Skip to content

Science chapter 4: Starting a New Life

নবজীবনের সূচনা

  • Science
  • Textbook pages 85-114
  • 1 source
  • 52,004 characters of context

Textbook (verbatim transcription): Starting a New Life

Verbatim transcription of the printed NCTB textbook pages.

Contents35
  1. ৪.১ বয়ঃসন্ধিকাল
  2. ৪.১.১ বয়ঃসন্ধিকালের পরিবর্তনসমূহ
  3. ৪.১.২ বয়ঃসন্ধিকালে পরিবর্তনের কারণ
  4. ৪.১.৩ দৈহিক স্বাস্থ্য ঠিক রাখা
  5. ৪.১.৪ মানসিক স্বাস্থ্য ঠিক রাখা
  6. ৪.১.৫ বয়ঃসন্ধিকালীন বিবাহ ও গর্ভধারণ
  7. ৪.১.৬ টেস্টটিউব বেবি
  8. ৪.২ সন্তানের লিঙ্গা নির্ধারণ
  9. ৪.৩ পৃথিবীতে জীবনের উৎপত্তি ও বিকাশ
  10. ৪.৩.১ জীবনের আবির্ভাব কোথায়, কবে এবং কীভাবে ঘটেছে
  11. জৈব অভিব্যক্তির সপক্ষে প্রমাণ
  12. ১. অঙ্গসংস্থান সম্পর্কিত প্রমাণ
  13. ২. তুলনামূলক শারীরস্থানিক প্রমাণ
  14. ৩. সংযোগকারী জীবন সম্পর্কিত প্রমাণ
  15. ৪. ভ্রূণতত্ত্বঘটিত প্রমাণ
  16. ৫. জীবাশ্মঘটিত প্রমাণ
  17. ৬. জীবন্ত জীবাশ্ম
  18. ৭. আণবিক জীববিজ্ঞান
  19. ৪.৪ জৈব অভিব্যক্তির উপর বিভিন্ন মতবাদ
  20. ৪.৪.১ ল্যামার্কের তত্ত্ব
  21. ১. ব্যবহার ও অব্যবহারের সূত্র
  22. ২. পরিবেশের প্রভাব
  23. ৩. অর্জিত বৈশিষ্ট্যের বংশানুসরণ ও নতুন প্রজাতির উৎপত্তি
  24. ৪.৪.২ ডারউইনবাদ বা ডারউইনের তত্ত্ব
  25. ১. অত্যধিক হারে বংশবৃদ্ধি
  26. ২. সীমিত খাদ্য ও বাসস্থান
  27. ৩. অস্তিত্বের জন্য সংগ্রাম
  28. ৪. প্রকরণ বা জীবদেহে পরিবর্তন
  29. ৫. যোগ্যতমের জয়
  30. ৬. প্রাকৃতিক নির্বাচন
  31. ৭. নতুন প্রজাতির উৎপত্তি
  32. নমুনা প্রশ্ন
  33. বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  34. সৃজনশীল প্রশ্ন
  35. সংক্ষিপ্ত-উত্তর প্রশ্ন

Printed page 85

চতুর্থ অধ্যায়

নবজীবনের সূচনা

আজ থেকে প্রায় সাড়ে তিনশ কোটি বছর আগে পৃথিবীতে প্রথম প্রাণের উৎপত্তি হয়। পৃথিবীর জলবায়ু তখন স্থিতিশীল ছিল না। তারপর কয়েকশ কোটি বছর পরে আজ পৃথিবী শান্ত, তার জলবায়ুও মোটামুটি স্থিতিশীল। পৃথিবীতে এখন বহু প্রজাতির জীবের বসবাস। অর্থাৎ এই দীর্ঘ সময়ে প্রথম আবির্ভূত অনুন্নত জীব ক্রমপরিবর্তিত হয়ে ধীরে ধীরে বিভিন্ন জীবপ্রজাতি সৃষ্টি করেছে।

মানুষের জীবন শুরু হয় মাতৃগর্ভে মায়ের ডিম্বাণু এবং বাবার শুক্রাণুর মিলনে সৃষ্টি হওয়া একটি কোষ থেকে। মানুষ তার জীবনকালে প্রথমে থাকে শিশু। পরবর্তীকালে শিশু থেকে ধাপে ধাপে কৈশোর-যৌবন পার হয়ে বৃদ্ধ অবস্থায় উপনীত হয়। জীবনকালের এই পরিবর্তনের একটি ধাপ হচ্ছে বয়ঃসন্ধিকাল। বয়ঃসন্ধিকালে সবারই দৈহিক এবং মানসিক পরিবর্তন ঘটে। আমরা এই অধ্যায়ে পৃথিবীতে জীবের উৎপত্তি কীভাবে ঘটেছে এবং মানুষের বয়ঃসন্ধিকালে দৈহিক ও মানসিক পরিবর্তনগুলো কীভাবে ঘটে, সেগুলো নিয়ে আলোচনা করব।

Printed page 86

এই অধ্যায় শেষে আমরা -

  • বয়ঃসন্ধিকাল ব্যাখ্যা করতে পারব ;
  • বয়ঃসন্ধিকালে শারীরিক পরিবর্তনের কারণ ব্যাখ্যা করতে পারব ;
  • বয়ঃসন্ধিকালের মানসিক ও আচরণিক পরিবর্তনে নিজেকে খাপ খাওয়ানোর উপায় বর্ণনা করতে পারব ;
  • বয়ঃসন্ধিকালে দৈহিক ও মানসিক স্বাস্থ্যরক্ষার কৌশল ব্যাখ্যা করতে পারব ;
  • বয়ঃসন্ধিকালীন বিবাহে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং এর প্রভাব বিশ্লেষণ করতে পারব ;
  • টেস্টটিউব বেবির ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব ;
  • লিঙ্গা নির্ধারণের কৌশল ব্যাখ্যা করতে পারব ;
  • জীবনের উৎপত্তি এবং জীবজগতে অভিব্যক্তির ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব ;
  • পৃথিবীতে নতুন প্রজাতির উৎপত্তির ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব।

Printed page 87

৪.১ বয়ঃসন্ধিকাল

কোনো বাড়িতে একটি শিশু জন্ম নিলে সেখানে আনন্দের সাড়া পড়ে যায়। সকলেই শিশুটিকে আদর করতে চায়, কোলে নিতে চায়। শিশুটি ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে, পাঁচ বছর বয়স পর্যন্ত থাকে তাদের শৈশবকাল। ছয় থেকে দশ বছর পর্যন্ত বয়সকে আমরা বাল্যকাল বলি, তখন একজন শিশুকে মেয়ে হলে বালিকা এবং ছেলে হলে বালক বলা হয়। দশ বছর বয়সের পর একটি মেয়েকে কিশোরী এবং একটি ছেলেকে কিশোর বলা হয়। মানুষের জীবনের এই সময়কে বয়ঃসন্ধিকাল বলে। দশ বছর থেকে উনিশ বছর বয়স পর্যন্ত কিশোরকালের বিস্তৃতি। অর্থাৎ বয়ঃসন্ধিকাল বাল্যাবস্থা ও যৌবনকালের মধ্যবর্তী সময়। এ সময়ে বালক ও বালিকার শরীর যথাক্রমে পুরুষের এবং নারীর শরীরে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। সাধারণত মেয়েদের বয়ঃসন্ধিকাল ছেলেদের চেয়ে একটু আগে শুরু হয়। মেয়েদের বয়ঃসন্ধিকাল শুরু হয় আট থেকে তেরো বছর বয়সের মধ্যে। ছেলেদের বয়ঃসন্ধিকাল শুরুর বয়স দশ থেকে পনেরো বছর। কারো কারো ক্ষেত্রে এর চেয়ে একটু আগে বা পরেও বয়ঃসন্ধিকাল শুরু হতে পারে।

৪.১.১ বয়ঃসন্ধিকালের পরিবর্তনসমূহ

বয়ঃসন্ধিকালের পরিবর্তনগুলোর মধ্যে দৈহিক বা শারীরিক পরিবর্তনগুলোই প্রথমে চোখে পড়ে। এই পরিবর্তন দেখলেই বোঝা যায় যে কারো বয়ঃসন্ধিকাল চলছে।

শৈশব থেকে বাল্যকাল পর্যন্ত ছেলেমেয়েরা ধীরে ধীরে বেশ সময় নিয়ে বেড়ে ওঠে। কিন্তু বয়ঃসন্ধিকালের বেড়ে ওঠা অনেকটা আকস্মিক। ছেলেমেয়েরা হঠাৎ দ্রুত লম্বা হতে থাকে (চিত্র ৪.০১), ওজনও বাড়তে থাকে দ্রুত। দশ বছর বয়সের পরে তিন থেকে চার বছর ধরে মেয়ে ও ছেলেদের শরীরে নানারকম পরিবর্তন আসে।

নানা কারণে আমাদের দেশের মানুষেরা এই অত্যন্ত স্বাভাবিক পরিবর্তনের বিষয়গুলো আলোচনা করতে সংকোচ বোধ করে। কিন্তু যেহেতু তোমরা এখন বয়ঃসন্ধিকালের ভেতর দিয়ে যাচ্ছ, তাই তোমার ভেতর কী কী পরিবর্তন হবে, সেগুলো জেনে রাখা ভালো। তাহলে তোমরা ভয় কিংবা লজ্জা না পেয়ে তোমাদের ভবিষ্যৎ জীবন নিয়ে প্রস্তুত থাকতে পারবে।

Figure: চিত্র ৪.০১: বয়ঃসন্ধিকালে ছেলেমেয়েরা দ্রুত লম্বা হয়ে ওঠে

বর্ণনা: বাম দিকে একটি মেয়ে নীল কুর্তা ও হলুদ পায়জামা পরে দাঁড়িয়ে আছে; ডান দিকে একটি ছেলে সবুজ টি-শার্ট ও ধূসর প্যান্ট পরে দাঁড়িয়ে, দুই হাত বুকের সামনে ধরে আছে। দুজনকেই প্রায় সমান উচ্চতার ও লম্বা করে দেখানো হয়েছে।

Printed page 88

বয়ঃসন্ধিকালে যেসব পরিবর্তন দেখা দেয়, সেগুলো প্রধানত তিন রকম–

১. শারীরিক পরিবর্তন

২. মানসিক পরিবর্তন

৩. আচরণগত পরিবর্তন।

১. শারীরিক পরিবর্তন

(ক) দ্রুত লম্বা হয়ে ওঠা এবং দ্রুত ওজন বেড়ে যাওয়া

(খ) ছেলেদের (১৬/১৭ বছর বয়সে) দাড়ি-গোঁফ গজানো এবং মেয়েদের স্তন বর্ধিত হতে শুরু করা

(গ) শরীরের বিভিন্ন অংশে লোম গজানো

(ঘ) ছেলেদের স্বরভঙ্গ হওয়া ও গলার স্বর মোটা হওয়া

(ঙ) ছেলেদের বীর্যপাত এবং মেয়েদের মাসিক শুরু হওয়া

(চ) ছেলেদের বুক ও কাঁধ চওড়া হয়ে ওঠা এবং মেয়েদের কোমরের হাড় মোটা হওয়া।

২. মানসিক পরিবর্তন

(ক) অন্যের, বিশেষত নিকটজনের মনোযোগ, যত্ন ও ভালোবাসা পাওয়ার ইচ্ছা তীব্র হওয়া

(খ) আবেগ দ্বারা চালিত হওয়ার প্রবণতা সৃষ্টি হওয়া

(গ) ছেলে ও মেয়েদের মধ্যে সম্পর্কের বিষয়ে কৌতূহল সৃষ্টি হওয়া

(ঘ) বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকর্ষণ সৃষ্টি হওয়া

(ঙ) মানসিক পরিপক্বতার পর্যায় শুরু হওয়া

(চ) পরনির্ভরতার মনোভাব পরিবর্তিত হয়ে আত্মনির্ভর হওয়ার পর্যায় শুরু হওয়া।

৩. আচরণগত পরিবর্তন

(ক) প্রাপ্তবয়স্কদের মতো আচরণ করা

(খ) সে যে একজন আলাদা ব্যক্তিত্ব, বিভিন্ন আচরণের মাধ্যমে এ বিষয়টি প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করা

(গ) প্রত্যেক বিষয়ে নিজের মতামত প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা

(ঘ) দুঃসাহসিক ও ঝুঁকিপূর্ণ কাজে প্রবৃত্ত হওয়া।

উল্লেখ্য যে, তৃতীয় লিঙ্গের ক্ষেত্রে উল্লিখিত পরিবর্তনসমূহ সুনির্দিষ্ট ক্যাটাগরিতে না-ও পড়তে পারে। সেক্ষেত্রে ঘাবড়ে না গিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। তৃতীয় লিঙ্গা মানেই তা অস্বাভাবিক এমন নয়, তবে কারো কারো ক্ষেত্রে চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে।

Printed page 89

একক কাজ

কাজ: নিচের ছকটি পূরণ করো :

বয়ঃসন্ধিকালের
শারীরিক পরিবর্তন (মেয়েদের)শারীরিক পরিবর্তন (ছেলেদের)মানসিক পরিবর্তন (উভয়ের)

৪.১.২ বয়ঃসন্ধিকালে পরিবর্তনের কারণ

সাধারণত ছেলেমেয়েদের ১১-১৯ বছরের সময়কালকে বয়ঃসন্ধিকাল বলে। তোমরা এর মাঝে জেনেছ যে, এ সময়ে ছেলেমেয়েদের শারীরিক ও মানসিক অবস্থার অনেক পরিবর্তন হয়। তবে আবহাওয়া, স্থান, খাদ্য গ্রহণের ধরন ও পরিমাণ এবং মানের তারতম্যের কারণে একেকজনের বয়ঃসন্ধিকালের সময়টা একেক রকম হতে পারে। বয়ঃসন্ধিকালে যেসব পরিবর্তন ঘটে, তার জন্য দায়ী হরমোন নামক একশ্রেণির রাসায়নিক পদার্থ, যা অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়। হরমোন শরীরের ভিতরে স্বাভাবিক শারীরিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তৈরি হয়। ছেলে ও মেয়েদের শরীরের হরমোনের মাত্রা ভিন্ন। এ কারণে তাদের শরীর ও মনে যে পরিবর্তন হয় সেটিও ভিন্ন। মেয়েদের শরীরে বিভিন্ন পরিবর্তনের জন্য দায়ী প্রধানত দুটি হরমোন। এ হরমোন দুটোর নাম হলো ইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্টেরন।

Figure: চিত্র ৪.০২: বয়ঃসন্ধিকালে ছেলেদের দাড়ি-গোঁফ গজায়

বর্ণনা: একটি ছেলে হাতে ধরা আয়নায় নিজের মুখ দেখছে এবং অন্য হাতে গাল স্পর্শ করছে। তার চিবুকে ও ঠোঁটের উপরে দাড়ি-গোঁফের ছোপ দেখানো হয়েছে।

Figure: চিত্র ৪.০৩: বয়ঃসন্ধিকালে নিজের পরিবর্তনের বিষয়ে মেয়েরা সচেতন হয়ে ওঠে

বর্ণনা: একটি মেয়ে বড় আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের প্রতিবিম্ব দেখছে এবং দুই হাতে গাল ছুঁয়ে আছে।

Printed page 90

এসব হরমোনের প্রভাবে কণ্ঠস্বরের পরিবর্তন হয়, দ্রুত দৈহিক বৃদ্ধি হয় এবং শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের আকার বৃদ্ধিসহ অন্যান্য পরিবর্তন ঘটে। এ হরমোনের কারণে মেয়েদের ঋতুস্রাব বা মাসিক শুরু হয়। বয়স যখন ১০-১৭ বছর হয়, সাধারণত তখনই মেয়েদের ঋতুস্রাব শুরু হয়। নারীর সন্তান ধারণের সক্ষমতার লক্ষণ হলো নিয়মিত ঋতুস্রাব। ঋতুস্রাব শুরু হওয়া সুস্বাস্থ্যের লক্ষণ। বাংলাদেশের নারীদের সাধারণত ৪৫-৫৫ বছর বয়সের মধ্যে ঋতুস্রাব বন্ধ হয়ে যায়। গড়ে ২৮ দিন পরপর বা মাসে একবার এই ঋতুস্রাব প্রক্রিয়া চলে এবং সাধারণত এটি ৩-৭ দিন পর্যন্ত স্থায়ী হয়। তবে ব্যক্তিবিশেষে এ সময়কালের ভিন্নতা থাকতে পারে।

বয়ঃসন্ধিকালে ছেলেদের শরীরে বিভিন্ন পরিবর্তনের জন্য যে হরমোন দায়ী, তার নাম হলো টেস্টোস্টেরন। এ হরমোনের প্রভাবে তাদের শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন ঘটে। ছেলেদের গলার স্বর ভারী হয়। মুখে দাড়ি ও গোঁফ গজায় (চিত্র ৪.০২), দ্রুত দৈহিক বৃদ্ধি পায়। ১৩ থেকে ১৫ বছরের ছেলেদের শরীরে শুক্রাণু তৈরি হয় এবং মাঝে মাঝে রাতের বেলা ঘুমের মধ্যে বীর্যপাত ঘটে। ছেলে ও মেয়ে উভয়ের মাঝেই শারীরিক পরিবর্তনের পাশাপাশি মানসিক পরিবর্তন হয়। ছেলে ও মেয়েরা এ বয়সে কল্পনাপ্রবণ হয় এবং আবেগ দ্বারা চালিত হয়। তারা পরিপাটিরূপে নিজেকে সাজিয়ে রাখতে চায় (চিত্র ৪.০৩)। এ সময় ছেলেরা সাধারণত মেয়েদের প্রতি এবং মেয়েরা সাধারণত ছেলেদের প্রতি আকর্ষণবোধ করে। এভাবেই ধীরে ধীরে কিশোর-কিশোরীরা প্রাপ্তবয়স্ক মানুষে পরিণত হতে শুরু করে।

একক কাজ

কাজ: নিচের বিবৃতি সত্য হলে ঠিক (√ ) চিহ্ন দাও এবং মিথ্যা হলে ক্রস (×) চিহ্ন দাও।

বিবৃতি√ অথবা ×
বয়ঃসন্ধিকালের পরিবর্তনগুলো ঘটে হরমোনের কারণে
বয়ঃসন্ধিকালের পরিবর্তনের কারণ অতিরিক্ত খাদ্য গ্রহণ
মেয়েদের শরীরে ইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্টেরন হরমোন কাজ করে
ইস্ট্রোজেন হরমোন ছেলেদের শরীরে তৈরি হয়
ছেলেদের বয়ঃসন্ধিকালের পরিবর্তনগুলো ঘটে প্রজেস্টেরন হরমোনের প্রভাবে
ইস্ট্রোজেন খাদ্য হজমে সহায়তা করে

Printed page 91

তোমরা জেনেছ যে ছেলেমেয়েদের ১১-১৯ বছর বয়সের সময়কালকে বলা হয় বয়ঃসন্ধিকাল। তোমরা এও জেনেছ, এ সময় ছেলেমেয়েদের দৈহিক ও মানসিক ক্ষেত্রে অনেক পরিবর্তন ঘটে। এই পরিবর্তনগুলোর সাথে স্বাস্থ্য রক্ষার বিষয়টি জড়িত।

Loading the rest of the chapter…

Textbook content © National Curriculum and Textbook Board (NCTB), Bangladesh. Shown for study.

Trusted resources

Official links checked by the Zntext team. Part of the context pack.