বন্ধে জানতে পারব।
Printed page 58
এই অধ্যায় শেষে আমরা -
- রক্তের উপাদান এবং এদের কার্যক্রম ব্যাখ্যা করতে পারব ;
- রক্তের গ্রুপের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করতে পারব ;
- রক্তের স্থানান্তরের নীতি ব্যাখ্যা করতে পারব ;
- রক্ত গ্রহণে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন ব্যাখ্যা করতে পারব ;
- রক্তে বিঘ্নতা/বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির কারণ এবং এর ফলাফল ব্যাখ্যা করতে পারব ;
- শরীরে রক্ত সঞ্চালন কার্যক্রম ব্যাখ্যা করতে পারব ;
- আদর্শ রক্তচাপ, হার্টবিট, হার্টরেট এবং পালসরেটের মধ্যে সম্পর্ক বিশ্লেষণ করতে পারব ;
- রক্তচাপজনিত শারীরিক সমস্যা সৃষ্টির কারণ ও প্রতিরোধের কৌশল ব্যাখ্যা করতে পারব ;
- শরীরে রক্ত সঞ্চালনে কোলেস্টেরলের ভূমিকা বিশ্লেষণ করতে পারব ;
- কোলেস্টেরলকে প্রত্যাশিত সীমায় রাখার প্রয়োজনীয়তা ও উপায় ব্যাখ্যা করতে পারব ;
- রক্তে সুগারের ভারসাম্যতার কারণ, প্রতিরোধ ও প্রতিকারে করণীয় ব্যাখ্যা করতে পারব ;
- হৃদ্যন্ত্রকে ভালো রাখার উপায় বর্ণনা করতে পারব।
Printed page 59
৩.১ রক্ত (Blood)
প্রাণীদেহের রক্ত একধরনের লাল বর্ণের অস্বচ্ছ, আন্তঃকোষীয় লবণাক্ত এবং খানিকটা ক্ষারধর্মী তরল যোজক টিস্যু। একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষের দেহে প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে, যেটি মানুষের দেহের মোট ওজনের প্রায় ৮%। মানুষ এবং অন্যান্য মেরুদণ্ডী প্রাণীদেহের রক্ত লাল রঙের। রক্তে লাল রঙের হিমোগ্লোবিন নামে লৌহঘটিত প্রোটিন জাতীয় পদার্থ থাকায় রক্তের রং লাল। হিমোগ্লোবিন অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে অক্সিজেন পরিবহন করে। কিছু পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড হিমোগ্লোবিনের সাথে যুক্ত হয়ে ফুসফুসে পরিবাহিত হয়, তবে কার্বন ডাই-অক্সাইডের সিংহভাগ বাইকার্বনেট আয়ন হিসেবে রক্ত দ্বারা ফুসফুসে পরিবাহিত হয়।
রক্তের উপাদান ও এদের কাজ
রক্তের প্রধান উপাদানগুলো হলো রক্তরস বা প্লাজমা এবং রক্তকোষ (চিত্র ৩.০১)। সমগ্র রক্তের ৫৫% রক্তরস এবং বাকি ৪৫% রক্তকোষ। রক্তরসকে আলাদা করলে এটি হালকা হলুদ বর্ণের দেখায় এবং রক্তকোষগুলো এই রক্তরসে ভাসমান থাকে।
Figure: চিত্র ৩.০১: মানুষের রক্তের বিভিন্ন উপাদান
লেবেল: অণুচক্রিকা, শ্বেত রক্তকোষ, রক্তরস, লোহিত রক্তকোষ বর্ণনা: একটি রক্তনালির ভেতরে রক্তের উপাদানগুলো দেখানো হয়েছে। লাল রঙের লোহিত রক্তকোষ অসংখ্য, এর মধ্যে দুটি নীল রঙের শ্বেত রক্তকোষ এবং কয়েকটি ছোট হলুদ অণুচক্রিকা রয়েছে। এদের চারপাশে হালকা হলুদ রক্তরস। প্রতিটি উপাদানের দিকে তীর চিহ্ন দিয়ে নাম লেখা হয়েছে।
Printed page 60
৩.১.১ রক্তরস বা প্লাজমা
রক্তের তরল অংশকে প্লাজমা বলে। রক্তরসের প্রায় ৯০% পানি, বাকি ১০% দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে বিভিন্ন রকমের জৈব এবং অজৈব পদার্থ। অজৈব পদার্থগুলোর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের খনিজ পদার্থের আয়ন, যেমন- সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ক্লোরিন, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, লৌহ, আয়োডিন এবং O2, CO2 এবং N2 জাতীয় গ্যাসীয় পদার্থ। জৈব পদার্থগুলো হলো:
১. খাদ্যসার: গ্লুকোজ, অ্যামিনো এসিড, স্নেহপদার্থ, ভিটামিন ইত্যাদি। ২. রেচন পদার্থ: ইউরিয়া, ইউরিক এসিড, অ্যামোনিয়া, ক্রিয়েটিনিন ইত্যাদি। ৩. প্রোটিন: ফাইব্রিনোজেন, গ্লোবিউলিন, অ্যালবুমিন, প্রোথ্রম্বিন ইত্যাদি। ৪. প্রতিরক্ষামূলক দ্রব্যাদি: অ্যান্টিটক্সিন, অ্যাগ্লুটিনিন ইত্যাদি। ৫. অন্তঃক্ষরা গ্রন্থির নিঃসৃত বিভিন্ন হরমোন। ৬. কোলেস্টেরল, লেসিথিন, বিলিরুবিন ইত্যাদি নানা ধরনের যৌগ।
রক্তরসের কাজগুলো হচ্ছে:
১. রক্তকোষসহ রক্তরসে দ্রবীভূত খাদ্যসার দেহের বিভিন্ন অংশে বাহিত করা। ২. টিস্যু থেকে বর্জ্য পদার্থ নির্গত করে, সেগুলো রেচনের জন্য বৃক্কে পরিবহন করা। ৩. শ্বসনের ফলে কোষের সৃষ্ট CO2 কে বাইকার্বনেট হিসেবে ফুসফুসে পরিবহন করা। ৪. রক্ত জমাট বাঁধার প্রয়োজনীয় উপাদানগুলো পরিবহন করা। ৫. হরমোন, এনজাইম, লিপিড প্রভৃতি দেহের বিভিন্ন অংশে বহন করা। ৬. রক্তের অম্ল-ক্ষারের ভারসাম্য রক্ষা করা।
সিরাম:
রক্ত থেকে রক্তকোষ এবং রক্ত জমাট বাঁধার জন্য যে প্রয়োজনীয় প্রোটিন আছে, সেটাকে সরিয়ে নেওয়ার পর যে তরলটি রয়ে যায়, তাকে সিরাম বলে। অন্যভাবে বলা যায়, রক্ত জমাট বাঁধার পর যে স্বচ্ছ রস পাওয়া যায়, তাকে সিরাম বলে। রক্তরস বা প্লাজমা এবং সিরামের মাঝে পার্থক্য হলো রক্তরসে রক্ত জমাট বাঁধার প্রয়োজনীয় প্রোটিন থাকে, সিরামে সেটি থাকে না।
৩.১.২ রক্তকোষ
রক্তরসের মধ্যে ছড়ানো বিভিন্ন রকমের কোষকে রক্তকোষ বলে। রক্তকোষগুলো প্রধানত তিন রকমের, যথা:
Printed page 61
(ক) লোহিত বা লাল রক্তকোষ বা এরিথ্রোসাইট (খ) শ্বেত রক্তকোষ বা লিউকোসাইট এবং (গ) অণুচক্রিকা বা থ্রম্বোসাইট বা প্লেটলেট।
লোহিত রক্তকোষ
মানবদেহের পরিণত লোহিত রক্তকোষ দ্বি-অবতল এবং চাকতি আকৃতির (চিত্র ৩.০২)। এতে হিমোগ্লোবিন নামে রঞ্জক পদার্থ থাকার কারণে দেখতে লাল বর্ণের হয়। এজন্য এদেরকে Red Blood Cell বা RBC বলে। অন্যভাবে বলা যায়, লোহিত কোষ প্রকৃতপক্ষে হিমোগ্লোবিন ভর্তি চ্যাপ্টা আকৃতির ভাসমান ব্যাগ। এ কারণে লোহিত কোষ অধিক পরিমাণ অক্সিজেন পরিবহন করতে পারে। পরিণত লোহিত কোষগুলোর বিভাজন হয় না। এ কোষগুলো সর্বক্ষণই অস্থিমজ্জার ভিতরে উৎপন্ন হতে থাকে এবং উৎপন্ন হওয়ার পর রক্তরসে চলে আসে। মানুষের লোহিত কোষের গড় আয়ু প্রায় চার মাস অর্থাৎ ১২০ দিন। স্তন্যপায়ী প্রাণীদের লোহিত রক্তকোষগুলো উৎপন্ন হওয়ার পর রক্তরসে আসার পূর্বে নিউক্লিয়াসবিহীন হয়ে যায়। অন্যান্য মেরুদণ্ডী প্রাণীর ক্ষেত্রে এরকম ঘটে না অর্থাৎ এদের লোহিত কোষগুলোতে নিউক্লিয়াস থাকে। লোহিত কোষ প্লীহা (Spleen) তে সঞ্চিত থাকে এবং তাৎক্ষণিক প্রয়োজনে প্লীহা থেকে লোহিত কোষ রক্তরসে সরবরাহ হয়।
Figure: চিত্র ৩.০২: লোহিত রক্তকোষ
বর্ণনা: একগুচ্ছ লোহিত রক্তকোষ আঁকা হয়েছে; কোষগুলো লাল, দ্বি-অবতল চাকতি আকৃতির, কিছু কোষ একটির ওপর আরেকটি আংশিক ঢাকা অবস্থায় রয়েছে।
বিভিন্ন বয়সের মানবদেহে প্রতি ঘনমিলিমিটার রক্তে গড়ে লোহিত কোষের সংখ্যা ভিন্ন। যেমন– ভ্রূণ দেহে: ৮-৯ মিলিয়ন; শিশুর দেহে: ৬-৭ মিলিয়ন; পূর্ণবয়স্ক পুরুষ দেহে: ৪.৫-৫.৫ মিলিয়ন; এবং পূর্ণবয়স্ক নারীর দেহে: ৪-৫ মিলিয়ন।
লোহিত কোষের কাজ
লোহিত কোষের প্রধান কাজ হলো:
১. দেহের প্রতিটি কোষে অক্সিজেন সরবরাহ করা। ২. নিষ্কাশনের জন্য কিছু পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইডকে টিস্যু থেকে ফুসফুসে বহন করা। ৩. হিমোগ্লোবিনের সাহায্যে রক্তের অম্ল-ক্ষারের সমতা বজায় রাখার জন্য বাফার হিসেবে কাজ করা।
Printed page 62
Figure: চিত্র ৩.০৩: শ্বেত কোষ ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণুকে ধ্বংস করছে।
লেবেল: শ্বেত কোষ, জীবাণু বর্ণনা: বাম দিকে একটি গোলাকার শ্বেত কোষ; তীর দিয়ে ধাপগুলো দেখানো হয়েছে। কোষটি অনিয়মিত আকার ধারণ করে একটি জীবাণুকে ঘিরে ফেলছে, পরে জীবাণুটি কোষের ভিতরে থাকে এবং শেষ ধাপে কোষের ভিতরে জীবাণুর অবশিষ্টাংশ দেখা যায়।
শ্বেত রক্তকোষ বা লিউকোসাইট
শ্বেত কোষের নির্দিষ্ট কোনো আকার নেই। এগুলো হিমোগ্লোবিনবিহীন এবং নিউক্লিয়াসযুক্ত বড় আকারের কোষ। শ্বেত কোষের গড় আয়ু ১-১৫ দিন। হিমোগ্লোবিন না থাকার কারণে এদের শ্বেত রক্তকোষ, ইংরেজিতে White Blood Cell বা WBC বলে। শ্বেত কোষের সংখ্যা RBC-এর তুলনায় অনেক কম। এরা অ্যামিবার মতো দেহের আকারের পরিবর্তন করে। ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় (চিত্র ৩.০৩) এটি জীবাণুকে ধ্বংস করে। শ্বেত কোষগুলো রক্তরসের মধ্য দিয়ে নিজেরাই চলতে পারে। রক্ত জালিকার প্রাচীর ভেদ করে টিস্যুর মধ্যে প্রবেশ করতে পারে। দেহ বাইরের জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হলে দ্রুত শ্বেত কোষের সংখ্যার বৃদ্ধি ঘটে। মানবদেহে প্রতি ঘনমিলিমিটার রক্তে ৪-১০ হাজার শ্বেত রক্তকোষ থাকে। অসুস্থ মানবদেহে এর সংখ্যা সাধারণত বেড়ে যায়। শ্বেত রক্ত কোষে DNA থাকে।
প্রকারভেদ: গঠনগতভাবে এবং সাইটোপ্লাজমে গ্র্যানিউল বা দানার উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি অনুসারে শ্বেত কোষকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায় (চিত্র ৩.০৪), যথা (ক) অ্যাগ্রানুলোসাইট বা দানাবিহীন এবং (খ) গ্রানুলোসাইট বা দানাযুক্ত।
(ক) অ্যাগ্রানুলোসাইট
এ ধরনের শ্বেত কোষগুলোর সাইটোপ্লাজম দানাহীন ও স্বচ্ছ। অ্যাগ্রানুলোসাইট শ্বেত কোষ দুই রকমের; যথা– লিম্ফোসাইট ও মনোসাইট। দেহের লিম্ফনোড, টনসিল, প্লীহা ইত্যাদি অংশে এরা তৈরি হয়। লিম্ফোসাইটগুলো বড় নিউক্লিয়াসযুক্ত ছোট কোষ। মনোসাইট ছোট, ডিম্বাকার ও বৃক্কাকার নিউক্লিয়াসবিশিষ্ট বড় কোষ। লিম্ফোসাইট অ্যান্টিবডি গঠন করে এবং এই অ্যান্টিবডির দ্বারা দেহে
Printed page 63
প্রবেশ করা রোগজীবাণু ধ্বংস করে। এভাবে দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। মনোসাইট ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় রোগজীবাণুকে ধ্বংস করে।
Figure: চিত্র ৩.০৪: বিভিন্ন প্রকার শ্বেত কোষ
লেবেল: লিম্ফোসাইট, মনোসাইট, নিউট্রোফিল, ইওসিনোফিল, বেসোফিল বর্ণনা: উপরে বাম দিকে ছোট গোলাকার লিম্ফোসাইট এবং ডানে বড় মনোসাইট; নিচে তিনটি দানাযুক্ত কোষ যথাক্রমে বাম থেকে নিউট্রোফিল, ইওসিনোফিল ও বেসোফিল, প্রতিটির নিচে নাম লেখা।
Loading the rest of the chapter…
Textbook content © National Curriculum and Textbook Board (NCTB), Bangladesh. Shown for study.
Trusted resources
Official links checked by the Zntext team. Part of the context pack.